Safe Life Shop BD

Safe Life Shop BD এখানে সব ধরনের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র পাওয়া যায়। যা ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আগুনকে নিভিয়ে দিতে সক্ষম।

🔥 গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনের ভয়াবহতা​গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ধ্বংসাত্মক রূপ নেয়:​দ্রুত ছড়িয়ে ...
14/11/2025

🔥 গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনের ভয়াবহতা
​গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ধ্বংসাত্মক রূপ নেয়:
​দ্রুত ছড়িয়ে পড়া: রান্নাঘরে থাকা দাহ্য পদার্থ (তেল, কাপড়, কাঠের ক্যাবিনেট) দ্রুত আগুনকে গ্রাস করে এবং দ্রুত গোটা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।
​বিস্ফোরণের ঝুঁকি: আগুনের তীব্র তাপে গ্যাস সিলিন্ডার নিজে বিস্ফোরিত হতে পারে, যা আশেপাশের ভবন ও কাঠামোর মারাত্মক ক্ষতি করে।
​কাঠামোগত ক্ষতি: প্রচণ্ড তাপে রান্নাঘরের দেয়াল, মেঝে এবং আসবাবপত্র পুরোপুরি পুড়ে যায়, যার ফলে বাড়ির মূল কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
​মারাত্মক আঘাত: আগুন নেভানোর সুযোগ না পেয়ে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তি গুরুতর দগ্ধ হতে পারে বা প্রাণ হারাতে পারে।
​💨 গ্যাস লিকের সম্ভাব্য ক্ষতি
​যদি আগুন না ধরে শুধু গ্যাস লিক হয়, তবে তার পরিণতিও মারাত্মক হতে পারে:
​তাত্ক্ষণিক বিস্ফোরণের আশঙ্কা: লিক হওয়া গ্যাস রান্নাঘরের বাতাসে মিশে যায়। সামান্য একটি স্পার্ক (যেমন—আলোর সুইচ অন করা, সিগারেট ধরানো, বা এমনকি ফ্রিজের থার্মোস্ট্যাট) থেকেও দ্রুত ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
​অক্সিজেনের অভাব (Asphyxiation): এলপিজি গ্যাস বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় এটি ঘরের মেঝেতে জমা হতে থাকে। ফলে ঘরে থাকা ব্যক্তির নিশ্বাস নেওয়ার জন্য অক্সিজেনের ঘাটতি হয় এবং শ্বাসরোধ হতে পারে।
​মাথা ঘোরা ও অসুস্থতা: লিক হওয়া গ্যাস নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশ করলে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, যা বিপদ থেকে পালানোর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

04/11/2025
নিরাপদ জীবন, সুরক্ষিত পরিবার: গ্যাস লিকেজ ডিটেক্টর 🔥🚨​গ্যাস লিকেজ একটি নীরব বিপদ যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে প...
04/11/2025

নিরাপদ জীবন, সুরক্ষিত পরিবার: গ্যাস লিকেজ ডিটেক্টর 🔥🚨
​গ্যাস লিকেজ একটি নীরব বিপদ যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে—যেমন আগুন লাগা বা বিস্ফোরণ। এই অদৃশ্য বিপদ থেকে আপনার পরিবার এবং সম্পত্তিকে সুরক্ষিত রাখতে গ্যাস লিকেজ ডিটেক্টর একটি অত্যাবশ্যকীয় ডিভাইস।

​কেন গ্যাস লিকেজ ডিটেক্টর প্রয়োজন? 🤔
​⚠️ আগাম সতর্কতা: এটি বায়ুমণ্ডলে গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করে উচ্চ শব্দে অ্যালার্ম বাজিয়ে দেয়। ফলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই আপনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন।
​🏠 গৃহস্থালীর নিরাপত্তা: রান্নাঘরে বা গ্যাস-সংযুক্ত যেকোনো স্থানে অপ্রত্যাশিত গ্যাস লিকের হাত থেকে এটি আপনার পরিবারকে রক্ষা করে।
​💨 অদৃশ্য গ্যাসের শনাক্তকরণ: অনেক ক্ষতিকারক গ্যাস গন্ধহীন ও বর্ণহীন হতে পারে (যেমন কার্বন মনোক্সাইড)। এই ডিটেক্টরগুলি সেসব গ্যাসও শনাক্ত করতে পারে।
​💰 খরচ সাশ্রয়: ছোটখাটো লিকেজ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে বড় ধরনের মেরামত বা ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে আপনার খরচ কমায়।

