পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু পদ্মার বুকে এ দেশের কোটি কোটি মানুষের আশার সেতু গড়ে উঠছে, যার নাম পদ্মা সেতু।

শত বাধার পরেও বাংলাদেশ থেমে থাকেনি, দূরদান্ত গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ, খুব শীঘ্রয়ী পুরুন হবে দক্ষিণ অঞ্চলের মানু...
26/02/2018

শত বাধার পরেও বাংলাদেশ থেমে থাকেনি, দূরদান্ত গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ,
খুব শীঘ্রয়ী পুরুন হবে দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের সপ্ন,

28/01/2018

দুই দফা পেছানোর পর বসানো হয়েছে পদ্মা সেতুর দ্বিতীয় স্প্যান।
সেতু প্রকল্পের দায়িত্বশীল এক প্রকৌশলী জানান, রোববার সকাল সাড়ে ৮টার পর দ্বিতীয় স্প্যানটি ৭বি সুপার স্ট্রাকচার ৩৮ ও ৩৯ নং পিলারের ওপর বসানো হয়।

জাজিরা প্রান্তের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যানটি বসানো হয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর। নাব্য সংকটের কারণে গত ২০ জানুয়ারি ও সবশেষ শনিবার আলো স্বল্পতায় দ্বিতীয় স্প্যানটি বসানোর কাজ পিছিয়ে যায়।

প্রকৌশলীরা জানান, শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয় স্প্যান বসানোর তোড়জোর। এর আগে স্প্যানটি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিয়ারের মাঝামাঝি নিয়ে আসা হয়।

৩৫ নম্বর পিয়ার এলাকা থেকে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান ই জাহাজের ক্রেনে করে নিয়ে যাওয়া স্প্যান ৭বি সুপার স্ট্রাকচার হয় ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিয়ার এলাকায়। পরে তা ৩৮ ও ৩৯ নং পিলারের ওপর বসানো হয়।

ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের দ্বিতীয় স্প্যানটির সঙ্গে এখন প্রথম স্প্যানটি জোড়া দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলীরা।

প্রথম স্প্যান বসানোর মতো এবার কোনো আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়নি বলে জানান তারা।

আজ দৃশ্যমান হলো স্বপ্রের পদ্মাসেতুর ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্য। সেতুর ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারের ওপর বসেছে দ্বিতীয় স্প্যানটি। আজ সকাল ...
28/01/2018

আজ দৃশ্যমান হলো স্বপ্রের পদ্মাসেতুর ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্য। সেতুর ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারের ওপর বসেছে দ্বিতীয় স্প্যানটি। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাজিরা পয়েন্টে ওই দুটি পিলালের ওপর স্প্যানটি বসানো হয়। স্প্যানটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। এর আগে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর বসেছিলো প্রথম স্প্যান। সেটিও ছিলো ১৫০ মিটার দীর্ঘ। ফলে সেতুর এ পর্যন্ত ৩০০ মিটার দৃশ্যমান হলো। সেতুতে এরকম ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। যার মধ্য দিয়ে রচিত হবে সোয়া ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মাসেতু।

গতকাল শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দ্বিতীয় স্প্যান বসানোর কথা ছিল। কিন্তু নদীতে নাব্যতা কম থাকায় বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চেষ্টা করেও স্প্যান বহনকারী ক্রেনটি পিলারে কাছে পৌঁছাতে পারেনি। অবশেষে দীর্ঘ সময়ের নানা প্রচেষ্টার পর রোববার সকালে স্প্যানটি বসানো সম্ভব হলো।

এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর সেতুর জাজিরা প্রান্তে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটির ওপর প্রথম স্প্যানটি বসানো হয়।

সেতু সংশ্লিষ্টরা জানান, স্প্যানগুলো প্রাথমিকভাবে অংশ অংশ করে তৈরি করা হয় চীনে। সেখান থেকে সমুদ্রপথে জাহাজে করে দেশে এনে পদ্মার পাড়ে বিশালকায় ওয়ার্কশপে জোড়া দেওয়া হয়।মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে জোড়া লাগানোর পর এর একেকটির ওজন ৩ হাজার ২০০ টন দাঁড়ায়। যা একটি ৩ হাজার ৭০০ টন ওজন ক্ষমতাসম্পন্ন ভাসমান ক্রেনে টেনে নেওয়া হয় নদীর মাঝে নির্মিত পিলারগুলোর কাছে।

