Sarishabari, Jamalpur, Bangladesh

Sarishabari, Jamalpur, Bangladesh Historical place of world.

https://www.somoynews.tv/news/2026-04-09/NXBT8zAM
09/04/2026

https://www.somoynews.tv/news/2026-04-09/NXBT8zAM

জামালপুরে উৎপাদিত মরিচ রফতানি হচ্ছে মালয়েশিয়াতে। দিন দিন চাহিদা বৃদ্ধি, স্বাদ, পুষ্টি ও গন্ধে অনন্য হয়ে উঠছে এ.....

বুরকার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। বুরকা হলো বিশেষ কারণে মাথা ও মুখ ঢেকে চলাফেরার পোশাক। পৃথিবীতে ইসলাম আসার বহু আগে ...
28/12/2025

বুরকার সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। বুরকা হলো বিশেষ কারণে মাথা ও মুখ ঢেকে চলাফেরার পোশাক। পৃথিবীতে ইসলাম আসার বহু আগে থেকেই বুরকা ছিলো। আরব পৌত্তলিকরা বুরকা পরতো। বাইজেন্টিন নারীরাও বুরকা পরতো। সেদিক থেকে বুরকা মূলত অমুসলিমদের পোশাক।

বুরকা প্রধানত পরা হতো— (ক) তীব্র রোদ ও বৈরি আবহাওয়া থেকে রক্ষা পেতে; (খ) গুপ্তচরবৃত্তি, চৌর্যবৃত্তি, ও চোরাকারবারের সহায়ক পরিধেয় হিশেবে; (গ) সম্মানজনক নয়, এমন পেশায় নিয়োজিত নারীদের রক্ষাকবচ হিশেবে; (ঘ) হারেমখানায় স্ত্রীর মর্যাদা পান নি, এমন নারী ও যৌনদাসীর পরিচয় আড়ালকারক হিশেবে; এবং (ঙ) নেকাব দ্বারা চোখের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে, কারণ আরব নারীদের চোখ সুন্দর ছিলো।

বুরকা শুধু মাথা বা মুখের হয় না। পায়েরও হয়। যেমন চীনা নারীরা পা দেখাতে চায় না। তাদের জন্য জুতা একপ্রকার বুরকা।

ইসলামের শুরুর দিকে ‘হিজাব’ বা ‘পর্দা’ বলতে আড়ালকারক চাদর ও দেয়াল বুঝাতো। তখন বহুকক্ষবিশিষ্ট ঘর-বাড়ি আরবে ছিলো না। মসজিদে এতেকাফের সময় চাদর টাঙ্গিয়ে যেভাবে আলাদা কক্ষ তৈরি করা হয়, সেভাবে হিজাব টাঙ্গিয়ে ঘরের ভেতর সাময়িক কক্ষ সৃষ্টি করা হতো। নবী যখন তাঁর ঘরে স্ত্রী-কন্যাদের নিয়ে একসাথে থাকতেন, তখন প্রায়ই সাহাবিরা গল্পগুজব করতে আসতো। দূর থেকে মেহমানরা দেখা-সাক্ষাৎ করতে আসতো। একটি ছোট ঘরে হুটহাট অপরিচিত মানুষজন আসায় নবী পরিবারের নারী সদস্যরা বিব্রত বোধ করতেন। এ জন্য হিজাব টাঙ্গিয়ে, অর্থাৎ ঘরের মাঝখানে চাদর-সদৃশ কাপড় টাঙ্গিয়ে, নারী সদস্যদের প্রাইভ্যাসি দেয়া হতো।

কিন্তু নবীর মৃত্যুর পর হিজাব শব্দটিকে কোরানের বিভিন্ন আয়াতের সাথে মিশিয়ে এর অর্থ ও পরিধি বাড়ানো হয়েছে। বিকৃত করা হয়েছে আসল রূপ। খিমার, জিলবাব, প্রভৃতি বিষয়কে হিজাবের সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছে। যে-আয়াতগুলো কেবল নবীর স্ত্রী-কন্যার জন্য প্রযোজ্য, সে-আয়াতগুলোকেও সাধারণ নারীদের ওপর চাপানো হয়েছে। এ কৃতিত্ব মতলববাজ ধর্মবণিকদের।

