বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ঠাকুরগাঁও জেলা

  • Home
  • Bangladesh
  • Ruhea
  • বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ঠাকুরগাঁও জেলা

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ঠাকুরগাঁও জেলা বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ ঠাকুরগাঁও জেলার অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ।

‘নিশ্চিন্তপুর’-নামটি উচ্চারিত হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে নিশ্চিন্তে বসবাসের উপযোগী কোনো গ্রামবা জনপদের ছবি। কিংবা মনে পড়ে যায় বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী উপন্যাসের‘নিশ্চিন্দিপুর’ গ্রামের কথা। কিন্তু কখনো মনে পড়েনা উত্তরের জনপদ ঠাকুরগাঁওয়ের কথা। কেননা অনেক দিন আগেই চাপা পড়ে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের এই নিশ্চিন্তপুর নামটি। কয়েকজন বিত্তশালী মানুষের খোয়ালী ইচ্ছাকে পূরণ করতে সাধারণের প্রিয় জনপদ নিশ্চিন্তপুরকে পাল

্টে করা হয় ঠাকুরগাঁও। আর এ ইতিহাস অজানা রয়েছে বলে নিশ্চিন্তপুর শব্দটি উচ্চারিত হলে কখনো ঠাকুরগাঁওয়ের কথা মনে হয় না। তবে ইতিহাস সচেতন মানুষ আজো আবেগ শিহরিত হৃদয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সঙ্গে নিশ্চিন্তপুরের কথা মনে করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের নাম যে নিশ্চিন্তপুর ছিল তার তেমন কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এতদিন আমাদের হাতের কাছে ছিল না। জনশ্রুতি ও মৌজার নাম নিশ্চিন্তপুর হওয়ায় অনুমান করা হতো ঠাকুরগাঁও সম্ভবত এক সময়ে নিশ্চিন্তপুর নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু সম্প্রতি একটি মানচিত্র আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় এটা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হয়েছে যে ঠাকুরগাঁওয়ের আদি নাম ছিল ‘নিশ্চিন্তপুর’। ১৭ শ শতাব্দীর কোচবিহারের মানচিত্রে সংলগ্ন এলাকার যে অবস্থান দেখানো হয়েছে তাতে ঠাকুরগাঁও ও নিশ্চিন্তপুর নামে দু’টি আলাদা জায়গা চিহ্নিত রয়েছে। টাঙ্গন নদীর পূর্ব প্রান্তে দেখানো হয়েছে নিশ্চিন্তপুর এবং এরই কিছুটা উত্তর-পশ্চিমে টাঙ্গন নদীর পশ্চিম প্রান্তে দেখানো হয়েছে ঠাকুরগাঁও। এ থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে টাঙ্গন নদীর পূর্ব প্রান্তের নিশ্চিন্তপুরকেই পরবর্তীতে ঠাকুরগাঁও নাম দিয়ে সদরের নামকরণ করা হয়। আর এর মাধ্যমেই নিশ্চিন্তপুর রূপান্তরিত হয় ঠাকুরগাঁওয়ে। প্রথমে সমগ্র মহকুমা পরিচিত হয় ঠাকুরগাঁও নামে এবং পরে এরই ধারাবাহিকতায় জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের পরিচিতি।

ঠাকুরগাঁওয়ের নামকরণের ইতিহাস সম্পর্কে আর যা পাওয়া গেছে তাহলো, বর্তমানে যেটি জেলা সদরঅর্থাৎ যেখানে জেলার অফিস-আদালত অবস্থিত সেখান থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরে আকচা ইউনিয়নের একটি মৌজায় নারায়ণ চক্রবর্তী ও সতীশ চক্রবর্তী নামে দুই ভাই বসবাস করতেন। সম্পদ ও প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে তারা সেই এলাকায় খুব পরিচিত ছিলেন। সেখানকার লোকজন সেই চক্রবর্তী বাড়িকে ঠাকুরবাড়ি বলতেন। পরে স্থানীয় লোকজন এই জায়গাকে ঠাকুরবাড়ি থেকে ঠাকুরগাঁও বলতে শুরু করে। চক্রবর্তীবাবুরা এখানে একটি থানা স্থাপনের প্রয়োজন অনুভব করেন। তাদের অনুরোধে জলপাইগুড়ির জমিদার সেখানে একটি থানা স্থাপনের জন্য বৃটিশ সরকারকে রাজিকরান।

