Chittagong Govt. High School

Chittagong Govt. High School A name,that tells thousand stories..A name containing infinite feelings!nothing but our CGHS! Chittagong Govt. High School.
(343)

Chittagong Government High School

Address:
College Road
Chittagong, Bangladesh,

Information:
Type Public, high school
Motto নিজেকে জানো (Know Thyself)
Established 1906
School district Chittagong
School code 3059
Headteacher Mrs. Mahbuba Begum, BCS, (General Education)
Staff 52
Teaching staff 42
Grades 5-10
Campus type Urban
Color(s) Grey and white
Sports Football, cricket, basketball


Publication School Magazine (Protibhash)
Number of Clubs 03
Debate Club CGHSDC
Language Club CGHSLC
Science Club CGHSSC
Special project Connecting classrooms under

❑ ''মানুষ‌কে অপমান না ক‌রেওসংশোধন করার অসাধারণ শিক্ষা।''হঠাৎ এক‌দিন রাস্তায় এক বৃ‌দ্ধের সা‌থে এক যুব‌কের দেখা। যুবক একটু...
01/04/2025

❑ ''মানুষ‌কে অপমান না ক‌রেও
সংশোধন করার অসাধারণ শিক্ষা।''

হঠাৎ এক‌দিন রাস্তায় এক বৃ‌দ্ধের সা‌থে এক যুব‌কের দেখা। যুবক একটুখানি অগ্রসর হয়ে স‌ম্বোধন ক‌রে বিনয়ের সাথে বৃদ্ধ‌কে জিজ্ঞাসা কর‌লো, -স্যার, আমাকে চিন‌তে পে‌রে‌ছেন? উত্ত‌রে বৃদ্ধ লোক‌ বল‌লেন, -না বাবা, আমি তোমা‌কে চিন‌তে পা‌রি‌নি। অতপর বৃদ্ধ লোক জান‌তে চাই‌লেন, "তুমি কে?"
তারপর যুবক‌ বললো, "আমি একসময় আপনার ছাত্র ছিলাম। ও আচ্ছা! ব‌লে সেই বৃদ্ধ লোক‌ যুব‌কের কা‌ছে কুশলা‌দি জানার পর জিজ্ঞাসা কর‌লেন এখন তু‌মি কি কর‌ছো? যুবক‌ অত‌্যন্ত বিন‌য়ের সা‌থে জবাব দিলো, আমি একজন শিক্ষক। বর্তমা‌নে শিক্ষকতা কর‌ছি।"

সা‌বেক ছা‌ত্রের মুখ থে‌কে এই কথা শু‌নে বৃদ্ধ শিক্ষ‌ক অত‌্যন্ত খু‌শি হ‌য়ে বললেন, বাহ্! বেশ তো! খুব ভালো! খুব ভালো! ঠিক আমার মতো হয়েছো তাহলে!" যুবক মৃদুহেসে জবাব দিলো,"জী,আসলে আমি আপনার মতো একজন শিক্ষক হতে পে‌রে‌ছি ব‌লে নি‌জে‌কে ধন‌্য ম‌নে কর‌ছি।" তখন সেই যুবক এর পিছ‌নের কারণ বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে বল‌লো, -"আপনি আমাকে আপনার মতো হতে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছেন স্যার!"

বৃদ্ধ শিক্ষক কিছুটা কৌতূহল নি‌য়ে যুবকের শিক্ষক হওয়ার নেপথ্য কারণ জান‌তে চাই‌লে, যুবক‌ তার শিক্ষক হ‌য়ে উঠার গল্প বল‌তে গি‌য়ে বৃদ্ধ শিক্ষক‌'কে ষ্মরণ ক‌রিয়ে দি‌লো, স্কু‌লে ঘ‌টে যাওয়া সেই পুরনো দিনের ঘটনা। পুরনো দি‌নের ঘটনা বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে যুবক‌ তখন বৃদ্ধ শিক্ষ‌ককে উ‌দ্দেশ‌্য ক‌রে বল‌লো-

"ম‌নে আছে স্যার? একদিন আমার এক সহপা‌ঠি বন্ধু, যে আপনারও ছাত্র ছিল, সে একটি নতুন হাতঘড়ি নি‌য়ে ক্লা‌সে এসেছিল। তার ঘড়ি‌টি এতোটাই সুন্দর ছিল যে, আমি কোনভাবেই লোভ সামলা‌তে পা‌রি‌নি। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যেভাবেই হোক ঘ‌ড়ি‌টি আমার চাই। অতঃপর, সুযোগমতো আমি তার প‌কেট থে‌কে ঘ‌ড়িট‌ি চু*রি করি। কিছুক্ষণ পর আমার সেই বন্ধু তার ঘড়ির অনুপস্থিতি লক্ষ্য করে এবং অবিলম্বে আমাদের স্যার অর্থাৎ আপনার কাছে অভিযোগ করে। তার এই অ‌ভি‌যোগ শু‌নে আপনি ক্লাসের উদ্দেশ্যে বলে‌ছি‌লেন, "আজ ক্লাস চলাকালীন সম‌য়ে এই ছাত্রের ঘড়িটি চু*রি হয়েছে, যেই চু*রি করে থাকো, ঘা‌ড়ি‌টি ফিরিয়ে দাও।"

