বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ময়মনসিংহ জেলা

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ময়মনসিংহ জেলা

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ময়মনসিংহ জেলা বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখা অফিসিয়াল ফেইসবুক ফ্যান পেইজ।

হাওর জঙ্গল মইষের শিং, এই তিনে ময়মনসিং’ প্রবাদ-প্রবচনে এভাবেই পরিচয় করানো হতো এক সময় ভারতবর্ষের বৃহত্তম জেলা ময়মনসিংহকে। ভারতবর্ষের সেই বৃহত্তম জেলা সময়ের বিবর্তনে ছয় জেলায় রূপান্তরিত হলেও জেলা সদরের গুরুত্ব তুলনামূলক বিচারে কমে যায়নি। বাংলাদেশের মানচিত্রে যে জেলাটি আজ ময়মনসিংহ জেলা হিসাবে চিহ্নিত তা বাংলাদেশের মধ্য-উত্তরাঞ্চলের ২৪০০২'৩১" থেকে ২৫০২৫'৫৬" উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯০৩৯'০০" থেকে ৯১০১৫'৩৫" পূ

র্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। ব্রহ্মপুত্র বিধৌত বাংলাদেশের এই উর্বর ভূমি শিক্ষা-শিল্প-সাহিত্য ও লোক-সংস্কৃতির এক বিপুল আধার।

ময়মনসিংহের ইতিহাস অতিশয় সমৃদ্ধ। উত্তরে গারো পাহাড়, দক্ষিনে ভাওয়াল মধুপুরের বনাঞ্চল, পশ্চিমে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎসারিত মেঘনার জল বেষ্টনী এবং পূর্বে সোমেশ্বরী তিতাস, সুরমা ও মেঘনা নদীর অববাহিকা অঞ্চল, প্রাকৃতিক প্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত এই অঞ্চলকে বরাবরই একটি দুর্জেয় অঞ্চল হিসেবে দেখতে পাওয়া যেত। আধুনিক ঐতিহাসিকগণ একমত পোষণ করেন যে, বৃহত্তর ঢাকা ও ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত ছিল প্রাচীন বংগরাজ্য। গোড়ার দিকে ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর গড়সহ লালমাটির অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল প্রাচীন বংগরাজ্য। হিন্দু রাজাগণের মৌর্য শাসন এর প্রতিষ্ঠা ও পরবর্তী সময় গুপ্ত ও পাল শাসকদের ইতিহাস ময়মনসিংহকে ঘিরে রেখেছে। শেষের দিকে সেন বংশীয় রাজাদের প্রশাসনিক দৌর্বল্যে মুসলমান বাদশাহগণ বাংলায় রাজত্ব কায়েমের প্রভাব ময়মনসিংহেও পড়ে। সিকান্দর শাহ-এর আমল থেকে মোঘল সাম্রাজ্য পেরিয়ে নবাবী আমল, কোম্পানী আমল এবং শেষে পাকিস্তানি শাসন-শোষণে ময়মনসিংহও প্রভাবান্বিত হয়। বিভিন্ন সূত্রে ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩৯টি পরগনার নাম পাওয়া যায়- ময়মনসিংহ, আলাপসিংহ, জাফরশাহী, বনভাওয়াল, পুথুরিয়া, কাগমারী, আন্টীয়া, বড় বাজু, সেরপুর, হাজবাদি, খালিয়াজুরী, জয়নশাহী, কুড়ি খাই, নছরৎশাহী, লতিফপুর, মকিমাবাদ, আটগাও, বলরামপুর, বরিকান্দি, বাউ খন্দ, চন্দ্রপ্রতাপ, ঈদগা, ইছকাবাদ, বায় দোম, সিংধা দরজিবাজ, কাসেমপুর, নিক্লী, সাসরদি, হাউলী, জকুজিয়াল, ইছাপুর, বরদাখতি, পাতিলা দহ, তুলন্দর, ইছপসাহী, হোসেন শাহী, হোসেনপুর, সুসঙ্গ ও নাসিরুর্জিয়াল।

