Alormela Vrammoman Library

Alormela Vrammoman Library To spreed mass education
lets contribute with our little ability.

14/10/2018

আনেক আনান্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের "আলোর মেলা ভ্রমমান লাইব্রেরীর জন্য ঢাকা 'বি এন কলেজের সিনিয়র শিক্ষক, মাকসুদ আরা পুতুল (অব) বেশ কিছু শিশুদের পড়ার উপযগি বই পাঠিয়েছেন।আমরা অনেক অনেক আনন্দিত এবং আপ্লুত হয়েছি।
আমরা তার উপহার আমাদের আলোর মেলার যত শিশু পাঠক আছে তাদের সবার প্রতি উৎসর্গ করলাম।
আমাদের এই অতি ক্ষুদ্রকার আলোর যাত্রায় আমরা তার মতন অভিভাবক পেয়ে নিজেদের ধন্য মনে করছি। সামনের দিনগুলোতেও তার এই ভালবাসার হাত প্রসারিত থাকবে সেই প্রতাশা রাখি সব সময়।
আসলে আমাদের সবারই উচিত যত ভালো কাজে নিজেকে একটু একটু করে নিবেদন করা,যাতে ভালো আরো ভালো হয়ে উঠতে পারে, আর সেই ভালোর আলো যেন একটু একটু করে আলোকিত করতে পারে আমাদের চারিপাশ। তারই ধারাবাহিকতায়
শুচনা (আলোর মেলা) আমাদের এই অতিক্ষদ্র প্রয়াস।
সমাজের সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে আমাদের একটাই প্রতাশা আপনারা যতটুকু পারেন ভালো একটা কাজের সাথে নিজেকে মেলে ধরুন,তাতেই ধন্য হবে দেশ মঙ্গল হবে জাতীর।
------- Zaman Mazhi

21/08/2016

সফলদের স্বপ্নগাথা
সাকিব আল হাসান কি জিপিএ ফাইভ পেয়েছিলেন?
আসাদুজ্জামান নূর | আপডেট: ০০:২৪, আগস্ট ২১, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

সম্প্রতি সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের একটি বক্তৃতার অংশবিশেষ ইন্টারনেটে বিপুল আলোচিত হয়েছে। ফেসবুকে শেয়ার হয়েছে সহস্রাধিকবার। ১৬ আগস্ট নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে ‘বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও জাতীয় সংহতি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে কথাগুলো বলেছেন তিনি।

আমরা যেভাবে আমাদের সন্তানদের বড় করছি, আমার নিজের মনে হয় এটা সঠিক না। ভালো রেজাল্ট করতে হবে, লেখাপড়া করতে হবে, নিশ্চয়ই করতে হবে। আমি অনেক বাবা-মাকে বলেছি যে আপনার ছেলেমেয়েকে আপনি গল্পের বই পড়তে দেন, কবিতার বই পড়তে দেন, অ্যাডভেঞ্চারের বই পড়ুক, গোয়েন্দা কাহিনি পড়ুক, ভ্রমণকাহিনি পড়ুক, ইতিহাসের কাহিনি পড়ুক, জীবনকাহিনি পড়ুক, পড়তে দেন। যত পড়বে ওর মস্তিষ্ক তত সতেজ ও সজীব হবে। এবং তারপর ও যখন বইয়ের পাঠ্যপুস্তকটা পড়তে যাবে, তখন যে জিনিসটা বুঝতে ওর তিন ঘণ্টা সময় লাগত, সেটা ৩০ মিনিটে শিখতে পারবে। অন্যথায় সে কী করছে? বইয়ের পাতা পড়ছে, বইয়ের পাতা পড়ছে...ওর মস্তিষ্ক তো শুকিয়ে যাচ্ছে। ও তো ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। এই ক্লান্ত মস্তিষ্ক নিয়ে তো ভালো ছাত্র হতে পারে না। এটা অনেক বাবা-মা বুঝতে চান না।
আমার একজন মায়ের সঙ্গে কথা হচ্ছিল, আমরা এক ফ্লাইটে আসছিলাম সৈয়দপুর থেকে। উনি বলছেন, ‘এই যে, আপনাকে পেয়ে ভালোই হলো। আপনি শিক্ষামন্ত্রীকে গিয়ে একটা কথা বলবেন। এই যে আপনারা চারু ও কারুকলা শুরু করেছেন স্কুলে পড়ানো, এটা পড়ে কী হবে? আমার ছেলে কি জয়নুল আবেদীন হবে?’ তারপরে বললেন, আপনারা শরীরচর্চা বাধ্যতামূলক করেছেন, ‘এতে তো লেখাপড়ার খুব ক্ষতি হচ্ছে।’ একজন মা বাচ্চার কথা এভাবে বলছেন। তো আমি তাঁকে বললাম, ‘আচ্ছা, আপনার বাচ্চাকে আপনি কীভাবে মানুষ করতে চান?’ বললেন, ‘লেখাপড়া শিখবে, ভালো চাকরি করবে।’ বললাম, ‘নিশ্চয়ই, আমরা সবাই-ই চাই যে আমাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখে ভালো ফল করবে, ভালো চাকরি করবে, ব্যবসা করবে, অনেক টাকা আয় করবে। আমি-আপনি নিশ্চিন্ত জীবন যাপন করব। ছেলেমেয়েরা আয় করলে তো আমরা নিশ্চিন্ত।’

