Maheshpur High School

Maheshpur High School Maheshpur High School, Maheshpur, Jhenaidah, Bangladesh Maheshpur Upazila (Bengali: মহেশপুর) is a part of the Khulna Division.

It is one of the Upazila in Jhenaidah District of Khulna divisions. Maheshpur Upazila with an area of 419.53 sq km, is bounded by jibannagar and kotchandpur upazilas on the north, chaugachha upazila and West Bengal (India) on the south, Chaugachha upazila on the east, West Bengal of India on the west. Maheshpur Upazila has 12 unions, Namely- SBK, Fotepur, Pantapara, Shoruppur, Shamkur, Nepa, Kajir

ber, Bashbaria, Jadoppur, Natima, Mandarbaria and Ajompur. Maheshpur (Town) consists of 9 wards and 14 mahallas. Maheshpur thana was turned into an upazila in 1983

https://www.youtube.com/watch?v=yrRAGbN46rs
20/09/2016

https://www.youtube.com/watch?v=yrRAGbN46rs

This is the first Re-union in the 150 years History of Moheshpur High school.this created goes to all the ex-student's of Moheshpur high school. Specially th...

07/01/2016

Live as if you were to die tomorrow. Learn as if you were to live forever.
Mahatma Gandhi

03/01/2016

বিদ্যা শিক্ষা অর্জন করে ঐশ্বর্য্যের দাস হলে চলবে না, বরং ঐশ্বর্য্যের প্রভু হতে হবে।
-- এরিস্টিপাস

31/08/2015

রাধাগোবিন্দ চন্দ্র
পর্ব ২
জন্ম, কর্ম ও শিক্ষা:
যশোহর জেলার বকচর গ্রামে ১৬ই জুলাই ১৮৭৮ সালে রাধাগোবিন্দের জন্ম। তিনি যশোর জিলা স্কুলের ছাত্র ছিলেন। স্কুলের গতানুগতিক পড়ালেখার চাইতে রাতের আকাশের প্রতি তাঁর আকর্ষণ ছিল বেশী। স্কুল তাই শিকেয় উঠে। তৎকালীন সময়ে তিনি জিলা স্কুল হইতে এন্ট্রাস পরীক্ষায়ও অংশগ্রহণ করেন, কিন্তু পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। ১৯০০ সালের দিকে ২২ বৎসর বয়সে যশোহর কালেক্টরেট অফিসের ১৫ টাকা বেতনের সামান্য কেরানির চাকরি গ্রহণ করেন।

রাধাগোবিন্দের জ্যেতির্বিজ্ঞান চর্চা যেভাবে শুরু:
শিশু বয়স থেকেই রাধা রাতের আকাশের সঙ্গী ছিলেন। তারারা তাঁকে ঘুম পাড়িয়েছে। তারারা তাঁর ঘুম ভাঙ্গিয়েছে। রাধা যখন ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন তখন তাঁর পাঠ্যপুস্তক ছিল ‘চারুপাঠ তৃতীয় ভাগ’। এই বইয়ে অক্ষয়কুমার দত্তের প্রবন্ধ ‘ব্রহ্মান্ড কি প্রকান্ড’ পাঠ করেই রাধাগোবিন্দ জ্যেতির্বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তারা কি, গ্রহ কি, বিশ্বের সীমানা কি, এসব নানাবিধ প্রশ্ন তখন তাঁর মনে। তিনি তাঁর আত্নজীবনীমূলক পান্ডুলিপিতে এ সম্পর্কে লিখেছেন, ‘অক্ষয় কুমার দত্তের চারুপাঠ তৃতীয় ভাগ পড়িয়া, নক্ষত্রবিদ হইবার জন্যে আর কাহারো বাসনা ফলবর্তী হইয়াছিল কিনা জানি না, আমার হইয়াছিল। সেই উদ্দাম ও উশৃঙ্খল বাসনার গতিরোধ করিতে আমি চেষ্টা করি নাই।”

