moklesur rahman jb

moklesur rahman jb যদি থাকে নসিব আপনি আপনি আসিবে মনের দরাজা খোলা মনে চাইলে আসতে পারেন 🌹🌹🍁🍁🌺🌺🌺🥀🥀🥀🏵️🏵️🌸🌸☕☕☕☕
(1)

12/08/2026

আমরা পাঁচ ভাই সবাই দোয়া করবেন আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন যেন সুস্থ রাখে ভালো রাখে #আপনাদের # জন্য #দোয়া রইল # ❤️❤️🤲🤲🤲

12/08/2026

মন কখনো #ভালো কখনো #খারাপ সবকিছু মিলিয়ে # চলা #

11/08/2026

#সুজন ভাইয়ের #সাথে মজা #করতে ছিলাম #

11/08/2026
আমার মাথায় সত্যিই কিছু ঢুকছে না—সরকার আসলে কী করছে, সেটাও অনেক সময় বুঝতে পারছি না!কিছু মানুষের আচরণ, কথাবার্তা আর দায়...
11/08/2026

আমার মাথায় সত্যিই কিছু ঢুকছে না—সরকার আসলে কী করছে, সেটাও অনেক সময় বুঝতে পারছি না!
কিছু মানুষের আচরণ, কথাবার্তা আর দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড দেখলে শরীরের ভেতরটা জ্বলে ওঠে। মনে হয়, দেশের মানুষ কি এসব দেখেও চুপ করে থাকবে?
সমালোচনা থাকতেই পারে, মতের পার্থক্য থাকতেই পারে—কিন্তু তাই বলে এমন আচরণ কেন হবে, যা সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে?
সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন—
যদি কেউ প্রকাশ্যে নিয়ম ভাঙে, উসকানি দেয় কিংবা মানুষের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে এত দেরি কেন?
কাউকে অযথা হয়রানি নয়, কাউকে অন্যায়ভাবে দমনও নয়।
কিন্তু আইন সবার জন্য সমান—এই কথাটাই বাস্তবে দেখতে চাই।
দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।
বাংলাদেশ আমাদের সবার—
আর এই দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষা করা শুধু সরকারের নয়, আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।

11/08/2026

মনে # রাখবেন ভুলে #যাবেন না ভুলে # গেলে #সমস্যা হয় #

একটা কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে—উপরে উঠে যে কামড় মারে,সময় বদলালে সে-ই আবারহাঁটুর নিচে পড়ে যেতে পারে।ক্ষমতা, অর্থ, পরিচয...
11/08/2026

একটা কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে—
উপরে উঠে যে কামড় মারে,
সময় বদলালে সে-ই আবার
হাঁটুর নিচে পড়ে যেতে পারে।
ক্ষমতা, অর্থ, পরিচয়—
কোনোটাই চিরস্থায়ী নয়।
আজ যে মানুষটা নিজেকে
দেশের মালিক মনে করে,
কাল ইতিহাসের পাতায়
তার নামটাও হয়তো শুধু
একটা শিক্ষা হয়ে থাকবে।
কিছু মানুষ এমনভাবে কথা বলে,
মনে হয়—
বাংলাদেশটা যেন তার নামে লিখে দিয়েছে জনগণ!
সে-ই একমাত্র নাগরিক,
আর বাকি সবাই যেন
এই দেশের ভাড়াটিয়া!
ভাই, দেশ কারও বাপ-দাদার সম্পত্তি নয়,
বাংলাদেশ কোটি মানুষের দেশ।
এখানে কৃষকের ঘাম আছে,
শ্রমিকের পরিশ্রম আছে,
প্রবাসীর রক্ত-ঘামের টাকা আছে,
মায়ের চোখের পানি আছে,
শহীদের আত্মত্যাগ আছে।
তাই কথা বলার আগে মনে রাখুন—
চেয়ার বদলায়, ক্ষমতা বদলায়,
সময় বদলায়, মানুষের অবস্থানও বদলায়।
আজ আপনি উপরে আছেন বলে
সবাইকে নিচু ভাববেন না।
কারণ সময়ের চাকা
কখনো একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে না।
দেশটা আপনার একার নয়,
আমারও নয়—
দেশটা আমাদের সবার।
অহংকার করে বুক ফুলিয়ে নয়,
দেশের প্রতি দায়িত্ব নিয়ে কথা বলুন।
কারণ মানুষকে ছোট করে
কেউ কখনো সত্যিকারের বড় হতে পারে না।
সময় শুধু অপেক্ষা করে—
কে কতটা উঁচুতে উঠেছিল,
আর শেষ পর্যন্ত কোথায় নেমে এসেছিল—
সেটা দেখানোর জন্য।

