Moulvibazar Polytechnic Chattra League-MPCL

Moulvibazar Polytechnic Chattra League-MPCL শিক্ষা, শান্তি ,প্রগতি ছাত্রলীগের মূল? Pakistan's history from 1947 to 1971 was marked by political instability and economic difficulties.

When British India was partitioned and the independent dominions of India and Pakistan were created in 1947, the region of Bengal was divided along religious lines. The predominantly Muslim eastern half was designated East Pakistan—and made part of the newly independent Pakistan—while the predominantly Hindu western part became the Indian state of West Bengal. Dominion status was rejected in 1956

in favor of an "Islamic republic within the Commonwealth." Attempts at civilian political rule failed, and the government imposed martial law between 1958 and 1962, and again between 1969 and 1971. Almost from the advent of independent Pakistan in 1947, frictions developed between East and West Pakistan, which were separated by more than 1,000 miles of Indian territory. East Pakistanis felt exploited by the West Pakistan-dominated central government. Linguistic, cultural, and ethnic differences also contributed to the estrangement of East from West Pakistan. Bengalis strongly resisted attempts to impose Urdu as the sole official language of Pakistan. Responding to these grievances, Sheikh Mujibur Rahman on January 4, 1948 formed a students' organization called the Chhatra League

03/01/2015
14/11/2014

সংগঠনের বদনাম হয় কোন সদস্য এমন কাজ করবেন না: সজীব ওয়াজেদ জয়

13, November 2014

ছাত্রলীগ এদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন তাই এই সংগঠনের বদনাম হয় এমন কোনো কাজ না করতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল স্তরের নেতা কর্মী ও সদস্যদের আহ্বান জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ বৃহস্পতিবার গণভবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা ও রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, 'ছাত্রলীগের বদনাম হয় এমন কোনো কাজ ছাত্রলীগের কোনো কর্মী করবেন না। ছাত্রলীগের নামে কেউ সন্ত্রাস করলে, বিশৃঙ্খলা করলে তাদের আপনারা পুলিশে ধরিয়ে দেবেন।'
তিনি বলেন, 'শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হচ্ছে ছাত্রলীগ সেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সুষ্পষ্টভাবে তুলে ধরবে এটাই আমি আশা করি। শেখ হাসিনার সরকার ছাড়া দেশের এসব উন্নয়ন সম্ভব হতো না এটা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে।'
ছাত্রলীগ একটি আদর্শের সংগঠন এ কথা উল্লেখ করে জয় বলেন, 'ছাত্রলীগের নেতৃত্বে দেশের প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিরাপদ ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে এটাই আমরা আশা করি।' এ সময় তিনি 'ক্নিন অ্যান্ড সেইফ ক্যাম্পাস' নামে একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর আইটি উপদেষ্টা বলেন, 'তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে তরুণ সমাজ এখন ঘরে বসেই ২০-৫০ হাজার টাকা আয় করতে পারবে। সরকার সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দিচ্ছে। সারাদেশে আরো ব্যাপকহারে ইন্টারনেট সুবিধা শিগগিরই দেওয়া হবে। আগামী বছরের মধ্যে দেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপক্ষে ১ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।'
ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ভালোভাবে পড়ালেখার করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, 'আমার মা আমাকে শিখিয়েছেন পড়ালেখা করলে কোনোদিন কোথাও ঠেকতে হবে না, কেউ ঠকাতে পারবে না। আমি বিদেশে পড়ালেখা করেছি, নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। আমি আশা করি, তোমরাও সঠিকভাবে পড়ালেখা করে নিজে সমৃদ্ধ হবে, দেশকে সমৃদ্ধ করবে। দেশের অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনবে।
অর্থনীতির গতিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে চতুর্থ এ কথা উল্লেখ করে তিনি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'তোমাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। তোমরা নিজের পায়ে দাঁড়াও। ঘরে বসে আয় করার যথেষ্ট সুযোগ আছে, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি করার প্রয়োজন নেই। তোমাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব তৈরি হবে। তোমরাই আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দেবে। সেভাবেই নিজেদেরকে প্রস্তুত করো।'
ছাত্রলীগের সভাপতি এ কে এম বদিউজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রাযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ অাহমেদ পলক এমপি।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, '২০০৫ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় যখন স্বস্ত্রীক বাংলাদেশে আসেন তখন ছাত্রলীগের স্লোগান ছিল তোমার জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হোক বাংলাদেশ। আজ তার সেই জ্ঞানের দ্যুতি দেশের প্রতিটি গ্রামে গঞ্জে ছড়িয়ে গেছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসেও মানুষ আজ প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করছে। বিশ্বকে নিজের দোরগোড়ায় খুঁজে পাচ্ছে।'
ছাত্র সমাজের হাত ধরেই দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক অর্জন এসেছে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'ছাত্রলীগের হাত ধরেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হবে। এখনও কিছু মানুষ ছাত্র রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণের চেষ্টায় আছে। তাদের মনে রাখা উচিত দেশের সব অর্জনেই ছাত্র সমাজের ভূমিকা রয়েছে। ছাত্র সমাজকে উপেক্ষা করে কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠতে পারে না।'
সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বলেন, 'ছাত্রলীগের কিছু ভুল-ত্রুটি রয়েছে। সে ভুল-ত্রুটিগুলো শুধরে নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনায় ছাত্রলীগ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গঠন করবে। বাংলার ছাত্র সমাজ সব সময়ই শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচারের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।'

