14/11/2014
“ফেসবুক এবং মেয়েদের জীবনের ভয়ঙ্কর
পরিনতি”
__লিখাঃ ।। “আমি সেই কাব্য”
**ঘটনাঃ১___..নীলা খুব সহজ সরল,শান্ত প্রকৃতির একটা মেয়ে,
কলেজের
গন্ডি পেড়িয়ে ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে,
ক্লাস টেস্ট,এসাইনমেন্ট...
ভার্সিটির আরো গুরুত্বপূর্ন ব্যাপারে আপডেট
পেতে এক বান্ধবীর পরামর্শে ফেসবুক
আইডি খুলে...
কিন্তু ফেসবুকে পরিচিত ছাড়া কাউকে এক্সেপ্ট
করে না নীলা...
কোথাও ঘুরতে গেলে অথবা বান্ধবীদের
সাথে আড্ডার পিক মাঝে মাঝে আপলোড দেয়
আইডিতে.....আবির লুইচ্চা টাইপের একটা ছেলে,
ফেসবুকে আইডি খুলার পর থেকে মেয়েদের
ছবি কালেক্ট করা ওর এক রকম শখ হয়ে যায়,
সেগুলোকে আবার এডিট করে এডাল্ট পিক
বানিয়ে মেয়েদের ব্ল্যাকমেইলও করে.....যেহেতু নীলা ফেসবুকে নতুন ছিল তাই পিক এর
প্রাইভেসি সম্পর্কে জানতো না,
সবগুলো পিকই পাবলিক করা ছিলো,
আবির নীলাকে রিকুয়েস্ট দেয়ার ১সপ্তাহ পরও যখন
রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট করলো না,
তখন আবির নীলাকে মেসেজ দেয়_____
; তোমার অনেক ভাব তাই না ?
বেশী ভাব নিলে সব ভাব ছুটাই দিমু...
;; আপনি কে ??
আর বেয়াদবের মতো কি বলছেন এইসব ??
; বেয়াদব এর দেখছো কি ??
এই দেখো তোমার কি সুন্দর পিক (নীলার একটা পিক
এডিট করে সানি লিওনের শরীরে লাগানো)..এমন পিক দেখে নীলার শরীর শিওরে উঠে,
অনেক লজ্জা আর ভয় পেয়ে যায় নীলা__
;; ভাইয়া আপনি আমার পিক এমন করেছেন কেন ?
আমি আপনার কি ক্ষতি করেছি ??
; রিকুয়েস্ট এক্সেপ্ট না করে ভাব নিছো,
আর এখন সেটার মাশুল হিসেবে ১০-হাজার টাকা দিবা,
আর না হয় এই পিক এমন একটা আইডিতে আপলোড
দিবো যেখানে তোমার ফ্রেন্ড লিস্টের
অনেকে ফ্রেন্ডই আছে...
;; আমার কাছেতো এখন এতো টাকা নেই,
আমি একটা স্টুডেন্ট,
হঠাত এতো টাকা কোথায় পাবো ??
; ওকে টাকা লাগবে না,
একটু ওয়েট করো.....এর মাঝে আবির নীলার এডিট করা ২টা পিক একটা ফেক
আইডিতে আপলোড দেয় যেখানে নীলার
ভার্সিটির অনেক ফ্রেন্ড এবং কিছু রিলেটিভও ছিলো,
সবাইকে নীলার ছবি/স্ট্যাটাসের লাইক/কমেন্টস
থেকে সেই আইডিতে এড করেছে আবির,
এর পর শুরু হয় নীলার কাছে নানা রকম মেসেজ
আসা,
কাউকে কিছু বলতে পারে না নীলা,
লজ্জায় সেই দিনই নীলা আত্নহত্যা করে ।। ।।
**ঘটনাঃ২___..তৃষা খুব মডার্ন মেয়ে,
ফেসবুকে এক রকম ধাপিয়ে চলে...
যখন তখন নিজের সেলফি তুলে আপলোড দেয়
আইডিতে,
মাস্তি,ছেলেদের সাথে ফ্লার্টিং এসব করে ভালোই
চলছিলো সময়গুলো...
হঠাৎ একদিন অর্কের আইডি দেখে চোখ
আটকে যায় তৃষার,
প্রথম দেখায় ক্রাশ খেয়ে যায়,
এরপর রিকুয়েস্ট দিয়ে অনেক
কৌশলে অর্ককে ভালোবাসার কথা জানায়,
অর্কও ছিলো প্লে-বয়,
ভালোবেসে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখিয়ে কয়েকবারই
ভোগ করে নেয় তৃষার দেহটা,
সাথে করে নেয় সবগুলো অশ্লীলতার ভিডিও,
পরবর্তীতে শুরু হয়
টাকা চেয়ে তৃষাকে ব্ল্যাকমেইল করা,
এবং যখন তখন রুমডেটে যেতে বাধ্য করায়...
হুমকি চলেঃ কথা না শুনলে সব ভিডিও
নেটে ছেড়ে দিবে,
এইসব ব্যাপারে একটা সময় হাপিয়ে উঠে তৃষা,
ফলাফলঃ আত্নহত্যার পথ বেছে নেয় ।।
**লেখকের কথাঃ
==========..কি বুঝলেন আপুরা ??
সামান্য একটা পিক আপলোড দিয়ে অথবা না জেনে যার
তার সাথে নিজেকে জড়িয়ে কিভাবে জীবন ধ্বংস হয়
দেখেছেন ??
লেখাটা কাল্পনিক হলেও এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটেই
চলেছে...
নিজের পিক আপলোড না দিয়ে কি ফেসবুক ইউজ
করা যায় না ??
কেউ ফেক বললে বলুক, তাতে কি ??
এখন বলবেন সবার সাথেতো এমন হয় না ?
উত্তরঃ হ্যাঁ সবার সাথে হয় না,
কিন্তু কাল যে আপনার সাথে হবে না তার
কি গ্যারান্টি আছে ??
কারো উপর ক্রাশ খান আর যাই করেন,
তার সাথে নিজেকে জড়ানোর আগে একবার বাশঁ
খাওয়ার কথাটা ভাইবেন প্লীজ...
বন্ধু হিসেবে আমার বলার দায়িত্ব ছিলো তাই বললাম,
এটাকে মানা, না মানা একান্ত আপনার ব্যাপার.।.Good bye.