মা-বাবাকে অবহেলা করার আগে একবার নিজের জন্মের গল্পটা মনে করুন…যেদিন আমি পৃথিবীতে এলাম,আমি কিছুই বুঝতাম না—ক্ষুধা কী, কষ্ট...
09/08/2026

মা-বাবাকে অবহেলা করার আগে একবার নিজের জন্মের গল্পটা মনে করুন…
যেদিন আমি পৃথিবীতে এলাম,
আমি কিছুই বুঝতাম না—
ক্ষুধা কী, কষ্ট কী, জীবন কী—
কিছুই জানতাম না।
শুধু জানতাম,
কাঁদলে একজন মানুষ ছুটে আসত—
সে ছিল আমার মা।
নিজে না খেয়ে আমাকে খাইয়েছে,
নিজের কষ্ট লুকিয়ে আমার মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে
ঘরের সবার কাজ করেছে,
তারপরও আমার জন্য আলাদা সময় রেখেছে।
আমাকে দুধ খাইয়েছে,
গোসল করিয়েছে,
আমার ময়লা পরিষ্কার করেছে,
রাত জেগে আমার কান্না শুনেছে।
আমি যখন হাঁটতে পারতাম না,
মা আমাকে কোলে নিয়ে হাঁটত।
আমি যখন বলতে পারতাম না,
মা আমার কান্নার ভাষা বুঝত।
আমার ছোট্ট শরীরটা বড় করতে
একজন মা নিজের জীবনটাকেই ছোট করে ফেলেছিল।
আর বাবা?
হয়তো সবসময় মুখে ভালোবাসা দেখাতে পারেনি,
কিন্তু সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে
নিজের ঘাম ঝরিয়েছে।
নিজের ইচ্ছা মাটিতে পুঁতে
সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করেছে।
আজ সেই সন্তান বড় হয়েছে।
আজ তার টাকা আছে,
সমাজে পরিচয় আছে,
বন্ধু আছে,
বাইরের মানুষের জন্য সময় আছে,
আড্ডা আছে,
আনন্দ আছে,
দাওয়াত আছে,
ঘোরাঘুরি আছে।
বাইরের মানুষকে খাওয়াতে আনন্দ লাগে,
বাইরের মানুষকে দিতে আনন্দ লাগে,
বাইরের মানুষকে পাশে দাঁড় করাতে আনন্দ লাগে।
কিন্তু—
মা-বাবা ডাকলে বিরক্তি আসে!
ভাই-বোন কথা বললে মাথা গরম হয়!
আপন মানুষের মুখ দেখলে মনে হয়—
জীবনের সব অশান্তি বুঝি তাদের কারণেই!
কী অদ্ভুত মানুষ আমরা!
যে মায়ের বুকের দুধ খেয়ে বড় হলাম,
আজ সেই মায়ের মুখের কথা শুনতে কষ্ট হয়।
যে বাবার ঘামে আমার জীবন দাঁড়াল,
আজ সেই বাবার সামান্য কথাও
আমার অহংকারে আঘাত করে।
যে ভাই-বোন শৈশবে
আমার সঙ্গে একই থালায় খেয়েছে,
একই উঠানে খেলেছে,
একই কষ্টে বড় হয়েছে—
আজ তাদেরকেই আমরা তুচ্ছ করি।
অথচ সমাজের সামনে
নিজেকে বড় মানুষ প্রমাণ করতে
আমরা কত কিছুই না করি!
মানুষকে দেখাই—
আমি দান করি,
আমি মানুষের পাশে দাঁড়াই,
আমি অসহায়ের বন্ধু।
কিন্তু ঘরের দরজার ওপাশে
একজন মা হয়তো চুপচাপ বসে আছেন—
ছেলেটা একবার এসে পাশে বসবে বলে।
একজন বাবা হয়তো দরজার দিকে তাকিয়ে আছেন—
সন্তানটা একবার বলবে,
“বাবা, কেমন আছো?”
কিন্তু সেই সময়টুকুও
আমাদের নেই।
তখন একটু থামুন।
নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন—