তো আমি বললাম যে আপনি ক্রিকেট খেলা দেখেন? বললেন, ‘হ্যাঁ দেখি। আমরা বাড়িশুদ্ধ সবাই-ই খুব ক্রিকেট খেলা পছন্দ করি।’ আমি বললাম আপনার প্রিয় খেলোয়াড় কে? বলছি কয়েক মাস আগের কথা। তো উনি বলছেন যে সাকিব আল হাসান। আমি বললাম, আপনি কি জানেন সাকিব আল হাসান কয়েক দিন পরে আইপিএলে খেলতে যাচ্ছেন ইন্ডিয়াতে? তিনি ওখানে মাস দেড়েক থাকবেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলবেন। সব খেলা যে খেলবেন এমনও না। কিছু খেলা খেলবেন কিছু খেলা খেলবেন না। তো উনি কত টাকা পাবেন আপনি জানেন? বললেন, না জানি না। আমি বললাম, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা পাবেন। তো কেউ কি জিজ্ঞেস করে যে ‘সাকিব আল হাসান, আপনি কি জিপিএ ফাইভ পেয়েছিলেন কি না?’
আমি বললাম, আমাদের একজন এমপি আছেন। সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। খুব ভালো গান করেন। তো উনি গান করতে কত টাকা নেন, আপনি জানেন? বললেন, ‘না, আমার তো কোনো ধারণাই নেই।’ আমি বললাম, আমার আছে। কারণ ওনার সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ হয়। আপনার সঙ্গে যদি খুব ভালো বন্ধুত্ব থাকে, তাহলে মোটামুটি পাঁচ লাখ টাকায় রাজি হতে পারেন। আর যদি না থাকে তাহলে ১০ লাখ টাকা। আর যদি বিদেশে নিয়ে যান তাহলে ২৫ লাখ টাকা। আমি ধরে নিলাম যে সবার সঙ্গেই ওনার বন্ধুত্ব, উনি পাঁচ লাখ টাকা করেই নিচ্ছেন এবং মাসে ১০টা অনুষ্ঠান করেন। তাহলে কত টাকা পাবেন? ৫০ লাখ টাকা। কেউ কি জিজ্ঞেস করেন যে মমতাজ বেগম, আপনি কী পাস করেছেন?
তো আমি বললাম যে আসলে পয়সা তো নানাভাবে আয় করা যায়। তাঁর জন্য যে সব সময় আপনাকে মহাপণ্ডিত হতে হবে—এমন কোনো কথা নয়। আমি বলছি না যে আপনার ছেলেমেয়ের লেখাপড়া বন্ধ করে তাকে ক্রিকেট খেলতে নামিয়ে দেন। সাকিব আল হাসান তো ভালো লেখাপড়া জানা ছেলে, আমি জানি। কিন্তু কথাটা হলো আপনারা যেভাবে দেখছেন, জীবনটা এ রকম নয়। আমি আরও বললাম, আমাদের একজন বিখ্যাত শিল্পী আছেন কাইয়ুম চৌধুরী। মারা গেছেন কিছুদিন আগে। তাঁর একটা তেলরঙের পেইন্টিংয়ের দাম ৩০ থেকে ৫০ লাখ টাকা। কেউ তো খোঁজ করেননি কাইয়ুম চৌধুরী কী পাস করেছেন? সুতরাং মানুষের মেধার বিকাশ নানাভাবে হতে পারে। আমাদের সন্তানদের মধ্যে কিন্তু আমরা সেই সম্ভাবনাগুলো দেখার কোনো চেষ্টা করি না। আমরা শুধু পাস, ভালো রেজাল্ট চাই।
ক্লাসে তো একটা ছেলে ফার্স্ট হবে, একটা ছেলে সেকেন্ড হবে। তাই বলে যারা ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড, ফোর্থ—এগুলো হবে না, তাদের আমরা বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দেব? আমি তো বুঝতে পারি না! তাঁদের দিয়ে আর কিছু হবে না? আমি জানি না জামান ভাই (অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান) কত ভালো ছাত্র ছিলেন। তবে আমি ছিলাম না।
তো যা-ই হোক, আমি তারপর আবারও সেই ভদ্রমহিলাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আচ্ছা, আপনি আইনস্টাইনের ছবি দেখেছেন? মহাবিজ্ঞানী, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী বলা হয় তাঁকে।’ বলেন যে, ‘না, আমি দেখিনি।’ লক্ষ করে দেখবেন, উনি যেখানেই যেতেন ওনার হাতে একটা ছোট্ট বাক্স থাকত। এবং সেই বাক্সটার মধ্যে কী থাকত জানেন আপনারা? একটা ভায়োলিন থাকত, একটা বেহালা! অত বড় একজন বিজ্ঞানী, তার যদি বেহালা শেখার সময় হয়ে থাকে, বেহালা বাজানোর সময় হয়ে থাকে, তাহলে আমরা এমন কী পণ্ডিত হয়েছি যে আমাদের একটু গান করার সময় হবে না? একটা কবিতা পড়ার সময় হবে না, একটা ছবি আঁকার সময় হবে না?
আমরা তো ছেলেমেয়েদের সেই সুযোগগুলো দিচ্ছি না। সেই জন্যই বলছি, আমাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির জায়গাটা নতুন করে ভাবা দরকার। চিন্তাভাবনা করা দরকার। এটা ছিল একসময়। এটা কী করে যেন আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে গেল। আমরা এখন শুধু পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুখস্থ করাচ্ছি। আজকে যে ঘটনাগুলো ঘটছে, এটাও তার একটা বড় কারণ বলে আমার মনে হয়। আপনারা এখানে বিজ্ঞজনেরা আছেন, শিক্ষক আছেন, মেধাবী ছাত্রছাত্রী আছেন। আপনারা সবাই ভাববেন যে আমরা এটা নিয়ে কী কাজ করতে পারি। কীভাবে আমাদের সন্তানদের সুসন্তান হিসেবে, মানুষ হিসেবে, বাঙালি হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। (সংক্ষেপিত)
সূত্র: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইউটিউব চ্যানেল