আপনার নির্দেশ শু‌নেও আমি ঘা‌ড়ি‌টি ফেরত দিতে পারিনি। কারণ, ঘড়িটি ছিল আমার কা‌ছে খুবই লে‌াভনীয়, তাছাড়া, আমরা খুবই গরীব ছিলাম, এমন ঘড়ি ক্রয় করার সামর্থ্যও আমাদের ছিল না। তারপর আপনি দরজা বন্ধ করে সবাই কে বেঞ্চ ছে‌ড়ে উঠে দাঁড়ি‌য়ে ক্লাসরু‌মের ফ্লো‌রের ম‌ধ্যে একটি গোলাকার বৃত্ত তৈরি করতে বললেন এবং সবাই‌কে চোখ বন্ধ করার নির্দেশন দি‌লেন, অতঃপর ঘড়ি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আপনি পর্যায়ক্রমে আমাদের সবার পকেট খুঁজ‌তে লাগ‌লেন। আমরা সবাই আপনার নির্দেশনা মোতাবেক নিরবে দাঁ‌ড়ি‌য়ে রইলাম।

এক এক ক‌রে পকেট চেক ক‌রতে গিয়ে একটা সময় আপনি যখন আমার পকেটে হাত দি‌য়ে ঘ‌ড়ি‌টি খুঁ‌জে পে‌লেন তখন ভ‌য়ে, লজ্জায় আমার শরীর কাঁপ‌ছিল। কিন্তুু সেই মুহূ‌র্তে ঘড়ি‌টি আমার প‌কে‌টে পাবার পরও আপনি কিছু ব‌লেন‌ নি এবং শেষ ছাত্র পর্যন্ত সবার প‌কেটই চেক কর‌ছি‌লেন। সব‌শে‌ষে আপ‌নি সবাই‌কে বললেন ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে, এবার তোমরা সবাই চোখ খুল‌তে পা‌রো। ঘ‌ড়ি‌টি পাবার পর আমার সেই বন্ধু‌টি আপনার কা‌ছে জান‌তে চে‌য়ে‌ছিল, "ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গি‌য়ে‌ছিল? ‌কিন্তুু আপনি তা‌কে ব‌লে‌ছি‌লেন, ঘ‌ড়ি‌টি কার প‌কে‌টে পাওয়া গে‌ছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তোমার ঘ‌ড়ি পাওয়া গে‌ছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।

সেই দি‌নের ঘটনা নি‌য়ে পরবর্তী‌তে আপনি আমার সা‌থে কো‌নো কথা ব‌লেন‌নি। এমন‌কি সে কাজের জন‌্য আপনি আমাকে তিরস্কারও করেননি। নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য আপ‌নি আমাকে স্কু‌লের কো‌নো কামরায় নিয়ে যাননি। সেই ঘটনা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে লজ্জাজনক দিন। অথচ আপ‌নি অত‌্যন্ত বু‌দ্ধিমত্তার সা‌থে, কৌশল অবলম্বন ক‌রে চু‌*রি হওয়া ঘ‌ড়ি‌টি উদ্ধার কর‌লেন এবং আমার মর্যাদা চিরতরে রক্ষা করলেন।

সে ঘটনার পর আমি অ‌নেক‌দিন অনু‌শোচনায় ভোগে‌ছি। ক্লা‌সে ঘ‌টে যাওয়া ঘটনার রেশ সে দিন চ‌লে গে‌লেও এর প্রভাব র‌য়ে যায় আমার ম‌নের ম‌ধ্যে। বি‌বে‌কের যু‌দ্ধে বার বার দং‌শিত হ‌য়ে‌ছি। তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম এই সব অ‌নৈ‌তিক কাজ আর কখ‌নো করব না। একজন ভা‌লো মানুষ হ‌বে‌া। একজন শিক্ষক হ‌বো। স‌ত্যিকার অ‌র্থে মানুষ গড়ার কা‌রিগর হ‌বো। আপনার কাছ থে‌কে সে দিন আমি স্পষ্টভাবে বার্তা পেয়েছিলাম প্রকৃতপ‌ক্ষে কি ধর‌ণের একজন শিক্ষা‌বি‌দ হওয়া উ‌চিত। অপমান ছাড়াও মানু‌ষকে সং‌শোধন করা যায় সে‌টি আপনার কাছ থে‌কে শি‌খে‌ছি। আপনার উদারতা এবং মহানুভবতা আজ আমা‌কে শিক্ষ‌কের মর্যাদায় আসীন ক‌রে‌ছে।

সা‌বেক ছা‌ত্রের কথাগু‌লো শোনতে শোনতে বৃদ্ধ শিক্ষকের চোখে জল গড়িয়ে পড়লো! চোখের জল মুছতে মুছতে মৃদু হেসে শিক্ষক বললেন, "হ‌্যাঁ, সেই ঘটনা আমার দিব্যি ম‌নে আছে। কিন্তুু আমি তোমাকে মনে রাখিনি, কারণ সে সময় শুধু তোমাদের নয় আমার চোখও বন্ধ ছিল। তারপর শিক্ষক দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করে বললেন, "তুমিই বলো বাবা, কোন শিক্ষক কি সন্তানতূল্য ছাত্রদের চোরের বেশে দেখতে পারে? শিক্ষক চায় তার ছাত্রদের বীরের বেশে দেখে গর্ববোধ করতে।

Collected....

