Belonia Parshuram Feni বিলোনিয়া পরশুরাম ফেনী

Belonia Parshuram Feni বিলোনিয়া পরশুরাম ফেনী Parashuram,Chittagong,Bangladesh

09/12/2022
30/10/2020

#জরুরি #ঘোষণা
আগামীকাল ৩১ অক্টোবর রোজ শনিবার সকাল ৭.০০ ঘটিকা হতে বিকাল ৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত(কম বেশি হতে পারে) পরশুরাম উপজেলা সকল এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

09/04/2020

আগামীকাল থেকে #কাঁচাবাজার ও #মাছবাজার পরশুরাম পাইলট স্কুল মাঠে স্থানান্তর করা হলো।

25/03/2020
21/08/2017

ভারতের বিলোনিয়া-ফেনী রেললাইন সংযোগ স্থাপনের জন্য ভারত সরকারের অর্থ অনুমোদন।
জমি অধিগ্রহন পক্রিয়া শেষ,
ভারতের অংশে রেললাইন নির্মান কাজ শুরু,
২৮ আগষ্ট ঢাকায় বাংলাদেশ ভারত উভয় দেশের যৌথ কমিটির বৈঠক।
~~~~~~~~~~~~~~~~~

ভারতের বিলোনিয়া থেকে ফিরে:-
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিলোনিয়া থেকে ফেনী পর্যন্ত প্রস্তাবিত রেললাইন সংযোগ কাজ শ্রীঘ্রই আনুষ্টানিক ভাবে শুরু হচ্ছে। ইতিমধ্যে ভারতের অংশে কাজ শুরু করে দিয়েছে ভারত সরকার। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তাবিত রেললাইনের সমীক্ষার জন্য ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ অনুমোদন দিয়েছে।
১৮ আগষ্ট ভারতের রাজ্য মহাকরন এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তীতে এই তথ্য জানিয়েছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তীর বরাদ দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত একাধিক দৈনিক পত্রিকায় এই বিষয় সংবাদ শিরোনাম করেছে।
আগরতা সাব্রুম রেললাইন যাচ্ছে ভারতের বিলোনিয়া হয়ে বাংলাদেশের পরশুরাম হয়ে ফেনী পর্যন্ত যার দুরত্ব ২৫ কিলোমিটার, ফেনী পর্যন্ত ভারতীয় অর্থেই রেললাইন স্থাপন হচ্ছে বলে জানিয়েছে ত্রিপুরার প্রশাসন। ভারতের অংশে কাজ শুরু হলেও বাংলাদেশের অংশে কোন অগ্রগতি দেখা যাচ্ছেনা।
অপরদিকে আগামী ২৮ আগষ্ট ঢাকায় বাংলাদেশ ভারত উভয় দেশের যৌথ কমিটির বৈঠক অনুষ্টিত হবে। ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিবেন ভারতের পরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব সমর জিৎ ভৌমিক, তবে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্বে কে থাকবেন তা স্থানীয় প্রশাসন অবহিত নন।
ওই বৈঠকে আগরতলা-আখাউড়া বিলোনিয়া-ফেনী রেল সংযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সমঝোতা চুক্তি হবে বলে ভারতীয় গনমাধ্যম সুত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে আগরতলা ষ্টেশান থেকে বাংলাদেশের বিলোনিয়া সীমান্ত পর্যন্ত মোট ৬৭ একর জমি অধিগ্রহন করা হবে ইতিমধ্যে ৪০ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে।
জমির মালিকদের এই পর্যন্ত ২২ কোটি টাকা ক্ষতিপুরন পরিশোধ করা হয়েছে ত্রিপুরার জেলা প্রশাসন আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে অধিগ্রহনকৃত জমি রেলকতৃপক্ষের কাছে হস্তান্ত করবে।
ভারতীয় ত্রিপুরার জেলা প্রশাসন জানিয়েছে আগরতলা আখাউড়া ষ্টেশানের দুরত্ব ১৫ কিলোমিটার, এর মধ্যে ৫ কিলোমিটার ত্রিপুরা অংশে এই রেলসংযোগ স্থাপন হলে আশুগঞ্জ পোর্ট ও চট্রগ্রাম বন্ধরের সংঙ্গে আদান প্রদান সহজ হবে।