15/08/2016
04/08/2016

বাংলাদেশ
১৬ বছরেই ঔপন্যাসিক
‘পেছন থেকে কেউ আসছিল। আমি ঠিক নিশ্চিত ছিলাম না। কিন্তু পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। দরজাটা খুলে যেতেই ভাবনায় ছেদ পড়ল। ঘুরে দেখতে গেলাম কী সেটা। হঠাৎ অনুভব করলাম কোনো কিছু সম্পর্কে আমি এর আগে এত কৌতূহলী হইনি। তবে এখন তার উল্টোটাই ঘটছে। পায়ের শব্দটা এত অদ্ভুত ছিল যে আমি সেটা সম্পর্কে না ভেবে পারলাম না। খোলা দরজা দিয়ে আসা আচ্ছন্ন করা একটা মিষ্টি গন্ধ আমাকে ঘিরে ধরেছে। তখন সে এল। প্রথমেই আমি তার জুতার দিকে দেখলাম। সম্ভবত অদ্ভুত শব্দটা ওই জুতাজোড়ারই সৃষ্টি।’

দ্য লাইফ বিটুইন উপন্যাসের শুরুর কয়েকটা লাইনের অনুবাদ তুলে দেওয়া হলো এখানে। কোনো বিখ্যাত ঔপন্যাসিকের রচনা নয়। চট্টগ্রামের ডা. খাস্তগীর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী শ্রেষ্ঠা চৌধুরী লিখেছে এই উপন্যাস। বয়স মাত্র ১৬ বছর। গত বছরের নভেম্বর মাসে জেএসসি পরীক্ষার পর এই উপন্যাস লেখা শুরু করে শ্রেষ্ঠা। এরপর তাঁর অভিভাবক ও শিক্ষকদের উৎসাহে গত জুলাই মাসে খড়িমাটি প্রকাশনা থেকে বইটি প্রকাশিত হয়। এই বয়সে উপন্যাস, তাও আবার ইংরেজি ভাষায়—এমন বিস্ময় নিয়েই বইটি হাতে তুলছে শ্রেষ্ঠার পরিচিতজনেরা। তবে এ ব্যাপারে উচ্ছ্বাসের ছিটেফোঁটাও নেই শ্রেষ্ঠার মধ্যে। বই প্রকাশের বিষয়ে তেমন আগ্রহ তার ছিল না।
গত মঙ্গলবার বিকেল চারটায় বাবার সঙ্গে প্রথম আলো চট্টগ্রাম কার্যালয়ে আসে শ্রেষ্ঠা। আলাপের শুরুতেই শ্রেষ্ঠার বাবা কলেজশিক্ষক শোভন চৌধুরী জানালেন, প্রথম আলো কার্যালয়ে একরকম জোর করে আনতে হয়েছে তাকে। নিজের লেখালেখি বিষয়ে কথা বলতে চায় না একেবারেই। বাবার অভিযোগের উত্তর দিল শ্রেষ্ঠা। বলল, ‘আমি এখনো তেমন কিছু বলার মতো লিখিনি। তাই এসব নিয়ে মাতামাতি পছন্দ নয়।’
শ্রেষ্ঠার সঙ্গে আলাপের বিস্তারিত বলার আগে ৮০ পৃষ্ঠার দ্য লাইফ বিটুইন উপন্যাসের কাহিনিসংক্ষেপ জেনে নেওয়া যাক। উপন্যাসের সব ঘটনাই আবর্তিত হয় এইজেল নামের এক কিশোরীকে ঘিরে। দুর্ঘটনায় বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর এইজেল তার ধনকুবের চাচা আলেক্সান্ডার রেনাসের কাছে চলে আসে। নিঃসন্তান চাচা-চাচির কাছে শুরু হয় তার নতুন জীবন। স্কুলের উচ্ছল বন্ধুদের ভিড়ে দারুণ সময় কাটতে থাকে তার। কিন্তু আনমনা এইজেল প্রায় সময়ই রাস্তায় দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়। আর এই সময় রহস্যময় কেউ একজন বারবারই তাকে দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচায়। কিন্তু এইজেল জানে না এই উপকারী বন্ধুটিই তার সহপাঠী অ্যারেন র্যাচার।
ঘটনা চূড়ান্ত ক্লাইমেক্সে পৌঁছায় যখন উপন্যাসে দুষ্টু বুড়ো শিন ক্রুজেরোর আবির্ভাব ঘটে। শিন ক্রুজেরো তঁার চাচারই প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ী। যিনি তাঁর চাচাকে হত্যা করে তঁার সম্পত্তি বাগিয়ে নিতে চান। ক্রুজেরোর অব্যাহত ষড়যন্ত্র শেষ পর্যন্ত সফল হয়। মরতে হয় তঁার চাচা-চাচিকে। আর এইজেলের কাছে ভালো মানুষ সেজে ক্রুজেরো এই ঘটনার দায় চাপায় উপকারী বন্ধু অ্যারেনের ওপর। এ কথা বিশ্বাসও করে এইজেল। আর এই বিশ্বাস নিয়েই দুষ্টু বুড়োর হাতে মরে সেও। উপন্যাসের শেষ হয় অ্যারেনের বয়ানের মাধ্যমে। বন্ধুর মৃত্যুশোক নিয়েই সে বেঁচে থাকে।