14/11/2014

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিকথা
বিশ্বের বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কথা

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলা এবং বাঙ্গালীর ছয় দশকের সংগ্রাম সপ্ন এবং সাহসের সারথী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশের ইতিহাস আর ঐতিহ্যের গর্বিত অংশিদার এই ছাত্র সংগঠনটি। জাতির ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে ছাত্রলীগের প্রত্যক্ষ ভূমিকা। বাঙ্গালী জাতি হিসেবে জন্ম গ্রহনের আতুর ঘর থেকে শুরু করে আজ অবধি স্বাধীনতা, সংগ্রাম আর শিক্ষার নিশ্চয়তার ছাত্রসমাজের তথা দেশবাসীর জন্য অতন্প প্রহরী ছাত্রলীগ।



বৃটিশ উপনিবেশ থেকে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের সময় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কলকাতা ইসলামীয়া কলেজের ছাত্র। তিনি ছিলেন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক। বৃটিশ উপনিবেশ থেকে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ বিভাজনের পর বাঙ্গালীরা নতুন ভাবে শোষনের যাতাকলে পড়ে। যাকে শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন ''এক শকুনির হাত থেকে অন্য শকুনির হাত বদল মাত্র ''। তাই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্থানের সরকার প্রথমে আঘাত হানে আমাদের মায়ের ভাষা বাংলার উপর। শেখ মুজিব তখনই অনুভব করলেন শোষনের কালো দাঁত ভাঙ্গার একমাত্র হাতিয়ার ছাত্র সমাজ। তাই তৎকালিন পাকিস্থান সরকার কতৃক চাপিয়ে দেওয়া উর্দূ ভাষার বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন প্রতিরোধ তৈরির জন্য ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালিন প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতা সম্পম্ন ছাত্র নেতা বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন 'পাকিস্থান ছাত্রলীগ'।বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগের যাত্রা শুরু। প্রথমে এর নাম ছিলো 'পাকিস্থান ছাত্রলীগ'। সংগঠনটির প্রথম আহবায়ক ছিলেন নাঈমউদ্দিন আহমেদ। ছাত্রলীগ সাংগঠনিক ভাবে কার্যত্রক্রম শুরু করলে এর সভাপতি মনোনিত হন দবিরুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক মনোনিত হন খালেক নেওয়াজ খান। ৬৪ বছর পর আজ এই বৃহৎ,ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠনটির তিন তারকা খচিত শিৰা শানস্নি ও প্রগতির গৌরবের পতাকা সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের হাতে।

ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার এক বছর পর ১৯৪৯ সালে এই ছাত্র সংগঠনটির হাত ধরেই তৎকালীন পাকিস্থানের প্রথম বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে 'আওয়ামী মুসলিম লীগে'র। যা পরে আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে এ দেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। তৎকালিন পাকিস্থান সরকারের শাসন শোষন আর বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। জন্মের পর থেকে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন পর্যায়ে জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জাতীয় রাজনীতিতেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতা কর্মী যুদব্দের ময়দানে জীবন উৎসর্গ করেছেন। রনাঙ্গনে শহীদ হয়েছেন ছাত্রলীগের ১৭ হাজার সাহসী বীর সৈনিক। বর্তমান জাতীয় রাজনীতির অনেক শীর্ষ নেতার রাজনীতিতে হাতেখড়িও ছাত্রলীগ থেকেই। ১৯৪৮ সালেই মাতৃভাষার পক্ষে ছাত্রলীগ আপোষহীন অবস্থান তৈরি করে। ১১ মার্চ ছাত্রলীগ উদর্ুর বিপক্ষে অবস্ট্থান নিয়ে ধর্মঘট পালন করে।ওই ধর্মঘটের পিকেটিং থেকেই গ্রেফতার হন রাজনীতির মাঠের জ্জ্বলজ্জ্বল করে থাকা তারকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র, বাঙ্গালীর রাজনীতির রাখাল রাজা,ছাত্রনেতা শেখ মুজিব ও তার সহযোগীরা। ছাত্রলীগই প্রথম বাংলাভাষার জন্য ১০ দফা দাবিনামা পেশ করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ ও আন্দোলন জোরালো করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল অবিস্মরনীয়।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় নিশান উড়ানোর নেপথ্যের কারিগরও ছিলো ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ১৯৫৬ সালের বাংলা রাষদ্ব্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়,৫৭'র শিক্ষক ধর্মঘট এবং ৬২'র শিক্ষা আন্দোলনের পালে সমিরন প্রবাহ করে ছাত্রলীগ। ১৯৬৬ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারী থেকে ২০ ফেব্রুয়ারী ছাত্রলীগের নেতৃত্বে প্রচলন হয় বাংলা সপ্টস্নাহের। বাঙ্গালীর মুক্তির ছয় দফা হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক 'ছয় দফা' আন্দোলনে রাজপথের প্রথম সারিতে অবস্ট্থান ছিল ছাত্রলীগের। এসময় নিজেদের ১১ দফার মাধ্যমে ছাত্রসমাজের রক্তে প্রবাহ সঞ্চার করে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নেতৃত্বেই আগরতলা ষড়যন্প মামলা ছাত্র-গণ আন্দোলন থেকে গণঅভু্যত্থানে রূপ নেয়। গণজাগরনের ৭০'র নির্বাচনে মুক্তির সনদ ছয় দফাকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এক দফার গণভোটে রূপ দেয়। এরপর ৭১'র ত্রিশ লাখ মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগ আর দুই লাখ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলার আকাশে যে রক্ত স্নাত লাল সূর্যোদয় হয় তাতে পরিসংখ্যানের হিসেবে বিশ্বের বৃহৎ. ও সংগ্রামী সংগঠন ছাত্রলীগের আত্মত্যাগী নেতাকর্মীদের সংখ্যা ছিল ১৭০০০ (সতের হাজার)।

১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ কালপূর্বে যুদব্দবিধ্বস্ট্থ দেশ গঠনের সংগ্রাম ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিলো অগ্রগন্য। ১৯৭৫ সারে জাতির পিতা ও তার পরিবারে সদস্যদের নির্মম ভাবে হত্যার পর বাঙ্গালীর জাতির ভাগ্যকালে আবার কালো গ্রাস করে নেয়। স্টৈ্বরশাসক মেজর জিয়া ও তৎপরবর্তী রাজনীতির মাঠে সামরিক চাষবাসের তিক্ত ফসল বাঙ্গালীদের অতিষ্ঠ করে তোলে। যা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে রাজপথে রক্তা দিতে হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। সামরিক শাসনের মধ্যেও ১৯৮৩ সালে শিক্ষা আন্দোলন ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দশ দফা তৈরিতে নেতৃত্দ্ব দেয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। শিক্ষার অধিকার প্রসারে শামসুল হক ও অধ্যাপক কবীর চৌধুরির কমিশনে রিপোর্ট তৈরিতে ছাত্রসমাজের পক্ষে জোড়ালো অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ।