নবীর কোনো স্ত্রী ও কন্যা বুরকা পরতেন না। তাঁর স্ত্রী খাদিজা মুখ খোলা রেখে চলাফেরা করতেন। তিনি স্বাধীনভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যও করতেন। নিয়মিত হাট-বাজারে যেতেন। ইসলামের নামে অতিরঞ্জিত কিছু পালন করা ইসলামসম্মত নয়। কোরানে কোথাও নারীদেরকে বুরকা পরতে নির্দেশ দেয়া হয় নি। বরং কিছু আয়াত পড়ে মনে হয়েছে, বুরকা একটি ইসলাম-বিরোধী পোশাক।

গত কয়েক দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় টাইম ট্রাভেল বা সময় পরিভ্রমণ নিয়ে দুটি গল্প খুব জনপ্রিয় হয়েছে। একটি পুরোনো, ১৯৫৪ ...
21/10/2025

গত কয়েক দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় টাইম ট্রাভেল বা সময় পরিভ্রমণ নিয়ে দুটি গল্প খুব জনপ্রিয় হয়েছে। একটি পুরোনো, ১৯৫৪ সালের; অন্যটি নতুন, 'Torenzo' নামের দেশ নিয়ে।

অনেকেই এই প্রশ্ন করছেন: "সে তো শুধু টাইম ট্রাভেল করেছিল, এইটুকুই! কেন কেউ ব্যাপারটা বুঝতে পারছে না?"

আসুন, রহস্যের পর্দা সরিয়ে দেখি, এই গল্পগুলোর আড়ালে আসলে কী আছে!

১. পুরোনো গুজব: The Man from Taured (১৯৫৪)
এই গল্পটি সবচেয়ে পুরোনো এবং বহুল প্রচারিত।

* গল্পের দাবি: ১৯৫৪ সালে টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে এক ইউরোপীয় লোক এসে পৌঁছান। তার পাসপোর্টে দেশের নাম লেখা ছিল 'Taured', যা মানচিত্রে নেই। লোকটি মানচিত্রে Andorra (ফ্রান্স ও স্পেনের মাঝে) এর কাছে তার দেশের অবস্থান দেখান এবং বলেন Taured ১০০০ বছরের পুরোনো দেশ। এরপর তিনি একটি সুরক্ষিত হোটেল রুম থেকে রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে যান।

* আসল সত্য: Taured-এর ঘটনাটি একটি 'আর্বান লেজেন্ড' বা বানানো গল্প। অনুসন্ধানকারীরা বলছেন, এই কাহিনীর ভিত্তি হলো ১৯৫৯ সালের একটি আসল ঘটনা। সেই ঘটনায় জন অ্যালেন কুচার জেগ্রাস (John Allen Kuchar Zegrus) নামের এক জালিয়াত (Conman) টোকিওতে আটক হন।

* তিনি ভুয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করেছিলেন, যেখানে একটি কাল্পনিক দেশের নাম ছিল।

* তিনি হোটেল বা সুরক্ষিত ঘর থেকে অদৃশ্য হননি, বরং জালিয়াতির জন্য গ্রেফতার ও কারাদণ্ড ভোগ করেন।

* পরবর্তী সময়ে অতিপ্রাকৃত বিষয়ে লেখা বইগুলোতে এই জালিয়াতির ঘটনাকেই রং চড়িয়ে 'টাইম ট্রাভেলার' বা 'প্যারালাল ইউনিভার্সের মানুষ' বলে প্রচার করা হয়।

২. নতুন গুজব: Woman from Torenzo

আপনারা সম্প্রতি যে গল্পটি নিয়ে আলোচনা করছেন, সেটি এই Taured কাহিনীরই একটি নতুন সংস্করণ মাত্র!

* গল্পের দাবি: একজন নারীTorenzo নামের এক দেশ থেকে এসেছেন, যা এখনো দেশ নয়, কিন্তু ভবিষ্যতে স্বাধীন হবে। তারা এয়ারপোর্টে ধরা পড়েন এবং পরে অদৃশ্য হয়ে যান।

* আসল সত্য: Torenzo-এর গল্পে থাকা সব উপাদান (অজানা দেশ, এয়ারপোর্ট চেক, অদৃশ্য হওয়া) হুবহু Taured গল্পের মতোই। Torenzo নামে ইথিওপিয়ার কোনো শহর থাকলেও, সেই সূত্র ধরে টাইম ট্রাভেলের যে গল্প তৈরি হয়েছে, তার কোনো অফিশিয়াল রেকর্ড, পুলিশ রিপোর্ট বা বিমানবন্দরের নথি কোথাও নেই।

এটি পরিষ্কারভাবে Taured কাহিনীর কাঠামো অনুসরণ করে তৈরি একটি আধুনিক কল্পকাহিনী (Copy-paste Hoax) যা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।

