Department of Fisheries (BD)

Department of Fisheries (BD) Department of Fisheries, Bangladesh (DoF) was first established in the undivided Bengal of the British India in 1908. In 1910 the DoF was abolished through T.

In 1910 the DoF was abolished through merging with the Department of Agriculture. Again as per recommendation of Mr. South Well the DoF became an independent organization in 1917. The DoF was abolished again in 1923. After long gap following the recommendation of Dr. M. Ramswami Naidu the DoF was revived in May 1942. Since the inception of the then East Pakistan (now Bangladesh) the DoF has had be

en running with mandates of maximising fish producation,Poverty alleviation through employment generation,etc. After the independence of Bangladesh in 1971 the Central Fisheries Department of the then Pakistan was merged with the DoF of Bangladesh in April 1975. Later on in 1984 Central Marine Fisheries Dept. was merged with the DoF as a Marine Fisheries wing

https://www.banglatribune.com/country/chitagong/946239/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%...
12/05/2026

https://www.banglatribune.com/country/chitagong/946239/%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B-%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A8

উপকূলীয় এলাকায় মানুষের আয়ের একমাত্র উৎস মাছ। বছরের পর বছর মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন জেলেরা। তবে নদী ও সমুদ....

নদী ও সাগরে কত ধরনের মাছ ধরেন জেলেরা
12/05/2026

নদী ও সাগরে কত ধরনের মাছ ধরেন জেলেরা

নদীমাতৃক বাংলাদেশের মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ মাছ ধরা। এটি জীবন-জীবিকা, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোত.....

12/05/2026
বাংলাদেশের মৎস্য খাতে গত কয়েক বছরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি করে দেশ প্...
11/05/2026

বাংলাদেশের মৎস্য খাতে গত কয়েক বছরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি করে দেশ প্রায় ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা আয় করেছে

https://www.somoynews.tv/news/2026-05-03/YBKVN3WC?fbclid=IwY2xjawRudTZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFHcm5Da2NsdnRmRDhiWWkzc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHvDT-dNShWjqNMrUK6b7NnKwrACZHb6Lr9Oid4uA_Z4g7RpXWukpRIlzdPMB_aem_4JkqZyiZVjlzdassPkVtTA

বাংলাদেশের মৎস্য খাতে গত কয়েক বছরে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি কর...

০৯/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখ মৎস্যচাষী কল্যাণ সমিতি, বৃ-পাথুরিয়া, গুরুদাসপুর, নাটোর কর্তৃক আয়োজিত মৎস্যচাষী সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ...
10/05/2026

০৯/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখ মৎস্যচাষী কল্যাণ সমিতি, বৃ-পাথুরিয়া, গুরুদাসপুর, নাটোর কর্তৃক আয়োজিত মৎস্যচাষী সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ্ঠানে ​মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে চলনবিলের হারানো ঐতিহ্য ও দেশীয় প্রজাতির মাছ ফিরিয়ে আনতে এই অঞ্চলে আধুনিক মৎস্য সংরক্ষণাগার এবং কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানান...
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন, বাজার নীতি সম্প্রসারণ ও আন্তর্জাতিক রপ্তানি চেইন প্রতিস্থাপন'- শীর্ষক এই সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ​"আমাদের দেশ মৎস্যসম্পদে ভরপুর। চলনবিলসহ দেশের মুক্ত জলাশয়গুলোতে উৎপাদিত মাছ দিয়ে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করাই আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে সরকার কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
​সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তিনি বলেন, নাটোরের চলনবিল ও হালতিবিলসহ দেশের মুক্ত জলাশয়গুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে মৎস্য চাষে নতুন বিপ্লব ঘটানো হবে। দেশীয় মাছের বংশবৃদ্ধি, সংরক্ষণ এবং উন্নত বাজারজাতকরণে নেওয়া হবে বিশেষ উদ্যোগ। পাশাপাশি মৎস্য চাষিদের আধুনিক ও উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় এনে দেশে আমিষের ঘাটতি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
​মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জিয়া হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাটোর- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, সম্মানিত ডীন, মৎস্য অনুষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, পরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী, জেলা মৎস্য অফিসার, জেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার, নাটোর; নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণসহ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার ভূমি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার, উপজেলা কৃষি অফিসার, অফিসার ইন চার্জ গুরুদাসপুর থানা, ডিজিএম পল্লীবিদ্যুৎ, সহকারী প্রকৌশলী, বিএডিসিসহ গুরুদাসপুরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, নাটোরের অন্যান্য উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তাবৃন্দ, মৎস্য অধিদপ্তর ঢাকার সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-১), ডিজি স্ট্যাফ অফিসার (সহকারী পরিচালক), নাটোর জেলার মৎস্যচাষী, মৎস্যজীবী, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ এলাকার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারমৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ মৎস্য আহরণকারীরা কৃষক...
06/05/2026