আমি কি সত্যিই ভালো মানুষ?
যদি মা-বাবার চোখের পানি
আপনার হৃদয় নরম না করে,
যদি তাদের কষ্ট আপনার কাছে কষ্ট না হয়,
যদি তাদের ভালোবাসা আপনার কাছে বোঝা মনে হয়,
আর বাইরের মানুষের হাসিই যদি আপনার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আনন্দ হয়—
তাহলে সমাজের কাছে আপনি যত বড়ই হোন,
নিজের মা-বাবার কাছে আপনি কতটা মানুষ—
সেই হিসাবটা একবার করুন।
মনে রাখবেন—
দুনিয়ার মানুষ আপনাকে সম্মান করবে
আপনার টাকা, পদ, ক্ষমতা আর পরিচয়ের জন্য।
কিন্তু মা-বাবা আপনাকে ভালোবাসে
আপনি কিছুই না থাকলেও।
আজ যাদেরকে আপনি অবহেলা করছেন,
একদিন হয়তো তাদের ঘরটা থাকবে,
তাদের বিছানাটা থাকবে,
তাদের পুরোনো কাপড় থাকবে—
শুধু মানুষ দুটো থাকবে না।
সেদিন যত টাকা থাকুক,
যত বন্ধু থাকুক,
যত বড় পরিচয় থাকুক,
মায়ের মুখটা আর ফিরে পাবেন না।
বাবার কণ্ঠটা আর শুনতে পাবেন না।
তখন বুকের ভেতর থেকে একটা প্রশ্ন উঠবে—
“মা, তুমি যখন ছিলে,
আমি তোমার পাশে ছিলাম না কেন?”
কিন্তু সেদিন উত্তর দেওয়ার মতো
মা আর থাকবে না।
তাই যারা আজও মা-বাবাকে অবহেলা করেন,
তাদের বলি—
বাইরের মানুষের জন্য একটু কম হাসুন,
ঘরের মা-বাবার জন্য একটু বেশি হাসুন।
বাইরের মানুষকে একদিন খাওয়ানোর আগে
মাকে জিজ্ঞেস করুন—
“মা, তুমি খেয়েছ?”
বাইরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আগে
বাবার কাঁধে হাত রেখে বলুন—
“বাবা, তোমার কোনো কষ্ট আছে?”
হয়তো এই দুইটি বাক্যই
আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ইবাদত,
সবচেয়ে বড় মানবতা,
সবচেয়ে বড় অর্জন হয়ে যাবে।
কারণ পৃথিবীতে অনেক মানুষ হারিয়ে গেলে
আরেকজন মানুষ পাওয়া যায়—
কিন্তু মা হারালে
মায়ের মতো আর কাউকে পাওয়া যায় না।
বাবা হারালে
বাবার মতো আর কেউ ফিরে আসে না।
তাই পাথরের মতো হৃদয় নিয়ে বেঁচে থাকবেন না।
আজই ফিরে যান—
যে ঘরে আপনার পৃথিবীর শুরু হয়েছিল।
মায়ের পাশে বসুন।
বাবার পাশে বসুন।
ভাই-বোনকে কাছে টানুন।
কারণ জীবন খুব ছোট।
অভিমান অনেক বড় হতে পারে,
কিন্তু মৃত্যুর পর সেই অভিমানের কোনো মূল্য নেই।
আর যদি সত্যিই নিজেকে
“মানুষ” বলতে চান—
তাহলে আগে মা-বাবার সন্তান হোন,
তারপর পৃথিবীর মানুষের কাছে ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করুন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে মা-বাবার কদর করার তৌফিক দান করুন। 🤲

নিজের জীবনটা নিজেকেই গোছাতে হয়জীবন চলার পথে একটা সময় এসে বুঝতে হয়—আপনার জীবনটা আপনাকেই গোছাতে হবে।আত্মীয়-স্বজন, বন্ধ...
09/08/2026