একটি মেয়ে দৌড়ে অনেক পিছিয়ে খেলা শেষ করল। তার বাবা যখন উচ্ছসিত হয়ে হাততালি দিচ্ছে, সে বলল: বাবা! আমি race এ 15th হয়েছি!বা...
27/01/2023

একটি মেয়ে দৌড়ে অনেক পিছিয়ে খেলা শেষ করল। তার বাবা যখন উচ্ছসিত হয়ে হাততালি দিচ্ছে, সে বলল: বাবা! আমি race এ 15th হয়েছি!
বাবা: তুমি 1st হয়েছ 30 জনের মধ্যে!
মেয়ে: কি করে?
তাকিয়ে দেখ তোমার পেছনে আরও 29 জন!
মেয়ে: (খুশি হয়ে) কিন্তু বাবা সামনেও যে 14 জন রয়েছে!
বাবা: তার কারণ ওরা আরও বেশি practice করেছে, পায়ের muscle শক্তপোক্ত করতে যত্ন নিয়েছে। পরেরবার তুমি আরও ভাল করে চেষ্টা কোরো, নিশ্চয়ই আরও ভালো হবে।
মেয়ে: (খুব খুশি) বাবা আমি খুব চেষ্টা করবো, অনেক practice করবো, আর পরের বার 1st হবো।
বাবা: All the best! কিন্তু মনে রেখো, পরেরবারও এই race বা কোনো না কোনো race এ কেউ না কেউ তোমার থেকে এগিয়ে থাকবে, আর কেউ না কেউ থাকবে তোমার থেকে পিছিয়ে। সে নিয়ে কখনো মন খারাপ করো না। বরং সামনে যারা থাকবে, তাদের সাফল্যে আনন্দ কোরো। কারণ তাদের মধ্যে সত্যিই এমন কিছু আছে যা তোমার চেয়ে আলাদা। মন থেকে appreciate কোরো। যারা পিছিয়ে থাকবে, তাদের উৎসাহ দিও। তাহলে জীবনের বড় race টায় সবসময় এগিয়ে থাকতে পারবে। 😊❤

নিজেকে কখনো অন্য কারও সঙ্গে তুলনা কোরো না, কারণ প্রত্যেকের পরিবেশ, পরিস্থিতি, সুযোগ, দুর্যোগ, প্রতিভা সব আলাদা আলাদা হয়। কোনো না কোনো জায়গায় কোনো না কোনোভাবে প্রত্যেকে সেরা হয় নিজের নিজের জায়গায়।

এক রাজার একটি চোখ ও একটি পা অকেজো ছিল। তিনি একদিন সব অঙ্কনশিল্পীদের ডেকে বললেন, তাঁর একটা সুন্দর পোর্ট্রেইট আঁকতে, কিন্ত...
20/12/2022

এক রাজার একটি চোখ ও একটি পা অকেজো ছিল। তিনি একদিন সব অঙ্কনশিল্পীদের ডেকে বললেন, তাঁর একটা সুন্দর পোর্ট্রেইট আঁকতে, কিন্তু কেউ রাজি হলো না। কারণ সবাই ভাবছিল- কানা আর ল্যাংড়া রাজাকে ছবিতে সুন্দর কিভাবে দেখানো সম্ভব?

একজন রাজি হলো। তার আঁকা শেষ হওয়ার পর সবাই দেখে অবাক হয়ে গেল। তাঁর ছবিতে রাজা একটা হরিণ শিকার করছিল... এক চোখ বন্ধ করে লক্ষ্য স্থির করছিল আর এক পা মুড়ে শরীরের ব্যালেন্স রাখছিল!

সেই আঁকিয়ে অনেক দামি পুরস্কার পেয়েছিল, কিন্তু শুধু তাঁর ছবির জন্যে নয়, বরং সেই অমোঘ বার্তাটার জন্য যেটা সে তাঁর ছবির মাধ্যমে সবাইকে দিয়েছিল, সেটা হলো- সবারই কিছু না কিছু দুর্বল জায়গা আছে... সেইটুকু বাদ দিলে সবাই সুন্দর। কিন্তু কিভাবে সেটা বাদ দিয়ে কাউকে দেখবে- তা নির্ভর করছে তোমার ওপর।

একটি হরিণ এক ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যেতে পারে। আর একটি বাঘ যেতে পারে এক ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। তাহলে অঙ্কের হিসাবে বাঘ কখনো...
18/09/2022

একটি হরিণ এক ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যেতে পারে। আর একটি বাঘ যেতে পারে এক ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। তাহলে অঙ্কের হিসাবে বাঘ কখনো হরিণ কে ধরার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টোটা। বাঘের হাতে হরিণ কে কাবু হতে হয়।

কারণ টা কী ? কারণ হলো দৌড়াতে দৌড়াতে কখনো কখনো পিছনে ফিরে তাকায় বাঘের চাইতে কতটুকু এগিয়ে আছে তা বুঝার জন্য। আর এটাই হয় সর্বনাশের কারণ। পেছনে ফিরতে গিয়ে তার বেগ কমে যায় । অপরদিকে বাঘ ঠিকই তার বেগ ঠিক রেখে হরিণের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।

★ শিক্ষাঃ চলার পথে কখনোই পিছনে তাকাতে নেই, লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যেতে হবে । তাহলেই তুমি সফল হবে।

Our very own Yasir Ali Chowdhury gets a call up in the national team t-20 squad for the first time. Congratulations Cham...
16/11/2021

Our very own Yasir Ali Chowdhury gets a call up in the national team t-20 squad for the first time. Congratulations Champ ❤️
Keep up the 🇧🇩 high by doing good works.
Pride Of CGHS ❣️💎

যেখানে বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট কারণে বিশুদ্ধ পানির সংকট বেড়েই চলেছে সেখানে Sciecopath এর পক্ষ ...
27/09/2021

যেখানে বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট কারণে বিশুদ্ধ পানির সংকট বেড়েই চলেছে সেখানে Sciecopath এর পক্ষ থেকে একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা "Aquaweek 1.0"। এই পানি সপ্তাহের রেশ ধরেই "Aquaweek1.0" উপলক্ষে Sciecopath এর পক্ষ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি চমকপ্রদ লাইভ!

