শহীদ টিপু সুলতান রহ. ইসলামী পাঠাগার

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • শহীদ টিপু সুলতান রহ. ইসলামী পাঠাগার

শহীদ টিপু সুলতান রহ. ইসলামী পাঠাগার দ্বীন প্রচার ও জ্ঞান বিকাশের লক্ষ্যে ?

  'ঐতিহাসিক জন ডব্লিউ ড্রেপার বলেন, অষ্টম শতাব্দীতে যখন কর্ডোভার রাস্তায় বাতি জ্বলতো, এই সময়ের সাতশ (৭০০) বছর পর লন্ডন ...
21/06/2024



'ঐতিহাসিক জন ডব্লিউ ড্রেপার বলেন,
অষ্টম শতাব্দীতে যখন কর্ডোভার রাস্তায় বাতি জ্বলতো, এই সময়ের সাতশ (৭০০) বছর পর লন্ডন শহরে সে রকম একটি বাতিও ছিল না এবং পরবর্তী বহু শতাব্দীর পর প্যারিসে বর্ষার দিনে যে তার বাড়ির দ্বার থেকে বাইরে পা বাড়াত তার পায়ের গুলফ পর্যন্ত কাদায় ডুবে যেত।'
(History of The Intellectual Development of Europe, VOL 2,London, 1910,P -230_31)

মুসলিম শাসনামলে আন্দালুস ছিলো শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতিতে ইউরোপের তীর্থস্থান। তখনকার সময়ের শিক্ষার্থীরা পাড়ি জমাতো কর্ডোভায়। দশম শতাব্দীতে ক্যাথোলিক চার্চের নেতা, পোপ সিলভেস্টার দ্বিতীয় পড়ালেখা করার জন্য যান আন্দালুসে। এখন মুসলিম দেশের নাগরিকরা যেমন পড়তে পশ্চিমে যায়!

কিন্তু ঠিক কোন কারণে কর্ডোভা এত উন্নত ছিল?
কেন বিশ্ববাসী ভিড় করতো আন্দালুসে?
কোন কারণে মুসলিম স্পেনকে বলা হতো বিশ্বের রত্ন-অলংকার?

উত্তর খোঁজে পাবেন নিম্নোক্ত তথ্যে। চলুন জেনে আসি,

'তৎকালীন কর্ডোভা নগরীতে এমন কোন বাড়ি ছিল না যাতে ব্যক্তিগত লাইব্রেরী গড়ে ওঠেনি। যাদের প্রকৃতিতে গ্রন্থের প্রতি ঝোঁক থাকতো না, সমাজে তাদের ভালো চোখে দেখা হত না। তাই অনেকেই শুধু ফ্যাশন ও সাজ-সজ্জার জন্য ঘরে গ্রন্থের আলমারি সাজিয়ে রাখত।

'কর্ডোভার গ্রন্থাগার ছিল বিশ্বব্যাপী প্রবাদস্বরূপ। শিক্ষা ও সাহিত্যের প্রতি জনমনে এত আগ্রহ ছিল ও এর এত ব্যাপক চর্চা হতো যে,কর্ডোভা নগরীতে এমন কোন বাড়ি ছিল না যাতে ব্যক্তিগত লাইব্রেরী গড়ে ওঠেনি। কর্ডোভার তদানীন্তন মুসলিম সমাজ কারো কাছে দুষ্প্রাপ্য কোন গ্রন্থের পান্ডুলিপি থাকাটাকে সবচেয়ে গৌরবের এবং উল্লেখযোগ্য বিষয় বলে মনে করা হতো। যাদের প্রকৃতিতে গ্রন্থের প্রতি ঝোঁক থাকতো না, সমাজে তাদের ভালো চোখে দেখা হত না। তাই অনেকেই শুধু ফ্যাশন ও সাজ-সজ্জার জন্য ঘরে গ্রন্থের আলমারি সাজিয়ে রাখত।
(বইঃ স্পেনের কান্না, লেখকঃ তাকি উসমানী)

এস. পি. স্কটের ভাষায়— ❝যে অঞ্চলে জ্ঞানের বালাই ছিলো না, সে অঞ্চল হলো ক্যাথলিক ইউরোপ। আমরা এমন এক সময়ের কথা বলছি, যখন ইউরোপের রাজা-সম্রাটরাও লেখতে বা পড়তে জানতো না। সে সময় এক মুসলিম শাসকের একান্ত ব্যক্তিগত লাইব্রেরির বইসংখ্যা ছিলো ছয় লাখ। ম্যূর আমলের কর্ডোভায় ছিলো আটশ কলেজ আর সাম্রাজ্যের এমন কোনো গ্রাম ছিলো না, যেখানে সবচে গরিব চাষীর সন্তানরাও লেখাপড়া জানতো না। অশিক্ষিত কোনো চাষীরও খোঁজ পাওয়া যেতো না।❞
(বইঃ সহস্রাব্দের ঋণ, লেখকঃ মুসা আল হাফিজ)