জেলার নাম ময়মনসিংহ নিয়ে ইতিহাসবিদদের মাঝে ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। আর ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলার স্বাধীন সুলতান সৈয়দ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ তাঁর পুত্র সৈয়দ নাসির উদ্দিন নসরত শাহ’র জন্য এ অঞ্চলে একটি নতুন রাজ্য গঠন করেছিলেন, সেই থেকেই নসরতশাহী বা নাসিরাবাদ নামের সৃষ্টি। সলিম যুগের উৎস হিসেবে নাসিরাবাদ, নামটিও আজও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর কোথাও উল্লেখ করা হচ্ছে না। ১৭৭৯-তে প্রকাশিত রেনেল এর ম্যাপে মোমেসিং নামটি বর্তমান ’ময়মনসিংহ’ অঞ্চলকেই নির্দেশ করে। তার আগে আইন-ই-আকবরীতে ‘মিহমানশাহী’ এবং ‘মনমনিসিংহ’ সরকার বাজুহার পরগনা হিসাবে লিখিত আছে; যা বর্তমান ময়মনসিংহকেই ধরা যায়। এসব বিবেচনায় বলা যায় সম্রাট আকবরের রাজত্ব কালের পূর্ব থেকেই ময়মনসিংহ নামটি প্রচলিত ছিলো। জেলা পত্তন কালে ময়মনসিংহ অঞ্চলের সমৃদ্ধ জমিদারগণ সরকারের কাছে জেলার নাম ময়মনসিংহ রাখার আবেদন করলে সরকার তা গ্রহণ করে নেন।

ময়মনসিংহ নামের বিস্তীর্ণ এ জনপদ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈচিত্রের লীলাভূমি। এককালে ভারতবর্ষের সর্ববৃহৎ জেলা হিসেবে খ্যাত ময়মনসিংহ পরবর্তীতে প্রশাসনিক প্রয়োজনে বেশ কিছুটা ছোট হয়ে আসে। ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলা পৃথক জেলার স্বীকৃতি পাবার পরও ময়মনসিংহ ছিল পাক-ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা। ময়মনসিংহের ভূ-প্রকৃতিতে একদিকে নেত্রকোনা-কিশোরগঞ্জের বিস্তীর্ণ জলাভূমি-হাওর অঞ্চল, মধুপুর ও ভাওয়ালের বিশাল বনাঞ্চল, ময়মনসিংহ-জামালপুরের সমতল অঞ্চল, শেরপুর-ময়মনসিংহের পাহাড়ি অঞ্চল, টাঙ্গাইলের বিস্তীর্ণ বিলাঞ্চল সহ উর্বর ভূমি- এ জনপদকে দিয়েছে বৈচিত্রের সমাহার। ভূ-প্রকৃতির বৈচিত্রের কারণে এ অঞ্চলের মানুষের সামাজিক জীবন, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জীবিকা এবং সংস্কৃতি বৈচিত্রপূর্ণ। টাঙ্গাইলের পর পর্যায়ক্রমে জামালপুর (শেরপুরসহ), কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা পৃথক জেলার মর্যাদা পাবার পরও আয়তনের দিক থেকে বর্তমান ময়মনসিংহ জেলা বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে অন্যতম। এ জেলার উর্বর ভূমি ধান, পাট, সবজি ও রবিশস্য উৎপাদনের জন্য খুবই উপযোগী।

জেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলাকে দিয়েছে শিক্ষা নগরীর মর্যাদা। দেশের একমাত্র মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়, ন্যাশনাল একাডেমী ফর প্রাইমারী এডুকেশন, প্রথম গার্লস ক্যাডেট কলেজ এবং কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এ জেলায় অবস্থিত। এশিয়ার বৃহত্তম- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ সদরে স্থাপিত। যেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রীরা কৃষি ক্ষেত্রে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের জন্য আসেন। আণবিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহ সদরেই স্থাপিত। ময়মনসিংহ দেশের প্রাচীনতম শহরগুলোর অন্যতম। এখানে অসংখ্য প্রাচীন স্থাপত্য, পুকুর-দীঘি রয়েছে। জেলা সদরের বুক চিড়ে বয়ে গেছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ। বৃটিশ বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন, পাগলপন্থী বিদ্রোহ, ফকির বিদ্রোহ, টংক আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন, ৬৯-এর গণ আন্দোলন, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধসহ গণতান্ত্রিক প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে এ অঞ্চলের সাহসী মানুষের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার স্বীকৃতি রয়েছে ইতিহাসের পাতায়। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে জলছত্র-মধুপুর, ভালুকা, ফাতেমা নগর (কালির বাজার)-এর প্রতিরোধ যুদ্ধ যেমন গুরুত্বপূর্ণ একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ তেলিখালির যুদ্ধ এবং ধানুয়া কামালপুরের যুদ্ধও।