দুটি গল্পই কৌতূহলোদ্দীপক, সন্দেহ নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দুটি কাহিনীই কল্পকাহিনী বা 'হোয়াক্স' হিসেবে বিবেচিত।

* টাইম ট্রাভেলের কোনো বাস্তব প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

* গল্পগুলোতে 'অদৃশ্য হয়ে যাওয়া'র যে দাবি করা হয়, তার সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। এটি গল্পের নাটকীয়তা বাড়ানোর একটি কৌশল।

👉 তাই, পরের বার এমন কোনো টাইম ট্রাভেলের গল্প শুনলে বা দেখলে, মনে রাখবেন—ইতিহাসে এমন মজার গল্প অনেক আছে, কিন্তু তার বেশিরভাগই আমাদের কল্পনা থেকে আসা!

#গুজব

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা। এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক ...
27/09/2025

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা। এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে- 'বরকত' বলতে কিছুই নেই।

তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?
লোকটি বলল, জি দেখেছি।
শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে কে বেশি বাচ্চা দেয়?
লোকটি বললো, কুকুর।
শায়খ বললেন, এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?
লোকটি বললো, ছাগল।
শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন, "ছাগলকে মানুষ খায়, কোরবানির সময় কত ছাগল কোরবান করা হয়, এরপর ও ছাগলের সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না। এর রহস্য কি বলে মনে হয় তোমার?
লোকটি জিজ্ঞাসা করলো- কি রহস্য শায়খ?
শায়খ বললেন- একবার ভেবে দেখো, এটা কি বরকত নয়?
লোকটি বললো, তাহলে এর কারণ কি যে ছাগলের মধ্যে বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?
শায়খ বললেন, এর কারণ হলো ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। ফলে তার মধ্যে বরকত হয়। আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।

একটু চিন্তার বিষয়, নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো- এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।

আর আমরা? সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা যখন শুনেন মসজিদের ফজরের আজান হচ্ছে, ঠিক তখনই তারা ঘুমাতে যান। তাদের মনে হয় হায়রে, ঘুমের সময় হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের এটা মনে হয় না, আজানটা যখন হয়েই গেছে, নামাজটা পড়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। তাহলে আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে?
আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই আর ভাবি - আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না কেন?

কিন্তু যখন আমাদের হাতে মোবাইল ছিল না, তখন সময়টা এমন ছিল না। আগের দিনের মানুষ সন্ধ্যার একটু পর পর সাত আটটার দিকে ঘুমিয়ে যেত। স্বামী স্ত্রী রাতে ঘুমানোর আগে অনেক গল্প করতেন। অনেক লম্বা একটা সময় ঘুমানোর পরে তাদের ভোর পাঁচটার দিকে উঠতে কোন সমস্যা হতো না। ভোর বেলায় তারা খেতে খামারে কাজ করতে চলে যেত। দুপুরের মধ্যেই কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরত। তারপর বউ বাচ্চাদের সাথে সময় কাঁটাতে পারতো। কিন্তু এখন আমাদের আর সেই সুযোগ হয় না। ঘুমের সময় ছাড়া আমরা আর কেউ বাসায় থাকি না। শুধু কাজ আর কাজ। আমাদের সামাজিক বন্ধন ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে। নারীরা তাদের সঙ্গীর কাছে সময় ভিক্ষা চাইছেন, পুরুষেরাও তাদের নারীর কাছে। কিন্তু কেউ কাউকে সময় দিতে পারছেন না।

তাই আসুন আমরা এখনই নিজেকে পরিবর্তন করি, আল্লাহর বিধান সমূহকে যথাযথভাবে গুরুত্বের সাথে পালন করি। তাহলে আশা করা যায়, তিনি আমাদের দোয়া কবুল করবেন এবং কাজকর্মে বরকত দিবেন, ইনশাআল্লাহ।
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন, আল্লাহুম্মা আমিন।

11/08/2025

“ক্যান্সার” শব্দটা যতটা ভয়াবহ শোনায়, তার পেছনের গোপন খেলা তার চেয়েও ভয়ংকর। এটা কেবল একটা রোগ না, বরং একটি বহুজাতিক চিকিৎসা ও ফার্মাসিউটিক্যাল দানবের আখড়া, যেখানে মানুষকে রোগী বানিয়ে আজীবন শোষণ করা হয়।

ক্যান্সারের প্রকৃত কারণ গোপন করা হয় কেন জানেন?