আগুন থেকে নিরাপদ থাকুন!আগুন লাগলে পরিস্থিতি ক্ষণের মধ্যে ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তাই আগুন নিয়ে সতর্ক থাকা খুবই জরুরি।আগুন ল...
25/01/2025

আগুন থেকে নিরাপদ থাকুন!
আগুন লাগলে পরিস্থিতি ক্ষণের মধ্যে ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তাই আগুন নিয়ে সতর্ক থাকা খুবই জরুরি।
আগুন লাগার কারণ:
* রান্নাঘরের গ্যাস লিঁকেজ
* বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট
* সিগারেটের টুকরা
* মশার কয়েল, আগুনের ফানুস
* খুব কাছাকাছি রাখা জ্বালানি সামগ্রী
আগুন লাগলে কি করবেন:
* শান্ত থাকুন: আতঙ্কিত হবেন না।
* আগুন নিভানোর চেষ্টা করবেন: যদি আগুন ছোট হয় এবং নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তাহলে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করুন।
* আশপাশের লোকজনকে সতর্ক করুন: জোরে চিৎকার করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করুন।
* বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন: যদি সম্ভব হয়, তাহলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন।
* জরুরি সেবায় ফোন করুন: ফায়ার সার্ভিসে ফোন করুন (নম্বর: ৯৯৯)।
* নিরাপদ স্থানে চলে যান: ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন এবং নিরাপদ স্থানে চলে যান।
আগুন প্রতিরোধে কিছু উপায়:
* রান্না করার সময় কখনোই গ্যাস চুলায় চোখ রাখবেন না।
* বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকুন।
* ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সব বাতি ও গ্যাস বন্ধ করে দিন।
* বাড়িতে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র রাখুন এবং তার ব্যবহার সম্পর্কে জেনে রাখুন।
* বাড়ির সবাইকে আগুন নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করুন।
আপনার সতর্কতা আপনার পরিবার ও সম্পত্তিকে আগুন থেকে রক্ষা করতে পারে।

05/06/2024

কেন ঘটছে এই অগ্নি দুর্ঘটনা !
আপনি বা আপনার পরিবার কি এই বিপদ থেকে নিরাপদ!
হেল্পলাইন : 01813-877116

আমরা কি সবাই সুরক্ষিত? আমরা বর্তমানে যেখানে আছি, সরকারি-বেসরকারি অফিস/কারখানা/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/হাসপাতাল/ সেখানে কি পর্যা...
26/05/2024

আমরা কি সবাই সুরক্ষিত?
আমরা বর্তমানে যেখানে আছি, সরকারি-বেসরকারি অফিস/কারখানা/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/হাসপাতাল/ সেখানে কি পর্যাপ্ত পরিমাণ অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা আছে?
সারাবিশ্বে গড়ে প্রতি 9.63 সেকেন্ড পরপর অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে।সে হিসেবে অামাদের বাসস্থান/কর্মক্ষেত্রে কি পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা অাছে?
বেসরকারি সংস্থা সেইফটি অ্যান্ড রাইটস'র হিসেবে গত দশ বছরে শিল্প কারখানায় ৪৫৩টি অগ্নিকাণ্ড এবং দুর্ঘটনায় অন্তত ৬শ ৯৭ জন শ্রমিক মারা গেছে।
বেইলি রোডে অবস্থিত গ্রীন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়
২০২৩ সালে সারা দেশে মোট ২৭ হাজার ৬২৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে,বনানীর এফ আর টাওয়ার,পুরান ঢাকার চকবা হাসেম ফুড কারখানাতে যদি পর্যাপ্ত ও সুপরিকল্পিত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকতো তাহলে এতো পরিমাণ অর্থহানি ও প্রাণহানি ঘটতো না।
দেশে এখনও হাজার হাজার এমন অপরিকল্পিত দালানকোঠা বিদ্যমান। নিজের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ আমাদের সবার নাগরিক অধিকার। আসুন আমরা সচেতন হই কারণ সামান্য অসচেতনায় হতে পারে হাজার হাজার প্রাণ ঝরে যাওয়ার কারণ।

