19/11/2025
অপব্যবহার শুধু আমাদের সাথেই,,,,,,
১) পাহাড়ীরা সহজ সরল, এই সরলতার অপব্যবহারে বিভিন্নভাবে ধোকা দেওয়াও সহজ তা সবারই জানা। বর্তমানে পাহাড়ী আদিবাসিরাও সচেতন, তাইতো ধোকা বাদ আন্দোলন শুরু।
২) পাহাড়ীরা কঠিন, হিংস্র এমনকি একেকজন সবাই জঙ্গী যা দেশবাসীর কাছে প্রতিনিয়ত ভূলধারনাগুলো দিয়ে আসছিলো । যার প্রমান ২/১ দিনের ভিতরেও আমি পেয়েছি ।
৩) পাহাড়ীরা ভিন্ন গোষ্ঠীর আর মূল কথা হলো ভিন্ন ধর্মের তাইতো পাহাড়ীরা যতই সৎ ও ন্যায়ের পথে থাকুক না কেন দেশের মানুষ পাহাড়ীদের বিপক্ষেই থাকে ( হাতে গুনা কয়েকজন বাদে ) ।
৪) ভিন্ন দেশের আদিবাসী ও এদের সংস্কৃতি তারা ঠিকই উপভোগ ও ধারন করতে পারে কিন্তু নিজেদের বেলায় কখনোই মানবেনা ।
৫) দেশে পাহাড়ীদের / আদিবাসীদের অর্গানিক খাবার এবং উৎপাদিত ফসল তাদের কাছে খুব গুরুত্ব থাকে, কিন্তু দিতে জানেনা পাহাড়ী আদিবাসীদের সম্মান ।
৬) প্রতিটা দেশে ও অঞ্চলে পাহাড়ী আদিবাসী ও তাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য সংরক্ষন করে রাখে, কিন্তু আমাদের দেশে মানুষদের চিন্তাধারা এমন যে সংরক্ষনের চিন্তা বাদ বরংচ সমস্ত পাহাড় কিভাবে দখলে নেওয়া যায় সেটার চিন্তা ক্রমাগত বাড়ছেই । এদের একটাই কাজ, রাজনীতিবিদদের সংরক্ষন করা।
৭) পাহাড়ী আদিবাসী মেয়েদের কিভাবে লোভ লালসায় ফেলে নষ্ট করা যায় , ভোগ্যপণ্য করা যায় সেটা তো এদের মাথা থেকে যায়ও না ( সবার মনমানসিকতা এমন না)।
৮) আমরা আমাদের সমাজব্যবস্থাকে সংরক্ষন করে নীতি প্রয়োগ করি, সৎ সাহস ও ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করি। নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে মন থেকে স্বযত্নে টিকিয়ে রাখার মাধ্যমে জাতিসত্তার অধিকার বহাল রাখি।
আমরা পাহাড়ী আদিবাসী, সৎ ও নিষ্ঠার সাথে জীবিকা নির্বাহ করি । পারলে আমাদের সাহায্য করুন, না পারলে অন্তত পাহাড় ও পাহাড়ী আদিবাসিদের নিয়ে কোন চক্রান্ত করবেন না।