কারণ ক্যান্সার হচ্ছে “দেহের প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া”ক্যান্সার কোষ অনেক সময় শরীরের ডিটক্স বা টক্সিন বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবেও তৈরি হয়।
টক্সিন, রেডিয়েশন, হরমোনাল ইমব্যালেন্স, এবং বিষাক্ত খাদ্য শরীরের কোষগুলোকে মিউটেট করে তোলে।
কিন্তু এই root cause গুলো তারা সরিয়ে না দিয়ে শুধু লক্ষণ (symptoms) কন্ট্রোল করে।

ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে এই ক্যান্সার দিয়ে-

এক কথায় ক্যান্সার ট্রিটমেন্ট = ট্রিলিয়ন ডলার ব্যবসা।

একবার ক্যান্সার ধরলে রোগী অন্তত ১০–৫০ লাখ টাকায় শেষ হয়ে যায়। কেমো, রেডিওথেরাপি, ওষুধ, হসপিটাল বিল… সবই লাভের খনি।
তাদের দরকার ক্যান্সার সারানো না, রোগীকে বাঁচিয়ে রেখে ধীরে ধীরে শেষ করা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে বড় বড় তারকারা, বিলিওনিয়ার, রাজনীতিকেরা ক্যান্সার হলে কেন তারা বেশিরভাগ সময় বেঁচে যায়? অথচ সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে ক্যান্সার মানেই প্রায় মৃত্যু?

এর পেছনে ৩টা স্তরে লুকানো সত্য আছে

১-তারা মুলত Alternative গোপন চিকিৎসা পায় যা সাধারণ মানুষ জানে না।

বিশ্বের এলিটদের জন্য রয়েছে
Gerson Therapy > শরীরকে ডিটক্স করে, লিভার রিকভার করে, ক্ষারীয় খাবার দিয়ে ক্যান্সার কোষকে মারে।

Ozone Therapy > শরীরে অতিরিক্ত অক্সিজেন ঢুকিয়ে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে।

High-dose Vitamin C IV therapy > IV এর মাধ্যমে শরীরে বিশাল মাত্রার ভিটামিন C ঢুকিয়ে কোষকে শক্তিশালী করে।

Hyperbaric Oxygen Chamber > বায়ুচাপ ও অক্সিজেন দিয়ে ক্যান্সার কোষের পরিবেশ নষ্ট করে

Alkaline therapy + raw food > শরীরের pH এমন জায়গায় নিয়ে যায়, যেখানে ক্যান্সার টিকতেই পারে না।

এই থেরাপিগুলোকে FDA / WHO কখনো অনুমোদন দেয় না কারণ ফার্মা মাফিয়ারা এতে টাকা কামাতে পারে না। তাই এসব পদ্ধতি “unscientific” বলে দমন করা হয়।

২-তাদের Chemotherapy-ও হয় “customized & cleaner version”

আমরা যেটা পাই-
Toxic chemo যা ভালো কোষও ধ্বংস করে দেয়। চুল পড়ে যায়, ইমিউন সিস্টেম ভেঙে পড়ে।

তারা যা পায়-
Ultra-high tech personalized chemo + targeted therapy + stem cell support
Supplement + ইমিউন সিস্টেম বুস্টার দিয়ে side effect কমিয়ে ফেলে

৩. তারা জানে ক্যান্সার হলো “Metabolic Disease”Genetic না!
তারা বিশ্বাস করে না যে ক্যান্সার হলো “দুর্ভাগ্যজনিত জেনেটিক রোগ”।

তাদের চিকিৎসকরা জানে:
“ক্যান্সার কোষ = অস্বাভাবিকভাবে গ্লুকোজ খাওয়া কোষ”
তাই চিনি বন্ধ করে, ক্ষারীয় খাবার দিয়ে, শরীর ডিটক্স করে ফলে ক্যান্সার কোষ না খেয়ে মারা যায়।

অথচ সাধারণ মানুষকে শেখানো হয়:
“এটা কপাল, জেনেটিক, কেমো ছাড়া উপায় নাই।ক্যান্সার মানেই মৃত্যু। আপনাকে হতাশ করে তুলবে। আপনাকে চিন্তিত করে তুলবে। এবং এই সুযোগে ক্যান্সার আপনার শরীরে আরও ভয়ানক রুপ ধারন করে।”

তাহলে ক্যান্সার কি আসলেই “অপরিবর্তনীয় মৃত্যুদণ্ড?

