বঙ্গ ইতিহাস

বঙ্গ ইতিহাস ভ্রমণের পাশাপাশি ইতিহাস-ঐতিহ্য-জীবন ?

ইতিহাসের মধ্যে দিয়েই জানা যায় কীভাবে আদি মানব অসহায় অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সভ্য ও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিল। এভাবেই ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে আমরা মানব সমাজের শুরু থেকে তার যাবতীয় কর্মকাণ্ড, চিন্তা-চেতনা ও জীবনযাত্রার অগ্রগতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের সভ্যতা কিভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, কিভ

াবে তার বিকাশ ঘটছে সবকিছুই জানা সম্ভব ইতিহাসের মাধ্যমে। ইতিহাস শুধু মানুষের অতীতকালের কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে না, মানুষের অতীত কর্মকান্ডের পেছনের উদ্দেশ্যও খুঁজে বেড়ায়। মানুষের অতীত কীর্তির পেছনের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করে। এভাবে, ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে অতীতকালে মানুষের চিন্তাভাবনা কি ছিল সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়।

10/06/2024




'' রিজিক নিয়ে চিন্তার কিছু নাই, চেষ্টা করো কাঙ্খিত রিজিক সঠিক উপায়েই পেয়ে যাবা''

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।

যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।

টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।

আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।

উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।

টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।

আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।

রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।

■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!

■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।

■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)

■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)

■▪মহান আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।

অনেকদিন পরে একটা ছবি দিলাম।।
04/05/2024

অনেকদিন পরে একটা ছবি দিলাম।।

24/04/2024

মধ্যবিত্ত !!!

,
,
,
পকেটে ১০ টাকা থাকলে সেটা দিয়ে কিছু খাবো,
নাকি হেটে না গিয়ে গাড়িতে করে যাব,
এটাও ১০ মিনিট ভাবতে হয়।
কারণ আমি মধ্যবিত্ত।

নিজের টাকা জমিয়ে… শখের জিনিস কেনার মর্ম কি?
তা একমাত্র মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে-মেয়েরা জানে!

ধনীর আছে ধন গরিবের আছে সরকার!
আর মধ্যবিত্তের কেউ নেই আছে শুধু হাহাকার।

আমি মধ্যবিত্ত! তাই দোকানের ভাল জিনিসটা দেখেও
না দেখার ভান করে এড়িয়ে যেতে হয়।

মধ্যবিত্ত হয়ে দেখো…! জীবনে কোন মূল্য থাকবে না।

আমার মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্ম হওয়া সন্তানরা বুঝতে পারে যে…
টাকা পয়সা ছাড়া জীবনে এগিয়ে যাওয়ার কতোটা কঠিন।

মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে মেয়েরাও চায়,
বাবা মায়ের আশা গুলো পূরন করতে!!!
কিন্তু হয়ে ওঠেনা সামর্থ্যের কারনে।

মধ্যবর্তী পরিবারের ছেলে মেয়েরাই জানে..!!
বহু অপেক্ষার পর পাওয়া জিনিসের মূল্য।

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়ে মানেই,
খুব ছোট বয়স থেকেই নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই ভাবতে হয়!

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়ে গুলো
খুব কাছ থেকে পৃথিবীর আসল রূপটা দেখতে পারে।

বয়সের আগে বড় হয়ে যাওয়া,
একা একা সব কিছু সামাল দেওয়া,
শুধু এটা জানান দেয়, আমি মধ্যবিত্ত! এর বেশি কিছু নয়।

মধ্যবিত্ত শব্দটার মাঝে মিশে আছে…
হাসি, কান্না, রাগ, অভিমান, আর না পাওয়ার শতশত বেদনা।

মধ্যবিত্ত মানেই হলো রোজ বাস্তবতার অনলে পোড়া।
মধ্যবিত্ত মানেই হলো মান-সম্মানে জীবন গড়া।

মধ্যবিত্তদের হাসির পিছনে লুকিয়ে থাকা কষ্ট গুলো
কেউ কোনোদিন দেখতেও পায়না!

মধ্যবিত্ত মানে…. অনেক গল্প অনেক কথার পাহাড়!
মধ্যবিত্ত মানে একটু আশা এক আকাশ সমান।

মধ্যবিত্ত ঘরের জন্ম নেওয়াটাই পাপ!
মধ্যবিত্তদের কোন শখ আল্লাদ থাকেনা!
মধ্যবিত্তদের কোন বন্ধু হয় না!

বাস্তবতার কঠিন রূপ;
একমাত্র মধ্যবিত্তের ছেলেরাই দেখতে পায়!

মধ্যবিত্তের সুখ হল
বুক চাপা যন্ত্রণা লুকিয়ে নিজেকে সবার সাথে মানিয়ে নেওয়া!

মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে বাস্তবতা বোঝে।
তারা একটু সময় আর একটু ভালোবাসা পেলেই অল্পতে খুশি।

মধ্যবিত্ত মানে এক চোখে ক্যারিয়ার আর এক চোখে পরিবার!
তৃতীয় কোন চোখ নেই নিজেকে দেখার।

মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরাই জানে,
বাইরের জগৎটা কিভাবে মানিয়ে নিতে হয়!

12/02/2024
26/01/2024
18/01/2024

😄😄😄

10/01/2024
07/05/2023

উঠে দাঁড়াতে একটা 🫴🫴🫴 হাত লাগে,
আর ঘুরে দাঁরাতে
🗯️ 💭💨 একটা আঘাত ।

07/05/2023

Hi Everyone Back two L's go

14/09/2022

Fotball Cup Winner Evolution from 1930-2022.Qatar World Cup..

Address

Kadirgonj, Rajshahi Division
Rajshahi
6000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বঙ্গ ইতিহাস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বঙ্গ ইতিহাস:

Share