01/12/2013
নাটোরে ট্রেনে আগুন ও সড়ক অবরোধ, আটক ১৪
=============================
Natore : নাটোরে ১৮ দলের ডাকা অবরোধের দ্বিতীয়
দিনের শুরুতে সদর উপজেলার
নলডাঙ্গা স্টেশনে উত্তরা এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেয়
অবরোধকারীরা। এদিকে মহাসড়ক অবরোধ ও পুলিশের
সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ রাউন্ড গুলি ছুরে পুলিশ ।
এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছেন। এসময় ১৪ জনকে আটক
করেছে পুলিশ। রোববার সকাল ১০টার দিকে পার্বতীপুর
থেকে রাজশাহীগামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেন
নলডাঙ্গা স্টেশনে থামলে ট্রেনের হুজ পাইপসহ
দুইটি বগিতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়
অবরোধকারীরা। এ সময় দ্রুত নামতে গিয়ে কয়েক
যাত্রী আহত হন। তবে রেলের নিরাপত্তাকর্মী ও স্থানীয়
জনগণ এবং যাত্রীরা চেষ্টা চালিয়ে দ্রুত আগুন
নিভিয়ে ফেললে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি।
পরে ট্রেনটি দ্রুত স্টেশন এলাকা ত্যাগ করে চলে যায়।
এদিকে অবরোধের শুরুতে শহরের হরিশপুর বাইপাসে ১৮ দলের
যুগ্ম আহ্ববায়ক আতিকুল ইসলাম রাসেল, শহরের
আলাইপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের
সামনে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলাম মোর্শেদ
ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হকের নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ
করে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। এছাড়া বড়াইগ্রামের ধানাইদহ,
রাজ্জাক মোড়, রাজাকারের মোড়, লালপুরের কদিমচিলান,
গুরুদাসপুরের নতুনবাজার, সিংড়ার বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়ক
অবরোধ করে।
এর আগে নাটোরের লালপুরের দাইরপাড়া এলাকায়
আওয়ামী লীগের পাবনার ঈশ্বরদী আসনের মনোনয়নপ্রাপ্ত
বর্তমান এমপি শামসুর রহমান শরিফ ডিলুর
গাড়ি বহরে হামলার ঘটনার পর সেখানে পুলিশ অবস্থান
নিলে বিকেলে অবরোধকারীদের সঙ্গে তাদের
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে বিকেলে পুলিশ
অবরোধকারীদের সরিয়ে দিতে কমপক্ষে ১৫ রাউন্ড গুলি ছুড়ে।
পুলিশ এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী আলম মেম্বার, মাহাবুব,
ফরিদ, রজব, আফজাল, হালিম, কৃষক তৌহিদুর রহমান,
নাসির ও পিয়ার আলীসহ ১৪ জনকে আটক করে। নাটোরের
পুলিশ সুপার নাহিদ হোসেন বলেছেন, গুলি নয়, টিয়ারশেল
ছুড়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার মিজানুর রহমান বলেছেন, পুলিশের গাড়ি বহরে নিক্ষেপ
করায় এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি ১৪ জনকে আটক ও ১০ রাউন্ড
টিয়ারশেল ছুড়ার কথা স্বীকার করেছেন। এদিকে অবরোধে সব
ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র : নতুন বার্তা