না। প্রচলিত মেডিকেল সিস্টেম যে চিত্র তুলে ধরে ক্যান্সার মানেই মৃত্যু সেটা অনেকাংশে মিথ্যা।

ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়ার প্রকৃত পথ হচ্ছে

Alkaline Diet (pH ব্যালেন্স করে):
ক্যান্সার কোষ এসিডিক পরিবেশে বাড়ে, আলকালাইন খাদ্য এটা বন্ধ করে।
Dr. Sebi নামে এক হোলিস্টিক হিলার ছিলেন যিনি শুধু alkaline food খাইয়ে হাজারো ক্যান্সার রোগীকে সারিয়ে তুলেছিলেন। কিন্তু তাকে পরে “ভুয়া চিকিৎসক” বলে হঠাৎ করে May 2016 এ গ্রেফতার করে মেরে ফেলা হয়।

Vitamin B17 (Laetrile):
প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান, যা FDA নিষিদ্ধ করেছে।
Vitamin B17 নামে পরিচিত এই জিনিসটা আসলে একটুও ভিটামিন না।
এটি হলো একটি প্রাকৃতিক ক্যান্সার-নাশক যৌগ যার প্রকৃত নাম Amygdalin, এবং প্রক্রিয়াজাত রূপ হলো Laetrile।
এটি প্রাকৃতিকভাবে কিছু নির্দিষ্ট ফলের বীজ থেকে নেওয়া হয়। বিশেষ করে আপেল, খেজুর, তেঁতুল, আঙ্গুর, বিশেষ করে আবেগ বিচি (Apricot kernel) এ।
এটা শরীরে গিয়ে সায়ানাইড (cyanide) ছাড়ে। কিন্তু শুধু ক্যান্সার কোষের মধ্যেই।
তাই স্বাভাবিক কোষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়ে শুধু ক্যান্সার কোষ ধ্বংস হয়।

১৯৭০ দশকে Dr. Ernst Krebs নামে একজন গবেষক বলেন:
“B17 হচ্ছে প্রকৃত ক্যান্সার প্রতিরোধক। ক্যান্সার আসলে B17 ঘাটতির রোগ।”
তিনি Laetrile দিয়ে বহু ক্যান্সার রোগী সুস্থ করেছিলেন।কিন্তু পরে FDA এটাকে নিষিদ্ধ করে।
কারণ:
ক্যান্সার একটি ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।
তারা ক্যান্সার সারাতে চায় না। চায় রোগীকে চিরস্থায়ী খদ্দর বানাতে।

