ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা উত্তর

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা উত্তর আদর্শ যুবকরা জাগলে বাংলাদেশ জাগবে। Dhaka

15/08/2026
১৫ আগস্ট তুমি শহীদি তামান্নার বাতিঘর! আজ ১৫ আগস্ট। বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর। রক্তের হরফে লেখা একটি দিন। আল্লাহর ঘর ...
15/08/2026

১৫ আগস্ট তুমি শহীদি তামান্নার বাতিঘর!

আজ ১৫ আগস্ট। বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর। রক্তের হরফে লেখা একটি দিন। আল্লাহর ঘর মসজিদ রক্ষার আন্দোলনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন কথিত ইসলামী মূল্যবোধের বিএনপি সরকারের হিংস্র আঘাতে সেদিন ঝরে গিয়েছিল ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কর্মী শহীদ আবুল বাশার, সদস্য শহীদ রেজাউল করীম ঢালীসহ চারটি তাজা প্রাণ।

আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনাটির সূত্রপাত ছিল একটি মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে। রাজধানী ঢাকার মালিবাগ টিঅ্যান্ডটি বায়তুল আজিম জামে মসজিদ, যা বর্তমানে শহীদী মসজিদ নামে নামকরণ করা হয়েছে।

৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে আল্লাহর ঘর মসজিদ ভেঙে মার্কেট নির্মাণ করার দুঃসাহস দেখিয়েছিল তৎকালীন ক্ষমতাসীন (বর্তমান সরকার) দলের নেতারা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের সঙ্গে বলতে হয় যে, তৎকালীন বিএনপি জোটে কথিত ইসলামী রাজনৈতিক সংগঠন (বর্তমান গৃহপালিত বিরোধী দল) থাকলেও তারা এর প্রতিবাদ জানানোর ভাষা হয়তো হারিয়ে ফেলেছিল ক্ষমতার মোহে।

কিন্তু ইসলাম রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন (বর্তমান ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ) ক্ষমতাসীনদের চোখ রাঙানি ও হুমকি-ধমকি পরোয়া না করে রাজপথে আন্দোলনে নেমেছিল আল্লাহর ঘর রক্ষা করার জন্য। সে আন্দোলনের শহীদী কাফেলায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কর্মী শহীদ হাফেজ আবুল বাশার, শহীদ রেজাউল করীম ঢালী, শহীদ ইয়াহইয়া এবং শহীদ জয়নাল আবেদীনকে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়। আনসারের গুলিতে আহত হয় আরও ৬০ জন। এভাবেই তাজা রক্তের বিনিময়ে সেদিন জোট সরকারের হিংস্র থাবা থেকে মসজিদ রক্ষা করতে হয়েছিল।

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমাদ আবদুল কাইয়ূম ভাই সেদিনের স্মৃতিচারণ করেন এভাবেই...

২০০২ সালে ১৫ আগস্ট রোজ বৃহস্পতিবার। মসজিদ রক্ষার দাবিতে অনুষ্ঠিতব্য মালিবাগের সামনে পুলিশ ও আনসারের গুলিতে শহীদ হওয়ার ঘটনায় আমি কয়েকজন সাথীকে নিয়ে মালিবাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে শহীদদের না দেখলেও তাদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হওয়ার দৃশ্য দেখে নিজেকে ঠিক রাখতে পারছিলাম না। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চার শহীদের লাশ দেখে চোখের পানি সংবরণ করতে পারিনি। রক্ত মাখা জামাসহ লাশের প্রতিচ্ছবি আজও ভেসে ওঠে চোখের সামনে। আর লাশ থেকে বেহেস্তের খুশবু আজও আমাকে নাড়া দেয়।

আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় হযরত সাহাবায়ে কিরামের কথা। তাদের তাঁজা রক্তে আজও দ্বীন টিকে আছে। মহান আল্লাহর বাণী, ‘যারা আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করে তাদেরকে মৃত বলো না; বরং তারা জীবিত। তোমরা তা বুঝতে পার না।’ (সূরা আল বাকারা)।

আসলেই সেদিন শহীদদের লাশ দেখে মনে হয়নি তারা মৃত। তাদের চেহারা ছিল আলোকিত ও হাস্যোজ্জ্বল। মনে হয় তারা ঘুমিয়ে আছে। শহীদ ভাইদের কথা মনে হলে আজও নিরবে আত্মা কেঁদে ওঠে, অশ্রুসিক্ত হয়ে যায় মন, তখন ঠিক থাকতে পারি না। যারা আমাদেরকে ঋণী করে রেখেছে, তাদের জন্য যখন কিছু করা না যায়, তখন ব্যথিত ও মর্মাহত না হয়ে পারি না। শহীদদের জন্য আমাদের করার কিছু আছে। আর তা হলো শহীদী তামান্নায় উজ্জীবিত হয়ে দ্বীন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা আরও শাণিত করা।’