ইউরোপের খ্রিস্টান লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা ছিলো যখন মাত্র ৬০০ টি, মুসলিম শাসিত কর্ডোভায়ই তখন ছিলো ৬০০ টি পাবলিক লাইব্রেরি। তারমধ্যে সবচেয়ে বড়ো লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা ছিলো প্রায় ৪,০০,০০০।

তাই নিজেকে গড়তে, জাতিকে গড়তে, উম্মাহকে জাগাতে হলে অবশ্যই বইমুখী হতে হবে। লাইব্রেরিকে বাড়ি বানাতে হবে, সঙ্গী বানাতে হবে বইকে। আমাদের গৌরবময় অতীত, হাজার বছরের সোনালী দিন নিয়ে হাহুতাশ না করে নিজেদের বানাতে হবে সোনার মানুষ। অন্তত চিনতে জানতে হবে সোনালী সেই যুগকে। তাহলেই আমরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ পাবো।

—বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস!১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না। ২) ...
20/01/2024

—বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস!
১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।
২) পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।
৩) একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।
৪) নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।
৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।
৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।
৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।
৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।
৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।
১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।
১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকেন।
১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।
১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।
১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।
১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।
১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।
১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।
১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।
২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।
২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।
২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।
২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।
২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।
২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।
২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।
২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!
২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।
৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।

© সম্পূর্ণ লেখাগুলো সংগৃহীত।

➥পোষ্ট'টি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন—

28/09/2022

আমি মনে করি, রাণী ইসাবেলা কিংবা ফার্ডিনান্ডের হাতে আমাদের পরাজয় ঘটেনি।

আমাদের ভাগ্যের দরজা আমরাই বন্ধ করেছিলাম।’

🖊️ আবুল আসাদ

06/09/2022
 #আয়নাঘর বিপর্যয়ের সামনে মানুষ হয় ভেঙে পড়ে অথবা প্রতিরোধ করে। এ সময়টাতে মানুষ কী সিদ্ধান্ত নেয় তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ...
20/07/2022

#আয়নাঘর
বিপর্যয়ের সামনে মানুষ হয় ভেঙে পড়ে অথবা প্রতিরোধ করে। এ সময়টাতে মানুষ কী সিদ্ধান্ত নেয় তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি হলো সন্ধিক্ষণ। এ মুহূর্তে শয়তান আপনাকে আক্রমণ করবে। মহান আল্লাহর সম্পর্কে সংশয়-সন্দেহের চোরাবালিতে টেনে নিয়ে যাবার জন্য ক্রমাগত ওয়াসওয়াসা দিতে থাকবে আপনার অন্তরে। তাকে শক্ত হাতে প্রতিহত করুন এবং বলুন :
“কোনটি উত্তম তা আল্লাহই ভালো জানেন এবং তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরম করুণাময়। নিশ্চয়ই তিনি মহা প্রজ্ঞাবান।”
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজেকে প্রশ্ন করা :
“আমার ভূমিকা কী? আমার এখন কী করা উচিত?”
নিঃসন্দেহে আল্লাহ যেকোনো মন্দ থামিয়ে দিতে, যেকোনো যুলুম বন্ধ করতে সক্ষম। কিন্তু আল্লাহ বলে দিয়েছেন, তিনি ‘...একজনকে অন্যের দ্বারা পরীক্ষা করতে চান।’ তিনি দেখতে চান তাঁর ক্বাদরের ফায়সালা কীভাবে আমরা গ্রহণ করি। তিনি যাচাই করতে চান বিপদের মুখোমুখি হয়ে আমরা কেমন আচরণ করি।
তাই এই সন্ধিক্ষণগুলোতে নিজের করণীয়ের দিকে মনোযোগী হোন। সচেষ্ট হোন নিজ দায়িত্ব পালনে। শয়তানকে সুযোগ দেবেন না আপনাকে হতাশার চোরাবালিতে টেনে নিয়ে যাবার।
বই : আয়নাঘর
মূল : ড. ইয়াদ কুনাইবী হাফিযাহুল্লাহ
অনুবাদ : ইলমহাউস অনুবাদক টিম
মূল্য : ২০০ টাকা
প্রকাশনী : Ilmhouse Publication

আলহামদুলিল্লাহ। আমরা বইটি সংগ্রহ করেছি।
20/05/2022

আলহামদুলিল্লাহ। আমরা বইটি সংগ্রহ করেছি।

Address

Mymensingh
2252

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শহীদ টিপু সুলতান রহ. ইসলামী পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to শহীদ টিপু সুলতান রহ. ইসলামী পাঠাগার:

Share

Category