দ্বিতীয় স্প্যানটি বসাতে গিয়ে বলাচলে সেতু কর্মী ও প্রকৌশলীদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে। মাওয়ার ডকইয়ার্ড থেকে স্প্যানটি তুলে নেওয়ার পর প্রায় পাঁচ দিন লেগেছে সেটি জাজিরা পয়েন্টের দিকে নিয়ে যেতে। এরপর ঘন কুয়াশা, শীতে পানির স্তর নেমে যাওয়াসহ নানা জটিলতায় তা পিলারে বসাতে লেগে গেলো আরও তিন দিন।

এটি এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। তবে তাতেও প্রকৌশলীরা খুশি। তারা জানান, এমন কঠিন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলেছে দেশের স্বপ্নের সেতু নির্মাণ।

মাওয়া ডকইয়ার্ডে আরও প্রায় ডজনখানেক স্প্যানের খণ্ডাংশ এসে পৌঁছেছে। সেখানে চলছে সেগুলো জোড়া লাগানোর কাজ। ওদিকে চলছে পিলারগুলো প্রস্তুত করার কাজও। মোট ৪২টি পিলারে বসানো হবে এই ৪১টি স্প্যান।

পদ্মা সেতুর প্রতিটি পিলারের নিচে ছয়টি করে পাইল বসানো হচ্ছে। সে হিসাবে সব মিলিয়ে পাইলের সংখ্যা ২৪০টি। ইস্পাতে তৈরি এসব পাইল মাটির নিচে ৯৬ থেকে ১২৮ মিটার পর্যন্ত গভীরে বসানো হচ্ছে।

চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এই পদ্মাসেতুর কাজ বাস্তবায়ন করছে।

২০১৪ সালের ১৮ জুন মূল সেতু নির্মাণের চুক্তি হয়। সেতু প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা।

দুই তলার এই পদ্মাসেতু যুক্ত করছে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টকে। সেতু হবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। ইস্পাতের স্প্যানগুলোর ভেতর দিয়ে চলবে ট্রেন। আর ওপর দিয়ে চলবে সড়ক পথের যানবাহন।

তথ্যঃ সংগৃহীত ও সংযোজন

সপ্ন এখন বাস্তবে রুপ নিয়েছে.........!!
21/01/2018

সপ্ন এখন বাস্তবে রুপ নিয়েছে.........!!

12/01/2018

একেবারে কাছ থেকে দেখুন পদ্মা সেতু........!!

পদ্মা সেতু দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ২১ জেলায় 'শিল্প বিপ্লব' ঘটাবে।দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য বদলে ন...
30/11/2017

পদ্মা সেতু দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ২১ জেলায় 'শিল্প বিপ্লব' ঘটাবে।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য বদলে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে পদ্মা সেতু। এই সেতু ঘিরেই সোনালী ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছেন এই অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। পদ্মা সেতু চালু হলে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। পিছিয়ে পড়া এই অঞ্চল ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আরও মনোযোগ কাড়বে, গড়ে উঠবে এসব জেলায় নতুন নতুন শিল্প কারখানা। এ সেতু দিয়ে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারবে এশিয়ান হাইওয়েতে। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির চাকা ঘোরার পাশাপাশি বাড়বে কর্মসংস্থান। পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানোর পর বাংলা ট্রিবিউনকে এসব প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদরা।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ২১টি জেলা হচ্ছে- খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা। বরিশাল বিভাগের বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ঝালকাঠি এবং ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী।

প্রসঙ্গত যে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানো হয়। এ সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এ সেতুর কাজ শেষ হবে বলে আশা করছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলায় ইতোমধ্যে শিল্পায়নের কাজ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মংলা বন্দরে পদ্মা সেতুর সুফল এখনই পাওয়া যাচ্ছে। বেশ কয়েকটি সিমেন্ট ফ্যাক্টরি ইতোমধ্যে চালু হয়ে গেছে। গার্মেন্টসসহ রফতানিমুখী নানা ধরনের শিল্প-কারখানা গড়ে উঠছে।’

সাবেক এই মন্ত্রীর মতে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হওয়ার আগেই দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলায় ‘শিল্প বিপ্লব’ ঘটবে। ২০১৮ সালের পর অর্থনীতিতে এর সুফল পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ‘২০৫ একর জমি নিয়ে এই অঞ্চলে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন হচ্ছে। এই অঞ্চলে ইপিজেড আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। সবই হচ্ছে পদ্মা সেতুকে সামনে রেখে। খান জাহান আলী বিমানবন্দর এখন পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর হতে যাচ্ছে। রেলের কাজও চলছে পুরোদমে। এর সঙ্গে চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ এবং পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরু হলে দক্ষিণাঞ্চল হবে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক অঞ্চল।’