১৮০০ সালে বৃটিশ শাসনামলে টাঙ্গন, শুক, কুলিক, পাথরাজ ও ঢেপা বিধৌত এই জনপদের একটি ঠাকুর পরিবারের উদ্যোগে বর্তমান পৌরসভা এলাকার কাছাকাছি কোনো একটি স্থানে থানা স্থাপিত হয়। তাদের নাম অনুসারে থানাটির নাম হয় ঠাকুরগাঁও থানা। মতামত্মরে ঠাকুর-অর্থাৎ ব্রাহ্মণদের সংখ্যাধিক্যের কারণে স্থানটির নাম ঠাকুরগাঁও হয়েছে। ১৮৬০ সালে এটি মহকুমা হিসেবে ঘোষিত হয়। এর অধীনে ছয়টি থানা ছিলো যথা-সদর, বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, হরিপুর ও আটোয়ারী। ১৯৪৭ সালে ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ৩টি থানা ও কোচবিহারের ১টি থানা (আটোয়ারী ছাড়া পঞ্চগড় জেলার বাকি ৪টি থানা) নিয়ে ১০টি থানার মহকুমা হিসেবে ঠাকুরগাঁও নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ১৯৮১ সালে আটোয়ারী, পঞ্চগড়, বোদা, দেবীগঞ্জ ও তেতুলিয়া নিয়ে পঞ্চগড় আলাদা মহকুমা হলে ঠাকুরগাঁও এর ভৌগলিক সীমানা ৫টি থানা এলাকায় সংকুচিত হয়ে যায়। থানাগুলি হচ্ছে-ঠাকুরগাঁও সদর, বালিয়াডাঙ্গী, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল ও হরিপুর। ১৯৮৪ সালের ১ লা ফেব্রুয়ারি এই ৫টি থানা নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা যাত্রা শুরু করে।

ছোট জেলা হলেও ঠাকুরগাঁও একটি প্রাচীন ঐতিহ্যসমৃদ্ধ জনপদ। এখানে যেমন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষ হাজার বছর ধরে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধরে রেখেছে, তেমনিভাবে বৌদ্ধ, হিন্দু, মুসলমান শাসনামলের পরিবর্তনের ছোঁয়ায় পালাবদলের প্রক্রিয়া চলছে এখানে। জেলার অতি প্রাচীন পুকুরগুলি এবং গড়গুলির অস্তিত্ব সুপ্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন তুলে ধরে। এই জেলার মানুষ বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার অন্যান্য জনপদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সাথে যোগসূত্র স্থাপন করে সকল সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছে। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা লাভের পর বরেন্দ্রভূমির অন্যান্য জেলার মতই ঠাকুরগাঁও জেলার মানুষ ক্রমান্বয়ে উন্নততর যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং উন্নয়নের অন্যান্য সুফল লাভে সক্ষম হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে।

