08/05/2026
#সুবর্ণচরের_বৃহৎ_বাজারটি_হোক_পৌরসভা
নোয়াখালীর উপকূলীয় সুবর্ণচর উপজেলার বৃহৎ বাজার হিসেবে সুপরিচিত চরজব্বার থানার হারিছ চৌধুরী বাজারটি। স্থানীয়ভাবে আটকপালিয়া বাজার হিসেবে বহুল পরিচিত।
সুবর্ণচর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৪৮টি বাজারের মধ্যে সর্বোচ্চ মুল্যে ইজারা দেয়া হয় এ বাজারটি। ১৪৪১বাংলা সনের জন্য সম্ভাব্য ইজারা মুল্য ছিল ২৬,৭৮,৯৭৩/ টাকা, দ্বিতীয় ছিল চরওয়াপদার থানার হাট ২১,৫৩,৯২০/ টাকা, তৃতীয় ছিল ছমিরহাট ১৭,০৬,৮৪৭/ টাকা, ৪র্থ ছিল সোলেমান বাজার ১৩৩০৯০১ টাকা, ৫ম ছিল চেউয়াখালী বাজার ৮,৬৬,৭২৭/ টাকা আর ৬ষ্ঠ চরবাটা খাসের হাটের ইজারা মুল্য ছিল মাত্র ৭,৬২,৩৭০/ টাকা মাত্র। খাসেরহাট বাজারের প্রায় চার গুন বেশী রাজস্ব আহরিত হয় হারিছ চৌধুরী বাজার /আটকপালিয়া বাজার ইজারার মাধ্যমে।
আটকপালিয়া বাজারের খাসজমিতে অবস্থিত শত শত অস্থায়ী দোকান মালিকদের থেকে একসনা বন্ধোবস্তের নামে সংগ্রহ করা হয় অনেক টাকা।
তাছাড়া ৫নং চর জুবিলী ইউনিয়ন পরিষদ ও বাজার ব্যবসায়ীদের নামে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন করে অনেক টাকা আদায় করে প্রতিবছর।
ইজারার টাকা, বন্দোবস্তোর টাকা, হোল্ডিং ট্যাক্স, ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক সংগৃহিত অর্থসহ বছরে কয়েক কোটি টাকা সংগৃহিত হয় সুবর্ণচর উপজেলার এ বাজার থেকে। সরকারি রাজস্ব আহরণ, ব্যবসায়ী তথা ক্রেতা বিক্রেতার সংখ্যা ও বৃহৎ বাজার বিবেচনা করে হারিছ চৌধুরী বাজারকে সদর দপ্তর করেই পৌরসভার সীমানা নির্ধারণ করা উচিত বলে মনে করি।
মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ (বাচ্চু)
চরজুবিলী, সুবর্ণচর, নোয়াখালী।