08/09/2024
👉এদেরকে চিনে রাখা দরকার
এরা মীরজাফরের বংশধর, এবং সক্রিয় আওয়ামী লীগ।
এরা যেনো মোখশ পালটাতে না পারে সবাই সাবধান 🚫🚫
এদের বাড়ির নারী পুরষ সবাই আওয়ামী লীগের সক্রিয় দালাল।
👉পুরোটা পড়ুন
লক্ষীপুরের কামারহাট সংলগ্ন মন্দার বাড়ির (পোস্ট অফিস মন্দার বাড়ি)
রতন মুহুরি, গোরফান মুহুরি, কুদ্দুস, তহশিলদার বাচ্চু, মালানা, সহ সবাই এরা এবং এদের বাবারা ৭১ সালে স্বাধীনতা বিরোধী কার্যকলাপের কারণে এদের বাপ-দাদার এলাকা বেগমগন্জের কাচিহাটা নামক গ্রাম/জায়গা থেকে এদেরকে বিতাড়িত করে দিলে পরবর্তীতে ধন্যপুরের হিন্দু জমিদার বাড়ি (মন্দার বাড়ি) উক্ত এলাকার লাঠিয়াল এবং দরদ্রি লোকজনকে টাকার প্রলোভনে ফেলে ব্যবহার করে জোর জবরদস্তি করে হিন্দু জমিদার বাড়িটি দখল নেয়।
যাহা খরিদ সুত্রে পাশের বাড়ির মালাকিনাধীন ছিলো
উক্ত বাড়ি সহ স্থাবর সকল সম্পত্তির দখল নেয় এই রাজাকারের বাচ্চারা।
রাজাকার থাকায় ওদের কাছে লুটের টাকা পয়সা ও স্বর্নগয়নার কমতি ছিলোনা, যেগুলো এই বাড়ি দখলের সময় লাঠিয়াল বাহিনির জন্য ব্যবহার করে, গ্রামের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র এবং অশিক্ষিত হওয়ায় তারা অবলিলায় ব্যবহারিত হয়।
সামান্য কিছু টাকা কিংবা ২কেজির চালের জন্য ওদের বাড়ি পাহারা দিয়ে রাখতো এলাকার লোকজন।
যেহেতু অবৈধ দখলদারি ছিলো তাই জামেলা লেগেছিল সেই ৭১ সাল থেকেই। এই অবৈধ দখল টিকেয় রাখতে জীবন দিতে হয়ছে এলাকার বহু সাধারন মানুষ কে,
পঙ্গুত্ব বরন করেছে অসংখ্য মানুষ।
এখানেই শেষ নয়-
যেহেতু এরা ইসরায়েলের ইহুদিদের মতো অবৈধ দখলদার, তাই রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য এরা কখনো আওয়ামিলীগ আবার কখনো বিএনপি রুপ ধারন করে, মুলত এদের কোনে চরিত্র স্পষ্ট না।
বিগত ১৭বছরের আওয়ামী শৈরাচারও সরকারের সময়কালে এরা সক্রিয় ছিলো, এবং বিভিন্ন রকম গুন্ডামী সহ সাধারন মানুষকে মামলা হামলা দিয়ে হয়রানি করেছে অসংখ্য দরিদ্র লোকজনকে।
আওয়ামী সরকার পতনের সাথে সাথে এরা কিছু টাকা পয়সার বিনিময়ে অত্র এলাকার কিছু বিএনপি এবং যুবদলের লোকজনের আশ্রয় আবারো সক্রিয় হয়ে উঠছে।
কিন্তু এদের দিন শেষ।🚫
এদের কে আর সক্রিয় হতে দেওয়া যাবেনা। শৈরাচারি শাষকের মতো এদের অবৈধ দখল থেকে এদেরকে উপড়ে ফেলতে হবে।
এরা সমাজ এবং দেশের জন্য ভয়ংকর, এদেরকে ৭১এর যুদ্ধপরাধ সহ ৫০বছরে অবৈধ সম্পতি যবরদখলের অপরাধ আইনের আওয়াতায় এনে বিচার করতে হবে।
কিছু স্ক্রিনশট সংযুক্ত করা গেলো
যেগুলো রতন এবং তার ছেলে রমিজের আওয়ামী নির