১০ বছর বয়সে রাধাগোবিন্দ চন্দ্র যশোর জিলা স্কুলে ভর্তি হন। এ সময় থেকেই বকচরের একতলা বাড়ির ছাদে সন্ধ্যার পর পরই রাধা আকাশ দেখা শুরু করেন। কিন্তু প্রাথমিকভাবে এ কাজে তাঁকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। কেননা নক্ষত্র গ্রহ সম্পর্কে তাঁর খুব বেশী ধারণা ছিল না। এই সময় রাধার এক আত্নীয়’র বন্ধু এ্যাডভোকেট কালীনাথ এগিয়ে আসেন। কালীনাথের নেশা ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চা। তিনি এ সম্পর্কে ‘তারা’, ‘ভূগোলচিত্রম’ ও ‘পপুলার হিন্দু’ অ্যাস্টনমি’ নামে কয়েকটি গ্রন্থ লিখেছিলেন। রাধা গ্রন্থগুলো পাঠ করে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কে একটি ধারণা লাভ করেন। এক পর্যায়ে কালীনাথ বাবুর কাছ থেকে একটি স্টার ম্যাপ ধার করে নিয়ে রাধা নক্ষত্রবিদ্যার অনুসন্ধান শুরু করেন। এরপর চিঠির মাধ্যমে রাধার সঙ্গে পরিচয় হয় শান্তিনিকেতনের ব্রাহ্মচর্যাশ্রমের বিজ্ঞান ও গণিতের শিক্ষক জগদানন্দ রায়ের সঙ্গে। এ দু’ জনের মধ্যে আকাশ চর্চার যাবতীয় বিষয় চিঠিতে আলাপ আলোচনা হতো। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় জগদানন্দ রায় রাধার চিঠি মুদ্রণের ব্যবস্থা করতেন।

একান্তভাবে, নিজের চেষ্টায় বকচর গ্রামের ১৪ বছরের কিশোর রাতের আকাশের তারামন্ডলীকে চিনে ফেললো। কিন্তু নক্ষত্র চেনার কাজে দরকার প্রতি মাসের তারকা-ম্যাপ। দিনভর চাকরি আর রাত হলেই ধৈর্য্য ধরে আকাশ পর্যবেক্ষণ। এমনও রাত গেছে তিনি ঘুমাননি একটুও।

১৯১০ সালে রাধাগোবিন্দ চন্দ্র খালি চোখে হ্যালির ধুমকেতু পর্যবেক্ষণ করলেন অনেকদিন ধরে। অভ্যাসমত একটি খাতায় তিনি তার পর্যবেক্ষণ লিখে রাখতেন। খালি চোখে ধূমকেতু দেখেও রাধা তার যে রহস্য উন্মোচন করেছিলেন তা প্রবাসী পত্রিকায় ছাপা হতো। হ্যালির ধূমকেতু দেখার পরই রাধা ‘ধুমকেতু’ নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এই গ্রন্থে তিনি ধুমকেতু সম্পর্কে নানা পৌরাণিক আধুনিক ব্যাখ্যা ছাড়াও নিজের চোখে দেখা হ্যালির ধুমকেতু বিস্তারিত বর্ণনা করেন।

এ সব প্রবন্ধ পড়ে শান্ডি নিকেতনের বিজ্ঞান শিক্ষক জগদানন্দ রায় মুগ্ধ হয়ে চিঠি দিলেন রাধাগোবিন্দকে, পরামর্শ দিলেন একটি দূরবীণ সংগ্রহের। উৎসাহ ও বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়ে ১৯১২ সালে জমি বিক্রি করে আর বেতনের টাকা জমিয়ে ২৭৫ টাকায় তিন ইঞ্চি ব্যাসের একটি ছোট্ট দূরবীণ কিনলেন।

এই দূরবীন হাতে পাওয়ার পর রাধার ঘুম হারাম হয়ে যায়। এভাবেই শুরু হল তার নতুন সাধনা। এবারের আগ্রহ-পরিবর্তনশীল তারা। রাতের আকাশে অনেক তারাই দেখা যায় যেগুলোর ঔজ্জ্বলা স্থির নয়। সময়ের সঙ্গে বাড়ে কমে। রাতের পর রাত অসীম ধৈর্যের সঙ্গে রাধাগোবিন্দ এই সব পরিবর্তনশীল তারা পর্যবেক্ষণ করতেন। সামান্য তিন ইঞ্চি দুরবীণ দিয়ে তিনি গড়ে তুললেন এক অমূল্য তথ্য ভান্ডার।