দীর্ঘকালের হিন্দু, বৌদ্ধ ও মুসলিম শাসনের ঐতিহ্য ময়মনসিংহকে সাংস্কৃতিকভাবে ধনাঢ্য করে গেছে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ঐতিহ্যে লালিত হয়ে আসছে এই ধারাবাহিক সাংস্কৃতিক বন্ধন। যেসব ব্যক্তিত্ব ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করে গেছেন তাঁরা হলেন এখানকার জমিদারবর্গ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমেদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক আবুল কালাম শামছুদ্দিন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন প্রমুখ। বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোক সংস্কৃতিও রূপান্তরিত হয়েছে ঐতিহ্যে। ময়মনসিংহ গীতিকা বিশ্ব দরবারে অলংকৃত করেছে ময়মনসিংহের নিজস্ব পরিচয়। স্বপ্নের নকশী কাঁথায় বোনা হয়েছে এখানকার বাস্তবচিত্রের কাহিনী। মহুয়া মলুয়া থেকে জয়নুল আবেদীনের চিত্র হয়ে উঠেছে বিশ্বময় ময়মনসিংহের গৌরব গাঁথা। ঈশাখাঁর যুদ্ধ বা সখিনা-সোনাভানের কাহিনী বাতাসে ছড়ায় বীরত্বের হৃদয় ছোঁয়া বিরলপ্রভা।

