04/01/2026
কথা ছিল, ত্যাগীদের মূল্যায়ন হবে। কথা ছিল, দলের দুঃসময়ে যারা পাশে ছিল, রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছে, জনগণের আস্থা অর্জন করেছে তারাই অগ্রাধিকার পাবে, কিন্তু বাস্তবতা বড়ই হতাশাজনক।
ত্যাগী নেতাদের উপেক্ষা করে মূল্যায়ন করা হলো একজন বিদেশি ও হঠাৎ আবির্ভূত মুখকে, যার রাজনৈতিক উপস্থিতি ৫ই আগস্টের পরের ঘটনা মাত্র।
দিনাজপুর–৫ আসনে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যাদের জীবন জড়িয়ে, যারা আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যারা দল ও জনগণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন,
সেই ত্যাগী নেতাদের কি আজ মূল্যায়ন হলো?
এই আসনে বিএনপির রাজনীতির পরীক্ষিত দুই নামঃ
জনাব এ জেড এম রেজওয়ানুল হক সাহেব
জনাব এস এম জাকারিয়া বাচ্চু
এই দুই নেতা শুধু নামেই নয়, কাজেই প্রমাণ করেছেন, তারা দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত সৈনিক, জনগণের আস্থার প্রতীক কিন্তু কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে দেখা গেল,মাঠের রাজনীতি ও ত্যাগের ইতিহাস উপেক্ষিত।
copi: Parbatpur
যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তার গ্রহণযোগ্যতা এখনো প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়, আর এই আসনে তার বিজয় নিশ্চিত—এমন নিশ্চয়তা তো নেইই। দিনাজপুর–৫ কোনো হঠাৎ পরীক্ষার ক্ষেত্র নয়।এখানকার মানুষ রাজনীতি বোঝে, ত্যাগ আর সুবিধাবাদের পার্থক্য বুঝতে জানে। তবুও আশার কথা আছে। আজ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক সাহেব ও এস এম জাকারিয়া বাচ্চু একই কাতারে দাঁড়িয়ে আছেন।
খুব শিগগিরই এই দুই ত্যাগী নেতার একাত্মতা ও ঐক্যের ঘোষণা আসবে—ইংশা আল্লাহ। এই ঐক্যই হবে দিনাজপুর–৫ এর সবচেয়ে বড় শক্তি। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ। আর ইতিহাস সবসময় ত্যাগীদের পক্ষেই কথা বলে।
ত্যাগের রাজনীতি কখনো পরাজিত হয় না, ইংশা আল্লাহ।