এদিকে পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। খুলনা চেম্বারের ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুততম হবে। এতে সময় ও যাতায়াত খরচ কমবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ অঞ্চল থেকে দেশের দূর-দূরান্তে পণ্য পরিবহনে ব্যবসায়ীরাও দারুণভাবে উপকৃত হবেন।

খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজী আমিনুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণের সঙ্গে জ্বালানির চাহিদা নিশ্চিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যুগান্তকারী উন্নয়ন হবে। এ অঞ্চলের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের গতি আসবে, আয় বৈষম্যও কমে যাবে।’

খুলনা চেম্বারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মংলার গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা অল্প সময়ের মধ্যে পণ্য পরিবহন করে মংলা বন্দরের মাধ্যমে রফতানি ও আমদানি করতে উৎসাহিত হবেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পদ্মা সেতু নির্মাণের পর পায়রা বন্দরের গুরুত্বও বাড়বে। প্রয়োজনীয় আধুনিকায়ন করা হলে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে এই বন্দরও এক বৃহত্তম বন্দরে রূপান্তরিত হবে। এমনকি ভূটান, পূর্ব নেপাল ও ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব প্রদেশের জন্য পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর হিসাবে ভূমিকা রাখতে পারবে।

খুলনা চেম্বারের তথ্য অনুযায়ী, দেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হিমায়িত মৎস্য ও পাট শিল্প যার অধিকাংশ খুলনা থেকে রফতানির মাধ্যমে আয় হয়ে থাকে। পদ্মা সেতু হলে এই আয় আরও বাড়বে। পাশাপাশি কমে যাবে পণ্য পরিবহণেরও খরচ। একইভাবে পদ্মা সেতুতে রেল যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকায় দেশের অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহন, সাধারণ মানুষের যাতায়াতসহ পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গেও রেল যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের এক নতুন সম্ভাবনার দিক উন্মোচিত হবে।

অবশ্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়নের সুফল পেতে এখনই গ্যাস-বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোর ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা মনে করেন, পদ্মা সেতু কেবল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নয়, পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতির চেহারা বদলে দেবে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হলে দেশে পদ্মা সেতুকেন্দ্রীক সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। ভবিষ্যতে এই সেতু দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যোগাযোগ, বাণিজ্য, পর্যটনসহ অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে পারবে।’

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর সড়ক ও রেলপথ এই দু’য়ের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলকে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, রফতানি বাড়াতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি দেশের ভেতরে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্বপ্নের এই সেতুকে মাথায় রেখে মানুষ নানা ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে দিয়েছে। সামনে আরও নদী বন্দর, সমুদ্র বন্দর চালু হতে যাচ্ছে। মংলা বন্দরেরও প্রসার ঘটছে, ইকোনমিক জোন হচ্ছে। এ কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়নের সুফল পেতে এখনই গ্যাস-বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোর ওপর জোর দিতে হবে।’

বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি লিয়াকত হোসেন লিটন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে আমার একটি কারখানা ছিলো। পদ্মা সেতু হচ্ছে দেখে চট্টগ্রামের ওই সম্পত্তি বিক্রি করে বাগেরহাটে শিল্প গড়েছি। আমার মতো অনেকেই পদ্মা সেতুর সম্ভাবনা দেখে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলাতেই নতুন নতুন শিল্প গড়ে তুলছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতুর সুফল পেতে এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। এই সময়ে ভ্যাট, ট্যাক্স আরোপের নামে অহেতুক হয়রানি করা না হলে ব্যবসায়ীরা এই অঞ্চলকে বেছে নেবে। ইতোমধ্যে ফরিদপুর, মাদারীপুর এবং খুলনার খালিশপুরের অর্থনৈতিক জোনের সীমানা নির্ধারণ হয়ে গেছে। হয়ত আগামী দশ বছরের মধ্যে এই অঞ্চল হবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাজধানী।’

খুলনা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিজান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মংলা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি যোগযোগ বাড়বে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন হবে। বেনাপোল, এমনকি পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য বাড়বে।’

পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ২১ জেলায় নানারকম শিল্প কারখানা গড়ে উঠতে শুরু করেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু হচ্ছে, এর সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস আর বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো গেলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হবে শিল্পের নগরী। কয়েকটি সিমেন্ট ফ্যাক্টরি এই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই গড়ে উঠেছে। নতুন করে জুট মিল গড়ে উঠছে। ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা হয়েছে, ইপিজেড করা হয়েছে। পায়রা বন্দরে গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলা হচ্ছে।’ এসময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও ফোর লেনের রাস্তার দাবিও জানান।

19/11/2017

যেভাবে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ......!!!