এই বিশেষ আয়োজিত লাইভে আমরা বাংলাদেশের পানি দূষণ ও এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবো। সাথে সচেতনতা তৈরির লক্ষে এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়েও আলোচনা হবে।

⚠️সময়: ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টা

লাইভে আমাদের অতিথি হিসেবে থাকবেন মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী।
কর্ণফুলী নদীর দূষণ নিয়ে পিএইচডি করেছেন এবং রয়্যাল সোসাইটি অফ কেমেস্ট্রি, লন্ডনের এম আর এস সি এবং চার্টার্ড কেমিস্ট। আমেরিকান ক্যামিকেল সোসাইটি এবং বাংলাদেশের রসায়ন সমিতির সম্মানিত জীবন সদস্য।

অডিয়েন্সদের জন্য উনার জীবনের একাডেমিক দিক ছাড়াও বিভিন্ন মজার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে।

(লাইভ লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে)

A match winning knock by CGHSian,our very own Yasir Ali Chowdhury ❤️💥
02/12/2020

A match winning knock by CGHSian,our very own Yasir Ali Chowdhury ❤️💥

"একজন মানুষ স্বপ্ন দেখতেন  স্বপ্ন দেখাতেন কারিগর বানাতেন"বছর দশেক পরে সেই কারিগররা বড্ড সাহেব হয়ে রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে ...
24/09/2020

"একজন মানুষ স্বপ্ন দেখতেন
স্বপ্ন দেখাতেন
কারিগর বানাতেন"

বছর দশেক পরে সেই কারিগররা বড্ড সাহেব হয়ে রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎই যখন সেই জাদুকরের দেখা পেতো দৌড়ে গিয়ে পায়ে ধরে সালাম করতো। জাদুকরও হেসে দিতো।এই বুঝি তাঁর সার্থকতা।

সময় চলে যায়।সেই সাথে হুট করেই হারিয়ে যান এই জাদুকররা।বড্ড অসময়েই চলে যান।সবাইকে ছেড়ে, সবাইকে কাঁদিয়ে।

পরপারে অনেক ভালো থাকবেন স্যার।
আপনাকে আপনার এই ছেলেরা অনেক ভালোবাসে স্যার(শ্রদ্ধেয় তুষার কান্তি নাথ স্যার)।

বিশ্বজয়ের গল্প শুনব এবারঃদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে কারা? এমন প্রশ্ন আমাদের মনে এলেই সর্বাগ্রে আমাদের সামনে ভেসে উঠে কোনো ক্...
28/07/2020

বিশ্বজয়ের গল্প শুনব এবারঃ

দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে কারা? এমন প্রশ্ন আমাদের মনে এলেই সর্বাগ্রে আমাদের সামনে ভেসে উঠে কোনো ক্রিকেটার কিংবা অন্য কোনো স্পোর্টসম্যান এর ছবি। অথবা কোনো ফিল্মমেকারের হাসিমাখা মুখ,
কিংবা হতে পারেন অন্য কিছু।

তবে প্রব্লেম সলভিং কম্পিটিশন এবং অলিম্পিয়াডস এর মাধ্যমেও বেশ সুন্দরভাবে দেশের পতাকাকে সমুজ্জ্বল স্থানে তুলে ধরা যায়, বিশ্বকে জানান দেওয়া যায় দেশের নাম।

কিংবা বর্তমান বিশ্বের একজন ছাত্রকে যদি তার উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের কথা জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে তার উত্তর কি হবে? নিশ্চয়ই এমআইটি, হার্ভার্ড কিংবা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির নাম সবার আগেই সামনে চলে আসবে।

আচ্ছা কেমন হয় অলিম্পিয়াডে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা কিংবা এমআইটির মতো জায়গায় পড়াশুনা করা মেধাবীদের গল্প?
হ্যাঁ। ঠিকই ধরতে পেরেছেন।
From M.E School to CGHS:The Untold Stories of Legends এর এই পর্বে আমাদের অতিথি সৌরভ দাশ এবং তাহনিক নুর সামিন জানাবেন সেই গল্পগুলো।

সৌরভ দাশ বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান "Twitter" এর এডস প্রেডিকশন টিমে কর্মরত আছেন মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে।বিশ্বের অন্যতম টপক্লাস ইউনিভার্সিটি Massachusetts Institute of Technology (MIT) হতে ডাবল মেজরে কম্পিউটার সায়েন্স এবং ম্যাথমেটিকস বিষয়ে আন্ডারগ্র‍্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন ২০১৮ সালে। চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এর এই মেধাবী ছাত্র ২০১৯ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন কম্পিউটার সায়েন্স এ।
শুধু কি তাই? এই রত্নের ভান্ডারে আছে ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড (IMO) এর দু'টো ব্রোঞ্জ পদক, আছে এশিয়ান প্যাসিফিক ম্যাথমেটিকাল অলিম্পিয়াড (APMO) এর সিলভার পদক।

