Pbi Narayanganj

Pbi Narayanganj Specialized Investigating Organization

24/08/2026
ঠিকাদারি কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংঘবদ্ধ প্রত...
24/08/2026

ঠিকাদারি কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের মূলহোতা জাহাঙ্গীর আলম ওরফে জাবেদকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ। ফতুল্লা থানায় মামলা হওয়ার পর গত ১০ আগস্ট পিবিআই মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। তথ্যপ্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে এসআই মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে রাজধানীর কাওরান বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তে জানা যায়, জাহাঙ্গীর উত্তরা এলাকায় ‘ওরিয়ান কনস্ট্রাকশন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রকল্পে অংশীদার করার প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিতেন। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া ভিন্ন পরিচয়ে একাধিক ব্যাংক হিসাব, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহারের তথ্যও পাওয়া গেছে। চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পিবিআইয়ের তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

19/08/2026

নারায়ণগঞ্জ জেলার গত কয়েক বছরের আলোচিত, ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও মুল আসামীদের গ্রেফতার সংক্রান্তে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ এর ধারাবাহিক সাফল্যের উল্লেখযোগ্য হত্যা মামলাগুলো নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন এর অনুসন্ধানী তথ্যচিত্র।
YouTube link :
https://youtube.com/watch?v=eM-d9L8D6WI&si=juOtAw1LHNTQwuYm

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অটোরিকশা চালক ওয়ালি উল্লাহ (২০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই...
12/08/2026

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অটোরিকশা চালক ওয়ালি উল্লাহ (২০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া মিশুক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া আক্তার (২৩) হত্যা মামলার ১০ দিনের মাথায় হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পিবি...
12/08/2026

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টসকর্মী সাদিয়া আক্তার (২৩) হত্যা মামলার ১০ দিনের মাথায় হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ।

11/08/2026

সিদ্ধিরগঞ্জে গৃহবধূ তানিয়া হত্যা:
১৫ দিনের মধ্যে আসামী গ্রেফতার ও হত্যা রহস্য উদঘাটন,আদালতে আসামীর স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান।
নারায়ণগঞ্জ এর সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় গৃহবধূ তানিয়া আক্তার (২৪) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জ।ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা নিহতের স্বামী সোহাগ মিয়া জুলহাসকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ২৬ জুলাই জালকুড়ি পশ্চিমপাড়া মাতবর বাড়ির একটি ভাড়া বাসা থেকে তানিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের খালা নাছিমা আক্তার বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে গত ১০ আগস্ট হত্যা মামলা করেন।
মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় ১১ আগস্ট পিবিআই নারায়ণগঞ্জ স্ব-উদ্যোগে মামলাটি অধিগ্রহণ করে। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে নিহতের স্বামী সোহাগ মিয়া জুলহাসের সম্পৃক্ততা শনাক্ত করা হয়।
পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায় যে, ঘটনার পর সোহাগ মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পর ১১ আগস্ট ভোরে গাইবান্ধা থেকে নারায়ণগঞ্জগামী একটি দূরপাল্লার বাসে অভিযান চালিয়ে ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকার চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ জানান তানিয়ার সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি তানিয়ার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ কক্ষে রেখে দরজায় তালা দিয়ে চাবি তানিয়ার খালার কাছে দিয়ে আত্মগোপনে চলে যান।
গ্রেপ্তারের পর ১১ আগস্ট দুপুরে সোহাগকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সে তানিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজ লিংক কমেন্টে।