এরপর একটি সফল গণঅভূত্থান পরবর্তী নির্বাচনে দীর্ঘ একুশ বছর পর সরকার গঠন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ছাত্রলীগ মহিয়সী নেত্রী, দেশরত্দম্ন শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক নির্দেশ প্রতিপালন করেছে। ১৯৯৮ সালের বন্যা মোকাবেলায় কিছু অদহৃরদর্শী ব্যক্তির দুর্ভিক্ষের আশংকাকে ভুল প্রমান করেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিন শিফটে রুটি তৈরি করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। তৈরী করেছে দুর্যোগপুর্ন এলাকার মানুষের জন্য খাবার স্যালাইন। দুসময়ে দুর্গত এলাকায় রুটি ও স্যালাইন বিতরন করে মানুষের জীবন রক্ষা করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। যার মাধ্যমে হতাশা ও প্রজ্ঞাহীন ব্যক্তিদের আশংকার জবাব দিয়েছে ছাত্রলীগ। ১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র বেতন বৃদব্দির প্রতিবাদী আন্দোলনে ছাত্রলীগ ছিল আপোসহীন। নিরক্ষরতা মুক্ত,পোলিও মুক্ত বাংলাদেশ বির্নিমান ও বৃক্ষরোপনের মধ্যেমে বিশ্বের উষষ্ণায়ন কমাতে প্রতিটি জেলায় জেলায় কাজ করেছে ছাত্রলীগ। ২০০১ লর নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি জামায়ত জোটের সহিংসতা এবং দেশব্যাপী সাংগঠনিক নির্যাতনের বিরুদব্দে ছাত্রলীগ প্রতিরোধ রচনা করেছে। পাক আত্দ্মানির্ভর বিএনপি জামায় জোটের হাতে এদেশের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃতির বিরুদব্দেও জোড়ালো প্রতিবাদ করেছে ছাত্রলীগ। ২০০১ সালের পর বিএনপি জামায়াত জোটের প্রত্যক্ষ মদদে শনস্নির এই ভূখন্ডে জঙ্গীবাদরে উত্থান হলে ছাত্রলীগ তার বিরুদব্দে রাজপথে কঠোর প্রতিবাদ রচনা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় অধ্যাপক ড.হুমায়ুন আজাদের উপর মৌলবাদি হামলার প্রতিবাদেও রাজপথে ছিলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরপর ২০০৪ সালের ২১ আগষদ্ব রাষদ্ব্রিয় মদদে স্ট্বরন কালের সবচেয়ে পৈচাশিক গ্রেনেট হামলার মাধ্যমে বাংলার মানুষের চির আস্ট্থার ঠিকানা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জীবন নাশের হামালা জোড়ালো প্রতিবাদ জানায় ছাত্রলীগ। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আমাদের প্রিয় নেত্রী বাংলার দু:খি মানুষের একমাত্র আস্ট্থার ঠিকানা দেশরত্দম্ন শেখ হাসিনাকে তথাকথিত তত্ত্বাবোধায়ক সরকারের নামে সামরিক কায়দায় আটকের পর সামরিক বাহিনীর রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রাজপথে প্রথম প্রতিবাদ রচনা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বিতর্কীত সেই তত্ত্বাবোধায়ক সরকারের হাতে গ্রেফতার হয়ে উনিশ মাস কারাবরন করেন ছাত্রলীগের তৎকালিন সাধারন সম্পাদক সহ অনেক জেষ্ঠ্য নেতা । তবুও প্রাণাধিক প্রিয় নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন থেকে ছাত্রলীগকে পশ্চাতে হঠাতে পারেনি শাসক শ্রেনী। সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রধর্মঘট পালন করে ছাত্রলীগ প্রিয় নেত্রীর মুক্তির অদম্য আন্দোলন রচনা করে। এরপর ২০০৮ সালের ২৮ ডিসেল্ফ্বরের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্দ্বাধীন মহাজোটের বিজয় নিশ্চত করতে নিরলস ভাবে কাজ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি মুজিব সৈনিক। এরপর পর বাংলাদেশের সরকার গঠন করে আওয়ামীলীগের নেতৃত্দ্বাধীন মহাযোজ। দেশে জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্দ্বে শুরু হয় দিন বদলের সরকারের পথ চলা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন কমিশনের নিবল্পব্দনের শর্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক সভানেত্রীর পদ থেকে হারাতে হয় আমাদের প্রিয় নেত্রীকে। এরপর ২০১১ সারের ১১ জুলাই গণতন্পের মানসকন্যা গনতন্পপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানের জন্য মেধাবী ও প্রজ্ঞাও দহৃরদর্শীতা সমঙ্ল্পম্ন ছাত্রনেতাদের হাতে ছাত্ররাজনীতি তুলে দিতে ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচন করা হয় প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে। সাবার দেশের ৮৭টি সাংগঠনিক জেলার কাউন্সিলররা তাদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলমকে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করেন।

২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তি, সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদী-জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর হাতে দেশ জিম্মি থাকার প্রেক্ষাপটে ২০০৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করেছিল সাতটি ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ),বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় ছাত্র ঐক্য, বাংলাদেশ ছাত্র সমিতি ও জাতীয় ছাত্র ফোরাম সমন্বয়ে গঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। বর্তমানে এই যুদব্দাপরাধীদের বিচারের দাবিতে এই ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রাজপথে আন্দোলনে করে যাচ্ছে সল্ফ্মিলিত ভাবে যার নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

Address

Moulvi Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moulvibazar Polytechnic Chattra League-MPCL posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Moulvibazar Polytechnic Chattra League-MPCL:

Share