আসা যাক তাহনিক নুর সামিনের কথায়। তাহনিক নুর সামিন ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন।পরবর্তীতে নটরডেম কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে এইচএসসি শেষে বর্তমানে অধ্যয়নরত আছেন The Hong Kong University of Science and Technology - HKUST তে।

সামিন ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডে-২০১৮(IMO-2018)এর ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ী। সেই সাথে সিলভার পদক পেয়েছেন এশিয়া প্যাসিফিক ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড (APMO)তেও।
তার ঝুলিতে রয়েছে ইরানিয়ান জিওমেট্রি অলিম্পিয়াডের ব্রোঞ্জ পদকও। এছাড়াও দেশে-বিদেশে অসংখ্য অলিম্পিয়াড এবং কম্পিটিশনে এই মেধাবী রেখেছেন তার কৃতিত্বের ছোঁয়া।

এই দুই বিশ্বজয়ী মহারথীকে আমরা আগামি ৩০ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ৯ঃ০০টায় আনছি আমাদের লাইভ অনুষ্ঠানে। আপনাদের আমন্ত্রণ রইলো, আহবান রইলো সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার।
স্কুল জুনিয়রদের বিশেষভাবে অনুরোধ রইলো এই সেশনে অংশ নেওয়ার,প্রশ্ন করবে যা কিছু মনে ঘুরে অলিম্পিয়াড নিয়ে।

চট্টগ্রামের ছেলেরা যে কেবল হোমসিক নয়, তারাও নিজেদের গন্ডি পেরিয়ে কখনো দেশের জন্য আবার কখনো গোটা পৃথিবীর জন্য একেকজন বড় ব...
17/07/2020

চট্টগ্রামের ছেলেরা যে কেবল হোমসিক নয়, তারাও নিজেদের গন্ডি পেরিয়ে কখনো দেশের জন্য আবার কখনো গোটা পৃথিবীর জন্য একেকজন বড় বড় সম্পদ হয়ে দাঁড়াতে জানেন,
তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলেন ডক্টর অভিজিৎ কুমার নাগ এবং মনোজ বড়ুয়া।

প্রিয় শুভানুধ্যায়ীবৃন্দ, From ME School To CGHS:The Untold Stories Of Legends পঞ্চম পর্বের অতিথিদের ব্যাপারে বলছি। বলছি আমাদের চট্টলার রত্ন, চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের রত্ন ডক্টর অভিজিৎ কুমার নাগ এবং মনোজ বড়ুয়াকে নিয়ে।

ড: অভিজিৎ কুমার নাগ চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস. সি. (চতুর্থ স্থান)পাশ করে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচ.এস. সি. (পঞ্চম স্থান) এবং বুয়েট থেকে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ অনার্স সম্পন্ন করে পাড়ি জমান আমেরিকায়। সেখানকার মেমফিস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার্স এবং কম্পিউটার সাইন্স এ পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে কম্পিউটার ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন বিখ্যাত টেক্সাস এ এন্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়-সেন্ট্রাল টেক্সাসে।

শুধু কি তাই? এই তারকার অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে আসছে বিখ্যাত সব জার্নাল এবং কনফারেন্সে। তবে সেসবের চেয়েও বড় ব্যাপার হলো, চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন এই ছাত্রের প্যাটেন্টকৃত সিকিউরিটি সিস্টেম বেশ সাড়া জাগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে৷ তার সিকিউরিটি সিস্টেম দিয়ে আমেরিকার বড় বড় সব প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
আমেরিকার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ব্যবহার করছে তার উদ্ভাবিত সিস্টেম।

মনোজ বড়ুয়ার গল্পটাও বেশ ঈর্ষনীয়। চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাশ করে তিনিও পড়াশুনা করেন চট্টগ্রাম কলেজ এবং বুয়েটে। তারপর উচ্চশিক্ষার্থে পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিস্টিংশনের সাথে সম্পন্ন করেন এমবিএ। তিনু
ঢাকা, দুবাই, আবুধাবি, মেলবোর্ন, পার্থ সহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অনেক শহরে নিরাপদ এবং কার্যকরী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস হিসেবে কর্মরত আছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাফিক ও ট্রান্সপোর্ট বিভাগে।

তার উদ্ভাবিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম রীতিমতো বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার সড়ক ব্যবস্থায়।
অস্ট্রেলিয়ার সড়ক ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও ডিজাইনিং নিয়ে মনোজ বড়ুয়া স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় পুরস্কার।

১৯৯৯ ব্যাচের এই দুই বন্ধুর স্কুল জীবনের গল্প, তাদের সফলতার গল্প, তাদের বিশ্বকে জয় করার গল্প এবার শুনব আমরা। এই দুইজন বিখ্যাত মুখ আমাদের সাথে আড্ডা দিতে আসছেন ১৮ই জুলাই, রোজ শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ঃ৩০ মিনিটে।

আমাদের এই আয়োজনে আপনি সাথে থাকুন, আপনার চসউবিয়ান বন্ধুকেও জানিয়ে দিন এই আড্ডার কথা।

 #প্রাক্তন_চসউবিয়ান সুবীর চৌধুরীর ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মিশিগান ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে দেওয়া বক্তব্যের দ্বিত...
03/07/2020

#প্রাক্তন_চসউবিয়ান সুবীর চৌধুরীর ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মিশিগান ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে দেওয়া বক্তব্যের দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব ঈষৎ পরিমার্জিত এবং সংক্ষেপিত করে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