বইটা সামনে নিয়ে শ্রেষ্ঠাকে প্রশ্ন করি, উপন্যাস, তাও আবার ইংরেজিতে—কী করে লিখলে?
উত্তরে মিটিমিটি হাসতে থাকে সে। বলে, ‘গত বছর জেএসসি পরীক্ষার পর কয়েক মাস ছুটি পেয়েছিলাম। সেই অবসরেই লিখেছি এটি। ইংরেজিতে লিখতে ভালো লাগছিল। আর লেখা শুরুর পর ধীরে ধীরে এটা বড় হয়ে গেল। এভাবেই উপন্যাস লিখলাম।’
উপন্যাসের কাহিনি এ দেশের নয়। চরিত্রগুলোর নামই–বা এমন কেন? শ্রেষ্ঠার উত্তর, ‘আমার উপন্যাস পুরোটাই কাল্পনিক। তা ছাড়া এল জে স্মিথের ভ্যাম্পায়ার ডায়রিস, জে কে রাওলিং এরহ্যারি পটার কিংবা স্টেফানি মেয়ারের লেখা পড়তে পড়তে হয়তো তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছি। তাই নামগুলো এমন। আর এখানে কোনো সুনির্দিষ্ট জায়গার নামও উল্লেখ করা হয়নি।’
প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ পাঁচ পাওয়া শ্রেষ্ঠা শৈশব থেকেই বইয়ের পোকা। জাফর ইকবাল, সত্যজিৎ রায়, হুমায়ূন আহমেদ আর আনিসুল হক তার প্রিয় লেখক। জে কে রাওলিংয়ের হ্যারি পটার সিরিজের প্রায় সব বই–ই সে পড়েছে। ভালো লাগে রকিব হাসানের তিন গোয়েন্দা সিরিজের বইগুলোও।
কেবল লেখালেখিতে নয়, শ্রেষ্ঠা আরও অনেক কিছুতেই নিজের শ্রেষ্ঠত্বের ছাপ রাখছে প্রতিনিয়ত। ২০১৫ সালে প্রথম আলো ভাষা প্রতিযোগে জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় হয়েছে সে। ২০১৬ সালে জাতীয় শিক্ষাসপ্তাহে হয়েছে বিভাগের সেরা শিক্ষার্থী। ঢাকার পরমাণু শক্তি কমিশনে বায়োলজি অলিম্পিয়াডের ক্যাম্পেও অংশ নিয়েছে সে। শ্রেষ্ঠার ইচ্ছে কণা-পদার্থবিদ্যা (মলিক্যুলার ফিজিকস) বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করার। তবে যে বিষয়ে পড়ুক না কেন, লেখালেখি চালিয়ে যাবে-এমন সংকল্প তার।
দুই ভাইবোনের মধ্যে শ্রেষ্ঠা বড়। ছোট ভাই শীর্ষ চৌধুরী কলেজিয়েট স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। মা সোমা ঘোষও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশন দেখার চেয়ে বই পড়ার প্রতি শ্রেষ্ঠার আগ্রহ বেশি। তার বাবা শোভন জানান, উপন্যাস ছাড়াও এর মধ্যে বেশ কিছু গল্প ও কবিতা লিখেছে সে। তবে সেসব লেখা দেখাতে চায় না কাউকে।
বাবার উচ্ছ্বাসে বিব্রত হয় শ্রেষ্ঠা। আর কে নারায়ণ, ঝুম্পা লাহিড়ি কিংবা তাহমিনা আনামের মতো ভারতীয় উপমহাদেশের অনেক লেখক ইংরেজি ভাষায় উপন্যাস লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। শ্রেষ্ঠা তঁাদের নাম শুনলেও সবার লেখা পড়েনি এখনো। তবু তঁাদের সাফল্যই তার প্রেরণা। লেখালেখির মধ্যে সৃষ্টির যে আনন্দ, তার খোঁজ সবাই পায় না। শ্রেষ্ঠা তা পেয়েছে। আর সেটাকে সম্বল করেই সামনে এগোতে চায় সে।

