16/12/2025
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসুদ অচল পঙ্গু ছিলো, ৭ দিনের বাচ্চার জন্য দুধ কিনতে গেলে তাকে নির্মভাবে পিটিয়ে মে*রে ফেলা হলো। মৃত্যুর আগে একটু পানি চেয়েও পায় নাই!
কিছুটা মানসিক মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে এক প্লেট ভাত খাইয়ে ঠান্ডা মাথায় পিটিয়ে মা*রা হলো।
মায়ের জন্য ঔষধ কিনতে গিয়েছিলো জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শামীম মোল্লা। তাকেও বিশ্ববিদ্যালয় গেটের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হ*ত্যা করা হয়। অপরাধীরা চিহ্নিত ও সুপরিচিত।
ভোলায় অসুস্থ পিতাকে দেখতে গেলে বাড়ির সামনে কুপিয়ে মা*রা হয় আরিফকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে দেয়ালে জয় বাংলা স্লোগান লেখায় মাসুদ রানা ও রায়হান আলী নামের দুজন শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হ*ত্যা করা হয়।
গত ১৬ মাসে এমন কয়েক হাজার নির্মম ঘটনা ঘটেছে, প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে। কিছুক্ষেত্রে দায়সারা তদন্ত, মামলা হলেও আসামী গ্রেফতার বা বিচারিক অগ্রগতি নেই। অনেকক্ষেত্রে সেটুকুও হচ্ছে না। চিহ্নিত খু*নিরা প্রকাশ্যে ঘুরছে নিশ্চিন্ত।
'পটেনশিয়াল ক্রিমিনাল' বা সম্ভাব্য অপরাধীরা যখন ক্রমাগত বিচারহীনতার নজির দেখে এবং অনুধাবন করতে পারে, প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্রের দুর্বলতায় কোনো অপকর্ম করে তারা সহজে পার পেয়ে যাবে, তখনই সে আরো অপরাধে জড়াতে উৎসাহ পায়।
রাষ্ট্র যদি 'সিলেক্টিভ' না হয়ে প্রতিটি ঘটনাকেই রাষ্ট্র ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ভেবে আমলে নিতো, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতো, তাহলে আজকে কাউকে নিরাপত্তা শঙ্কায় ভুগতে হতো না। স্থিতিশীল, নিরাপদ বাংলাদেশ চাইলে দলমত নির্বিশেষে সুশাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কোন বিকল্প নেই।