এলপিজি সিলিন্ডার – আতংক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা:বর্তমানে সর্বত্র এলপিজি গ্যাস এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃ...
15/03/2024

এলপিজি সিলিন্ডার – আতংক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা:

বর্তমানে সর্বত্র এলপিজি গ্যাস এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। বাসা-বাড়ী, রেস্তোরা, কারখানা সহ সকল স্থানে এলপিজি ব্যবহারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় যত্রতত্র ভাবে তা সংরক্ষণ, পরিবহন এবং ব্যবহার হচ্ছে। ফলে অসতর্কতার কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। কিন্তু বাস্তবিক ভাবে এলপিজি একটি নিরাপদ গ্যাস হিসেবেই স্বীকৃত এবং এর সিলিন্ডার সমুহ নিরাপত্তা বিবেচনা করেই ডিজাইন করা হয়। তবে নিয়ম মেনে তা ব্যবহার এবং সংরক্ষণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে আতংকিত না হয়ে সর্বক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে-

> এলপিজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে রান্না শেষে রেগুলেটরের সুইচ অফ করে দিতে হবে। এলপি গ্যাস বাতাস থেকে ভারী বলে কোনো লিক বা সংযোগের ত্রুটির কারণে নিঃসৃত গ্যাস ঘরের মেঝেতে জমা হয়। এ অবস্থায় গ্যাসপূর্ণ ঘরে আগুন জ্বালালে বা স্পার্ক করলে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

> সিলিন্ডার আগুনে বা অন্যভাবে উত্তপ্ত হলে তরল এলপিজি দ্রুত গ্যাসে রূপান্তরিত হয়ে অস্বাভাবিক চাপ বৃদ্ধির ফলে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হতে পারে।

> রান্নাঘরে স্থাপিত আবদ্ধ কোনো ক্যাবিনেটে এলপিজি সিলিন্ডার রাখা যাবে না

> সিলিন্ডার কাত করে রাখলে বা চুলার উপরে রাখলে রান্নাঘরে অগ্নিকান্ড বা বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। সিলিন্ডার কোনোভাবেই চুলার/আগুনের পাশে রাখা যাবে না।

> চুলা থেকে যথেষ্ট দূরে বায়ু চলাচল করে এমন স্থানে এলপিজি সিলিন্ডার রাখতে হবে।

> চুলা সিলিন্ডার হতে নিচুতে রাখা যাবে না, কমপক্ষে ৬ ইঞ্চি উপরে রাখতে হবে।

> গ্যাসের গন্ধ পেলে দ্রুত দরজা-জানাজা খুলে দিতে হবে এবং এলপিজি সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ করতে হবে।

> অতিরিক্ত গ্যাস বের করার জন্য এলপিজি সিলিন্ডারে কখনো তাপ দেয়া যাবে না।

> রান্না শুরু করার ৩০ মিনিট আগে রান্নাঘরের দরজা জানালা খুলে দিতে হবে।

> সিলিন্ডারের ভাল্ভের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেগুলেটর ব্যবহার করতে হবে।

> সিলিন্ডারের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ এর সাথে সম্পৃক্ত এক্সেসরিজ। নিম্নমানের ভাল্ভ, ক্লিপ, হোসপাইপ ইতাদ্যির জন্য দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এমনকি ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ দুর্ঘটনার কারন হতে পারে। তাই এগুলো নিয়মিত পরীক্ষা এবং পরিবর্তন করতে হবে।

> এলপিজি সিলিন্ডার রাখার স্থানে গ্যাস লিকেজ সনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা উচিত। এতে লিকেজ ধরা পরলেই তা অ্যালার্ম দিবে।

> যদি কোন কারনে সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায় তবুও আতংকিত না হয়ে ফায়ার ব্লাঙ্কেট অথবা মোটা কাপড় জাতীয় কিছু দিয়ে সিলিন্ডারটি ঢেকে দিতে হবে যেন অক্সিজেন হ্রাস হয়ে আগুন নিভে যায়।