29/02/2020

Hãy đến Thế Giới Di Động để trải nghiệm ngay

11/08/2017

অনেক গভীর একটা ভাবনা এই গভীর রাতে মনে জাগল। তবে ভাবোদয় হবার কারন আছে। হঠাৎই কোন এক পুরাতন ভারতীয় বাংলা সিনেমার একটা কথা আমার মস্তিষ্ক সেদিকে টেনে নিল। "ঢাকা,ময়মনসিংহ, বরিশাল"।১৯১১ সালে ২৯শে জুলাইর ঘটনা থেকে, মোহনবাগান ভারতীয় একটা ফুটবল দল বলেই জানি আমরা।বাংলাসহ ভারতীয় উপমহাদেশে পর্তুগীজ,ফ্রান্সিস, ব্রিটিশরা শাসন করে গেছে। আমি তো দেখিনি তবে শুনেছি তাদের ফিরিঙ্গী বলেই জানত বাংলার সকলেই।ভারত ক্রিকেটে টেষ্ট মর্যাদা পায় ১৯৩২ সালে।তখনো ভারতে ব্রিটিশরাই ক্ষমতায় ছিল।তারমানে ব্রিটিশরা আবিষ্কার করার পরও ভারতীয়রা টেষ্ট মর্যাদা ঠিকই নিয়ে নেয়।যখন কিনা ব্রিটিশরা নির্বিচারে মানুষ মারতে পারত না।তখন এই উপমহাদেশকে হেয় করার জন্য খেলার আয়োজন করতো।ব্রিটিশদের বুদ্ধি সম্পর্কিত কিছু নতুন করে বলার নেই।যখন ব্রিটিশরা খেলায় হারতো তখন তাদের আত্মসম্মানের জন্যই এই উপমহাদেশ তাদের ছাড়তে হয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে এতো এতো বাঙ্গালির ফাঁসি হয়।ক্ষুদিরাম, সূর্যসেন,প্রীতিলতা সেন। আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু,যিনি চেয়েছিল ৫ মিনিটও থাকতে দিতে রাজি নয় ব্রিটিশদের।আর মহাত্মা গান্ধীজি উনিতো আপোষে বিনা রক্তপাতে আন্দোলনকারী ছিলেন। কতটুকু কাজ হয়েছিল তা শুধু ভারতীয়রাই ভালো বলতে পারবে। তবে দশজন মৃত্যুর চেয়ে দশটি কথা অনেক ভয়ঙ্কর হতে পারে। যা আমরা দেখে থাকবো ৭ই মার্চের ভাষনে। কেউ সেদিন প্রান দেয়নি তবে ১৭ মিনিটের ভাষনে ১৯৭১-১৯৭১ই। এতো সস্তায়? আরে না ৩০ লক্ষ শহীদ ২লক্ষের ইজ্জতভ্রষ্ট। কিন্তু সময়টা অনেক কমেই পেরেছে। আমরা আর মাথা নিচু করে থাকবো না। মাথা উচু করে শুধু খেলার মাঠেই বিনা ভয়ে খেলা যায়। কারন এবার তোদের মারবোই। খেলার মাঠে যাই হোক কোন জবরদস্তিতো চলে না। গোল বারে যত অভিজ্ঞ গোলকিপার রাখা হোক সে গোল মিছ করতেই পারে।ব্রিটিশরা যখন এই ব্যাপারখানা উপলব্ধি করতে পারে ভারতকে মধ্যে রেখে সীমানা ভাগ করে।ভারত ও পাকিস্তানের বিজয় দিবসের মাস আগষ্ট। আর বাঙ্গালি জাতির শোকের মাস। ঐ যে খেলার মাঠে ১৯৯৯ সালে সেই পাকিস্তানকেই পরাজিত করে টেষ্ট মর্যাদা অর্জন করে বাংলাদেশ।এটা কি সত্যি কাকতালীয়? নাকি অন্য কিছু? ভাবতে গেলে এরিস্টটলের মত ব্যাক্তি রাস্তার মানুষকে আরও বেশি বিরক্ত করতো। আমার এতো কথা বলার মানে এই যে ক্ষুদিরামের ফাঁসির কিছুদিন পর মোহনবাগানের সাথে ব্রিটিশরা খেলার আয়োজন করে সেই মোহনবাগান দলে ঢাকা,ময়মনসিংহ ও বরিশালের ৩ জন খেলোয়ার ছিল। সে খেলাতে ২-১ গোলে মোহনবাগান জয়ী হয়। ক্ষুদিরামের ফাঁসির প্রতিশোধ নিয়েছিল রাজেন নামের একজন খেলোয়ার। ব্রিটিশদের আইনে ফাঁসির আদেশ ছিল না।তবে উপমহাদেশ শাসনের সময় এই আইনের প্রচলন করে লর্ড ক্লাইভ।একমাত্র লর্ড ক্লাইভের চতুরতাই ২০০ বছরের জন্য উপমহাদেশ শাসনের সাহস করেছিল। রাজনৈতিক জটিলতা ছিল। কিন্তু তবুও কেউ পিছপা হয়নি।সে ভারতীয় হোক,বাঙ্গালি হোক।বঙ্গ-ভঙ্গ রদের পর এই খেলায় পরাজয়ের কারনে ভারতের রাজধানী সুদূর নয়াদিল্লী নিয়ে যেতে হয়।আর এই বঙ্গ-ভঙ্গ রদের মূল নায়ক শের-ই-বাংলা এ,কে ফজলুল হক।বাংলার মূখ্যমন্ত্রী যিনি ঐ খেলার আয়োজনকারীদের একজন।
বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ ইতিহাস থেকে শুরু করবে,এবং ইতিহাস তৈরী করে যাবে এই আওয়ামী প্রজন্ম লীগ।
সমাপ্ত।

15/05/2016

প্রজন্ম লীগের পেইজের ২০,০০০ লাইক অর্জন।

আজ বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পেইজটি ২০,০০০টি লাইক অর্জন করে।

সুখে দুঃখে আমাদের সাথে থাকার জন্য আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
জয় দেশরত্ন

খন্দকার মেহেদী হাসান (চন্দন)
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ
https://www.facebook.com/bdapl/

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ।

15/03/2016

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

আগামী ১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগের উদ্যোগে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণ কমিটি, ঢাকা মহানগরের সকল থানা ও ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দকে আগামী ১৭ই মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয় ঘটিকার সময় ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হইল।

সংগঠনের সকল বৈদেশিক শাখা, জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দকে তাদের নিজ নিজ এলাকায় জাতির জনকের শুভ জন্মদিন উৎযাপনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ
২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা -১০০০।
তারিখঃ ১৫ই মার্চ ২০১৬ইং
www.plbd.org

11/11/2015
আজকের  শোক র‍্যলী তে।।।
03/11/2015

আজকের শোক র‍্যলী তে।।।

জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।।।
02/11/2015

জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।।।

Address

Mymensingh, Dhaka
Mymensingh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ - ময়মনসিংহ জেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share