এই বক্তব্যের ভিডিওর লিংক প্রথম কমেন্টে দেওয়া হলো।

#ছাদ_নাকি_আকাশ_কোনটা_ছোঁবে?
(দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব)
Subir Chowdhury

(চট্টগ্রাম সরকারি হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন সুবীর চৌধুরী। এখন তিনি কোয়ালিটি বা গুণগত মান বাড়াতে পরামর্শ দেন বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে। তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট বা ব্যবস্থাপনা পরামর্শকদের একজন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ফেলোশিপ আছে, তাঁর নামে ফেলোশিপ আছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসেও। ৪ মে,২০১৯ যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে বক্তা ছিলেন তিনি।)

আমি তোমাদের আমার জীবনের কিছু গল্প শোনাতে চাই। সেগুলো তোমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। আজ থেকে তোমরা যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই পরে তোমার ও তোমাদের আশপাশের সবার জীবনকে সাজিয়ে দেবে।

যেহেতু আমি তোমাদের চেয়ে বয়সে বড়, তাই আমার অভিজ্ঞতাও তোমাদের চেয়ে বেশি। আর এই অভিজ্ঞতাগুলো তোমাদের জীবন গঠনে কাজে লাগবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি এখন বিশ্বের বড় কোম্পানিগুলোকে পণ্য বা অন্যান্য বিবিধ বিষয়ে পরামর্শ দিই। এতে তাদের গুণগত মান নিশ্চিত হয়। এটাই আমার ব্যবসা। যখন সিএমইউয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম, এ ব্যবসা সম্বন্ধে আমার কোনো ধারণা ছিল না। ব্যবসাজগতে এই ‘কোয়ালিটি’ শব্দটির একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। আমি সে সময় তা জানতাম না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় অধ্যাপকদের একটা ক্লাবে যোগ দিয়েছিলাম। নাম আমেরিকান সোসাইটি ফর কোয়ালিটি। এর সদস্য হতে লেগেছিল ১০ ডলার! ওখান থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যে কোয়ালিটির এই ক্ষেত্র সম্পর্কে জানতে পারি। গ্র্যাজুয়েশনের পর অধ্যাপকদের বলেছিলাম, ‘একদিন দেখবেন আমেরিকার সেরা সব বাণিজ্য বিভাগে আমার লেখা বই পড়ানো হবে।’

কথাটা তখন উদ্ধত শোনালেও আজ তা বাস্তব হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশনের পাঁচ বছর পর আমার লেখা কোয়ালিটিবিষয়ক বইগুলো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর আমি ১০ বছরের মধ্যেই কোয়ালিটি বিষয়ে বিশ্বের সেরা বিশেষজ্ঞদের তালিকায় স্থান পেয়েছি। তবু আজ উচ্চশিক্ষায় সর্বোচ্চ দুটো ডিগ্রি হাতে নিয়ে বলব: এখনো অনেক কিছুই শেখার বাকি।

এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমরা বেশির ভাগ সময় যন্ত্র নিয়েই পড়ে থাকি। পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে কদাচিৎ সময় কাটাই। কিন্তু যখন ছোট ছিলাম, আমাদের কম্পিউটার ছিল না; আইফোন ছিল না। আমার ছেলেবেলা কেটেছে দাদা-দাদির সঙ্গে। এর জন্য আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি! আমার জীবনে দাদা ছিলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তিনি বিশ্বের একটি দরিদ্রতম দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু জ্ঞানবিচারে তিনি ছিলেন সমৃদ্ধ।

তিনি সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে জোর দিতেন। প্রায়ই বলতেন, ‘সুবীর, বলো তো কোন সংখ্যাটি সবচেয়ে বেশি ক্ষমতাশীল? ০ নাকি ৯?’ আমার বয়স তখন ৫ বছর। আমি স্বভাবতই ৯-কে বেছে নিতাম। আর তিনি বলতেন, ‘নাহ, শূন্যই সবচেয়ে শক্তিশালী। শূন্যের একার কোনো মূল্য নেই বটে। কিন্তু এর আগে অন্য কোনো সংখ্যা জুড়ে দাও, দেখবে শূন্যের মূল্য দ্রুত বেড়ে গেছে।’

স্নাতকেরা, মনে রাখবে, তোমরা একেকজন সেই শূন্যের মতো। যখন তোমরা সবাই মিলে কাজ করবে, তখনই সেই কাজ পূর্ণতা পাবে। জীবনে বড় হবে। জগতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারবে। তখন কিন্তু বড় হওয়ার পেছনে যাঁদের অবদান, তাঁদের কথা ভোলা যাবে না।

স্নাতকদের জন্য আমার প্রথম উপদেশ, শূন্য থেকে শেখো। যখন বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছিলাম, দাদার কথা প্রায়ই মনে করতাম। তিনি বলতেন, ‘দাদু, যদি বলি ছাদ ছোঁবে নাকি আকাশ ছোঁবে? কোনটি বেছে নেবে?’