25/06/2025

১.বাংলা= আমি তোমাকে ভালবাসি
২.ইংরেজি = আই লাভ ইউ।
৩.ইতালিয়ান = তি আমো
৪.রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ
৫.কোরিয়ান = তাঙশিনুল সারাঙ হাইয়ো।
৬.কানাডা = নান্নু নিনান্নু প্রীতিসুথিন।
৭.জার্মান = ইস লিবে দিস।
৮.রাখাইন =অ্যাঁই সাঁইতে।
৯.ক্যাম্বোডিয়ান=বোন স্রো লানহ্উন।
১০.ফার্সি = দুস্তাত দারাম।
১১.তিউনিশিয়া = হাহে বাক।
১২.ফিলিপিনো = ইনবিগ কিটা
১৩.লাতিন = তে আমো।
১৪.আইরিশ = তাইম ইনগ্রা লিত।
১৫.ফ্রেঞ্চ = ইয়ে তাইমে।
১৬.ডাচ = ইক হু ভ্যান ইউ।
১৭.অসমিয়া = মুই তোমাকে ভাল্ পাও।
১৮.জুলু = মেনা তান্দা উইনা।
১৯.তুর্কি = সেনি সেভিউর ম।
২০.মহেলি = মহে পেন্দা।
২১.তামিল = নান উন্নাই কাদালিকিরেন।
২২.সহেলি = নাকু পেন্দা।
২৩.ইরানি = মাহ্ন দুস্তাহ্ত দোহ্রাহম।
২৪.হিব্রু = আনি ওহেব ওটচে
২৫.গুজরাটি = হুঁ তানে পেয়ার কার ছু।
২৬.চেক = মিলুই তে।
২৭.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।
২৮.পর্তুগিজ = ইউ আমু তে।
২৯.বসনিয়ান = ভলিম তে।
৩০.তিউনেশিয়ান = হা এহ বাদ।
৩১.হাওয়াই = আলোহা ওয়াউ লা ওই।
৩২.আলবেনিয়া = তে দুয়া
৩৩.লিথুনিয়ান = তাভ মায়লিউ।
৩৪.চাইনিজ = ওউ আই নি।
৩৫.তাইওয়ান = গাউয়া আই লি।
৩৬.পার্শিয়ান = তোরা ডোস্ট ডারাম।
৩৭.মালয়শিয়ান =সায়া চিনতা কামু।
৩৮.মায়ানমার = মিন কো চিত তাই।
৩৯.ভিয়েতনামিস = আনাহ ইউই এম
৪০.থাইল্যান্ড = চান রাক খুন
৪১.গ্রিক = সাইয়াগাপো।
৪২.চেক = মিলুই তে।
৪৩.বর্মিজ = চিত পা দে।
৪৪.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।
৪৫.মালয়ি = আকু চিন্তা কামু।
৪৬.ব্রাজিল = চিতপাদে।
৪৭.হিন্দি = ম্যায় তুমছে পেয়ার করতাহুঁ।
৪৮.জাপানি = কিমিও আইশিতের।
৪৯.পাকিস্তান = মুঝে তুমছে মহব্বত হায়
৫০.ফার্সি = ইয়ে তাইমে।
৫১.সিংহলিজ = মামা ও বাটা আছরেই।
৫২.পাঞ্জাবী = মেয় তাতনু পেয়ার কারতা।
৫৩.আফ্রিকান = এক ইজ লফি ভির ইউ
৫৪.তামিল = নান উন্নাহ কাদা লিকিরেণ।
৫৫.রোমানিয়া = তে ইউবেস্ক।
৫৬.স্লোভাক = লু বিমতা।
৫৭.নরওয়ে = ইয়েগ এলস্কার দাই।
৫৮.স্প্যানিশ = তে কুইয়েবু।
৫৯.ফিলিপাইন = ইনি বিগকিটা।
৬০.বুলগেরিয়া = অবি চামতে।
৬১.আলবেনিয়া = তে দাসরোজ।
৬২.গ্রিক = সাইয়াগাফু।
৬৩.এস্তোনিয়ান = মিনা আর মাস্তান সিন্দ।
৬৪.ইরান = সাহান দুস্তাহত দোহরাম
৬৫.লেবানিজ = বহিবাক।
৬৬.ক্যান্টনিজ = মোই ওইয়া নেয়া।
৬৭.ফিনিশ = মিন্যা রাকাস্তান সিনোয়া।
৬৮.গ্রিনল্যান্ড= এগো ফিলো সু।
৬৯.আরবি = আনা বেহিবাক
৭০.ইরিত্রয়ান = আনা ফাতওকি।

21/05/2025

মুনাফিক জাহান্নামি সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইএর ক্ষমার জন্য আল্লাহর রাসুলের (ﷺ) দোয়া আল্লাহর আরশ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলো।

বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (ﷺ) এর একান্ত সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে উবাই, যিনি নবীজীর (ﷺ) হাতে বায়াত নিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, নবীজীর (ﷺ) ঠিক পেছনেই জামাতে নামাজ পড়তেন। নবীজীকে (ﷺ) অনুসরণ করে আদেশ নিষেধ মানতেন, রোজা রাখতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইএর মৃত্যুর পর নবীজীর (ﷺ) গায়ের কাপড় দিয়ে তাকে কাফনের কাপড় বানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো সেই সাথে নবীপাকের (ﷺ) মুখের পবিত্র রস তার গায়ে মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যে নবী (ﷺ) কারোর দিকে সু নজরে তাকালে সেই ব্যক্তি বেহেস্তের দিকে ধাবিত হতো সেই নবীজীর (ﷺ) এতো সান্নিধ্য পাওয়ার পরেও নবীজীর (ﷺ) একান্ত কাছের সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই জাহান্নামে যাবে। নবিজী আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এর জন্য ৭১ বার ক্ষমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করার পরেও সর্বশক্তিমান আল্লাহর আরশ থেকে নবীজীর (ﷺ) দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয়। যেই নবীজী চাইলেই উহুদ পাহাড়কে আল্লাহ স্বর্নের পাহাড় করে দিতেন সেই নবীজীর (ﷺ) দোয়ার বিপরীতে সর্বশক্তিমান আল্লাহ কোরআনের আয়াত নাজীল করে বলে দিলেন মুনাফিকদের ক্ষমার জন্য কারোর দোয়া কোনকালে কবুল হবে না। উল্লেখ্য আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই তার জীবনের মধ্যভাগে উহুদের যুদ্ধে তিনশত সৈন্য সহ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে প্রস্থান করেছিলো। অনেকের মতে তিনি ইহুদিদের সাথে আতাত করে ইসলামের বিজয়ে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে চেয়েছিলো। বিশ্বনবী (ﷺ) এর হাতে বায়াত নিয়ে ইসলাম গ্রহনের পর আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই তার জীবনে নবীজী (ﷺ) কে সর্বক্ষণ অনুসরণ ব্যতীত এই একটি মাত্র পাপ তিনি করেছিলেন। তিনি নবীজীর (ﷺ) প্রতি এতই ভক্ত ছিলেন যে যেদিন তিনি নবীজীর(ﷺ) মুখে শুনেছিলেন আব্দুল্লাহ এবং রহমান নাম আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় সেদিন তার নিজের নাম ও নিজ সন্তানের নাম পরিবর্তন করে আব্দুল্লাহ রেখেছিলেন।
নবীজীর (ﷺ) হাতে বায়াত গ্রহণ, নবীজীর (ﷺ) সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ, নবীজীর (ﷺ) পেছনের কাতারে নামাজ পড়া, নবীজীর (ﷺ) সাথে রোজা রাখা সেই সাথে নবীজীর (ﷺ) গায়ের জামা ও মুখের রস গায়ে মেখে নবীজীর (ﷺ) ইমামতিতে জানাজা পেয়ে কবরে যাওয়ার সৌভাগ্য হওয়া এবং নবীজী (ﷺ) ৭১ বার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এর জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করার পরেও তিনি জাহান্নামে যাবেন।
অথয এই জামানায় বেহেস্তের টিকিট দেদারসে বিক্রি হচ্ছে। ইউটিউবে আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই লিখে সার্চ করলে অগণিত রেফারেন্স পেয়ে যাবেন।
আমাদের অধিকতর সতর্কতার জন্য আল্লাহপাক মুমিন, মুনাফিক ও কাফেরদের চেনার জন্য পবিত্র কোরআনে পৃথক পৃথক সূরা নাজীল করেছেন। গুগল বা ইউটিউবে ঘাটলে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

সূত্রঃ
সূরা তওবা- ৮০,৮৪।
সহীহ বুখারী- ৪৬৭০।

অনেক অভিভাবক মনে করেন ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনার খরচ হয়তো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। কারণ ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন,...
13/05/2025

অনেক অভিভাবক মনে করেন ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনার খরচ হয়তো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। কারণ ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবন, উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেখে অনেকেই ভাবেন এখানে পড়াশোনা করতে অনেক টাকা লাগে। কিন্তু বাস্তবতা হলো— বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন নির্ধারণ করা হয় তাদের অভিভাবকের মাসিক আয় অনুযায়ী।

ক্যাডেট কলেজে ভর্তি-সংক্রান্ত খরচ: বিস্তারিত তথ্য

ভর্তি ফি:

ভর্তির সময় এককালীন একটি জামানত বাবদ ৫০,০০০ টাকা জমা দিতে হয়। এটি কলেজ কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত এবং ক্যাডেটের কলেজজীবন শেষ হলে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী এই জামানতের অর্থ ফেরতযোগ্য।

অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ:

ভর্তির সময় শুধু জামানতই নয়, শিক্ষার্থীর প্রাথমিক প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, পোশাক, মেডিকেল পরীক্ষাসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক খরচও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

ইউনিফর্ম ও ড্রেস সামগ্রী

বইপত্র ও স্টেশনারি

বেডিং ও ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী

মেডিকেল চেকআপ ও রিপোর্ট

পরিচয়পত্র, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি খাত

এইসব আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ৩০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ক্যাডেট কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়ার শুরুতে আনুমানিক ৮০,০০০ থেকে ৮৫,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

মাসিক বেতন (টিউশন ফি)

বর্তমানে ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন সর্বনিম্ন ১,৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। তবে সর্বোচ্চ বেতন ২৮,৬০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে।

নিচে অভিভাবকের মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বেতনের বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো:

আয় ০–৮,০০০ টাকা: বেতন ১,৫০০ টাকা

আয় ৮,০০১–১০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ২,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৩,৮০০ টাকা

আয় ১০,০০১–১৪,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৩,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৫,৮০০ টাকা

আয় ১৪,০০১–১৮,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৬,৫০০ টাকা

আয় ১৮,০০১–২২,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,২০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৭,৫০০ টাকা