> এলপিজি সিলিন্ডার মজুদকরার ক্ষেত্রে তা মূল ভবন থেকে নুন্যতম ৩ মিটার দূরে রাখা উচিত এবং নুন্যতম ৩ ঘন্টা অগ্নি প্রতিরোধক ভাবে দেয়াল করে দেয়া উচিত। ফায়ার ডোর ব্যবহার করতে হবে এবং যান্ত্রিক ভাবে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানটি শুখনো এবং শীতল হতে হবে।

> যেখানে এলপিজি সিলিন্ডার মজুদ করা হবে, সেখানে অন্যকোন কিছু মজুদ করা যাবে না।

> সিলিন্ডারগুলি বৈদ্যুতিক সংযোগ, দাহ্য পদার্থ, অতিরিক্ত তাপ, ক্রমাগত স্যাঁতসেঁতে, লবণ ইত্যাদি থেকে দূরে রাখতে হবে।

> সিলিন্ডারগুলো মাটি থেকে এমন ভাবে রাখতে হবে যেন মরিচা না ধরে।

> গ্যাস পূর্ণ এবং খালি সিলিন্ডাগুলো পৃথক ভাবে রাখতে হবে।

> এলপি গ্যাস ব্যবহারের, সংরক্ষণের এবং পরিবহনের সকল স্তরে প্রস্তুতকারক, ফায়ার সার্ভিস, জালানি এবং খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে।

জনস্বার্থে-
মাহমুদুর রশিদ
ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইসাব

20/02/2024

🔥গ্যাস সংযোগ অথবা গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে আপনার বাড়িতে তাহলে আপনার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ। 💥
আপনার বাসায় যদি গ্যাসে রান্না হয়ে থাকে বা গ্যাসের সংযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই এই ভিডিওটি আপনার দেখা উচিত।
ছোট্ট একটি ডিভাইস বাঁচিয়ে দিতে পারে আপনার পুরো পরিবারের জীবন।
এটি সম্পর্কে আরো জানতে অথবা অর্ডার করতে মেসেজ করুন। 📩

প্রতিটি জরুরি অবস্থার জন্য পরিকল্পনা করুন। নিয়মিতভাবে আপনার বাড়ির প্রতিটি সদস্যের সাথে আপনার অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা...
20/02/2024

প্রতিটি জরুরি অবস্থার জন্য পরিকল্পনা করুন। নিয়মিতভাবে আপনার বাড়ির প্রতিটি সদস্যের সাথে আপনার অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনার মাধ্যমে যান এবং নিশ্চিত করুন যে সবাই পালিয়ে যাওয়ার পথগুলি জানে৷

27/09/2023

আপনার সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার।

আপনার পরিবারকে গ্যাস লিকেজ থেকে ঘটে যাওয়া বিষ্ফোরণ এর মত দূর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে রান্না ঘরে ব্যবহার করুন Gas leak Detector...
26/08/2023

আপনার পরিবারকে গ্যাস লিকেজ থেকে ঘটে যাওয়া বিষ্ফোরণ এর মত দূর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে রান্না ঘরে ব্যবহার করুন Gas leak Detector. বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় দেখা গেছে গ্যাস সিলিন্ডারের লাইন লিকেজের ফলে যে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে তা একটি বোমা বিষ্ফোরণ থেকেও ভয়ানক হতে পারে । রান্নাঘরে গ্যাস লিক হয়ে গ্যাসের মাত্রা বিপদসীমায় পৌঁছানোর আগেই ডিভাইসটি উচ্চ শব্দ দিয়ে সতর্ক করবে এবং লাল আলো দ্বারা সতর্ক সংকেত দেখাবে।
Feature
1. High sensitivity, high accuracy
2. MCU processing adopted, SMT adopted
3. Auto-reset after alarm
4. Malfunction auto-check indicator
5. Be able to work with electro valve
6. Sound & Flash alarm output
7. Suit for the safety of residential area, villas, hotels, markets, boarding house, etc
8. Designed to LPG, Natural GAS

Address

Nishbetgonj Road
Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safe Life Shop BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share