10/08/2026

আড়াইহাজারে মিশুক চালক ওয়ালি উল্লাহ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন; পিবিআই নারায়ণগঞ্জের অভিযানে ২ আসামি গ্রেফতার, ছিনতাইকৃত মিশুক ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার; ১ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), নারায়ণগঞ্জ জেলা কর্তৃক নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানাধীন উচিতপুরা ইউনিয়নের গ্রুপদী এলাকায় সংঘটিত অটোগাড়ী (মিশুক) চালক ডিসিষ্ট মোঃ ওয়ালি উল্লাহ (২০) হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ২ জন আসামিকে গ্রেফতার, ছিনতাইকৃত অটোগাড়ী (মিশুক) ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ শাহিন (৩১) বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে।
নিহত ওয়ালি উল্লাহ (২০) এর পিতা অসুস্থ থাকায় গত ০৫/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ দুপুর আনুমানিক ০২.০০ ঘটিকার সময় পিতার অটোগাড়ী (মিশুক) নিয়ে চালানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ০৬/০৭/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সকালে সোনারগাঁও থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করেন।
একই দিন বিকেলে আড়াইহাজার থানাধীন উচিতপুরা ইউনিয়নের গ্রুপদী এলাকায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকার সংবাদ পেয়ে নিহতের পিতা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি তার ছেলে ওয়ালি উল্লাহর বলে শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা মোঃ হারুন রশিদ (৫৯) অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন আসামির বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় মামলা নং-১২, তারিখ-০৭/০৭/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু করেন।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা স্ব-উদ্যোগে গত ০৩/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মামলাটি অধিগ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) পুলক সরকার, পিবিআই নারায়ণগঞ্জকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল রাশেদ, বিপিএম-এর প্রত্যক্ষ ও সার্বিক সহযোগিতায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) পুলক সরকারের নেতৃত্বে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, ঘটনাস্থল ও ঘটনাস্থলে যাতায়াতের বিভিন্ন রুট বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আসামিদের শনাক্ত করে গত ০২/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত ১০.০০ ঘটিকার সময় মো: আওলাদ হোসেন (২৬)কে সোনারগাঁও থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাত ১০.৫০ ঘটিকার সময় সোনারগাঁও থানাধীন আলমদী এলাকা হতে অপর আসামি মোঃ শাহিন (৩১)কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের ০৩/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে ০৭ (সাত) দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করা হলে বিজ্ঞ আদালত ০৫ (পাঁচ) দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ০৬/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ বিকেল ০৫.০০ ঘটিকার সময় আসামি শাহিনের নিজ বসতঘর হতে নিহত ওয়ালি উল্লাহর ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোন ও একটি বাংলালিংক সিম উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ০৭/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত ১০.০০ ঘটিকার সময় মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানাধীন ভবেরচর এলাকা হতে নিহতের ছিনতাইকৃত অটোগাড়ী (মিশুক) উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ, তথ্য-প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘটনাস্থল ও যাতায়াতের বিভিন্ন রুট পর্যালোচনায় জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়সহ আরো ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামি পূর্বপরিকল্পিতভাবে নিহত ওয়ালি উল্লাহর অটোগাড়ী (মিশুক) ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে তাকে ভাড়ায় নেয়। তারা নারায়ণগঞ্জ জেলার বারদী অটোস্ট্যান্ড হতে নিহতের মিশুকযোগে আড়াইহাজার থানাধীন সুলতানশাদী বাজারে যায়। ফেরার পথে সন্ধ্যার সময় আসামিরা নিহতকে মিশুকসহ আড়াইহাজার থানাধীন উচিতপুরা ইউনিয়নের গ্রুপদী গ্রামের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।
সেখানে আসামিরা ছুরিকাঘাত করে ওয়ালি উল্লাহকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আসামিরা নিহতের অটোগাড়ী (মিশুক) ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ছিনতাইকৃত মিশুকটি মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানাধীন ভবেরচর এলাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়কে ০৫ (পাঁচ) দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে গত ০৮/০৮/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সকালে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে আসামি মোঃ শাহিন (৩১) উক্ত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।
হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার অভিযান এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

নিউজ লিংক কমেন্টে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস - ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই এর সকল বীর শহীদদের প্রতি  পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রদ্ধাঞ্জলি। (লেট আপলোড)
10/08/2026

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস - ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই এর সকল বীর শহীদদের প্রতি পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রদ্ধাঞ্জলি।
(লেট আপলোড)

10/08/2026

ঘটনা প্রবাহ : জুলাই ২০২৬

পিবিআই নারায়ণগঞ্জ কর্তৃক চাঞ্চল্যকর সাদিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, প্রেমিকের হাতে প্রেমিকা খুন, হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি গ্রেফতার; হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কর্তৃক সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চাঞ্চল্যকর সাদিয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। মামলার প্রকৃত হত্যাকারী মো. আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ান (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের সময় পরিহিত ক্যাপ,নিহতের মোবাইল ফোন এবং স্বর্ণালংকারের আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত সাদিয়ার প্রায় তিন বছর পূর্বে ইব্রাহিম নামীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহ হয়। পরবর্তীতে সাদিয়া জানতে পারেন যে, ইব্রাহিম পূর্ব থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহের একপর্যায়ে সাদিয়া তাকে তালাক দেন।
পরবর্তীতে পরিচয় গোপন করে নিজেকে অবিবাহিত দাবি করা মো. আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানের সঙ্গে সাদিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ০১ জুলাই ২০২৬ তারিখে তারা সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।
গত ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাতে সাদিয়া রাজ্জাককে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রাজ্জাক সাদিয়ার গলা চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মরদেহ বাসায় রেখে নিহতের মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা রুজু হলে গত ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে পিবিআই, নারায়ণগঞ্জ জেলা মামলাটি তদন্তের জন্য অধিগ্রহণ করে। তদন্তের শুরুতে এজাহারনামীয় আসামি ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকৃত হত্যাকারী মো. আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানের সম্পৃক্ততা শনাক্ত করা হয়।
তদন্তকালে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে ক্যাপ পরিহিত এক ব্যক্তির আসা-যাওয়ার দৃশ্য পাওয়া যায়। নিহতের ছয় বছর বয়সী কন্যা তাহিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে ‘আরিয়ান চাচ্চু’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখ কেরানীগঞ্জ থানাধীন জিনজিরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামি সাদিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত ক্যাপ, নিহতের মোবাইল ফোন এবং বিক্রি করে দেওয়া স্বর্ণালংকারের আলামত উদ্ধার করা হয়।
গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে সে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কি না এবং ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিউজ লিংক কমেন্টে।

Address

Signboard
Narayanganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pbi Narayanganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share