26/05/2026
বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কার্যক্রম: সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
সরকার গঠনের পর থেকেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
নারীকেন্দ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে।
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী চালু করা হয়েছে।
প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ক্ষুদ্র কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।
কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল করা হয়েছে।
দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি ও পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি করা হয়েছে।
১০টি কেবিনেট সভায় ৬০টি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, যার ৬২% বাস্তবায়িত হয়েছে।
শ্রমিকদের ঈদ বেতন, ভাতা ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ ট্রেন ও নৌ-সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
নারীদের জন্য ট্রেনে আলাদা কম্পার্টমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
হজযাত্রীদের বিমানভাড়া কমানো হয়েছে।
টেকনাফ-তেঁতুলিয়া ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত সম্পন্ন করার কাজ চলছে।
ট্রেন ও বিমানবন্দরে হাই-স্পিড ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিশুদের হাম টিকাদান প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫% বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পাসপোর্টে পুনরায় "Except Israel" যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এস আলম গ্রুপের ৪,২৬৪ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে একাধিক দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।
রেমিট্যান্স প্রায় ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রায় ২ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে রাষ্ট্রীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৬০ হাজার কোটি টাকার শিল্প ও কর্মসংস্থান তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে।
ভর্তুকিসহ এলপিজি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংসদে ৯৪টি বিল পাস হয়েছে এবং সংসদীয় কমিটিগুলো দ্রুত গঠন করা হয়েছে।
সংসদের দর্শনার্থী গ্যালারি বীরশ্রেষ্ঠদের নামে নামকরণ করা হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি ৮.৭১ শতাংশে নেমে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
দেশের আকাশসীমা পর্যবেক্ষণে Ground Master-400 রাডার চালু করা হয়েছে।
জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি আইন পাস করা হয়েছে।
ঢাকাকে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব নগরীতে রূপান্তরের জন্য গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন ঢাকা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের ট্রেন ও মেট্রোরেলে ২৫% ভাড়া ছাড় দেওয়া হয়েছে।
স্টার্টআপ ফান্ড চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ দখলমুক্ত ফুটপাথ ও হকার পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই, স্মার্ট ক্লাসরুম ও মিড-ডে মিল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন ও কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা জোরদার করা হয়েছে।
প্রতিটি জেলায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আগামী এক বছরকে "নজরুল বর্ষ" ঘোষণা করা হয়েছে।
ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে।
৬৪ জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
নতুন ফায়ার স্টেশন, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের দাবি অনুযায়ী, প্রথম ১০০ দিনে সামাজিক নিরাপত্তা, কৃষি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, ক্রীড়া ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ভিত্তি তৈরি করা হয়েছে।
কপি: Mossaraf Hossain Dipti