24/06/2021
28/05/2017

এক নজরে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চিত্রঃ
১) বয়স্ক ভাতা।
২) বিধবা ভাতা।
৩) মাতৃত্বকালীন ভাতা।
৪) মুক্তিযোদ্ধা ভাতা।
৫) প্রতিবন্ধী ভাতা।
৬)বৈশাখী ভাতা।
৭) ফেয়ার প্রাইজ কার্ড।
৮) পদ্মাসেতু নির্মাণ।
৯) ফ্লাইওভার নির্মান।
১০) বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মান।
১১) বিনামূল্যে বই বিতরন।
১২) উপ-বৃত্তি প্রদান।
১৩) গ্রামীন রাস্তাঘাট উন্নয়ন।
১৪) ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র।
১৫) কমিউনিটি ক্লিনিক।
১৬) বিনোদন কেন্দ্র নির্মান।
১৭) রাজাকারের বিচার।
১৮) বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার।
১৯) জেলেদের খাদ্য সহায়তা।
২০) রপ্তানি আয় বৃদ্ধি।
২১) মোবাইলের গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি।
২২) ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি।
২৩) স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি।
২৪) দারিদ্র্যতার হার নিম্ন পর্যায়।
২৫) কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
২৬) মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি।
২৭) জনশক্তি রপ্তানি।
২৮) শিশু মৃত্যু হার রোধ।
২৯) পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে ২য় স্থান দখল।
৩০) সমুদ্র সীমা জয়।
৩১) শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি।
৩২) বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ বৃদ্ধি।
৩৩) খাদ্য উদ্বৃত।
৩৪) রাজস্ব বৃদ্ধি।
৩৫) মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি।
৩৬)সিট মহল চুক্তি সফলতা।

07/05/2017

বিনম্র শ্রদ্ধা ;
ভাওয়াল বীর, জাতীয় শ্রমিক নেতা, শিক্ষক সমাজের
গর্ব,
জননেতা-
শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এম পি'র
১৩ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর প্রয়াত আত্মার
মাগফেরাত কামনা করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

পরম দয়ালু মহান আল্লাহ্ তায়ালার অশেষ রহমতেরশুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ।।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন, শেখ হাসিনাকেবহনকারী বি...
28/11/2016

পরম দয়ালু মহান আল্লাহ্ তায়ালার অশেষ রহমতের
শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ।।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন, শেখ হাসিনাকে
বহনকারী বিমানে কারিগরি ত্রুটি, জরুরি অবতরণ।।
হাঙ্গেরি পথে যাত্রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন,
শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি জরুরি অবতরণ
করেছে তুর্কমেনিস্তানে। বাংলাদেশ বিমানের ওই
ফ্লাইটটি কারিগরি ত্রুটির কারণে এই অবতরণে বাধ্য হয়।।
ত্রুটি সারিয়ে যথারীতি গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রাপথে
আকাশে উড়াল দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে বহনকরা
বিমানটি আল্লাহ্ মহান।।

27/11/2016
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের জলবায়ু শীর্ষসম্মেলনে যোগ দিতে মরক্কো পৌঁছেছেনপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের জলবা...
15/11/2016

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের জলবায়ু শীর্ষ
সম্মেলনে যোগ দিতে মরক্কো পৌঁছেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের জলবায়ু
পরিবর্তন সম্পর্কিত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন
(ইউএনএফসিসি)-এর কনফারেন্স অব পার্টিস’র (কপ-২২)
উচ্চ পর্যায়ের দু’টি পর্বে যোগ দিতে তিনদিনের সরকারি
সফরে সোমবার বিকেলে এখানে এসে পৌঁছলে তাঁকে
লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়।
ইউএনএফসিসি (কপ-২২) বৈশ্বিক জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন
হিসেবে সুপরিচিত।
মরক্কোর সাবেক রাজকীয় শহর মারাকাশে
ইউএনএফসিসি-এর ২২তম এ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
31/07/2016

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখারবিপ্লবী সাধারন সম্পাদক জনাব মূঃ সাদেক কুরাইশীরাজনৈতিক জীবনে অনেক কষ্ট ও কঠিন পথ...
30/07/2016

বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার
বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক জনাব মূঃ সাদেক কুরাইশী
রাজনৈতিক জীবনে অনেক কষ্ট ও কঠিন পথ অতিক্রম করে
বঙ্গ বন্ধুর সঠিক অাদর্শে থেকে ঠাকুরগাঁও এর
রাজনীতিকে বঙ্গ বন্ধুর অদর্শে শেখ হাসিনার দিক
নির্দেশনা মূলক পথ ধরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।কোন অপ
শক্তি উনাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি।উনার
রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন স্কুল জীবন থেকেই
ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার ছাত্রলীগ এর একজন সংগঠক
হিসেবে।ছাত্রলীগকে শক্তি শালী সংগঠনে পরিনত
করার পর যুব লীগ কে শক্তি শালী করার লক্ষ নিয়ে কাজ
শুরু করেন তিনি। অাওয়ামী যুবলীগ ঠাকুরগাঁও জেলা
শাখার অাহবায়ক নির্বাচিত হন।তারপর ঠাকুরগাঁও জেলা
যুবলীগ এর সভাপতি হন।যুবলীগ কে শক্তী শালী সংগঠনে
পরিনত করেন।তারপর উনি বাংলাদেশ অাওয়ামী যুবলীগ
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন।যুবলীগ কে শক্তী শালী
করার পর ঠাকুুরগাঁও জেলা অাওয়ামী লীগ এর প্রচার ও
প্রকাশনা সম্পাদক হন তারপর জেলা অাওয়ামীলীগ এর
সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।ঠাকুরগাঁও এ যখন বি
এন পি জামাত অাওয়ামী লীগ এর নেতা কর্মিদের উপর
অত্যাচার নির্যাতন করে অাওয়ামীলীগ কে শেষ করার
ষড়যন্ত্র চলছিলো ঠিক তখন জননেত্রী শেখ হাসিনা
অাওয়ামীলীগ কে পূনর্গঠিত ও শক্তি শালী করার লক্ষে
সাদেক কুরাইশী কে ঠাকুরগাঁ ও জেলা অাওয়ামীলীগ এর
অাহবায়ক এর দায়ীত্ব অর্পন করেন।যা তিনি নিষ্ঠার
সাথে পালন করে পরবর্তিতে ঠাকুরগাঁও জেলা
অাওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন(২০০৫)।
উনি সারাজীবন বঙ্গ বন্ধুর অাদর্শে অাওয়ামী লীগ কে
ঠাকুরগাঁও কঠিন কঠিন মুহুর্তে অনেক অত্যাচার নির্যাতন
সহ্য করে জামাত শীবির এর সাথে লড়ায় সংগ্রাম
চালিয়ে গেছেন। কারো কাছে অাপোস করেননি তাই
জননেত্রী শেখ হাসিনা উনার কাজে খুশি হয়ে ঠাকুরগাঁও
জেলা পরিষদ এর প্রষাশক নিয়োগ দেন।যা উনি নিষ্ঠা ও
সততার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। ২০১৪ সালে ১৬ই
অক্টবরে অাবার সম্মেলনের মাধ্যমে সাধারন সম্পাদক
নির্বাচিত হন।এত দির্ঘ পথ সততা নিষ্ঠা ও বঙ্গ বন্ধুর
অাদর্শে শুধু জনগনের সেবায় নিয়োজিত থেকেছেন।
মুক্তি যুদ্ধের পক্ষে কথা বলে গেছেন।এই জন্য উনি
ঠাকুরগাঁও এর প্রত্যেকটি মানুষের মনের ভিতরে জায়গা
করে নিতে পেরেছেন।ঠাকুরগাঁও এর জনগন উনাকে ভীষন
ভালবাসেন।অামরা সবায় উনার দির্ঘাঘু ও সু সাস্থ কামনা
করি।উনি যেন অারো অনেক উচ্চতায় গিয়ে ঠাকুরগাঁও এর
জনগনের সেবা দিয়ে যেতে পারেন ও অাওয়ামীলীগকে
বঙ্গ বন্ধুর অাদর্শে ও শেখ হসিনার ডিজিটাল
বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করে যেতে পারেন।

Address

Ruhea

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ঠাকুরগাঁও জেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share