আয় ২২,০০১–২৬,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৮,০০০ টাকা

আয় ২৬,০০১–৩০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৪,৮০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ৯,০০০ টাকা

আয় ৩০,০০১–৩৪,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৬,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১০,৫০০ টাকা

আয় ৩৪,০০১–৪০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৭,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১২,৫০০ টাকা

আয় ৪০,০০১–৪৬,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৭,৮০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১২,৮০০ টাকা

আয় ৪৬,০০১–৫২,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৩,০০০ টাকা

আয় ৫২,০০১–৬০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,২০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৩,৫০০ টাকা

আয় ৬০,০০১–৭০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৪,০০০ টাকা

আয় ৭০,০০১–৭৫,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ৮,৮০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৫,০০০ টাকা

আয় ৭৫,০০১–৮০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১০,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৬,০০০ টাকা

আয় ৮০,০০১–৯০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১২,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ১৮,০০০ টাকা

আয় ৯০,০০১–১,০০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১২,৫০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ২০,০০০ টাকা

আয় ১,০০,০০১–১,২০,০০০ টাকা:
সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের জন্য ১৫,০০০ টাকা
অন্যান্যদের জন্য ২২,০০০ টাকা

এছাড়াও প্রতিটি ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীর পেছনে সরকার বার্ষিক প্রায় ৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয় করে থাকে।

ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন ফি ২৫০০ টাকা। এই ফি বিকাশের মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করা যায়।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে, যার মধ্যে ৯টি ছেলেদের এবং ৩টি মেয়েদের জন্য।

প্রতিবছর প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী (৪৫০ ছেলে ও ১৫০ মেয়ে) ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হয়।

ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য পেতে পেজটি ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন।


#ক্যাডেট_কলেজের_মাসিক_বেতন #ক্যাডেট_কলেজে_ভর্তি_ফি
#ক্যাডেট_কলেজে_লেখাপড়ায়_খরচ
#ক্যাডেট_কলেজ

Collected post

31/03/2025
আপনি জানেন কী হাট্টিমাটিম’ আসলে ৫২ লাইনের একটি ছড়া, চার লাইনের নয় lবাঙালিমাত্রই ছোটবেলায় পড়া এই ছড়াটি কোনওদিনই ভুলবেন...
19/03/2025

আপনি জানেন কী হাট্টিমাটিম’ আসলে ৫২ লাইনের একটি ছড়া, চার লাইনের নয় l
বাঙালিমাত্রই ছোটবেলায় পড়া এই ছড়াটি কোনওদিনই ভুলবেন না কেউ।
কিন্তু ছড়াটি মোটেই মাত্র চার লাইনের নয়।
মোটামুটি কথা ফুটলেই বাঙালি শিশুদের যে কয়েকটি ছড়া কণ্ঠস্থ করানো হয়, তার মধ্যে একটি অবশ্যই
‘হাট্টিমাটিম টিম’।
তারা মাঠে পাড়ে ডিম,
তাদের খাড়া দুটো শিং,
তারা হাট্টিমাটিম টিম।
এর চেয়ে বেশি তথ্য শতকরা ৮০ শতাংশ বাঙালির কাছে রয়েছে কি না সন্দেহ।
আদতে ছড়াটি মোটেই ৪ লাইনের নয়। রোকনুজ্জামান খানের লেখা একটি ৫২ লাইনের সম্পূর্ণ ছড়া।
রোকনুজ্জামান খান জন্মেছিলেন ১৯২৫ সালের ৯ এপ্রিল অবিভক্ত বঙ্গের ফরিদপুর জেলায়। বাংলাদেশে তিনি ‘দাদাভাই’ নামে পরিচিত ছিলেন। সেদেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্রের শিশু-কিশোরদের বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি বহু বছর।
তাঁর রচনার বেশিরভাগই শিশু-কিশোরদের জন্য। হাট্টিমাটিম সম্ভবত তাঁর রচনাগুলির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।
১৯৬২ সালে রচিত হয় ছড়াটি। ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয় তাঁকে। ১৯৯৯ সালে মারা যান রোকনুজ্জামান।
সেই ৫২ লাইনের আসল ছড়াটা এইরকম -

টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে
মস্ত একটা ডিম।
বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।
সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।
উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।
সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।
উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।
চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।
বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বাড়ি
নিজের মাথায় মারে।
শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।
গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।
মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে।
গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।
হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম।
💜💜💜

#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅

Address

Jamalpur
Sarishabari
2050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sarishabari, Jamalpur, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share