অপরদিকে ভারতের বিলোনিয়া বাংলাদেশের বিলোনিয়া হয়ে পরশুরাম ও ফেনী পর্যণÍ রেললাইন সংযোগ স্থাপন হলে চট্রগ্রামের সাথে পন্যআদান প্রদান সহজ হবে । ভারতের ভাষ্যমতে চট্রগাম বন্ধর থেকে রেলপথে ফেনী হয়ে ভারতের সমগ্র উত্তর পুর্বাঞ্চলে পৌছানো সম্ভব হবে, ভারতে পক্ষ বিলোনিয়া-ফেনী রেললাইন সংযোগের কাজ শুরু করেছে বলে ভারতীয় গনমাধ্যম ও ত্রিপুরা সরকারী দপ্তর থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মুহুরীর চর দখলে মরিয়া ভারতমুহুরীর চর। বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে আলোচিত বিরোধপূর্ণ ভ‚মি এটি। পরশুরাম উপজেলার বিলোনীয়া সীমান্ত...
22/03/2017

মুহুরীর চর দখলে মরিয়া ভারত

মুহুরীর চর। বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে আলোচিত বিরোধপূর্ণ ভ‚মি এটি। পরশুরাম উপজেলার বিলোনীয়া সীমান্তে মুহুরী নদীর পাশে এ চরের অবস্থান। এর কর্তৃত্ব নিয়ে বহুবার বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে লড়াই হয়েছে। এ চর দখলে নিতে মরিয়া ভারত।

ফেনীস্থ বিজিবির ৪ ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, মুহুরীর চর দখলে রাখতে ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৯৯ সালের ২২ আগস্ট পর্যন্ত ৫৮ দিন ভারতীয় বিএসএফ ও বিজিবির (বিডিআর) গুলিবিনিময় হয়েছে। ১৯৯৪ সালের ১৫ই জানুয়ারি বিএসএফ-এর গুলিতে প্রাণ হারান বাংলাদেশের বাউর পাথর গ্রামের বেয়াধন বিবি (৪০)। তবে এসব সংঘর্ষে কতজন বাংলাদেশী আহত হয়েছেন তার হিসাব নেই বিজিবির কাছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত শতাধিক বাংলাদেশী আহত হয়েছেন। এ সীমান্ত দিয়ে বহু বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ। বাংলাদেশের জমির মালিকদের জমি-সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র থাকলেও বিএসএফ-এর বাধার কারণে এসব জমিতে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। এদিকে দীর্ঘদিনেও বিরোধপূর্ণ মুহুরীর চরের ২.৫ কি.মি. সীমান্ত চিহ্নিত করা যায়নি। ২০১১ সালে বাংলাদেশ জরিপ অধিদফতর-এ সীমানা চিহ্নিত করতে জরিপ পরিচালনা করলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। আগামী ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চার দিনের সফরে ভারত যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে অন্তত ২২টি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফেনীর বিলোনিয়া মুহুরীর চরের সমস্যা সমাধানে দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা হবে এবং বিষয়টি সুরাহা হবে বলেও আশাবাদী বিরোধপূর্ণ মুহুরী চর এলাকার বাসিন্দারা। বিভিন্ন তথ্যাবলী থেকে জানা গেছে, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পাকিস্তান ও ভারত দুটি আলাদা রাষ্ট্রে পরিণত হয়। দেশ বিভাগের পর থেকে মুহুরীর বিশাল আয়তনের চর নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে উত্তপ্ততার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উভয় দেশের যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠকে এ চরকে ডিসপুটেড বা অমীমাংসিত হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্ত এরপরও বিএস্এফ এ চরের ৬৬ একর জমি ভোগ-দখল করে আসছে। ত্রিপুরা রাজ্য থেকে মুহুরী নদীর উৎপত্তি, নদী ভাঙনের ফলে ও গতি পথ পরিবর্তনের কারণে মুহুরীর চরের সৃষ্টি হয়েছে।