মালিবাগের ঘটনার পরদিন ১৬ আগস্ট ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বিক্ষোভ ছিল রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে। এতে হযরত পীর সাহেব চরমোনাই (রহ.) তার বক্তব্যে জোট সরকারের কাছে চার দফা দাবি পেশ করেছিলেন। সেগুলো হলো-

১. তৌফিক, ছাত্রদল নেতা হানিফসহ খুনিদের গ্রেফতার করে অবিলম্বে বিচার,
২. খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা,
৩. সরকারি জায়গায় যত মসজিদ আছে ওই সকল জায়গাকে মসজিদের নামে ওয়াকফকরণ এবং
৪. শহীদ পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, কোনো দাবিই মানেনি জোট সরকার।

মালিবাগের শহীদ ভাইয়েরা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। তারা আমাদেরকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেছেন, শাহাদাতের তামান্না কেমন হওয়া উচিত। তারা আমাদের বুঝতে শিখিয়েছেন, ক্ষমতাসীনদের মধুমাখা কথামালার পেছনে থাকে বিষাক্ত ও রক্তাক্ত কিছু নির্মম বাস্তবতা। শহীদ ভাইদের আত্মদান আমাদেরকে শিখিয়েছে, ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার জন্য যারা নিজেদের বিক্রি করে দেয়, তারা আসলে তাগুতের ক্রীড়নক হয়েই থাকে। অকপটে সত্য কথা বলা এবং সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না।

আজো চরম আক্ষেপের সাথে বারবার আমাদের ভাবিয়ে তোলে এরাই কি সেই ইসলামী দল! বর্তমান যারা সরকারের বিরোধী দলীয় অবস্থানে আছেন । সেই দিন যাদের মসজিদ রক্ষায় একটু মায়া হয়নি। বরং ক্ষমতার মোহে সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীর পক্ষপাত করেছিলো। সেই সময় সংসদে একটু সহমর্মিত প্রকাশ করেনি মসজিদ রক্ষায় শাহাদাত বরণকারী শহীদদের জন্য।

আমরা শহীদ ভাইদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি, তাদের শহীদি চেতনায় ইসলাম দেশ মানবতার কল্যাণে আমাদের সংগ্রামী পথ চলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করি।

জি.এম মাহমুদুল হাসান হামিদী
সভাপতি,
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ
নোয়াখালী জেলা উত্তর
www.facebook.com.com/gmmamud91

"আত্মশুদ্ধির পথে বলীয়ান, ন্যায়ের পথে দৃঢ় প্রত্যয়, আদর্শবান যুবকরা জাগলেই সত্যের হবে জয়"৬ষ্ঠ জাতীয় যুব কনভেনশন২৫ সেপ্টেম্...
14/08/2026

"আত্মশুদ্ধির পথে বলীয়ান, ন্যায়ের পথে দৃঢ় প্রত্যয়, আদর্শবান যুবকরা জাগলেই সত্যের হবে জয়"

৬ষ্ঠ জাতীয় যুব কনভেনশন

২৫ সেপ্টেম্বর'২৬
শুক্রবার, সকাল ৯টা
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন
রমনা, ঢাকা

প্রধান অতিথি
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম
(পীর সাহেব চরমোনাই) আমীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

সভাপতি
আতিকুর রহমান মুজাহিদ
কেন্দ্রীয় সভাপতি, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ

নতুন দিগন্ত উন্মোচনে তৃণমূলের সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করি।
13/08/2026

নতুন দিগন্ত উন্মোচনে তৃণমূলের সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করি।

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখার আওতাধীন থানা শাখা সমূহে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্য আলোচনা সভা অনুষ...
31/07/2026

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা উত্তর শাখার আওতাধীন থানা শাখা সমূহে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্য আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

®️ ইনশাআল্লাহ, দেখা হবে রাজপথে—কথা হবে স্লোগানে, আগামীকাল চাটখিলে! #চাটখিল  #বেগমগঞ্জ  #নোয়াখালী  #ইসলামি_যুব_আন্দোলন_নো...
30/07/2026

®️ ইনশাআল্লাহ, দেখা হবে রাজপথে—কথা হবে স্লোগানে, আগামীকাল চাটখিলে!

#চাটখিল #বেগমগঞ্জ #নোয়াখালী #ইসলামি_যুব_আন্দোলন_নোয়াখালী_জেলা_উত্তর

Address

লাকী অটোজ (৩য় তলা) হকার্স মার্কেট, চৌমুহনী, নোয়াখালী
Noakhali Sadar Upazila

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা উত্তর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share