Sujap vai with our little friends
01/08/2016

Sujap vai with our little friends

31/07/2016

১. তারা যদি পচা ব্রেড দিয়ে পেনিসিলিন তৈরি করতে পারে তাহলে নিশ্চিতভাবে আপনাকে দিয়েও কিছু বানাতে পারবে। ২. বিশ্বে

আমাদের পাঠক বন্ধুরা
31/07/2016

আমাদের পাঠক বন্ধুরা

Sujap vai one selfie with our pathok(Reader).Smile please............
29/07/2016

Sujap vai one selfie with our pathok(Reader).
Smile please............

আমাদের আর এক খুদে বন্ধু (পাঠক)।
24/07/2016

আমাদের আর এক খুদে বন্ধু (পাঠক)।

বই এবং জীবন
24/07/2016

বই এবং জীবন

আমার জীবনটা পাল্টে দিয়েছে এমন বইয়ের সংখ্যা অজস্র। বই পড়ার অভ্যাসটা গড়ে উঠেছে পারিবারিক ভাবেই। এখন যদি নিজের কাছে প্রশ্ন করি কোন বই দ্বারা প্রভাবিত হয়েছি, নানা রকম বইয়ের কথা মনে পড়ে। তবে একটি বইয়ের কথাই যদি বলতে হয়, অবশ্যই সেটি হবে সমরেশ মজুমদারের সাতকাহন।বইটির প্রথম খণ্ড পড়েছিলাম...

small readers of our mobile library
24/07/2016

small readers of our mobile library

24/07/2016

Address

Pabna, Dhaka
Pabna
6600

Telephone

01751519153

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alormela Vrammoman Library posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Alormela Vrammoman Library:

Share