আমি ছেলেমানুষ। বলতাম, ‘সে তো সহজ হিসাব। আমি ছাদ ছোঁব।’

দাদু মাথা নেড়ে বলতেন, ‘উঁহু, সব সময় আকাশ ছোঁবার চেষ্টা করবে।’

আমি অবাক হয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলতেন, ‘ছাদ ছোঁয়া অতি সহজ কাজ। সেটা যে কেউ পারে। তোমার যদি লক্ষ্য থাকে আকাশ ছোঁয়ার, তবে জীবনে বহুদূর যেতে পারবে।’

স্নাতকেরা, জীবনে এক পা, দুপা করে অনেক দূর যেতে হবে। নিজের ক্ষমতার বাইরে গিয়েও চেষ্টা করতে হবে। ছাদ ছোঁয়া সহজ। তাই সেটুকু করেই বসে থাকা চলবে না। ছাদ ছাপিয়ে আকাশের দিকে হাত বাড়াতে হবে। সমাজ, পরিবার, চাকরি—সবক্ষেত্রেই ইতিবাচক অবদান রাখার জন্য নিজের সবটুকু ঢেলে দিতে হবে। তবেই সাফল্য আসবে।

এখন তোমাদের সর্বশেষ গল্পটি শোনাব। সেটিও আমার দাদাকে নিয়েই। এক দিন তিনি আমার হাতে একটা কলম ও একটি মুদ্রা দিয়ে বললেন, ‘সুবীর, কোনটি নেবে, বলো?’

আমি মুদ্রাটি তুলে নিলাম। কারণ সেটি নিয়ে দোকানে গেলেই কিছু না কিছু কেনা যায়। কিন্তু দাদার উপদেশে কলমকেই বেছে নিতে হলো। তিনি বললেন, ‘কলম দিয়ে তুমি জগৎ বদলে দিতে পারবে। মুদ্রা দিয়ে খেলনা কেনা যায়, চকলেট কেনা যায়। কিন্তু কিছু না কিছু কিনলেই মুদ্রা ফুরিয়ে যায়। অন্যদিকে কলম দিয়ে তুমি লিখতে পারবে, আঁকতে পারবে, সেটাকে সৃষ্টিশীল কাজে লাগাতে পারবে। একদিন হয়তো কেউ তোমার কাজের মূল্যায়ন করবে। আর তোমার কাজ সমাদৃত হলেই টাকা আপনা-আপনি তোমার পকেটে চলে আসবে।’ কথাগুলো সরল, কিন্তু অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ।

ছেলেবেলায় আমি বিভিন্ন নামকরা ব্যক্তিদের কাছে চিঠি লিখতাম। যাঁদের কাজ আমাকে অনুপ্রেরণা জোগাত। তাঁদের অনেকেই আমার চিঠির উত্তর দিতেন। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ পরে আমার জীবনে মেন্টর হয়ে উঠেছিলেন। এখনো বড় হয়ে আমি লেখালিখি করি। লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তাধারা প্রকাশ করি। এভাবেই ইতিবাচক পরিবর্তনের পক্ষে আমি কাজ করে যেতে চাই। গড়ে তুলতে চাই আরও সুন্দর একটু পৃথিবী।

স্নাতকদের বলছি, তোমরা কলম বেছে নাও। নিজের সৃষ্টিশীলতা ঝালাই করো। এতে পরিবর্তন আসবে। কলম ব্যবহার করেই জগতের জন্য মঙ্গলজনক উদ্যোগ নাও। কারণ এটি অর্থের চেয়েও মূল্যবান।

আমি আর সময় নেব না। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার বক্তব্য শেষ করছি। যাওয়ার কালে আমার লেখা একটি বই তোমাদের উপহার দিয়ে যেতে চাই। সেটি সাম্প্রতিক প্রকাশ পেয়েছে। নাম দ্য ডিফারেন্স। ওতে আমার জীবনের কিছু গল্প আছে। আশা করি, বইটি তোমাদের অনুপ্রাণিত করবে। যেমনিভাবে আমার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, আমার পরিবার ও বন্ধুরা এবং আমার সহকর্মী ও ক্লায়েন্টরা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন।

২০১৯ সালের গ্র্যাজুয়েশনপ্রাপ্ত স্নাতকদের অভিনন্দন জানাই।

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মিশিগান ইউনিভার্সিটির ২০১৯ সালের সমাবর্তনের বক্তা,  #প্রাক্তন_চসউবিয়ান সুবীর চৌধুরীর বক্তব্য টি প...
01/07/2020

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মিশিগান ইউনিভার্সিটির ২০১৯ সালের সমাবর্তনের বক্তা, #প্রাক্তন_চসউবিয়ান সুবীর চৌধুরীর বক্তব্য টি প্রথম আলো থেকে নেওয়া হলো। আপনাদের সুবিধার্থে এই বক্তব্যকে আমরা দুই পর্বে আপনাদের কাছে তুলে ধরছি। আজ প্রথম পর্ব; যা নিজ দায়িত্বে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার সবিনয় অনুরোধ রইলো।

#ছাদ_নাকি_আকাশ_কোনটা_ছোঁবে?

Subir Chowdhury

(চট্টগ্রাম সরকারি হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন সুবীর চৌধুরী। এখন তিনি কোয়ালিটি বা গুণগত মান বাড়াতে পরামর্শ দেন বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে। তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট বা ব্যবস্থাপনা পরামর্শকদের একজন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ফেলোশিপ আছে, তাঁর নামে ফেলোশিপ আছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসেও। ৪ মে,২০১৯ যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে বক্তা ছিলেন তিনি।)

শুভ সকাল। এই সেই সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটি। যেখানে এসে আমি অফুরন্ত জীবনীশক্তি পাই!