এ চরের মূল আয়তন ৯২.৩৩ একর এর মধ্যে ৬৬ ভাগ ভারতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে । বাকি ২৪ ভাগ এলাকা অমীমাংসিত। বিজিবির দাবি, এ চরের আয়তন ৭৯ একর। এর মধ্যে ৫০ একর চর ডিসপুটেড। অনুসন্ধানে জানা যায়, ভ‚-রাজনৈতিক ও কৌশলগত দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের সার্বভৌম অঞ্চল মুহুরীর চরের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা ভারত দখলে নিয়েছে। উন্নততর প্রকৌশল প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের মুহুরী নদীতে 0পার ও গ্রোয়েন নির্মাণের মাধ্যমে নদীর গতিধারাকে ভারত ক্রমান্বয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশের ভ‚-অভ্যন্তরে সু-কৌশলে বিলোনীয়ার পাশে নিজ কালিকাপুর গ্রামের মুহুরী নদীর বাঁকে চরের অংশটি মূল চরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ কারণে ক্রমাগত উত্তর অংশে (ভারত) চরের সৃষ্টি হয়ে নদী মোহনা বাংলাদেশের গভীরে ঢুকে যাচ্ছে।

সীমান্ত অঞ্চলের তথ্যাবলী অনুসন্ধানে জানা যায়, মুহুরী নদীর পাশে ভারত সীমান্তের ওপারে বিলোনিয়া (ত্রিপুরা রাজ্যের মহকুমা) শহর থেকে ৪০ ফুট প্রশস্ত নতুন সড়ক তৈরির কাজে স¤পন্ন করেছে। কৌশলে মুহুরীর চরের অধিকাংশ এলাকা ও তৎসংলগ্ন ভ‚-ভাগ নিজের এলাকাভুক্ত করে নিচ্ছে ভারত। ফলে ভারতের ভ‚মি আগ্রাসনে পরশুরামের বিলোনীয়া ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে যাচ্ছে। কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ফেনী জেলার পরশুরাম থানার সীমান্তবর্তী বিশাল উত্তর-পশ্চিমের ভ‚-ভাগের সাথে দেশের প্রায় এক অষ্টমাংশ সার্বভৌম অঞ্চল বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের সাথে ভারতের কৌশলগত প্রশ্ন ও সুযোগ-সুবিধা জড়িত। এ কারণে ভারত মুহুরীর নদী চর কৌশলে দখল করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে। ত্রিপুরা রাজ্যকে নিরাপদ রাখাসহ নানা কারণে ভারত অত্যন্ত মরিয়া হয়ে মুহুরীর চরকে নিজেদের আয়ত্তে রাখতে চেষ্টা করে চলেছে। ১৯৪৮ সালে মুহুরীর চরের সীমানা র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ নীতিমালার ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হয়। এক্ষেত্রে দু-দেশের সীমানা হিসেবে মুহুরী নদীর মধ্য স্রোতকে নির্ধারণ করা হয়। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) আবারও মধ্য স্রোতকে উভয় দেশের সীমানা হিসেবে নির্ধারণ করে।
এরপর ১৯৭৬ সালে ভারত নিজ অঞ্চলের সীমান্ত শহরে বিলোনীয়াকে নদী ভাঙন থেকে রক্ষার কথা বলে প্রথমে বাংলাদেশ সীমান্তের কয়েকশ’ মিটার উজানে গ্রোয়েন নির্মাণ করে। আর তখন থেকে মুহুরী নদীর গতিপথ পূর্ব থেকে পশ্চিমে মোড় নিতে শুরু করে। মুহুরী নদীর পানি তাত্তি¡ক ও ভ‚-রূপ তাত্তি¡ক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভারত মুহুরী নদীর উজানে ড্যাম, গ্রোয়েন ও ¯পার নির্মাণের ফলে ক্রমান্বয়ে মুহুরী নদীর স্রোতধারা বাংলাদেশের ভ‚-ভাগে অভ্যন্তরে পশ্চিম থেকে ক‚ল ভেঙে অবস্থান পরিবর্তন করছে। ভারত জোরপূর্বক মধ্যস্রোত সীমান্তনীতির অজুহাতে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড প্রায় ১ কি. মি. অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে । জানা যায়, ১৯৭৯ সালে আবার বাংলাদেশ ভারত যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠক বসে। এ সময় উভয়পক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় যে, দু-দেশের যৌথ জরিপ পরিচালিত না হওয়া পর্যন্ত সংবেদনশীল এ নতুন চরাঞ্চলে যে কোনো দখল বা চাষাবাদ নিষিদ্ধ থাকবে। এ এলাকাকে অমীমাংসিত বলে ঘোষণা দেয়া হয়।