১৯১৮ সালের ৭ই জুন রাধাগোবিন্দ তিন ইঞ্চি ব্যাসের দূরবীণ দিয়ে আকাশের নতুন নক্ষত্র ‘নোভা’ আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেখান। এটি রাধার একটি উল্লেখযোগ্য অবদান। তার এই আবিষ্কারের পরই নক্ষত্রের নামকরণ করা হয় ‘নোভা অ্যাকুইলা ত্রি ১৯১৮’। নোভা হচ্ছে কোন তারকার মৃত্যুকালীন অবস্থার বিষ্ফোরণ। সমগ্র এশিয়া মহাদেশে এই নোভা সর্বপ্রথম পর্যবেক্ষণ করার কৃতিত্ব একজন বাঙালির, তিনি হচ্ছেন আমাদের যশোরের কৃতি সন্তান রাধাগোবিন্দ চন্দ্র।

রাধার এই নোভা দর্শন সম্পর্কিত একটি প্রবন্ধ প্রবাসী পত্রিকাগুলোতে গুরুত্ব সহকারে ছাপে। নোভা সম্পর্কে রাধা তাঁর অভিজ্ঞতার কথাও লিখিতভাবে ‘হারভারর্ড অবজারভেটরির’ পরিচালককেও অবহিত করেন। পরিচালক এডওয়ার্ড চার্লস পিকারিং রাধার চিঠি প্রাপ্তির পর তাঁকে নবগঠিত আমেরিকান এসোসিয়েশন অফ ভ্যারিয়েবল স্টারস অবজারভাস (অ্যাভসো) সদস্য মনোনীত করেন। অ্যাভসোর সদস্য হওয়ার পর রাধা ভ্যারিয়েবল স্টার সম্পর্কে নতুন উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে আকাশচর্চা শুরু করেন। রাধা বহুরূপী তারার রহস্য উন্মোচন করে ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত ৩৭ হাজার ২১৫টি ভ্যারিয়েবল স্টার সম্পর্কে তিনি অ্যাভসোকে তথ্য সরবরাহ করেছেন। এ কারণেই অ্যাভসোর ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত অনার রোলে ১০ হাজার ভ্যারিয়েবল স্টার সম্পর্কে পৃথিবীর যে ২৫ জন প্রখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী তথ্য দিয়েছেন তাদের মধ্যে রাধার নামও লিপিবদ্ধ আছে। এছাড়া রাধার এই কাজের জন্য হারবারড অবজারভেটরির পরিচালক বিখ্যাত জ্যেতির্বিজ্ঞানী হারলো শ্যাপলির তাঁকে একটি প্রশংসাপত্র দিয়ে সাধুবাদ জানান। আমেরিকার অ্যাভসো ছাড়াও ব্রিটিশ অ্যাস্ট্রনমিক্যাল এসোসিয়েশন, ফ্রান্সের লিয় অবজারভেটরির বিজ্ঞানীরা রাধার ভ্যারিয়েবল স্টার সম্পর্কে তথ্য জানার জন্য সবসময় অপেক্ষা করে থাকতো। রাধাগোবিন্দের পর্যবেক্ষণ লব্ধ তথ্য প্রকাশ পেতো এসব মানমন্দির প্রকাশিত পত্র-পত্রিকায় এবং তারই সূত্র ধরে তারা নতুন নতুন ভ্যারিয়েবল স্টার সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করতো।

রাধাগোবিন্দের সংগৃহীতের তথ্য সেই কালের ইউরোপ-আমেরিকার যে সব বড় বড় জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থাগুলো ব্যাবহার করতো তাদের মধ্যে রয়েছে-আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মানমন্দির, আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব ভ্যারিয়েবল স্টার অবজার্ভার, লন্ডনের ব্রিটিশ অ্যাস্টোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রান্সের লিয় মানমন্দির প্রভৃতি। হার্ভার্ডে এখনও তাঁর পর্যবেক্ষণ লব্ধ তথ্য সযত্নে রক্ষিত আছে।