এ দেশে পা রেখে আমার প্রথম রাতটি কেটেছিল মিশিগানের মাউন্ট প্লেজেন্ট শহরে। আমার বিমান যাত্রা বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মিশিগানে ছিল না। কিছু খরচ বাঁচাতে আমি একটা ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছিলাম। প্রথমে গিয়েছিলাম থাইল্যান্ড। এরপর তাইওয়ান, সিয়াটেল, ডেট্রয়েট হয়ে সবশেষে নেমেছিলাম ল্যান্সিংয়ে। ওখানে নেমে একটা গাড়ি ভাড়া করে চলে এসেছিলাম মাউন্ট প্লেজেন্ট; আমার ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল মিশিগানে।

সেটি ১৯৯১ সালের আগস্ট মাস। আমার হাতে তেমন কোনো টাকাপয়সা ছিল না। এ দেশে এসেছি মাস্টার্স করতে। সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটির এক ডিপার্টমেন্টে আমার ডাক পড়েছে। স্কলারশিপসহ ফেলোশিপের অফার। আমাকে বলা হয়েছিল দুই সপ্তাহ আগেই আমেরিকা চলে আসতে। আমি দুই সপ্তাহের জায়গায় তিন সপ্তাহ আগে এসে উপস্থিত হলাম। আমার অধ্যাপককে খুশি করতে।

ঘরে কোনোরকমে ব্যাগ-ব্যাগেজ ফেলে ছুট লাগালাম অধ্যাপকের খোঁজে। তিনি আমাকে দেখে যেন চমকে গেলেন। বললেন, ‘তোমার না পরের সপ্তাহে আসার কথা?’ আমি বললাম, ‘জি স্যার, আমি এক সপ্তাহ আগেই চলে এসেছি; আপনি খুশি হবেন ভেবে!’ তিনি কিছুক্ষণ আমার মুখের দিকে চেয়ে রইলেন। বললেন, ‘দুঃখিত সুবীর, আমি ফেলোশিপের জন্য আরেকজনকে সিলেক্ট করে ফেলেছি!’

আমি হতভম্ব। কেঁদেই ফেললাম। প্রায় চিৎকার করে বললাম, ‘স্যার, আপনি এ কাজ করতে পারেন না!’ কোনো লাভ হলো না। আমি স্কলারশিপ পেলাম না।

পরদিন কিছু প্রবাসী শিক্ষার্থী আমার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল। তারা আমার অসহায়ত্ব অনুভব করল। পরামর্শ দিল, ক্যাম্পাসের বাইরে একটা চাকরি খুঁজে নেওয়ার। কিন্তু আমার ওয়ার্ক ভিসা নেই। ক্যাম্পাসের বাইরে চাকরি আমার জন্য বেআইনি। আমি এ দেশে এসেছি স্টুডেন্ট ভিসায়; কিন্তু কোর্স রেজিস্ট্রেশন করার মতো টাকা নেই!

এবার আমি ঘুরতে লাগলাম ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্টগুলোতে। খুঁজতে লাগলাম স্কলারশিপের সুযোগ। সমাজবিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, এমনকি ইংরেজি বিভাগেও ঢুঁ মেরে এলাম। তাদের বোঝাতে চেষ্টা করলাম, আমার ইংরেজিতে ভালো দখল আছে। এভাবে প্রায় সব ডিপার্টমেন্ট ঘুরলাম। শেষ মুহূর্তে কড়া নাড়লাম গণিত বিভাগের দরজায়! চেয়ারম্যান ড. রিচার্ড ফ্লেমিং আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। বললেন, ‘তুমি এরই মধ্যে ২০টি ডিপার্টমেন্ট ঘুরে ফেলেছ। ওরা সবাই তোমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। এবার যদি আমিও তোমাকে নিরাশ করি, তুমি কী করবে?’ আমি বললাম, ‘২২তম ডিপার্টমেন্টের দরজায় গিয়ে উপস্থিত হব।’ রিচার্ড সাহেব বললেন, ‘তুমি পলিমার বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে পারবে?’ আমি জানালাম, ‘খড়গপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে আমি পাস করে বেরিয়েছি। যেকোনো বিষয়েই আমি মাস্টার্স করতে পারব।’

তিনি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দিলেন। পেয়ে গেলাম ডোউ ফেলোশিপ। এর জন্য আমি সারা জীবন ড. লীলা রাকেশের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। তিনি আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন।

ডোউ ফেলোশিপ দিয়ে আমার সব পড়াশোনার খরচ জুটে গেল। ১৯৯৩ সালে আমি স্নাতক হলাম। পেলাম বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড। সব কটি গ্র্যাজুয়েট স্কুলের ভেতর আমার থিসিস হলো সবচেয়ে সেরা।

আমার অধ্যাপকেরা তখন চেয়েছিলেন আমি পিএইচডির জন্য লেগে পড়ি। কিন্তু আমার পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে পড়লাম। লক্ষ্য—নিজের ক্ষেত্রে সেরা হওয়া। একজন ব্যবস্থাপনা-বিশেষজ্ঞ হওয়া। বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোয়ালিটি বা গুণগত মানবিষয়ক পরামর্শ দেওয়াই যার কাজ।

আমার অধ্যাপকেরা আশাহত হলেন। আমি তাঁদের চিন্তা করতে মানা করলাম, বললাম, ‘একদিন দেখবেন সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটিই আমাকে ডেকে নিয়ে অনারারি ডক্টরেট দেবে।’

আজ সে কথা সত্য হলো।

Address

College Road, Chawk Bazar, Chattogram
Muradpur
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong Govt. High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share