১৯৭৯ সালের বৈঠকের পর বিলোনীয়ার মুহুরীর চর নিয়ে কোনো বৈঠক বা উল্লেখযোগ্য আলোচনা হয়নি। আর এ সুযোগ নিয়েছে ভারত। নানা কৌশলে এ চর তাদের দখলে রাখতে চেষ্টা করছে। এদিকে বিএসএফ-এর বাধার কারণে নিজকালিকাপুরে মুহুরী নদীর ভাঙন কবলিত অংশে সিসি ব্লক ফেলা সম্ভব হয়নি। এছাড়া জমির কাগজপত্র থাকা সত্তে¡ও বাংলাদেশীরা তাদের নিজের জমিতে চাষাবাদ করতে পারছে না। নিজ কালিকাপুর গ্রামের জয়নাল, হাফেজ, আব্দুল করিমসহ অনেকেই জানিয়েছেন, তাদের জমির দলিল থাকা সত্তে¡ও তারা জমিতে যেতে পারছে না। এদিকে জরিপের ফলে চিহ্নিত হওয়া বাংলাদেশের মালিকানাভুক্ত ৭১.৯৪ একর ভূমির সীমানা নির্ধারণী ৪৪টি কাঠের সাব-পিলারের স্থলে পাকা পিলার স্থাপনের চেষ্টা করা হলে আপত্তি জানায় ভারত। জানা গেছে, ত্রিপুরার রাজস্ব বিষয়কমন্ত্রী বাদল চৌধুরীর আপত্তির কারণে সীমানা পিলার স্থাপন করা যাচ্ছে না। তিনি আরেক দফা মুহুরীর চরে জরিপ চালাতে চান।

তার দাবি, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ জরিপ দল যে জরিপ করেছে তাতে ত্রিপুরা রাজ্য সরকার বা স্থানীয় জেলা প্রশাসনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর ফল হিসেবে মুহুরী নদীর উজানের জমি বাংলাদেশের বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় ওই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এবং তাই তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আহবান করেছেন। মুহুরীর চর সীমান্ত সমস্যা হলেও তিনি একে ত্রিপুরার দক্ষিণাঞ্চলে মুহুরীর চর হিসেবে পরিচিত ছিটমহল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যদিও দু-দেশের বৈঠকে কখনো মুহুরীর চরকে ছিটমহল হিসেবে দেখানো হয়নি। সীমানা নির্ধারণের পর বাংলাদেশীরা মুহুরীর চরে আবারো চাষাবাদ করে জীবন-জীবিকার সংস্থান করবেন এবং নিজেদের হারানো জমিতে ভোগ-দখলের অধিকার ফিরে পাওয়ার আশায় আনন্দিত হয়েছিলেন। কিন্তু ভারতীয় বিএসএফ এবং ভারত সরকার স্থায়ী পিলার নির্মাণ না হওয়ায় জমির অধিকার ফিরে পাচ্ছে না।..........ইনকিলাব

03/08/2016

পরশুরামের বিলোনিয়া সীমান্ত থেকে ওবাউননি আইডু আবুদিনে (২৮) নামে এক নাইজেরিয়ান নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি-৪। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে তাকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিজিবি'র মজুমদার হাট ক্যাম্পের সুবেদার অলিউর রহমান।
>এম এ হাসান

25/06/2016

এখন থেকে চেক ইন দেওয়া যাবে,
পরশুরাম উপজেলার অন্যতম সুন্দর গ্রাম বিলোনিয়া থেকে 😊 🌴🌾🌹

Address

Parashuram
3940

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Belonia Parshuram Feni বিলোনিয়া পরশুরাম ফেনী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share