সপ্ন নয় পদ্মা এখন রুপ নিয়েছে বাস্তবে........!
30/09/2017

সপ্ন নয় পদ্মা এখন রুপ নিয়েছে বাস্তবে........!

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) বসতে যাচ্ছে আজ। সকাল ৯টার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কা...
30/09/2017

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) বসতে যাচ্ছে আজ। সকাল ৯টার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে স্প্যানটি ৩৭ ও ৩৮নং খুঁটির (পিলার) ওপর ওঠানো হবে।

বাংলাদেশপদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসছে আজ By রেডিও প্রবাসী - September 30, 2017 0 2 স্বপ্নের পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) বসতে যাচ্ছে আজ। সকাল ৯টার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে স্প্যানটি ৩৭ ও ৩৮নং খুঁটির (পিলার) ওপর ওঠানো হবে। তিন হাজার দুশ’ টন ওজনের স্প্য...

পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়ার সাথে সাথে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে যাত্রাবাড়ী থেকে ফরিদপুরের ভাংগা পর্যন্ত ফোরলেন এলিভেটেট ওয়ে। এ...
25/09/2017

পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়ার সাথে সাথে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে যাত্রাবাড়ী থেকে ফরিদপুরের ভাংগা পর্যন্ত ফোরলেন এলিভেটেট ওয়ে। এটিই বাংলাদেশে প্রথম রাস্তা যেখানে থাকছেনা কোনো ক্রোসিং। সবগুলো ক্রসিং এ থাকছে আন্ডারপাস ও ওভারপাস।

02/09/2017

শুভ যাত্রায় ১৬ কোটি মানুষের পদ্মা সেতু, গতকাল শেষ হয়েছে ৩৭ পিলারের বেজের কাজ
--------
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতু এখন স্বপ্নের খোলস থেকে বেরিয়ে ও তথাকথিত কাগজ-কলমের বন্দিদশা কাটিয়ে রূপ নিয়েছে দৃশ্যমান বাস্তবতায়। এই সেতুটি পৃথিবীর অন্যতম একটি সেতু হিসেবেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে স্থাপন করতে যাচ্ছে -

19/08/2017

সাধারণ জ্ঞান : পদ্মা বহুমুখী সেতু
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়েছে। ২০১৮ সালে শেষ হওয়ার কথা। কাজ শেষ হলে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। স্বপ্নের এই সেতু নিয়ে আজকের আয়োজন।

১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রকল্পের নাম কী?
উত্তর : পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প।

২. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ৬.১৫ কিলোমিটার।

৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর প্রস্থ কত?
উত্তর : ৭২ ফুটের চার লেনের সড়ক।

৪. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে রেললাইন স্থাপন হবে কোথায়?
উত্তর : নিচ তলায়।

৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট কত কিলোমিটার?
উত্তর : ৩.১৮ কিলোমিটর।

৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই প্রান্তে ১৪ কিলোমিটার।

৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন হয়েছে কত কিলোমিটার?
উত্তর : দুই পাড়ে ১২ কিলোমিটর।

৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় কত?
উত্তর : মূল সেতুতে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীশাসন ব্যয় কত?
উত্তর : ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

১০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে জনবল কতজন?
উত্তর : প্রায় ৪ হাজার।

১১. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পিলার কয়টি?
উত্তর : ৮১টি।

১২. প্রশ্ন : পানির স্তর থেকে পদ্মা সেতুর উচ্চতা কত?
উত্তর : ৬০ ফুট।

১৩. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পাইলিং গভীরতা কত?
উত্তর : ৩৮৩ ফুট।

১৪. প্রশ্ন : প্রতি পিলারের জন্য পাইলিং কয়টি?
উত্তর : ৬টি।

১৫. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর মোট পাইলিং সংখ্যা কত?
উত্তর : ২৬৪টি।

১৬. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে কবে?
উত্তর : ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে।

১৭. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুতে কী কী থাকবে?
উত্তর : গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পরিবহন সুবিধা।

১৮. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর ধরন কেমন?
উত্তর : দ্বিতলবিশিষ্ট এই সেতু কংক্রিট আর স্টিল দিয়ে নির্মিত হবে।

১৯. প্রশ্ন : পদ্মা সেতুর পিলার সংখ্যা কত?
উত্তর : ৪২টি।

২০. প্রশ্ন : পদ্মা সেতু প্রকল্পে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানির নাম কী?
উত্তর : চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড।

Address

Madaripur, Shoriatpur, Dhaka
Mawa
1530

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পদ্মা সেতু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share