তথ্যসুত্র : কমেন্টে

মাহেশপুর হাই স্কুল এর নতুন ভবন ।
12/07/2015

মাহেশপুর হাই স্কুল এর নতুন ভবন ।

21/06/2015

রাধাগোবিন্দ চন্দ্র

একটি মূল্যমান চিঠি :
আজ থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে বিশ্ববিখ্যাত হার্ভার্ড মানমন্দিরের ডিরেক্টর বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী হ্যারলো শ্যাপলি যশোহর জেলায় একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিতে লেখা ছিল “বিদেশ থেকে পরিবর্তনশীল নক্ষত্র সম্পর্কে আমরা যেসব পর্যবেক্ষণমূলক তথ্য পেয়ে থাকি তার মধ্যে আপনার দান অন্যতম। আপনাকে আমরা আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।” চিঠিটির প্রাপক যশোহর জেলার কালেক্টরেট অফিসের একজন সামান্য কেরানী। যিনি, এমন কি তৎকালীন এন্ট্রাস পরীক্ষায়ও পাশ করতে পারেননি। কেরানীর নাম রাধাগোবিন্দ চন্দ্র।

প্রথাগত শিক্ষা ছাড়াই তিনি মহাকাশ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে গেছেন অদম্য কৌতুহল নিয়ে। এককথায় তার সম্পর্কে বলে ফেলা ভার। অল্প অল্প করে তাকে নিয়ে লিখে যাবার ইচ্ছে আছে। পরবর্তী কিস্তিগুলো পড়তে থাকুন।

তথ্যসুত্র:
http://www.jessore.info/index.php?option=content&value=250

চলবে...

21/06/2015

nothing but change endures......

19/06/2015

Education is the most powerful weapon which you can use to change the world.
--Nelson Mandela

02/06/2015

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য এবার নতুন নিয়ম চালু হচ্ছে। ভর্তি ইচ্ছুক প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী (www.xiclassadmission.gov.bd) আবেদন করতে হবে। পাশাপাশি টেলিটকের এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একাদশ শ্রেণীতে শিক্ষার্থী কোন কলেজে ভর্তি হবেÑ তা নির্ধারণ করবে শিক্ষা বোর্ড। অনলাইনে একজনের পছন্দের পাঁচটি কলেজের তালিকা থেকে শিক্ষা বোর্ড নির্ধারণ করে দেবে কোনটিতে ভর্তি হবে শিক্ষার্থী। ভর্তির আবেদন করতে হবে ৬ থেকে ১৮ জুনের মধ্যে। ভর্তি েেত্র জিপিএ ৫ পাওয়া শিার্থীদের সব বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৪৩ গ্রেড পয়েন্ট ধরে জিপিএর ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। এ মেধাক্রমে পছন্দের কলেজগুলোতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া না গেলে তখন আসন খালি থাকা প্রতিষ্ঠানে তাকে ভর্তি হতে হবে। এর বাইরে অন্য কোথাও ভর্তির সুযোগ থাকবে না।
http://www.xiclassadmission.gov.bd/

RESULT OF S.S.C. EXAMINATION, 2015
31/05/2015

RESULT OF S.S.C. EXAMINATION, 2015

30/01/2015

আজ ৩০ জানুয়ারী । আজকের দিনটা হয়তো অনেকে অনেক ভাবে মনে রাখে। কারও হয়তো Birth Day অথবা অন্য কোন আনন্দের দিন। কারও কাছে দিনটি হয়তো কিছুই না। কিন্তু কয়েক বছর আগে আজকের দিনে এক পিতা মাতা হারিয়েছিল তার সন্তানকে, আমরা হারিয়েছিলাম এক বন্ধুকে, এ পৃথিবী হারিয়েছে এক সম্পদ যা কখনো ফিরে পাবার নয়। ২০০৯ সালে আজকের দিনে মহেশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ০৭ এর ব্যাচের মেধাবী ছাত্র কামরুল জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তার সম্পর্কে বলার ভাষা আমার নাই। তার অমায়িক ব্যবহার হাসি খুশি মুখ আজও আমার চোখে ভাসে। পুরা school life এ তাকে কখনো কারও প্রতি রাগতে দেখিনি, দেখেছি হাসি মুখে সব কিছু মেনে নিতো। আজ তার জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। আল্লাহ্‌ তায়ালা যেন তাকে জান্নাত দান করেন এবং তার পিতা মাতাকে শক্তি দান করেন। আমিন।

Address

Maheshpur, Jhenaidah
Maheshpur
7340

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maheshpur High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share