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

মৎস্য আহরণকারীরা কৃষক কার্ডের আওতায় আসবেন
-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রাঙ্গামাটি, ২৩ বৈশাখ ( ৬ মে):

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যেই সাধারণ জনগণের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছেন। আর মৎস্য আহরণকারীরাও কৃষক কার্ডের আওতায় আসবেন।

আজ দুপুরে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণনকেন্দ্রে কাপ্তাই হ্রদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও মৎস্যজীবীদের মাঝে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাপ্তাই লেক বাংলাদেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অতীতে এই লেক থেকে যে পরিমাণ মাছ আহরণ করা হতো, বর্তমানে তা আর পাওয়া যাচ্ছে না। আজ যে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে, তা বড় হয়ে এখানকার মৎস্য শিকারিরাই আহরণ করবেন। তবে মাছগুলো বড় হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার সবসময় মৎস্যজীবীদের পাশে রয়েছে। তাই মাছের উৎপাদন নিশ্চিত করতে পোনা মাছগুলোকে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে, যাতে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মৎস্যজীবীরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারেন। এ লক্ষ্যে তিনি সকলকে তিন মাস মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সকলকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে এবং বাংলাদেশকে হৃদয়ে ধারণ করে চলতে হবে। তিনি বলেন, কাপ্তাই লেক একটি জাতীয় সম্পদ, যেখানে প্রতিনিয়ত দেশি-বিদেশি পর্যটকরা আসেন। তাই এ লেকে কোনো ধরনের ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমরা যদি নিজেরা সচেতন হই, তাহলে কাপ্তাই লেককে অনেকাংশে দূষণমুক্ত রাখা সম্ভব। অন্যথায়, ক্রমাগত দূষণের ফলে একসময় এটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, লেককে দূষণমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং পর্যটনসংশ্লিষ্টদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এছাড়া কাপ্তাই লেকের নাব্যতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় খনন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) চেয়ারম্যান মো: ইমাম উদ্দীন কবীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: দেলোয়ার হোসেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রাঙ্গামাটির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, রাঙ্গামাটির ভারপ্রাপ্ত জেলাপ্রশাসক মো: মোবারক হোসেন, নৌ-পুলিশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের পুলিশ সুপার বিএম নুরুজ্জামান ও রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোছাইন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার কাপ্তাই হ্রদনির্ভর ২৬ হাজার ৮৪৫টি জেলে পরিবারকে প্রথম ধাপে পরিবার প্রতি ২০ কেজি হারে দুই মাসের জন্য মোট ৪০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে, যার মোট পরিমাণ ১ হাজার ৭৪ মেট্রিক টন।

এছাড়া চলতি মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদে ৬০ মেট্রিক টনেরও বেশি মাছের পোনা অবমুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিএফডিসি।

স্বাক্ষরিত /-
(মো: মামুন হাসান)
সিনিয়র তথ্য অফিসার
(তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা)
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

Address

13 Shahid Capt. Mansur Ali Saroni
Ramna
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Department of Fisheries (BD) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Department of Fisheries (BD):

Share