নিজের জীবনটা নিজেকেই গোছাতে হয়
জীবন চলার পথে একটা সময় এসে বুঝতে হয়—
আপনার জীবনটা আপনাকেই গোছাতে হবে।
আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব, ভাই-বেরাদার—
সবাইকে ভালোবাসবেন, সম্মান করবেন,
কিন্তু তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত আশা করবেন না।
কারণ মানুষ মুখে অনেক কিছু বলে,
কিন্তু প্রয়োজনের সময়
সেই কথাগুলোর কতটুকু সত্যি—
তা বোঝা যায় জীবনের কঠিন মুহূর্তে।
কেউ আপনাকে বলবে,
“চিন্তা করো না, আমি আছি।”
কেউ বলবে,
“যেকোনো বিপদে আমাকে পাশে পাবে।”
কিন্তু সময় যখন সত্যিই পরীক্ষা নেয়,
তখন অনেক পরিচিত মুখ
অচেনা হয়ে যায়।
তাই কাউকে ঘৃণা করবেন না,
শুধু নিজের প্রত্যাশাটা সীমিত করুন।
ভালোবাসা চাইবেন—
কিন্তু ভিক্ষা করে নয়।
সহযোগিতা চাইবেন—
কিন্তু নিজের সামর্থ্য ভুলে নয়।
কারও আশ্বাসের ওপর জীবন দাঁড় করাবেন না।
নিজের পায়ে নিজেকেই দাঁড়াতে হবে।
মনে রাখবেন,
এই পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছে
যারা মুখে আপনার জন্য ভালোবাসা দেখাবে,
হাসিমুখে আপনার কাঁধে হাত রাখবে,
আপনার সুখের দিনে পাশে দাঁড়াবে—
কিন্তু আপনার কষ্টের গভীরতা
হয়তো তাদের হৃদয় পর্যন্ত পৌঁছাবে না।
কেউ কেউ আপনার চোখের পানি দেখেও
শুধু বলবে—
“সব ঠিক হয়ে যাবে।”
কিন্তু সেই রাতের অন্ধকারে
আপনার পাশে বসে
এক ফোঁটা চোখের জল ফেলবে না।
তাই জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—
মানুষকে ভালোবাসুন, কিন্তু নিজের জীবনটা মানুষের হাতে তুলে দেবেন না।
যে চলে যেতে চায়—
তাকে যেতে দিন।
যে দূরে সরে যায়—
তাকে ধরে রাখার জন্য নিজেকে ছোট করবেন না।
যে আপনার মূল্য বোঝে না—
তার কাছে নিজের মূল্য প্রমাণ করতে যাবেন না।
কারণ আপনি যখন একা হাঁটতে শিখবেন,
তখন বুঝবেন—
একাকীত্ব সবসময় অভিশাপ নয়,
কখনো কখনো একাকীত্বই মানুষকে শক্ত করে।
আজ যারা আপনার কান্না দেখে হাসে,
কাল তাদের চোখেও পানি আসতে পারে।
আজ যারা আপনার অসহায়ত্বকে দুর্বলতা ভাবে,
কাল তারা বুঝতে পারে—
আপনি ভেঙে পড়েননি,
আপনি শুধু নীরবে নিজেকে তৈরি করছিলেন।
আর একটা কথা মনে রাখবেন—
জীবনে কাউকে হারানোর ভয়ে
নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন না।
আপনার জীবন,
আপনার স্বপ্ন,
আপনার ভবিষ্যৎ—
এসবের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত
আপনার নিজেরই।
তাই চোখের পানি মুছে ফেলুন,
হৃদয়ের কষ্টটা বুকের ভেতর শক্তি বানান,
আর ধীরে ধীরে নিজের পায়ে দাঁড়ান।
একদিন এমন জায়গায় পৌঁছাবেন,
যেখানে কারও মিথ্যা আশ্বাসের দরকার হবে না—
কারণ তখন আপনার নীরবতাই বলবে,
“আমি কারও দয়ায় বেঁচে নেই,
আমি আমার নিজের শক্তিতে দাঁড়িয়ে আছি।”
আর সেদিন যারা আপনাকে অবহেলা করেছিল,
তারা হয়তো চোখের পানি মুছে ভাববে—
“মানুষটাকে আমরা চিনতেই পারিনি…”

Address

Narayanganj
1400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when moklesur rahman jb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share