Green Environment For Madaripur-GEM

Green Environment For Madaripur-GEM গাছ জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, গাছ লাগাই পরিবেশে বাচাই অান্দোলনে সম্পৃক্ত হই।

গাছ এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারিতা নতুন করে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তবে এর হারিয়ে যাওয়া এবং নতুন করে জন্ম না নেওয়া নিয়ে হতে পারে বহু কথা। জমি যার বৃক্ষ তাহার তাই বৃক্ষ কর্তন রোধ আমাদের পক্ষে সম্ভব না, তবে চাইলেই অামরা নতুন বৃক্ষ সৃষ্টিতে রাখতে পারি অবদান। এই অবদানই হতে পারে ভবিষ্যত প্রজন্মের সুস্থ ভাবে বেচে থাকার লড়াইয়ে অন্যতম হাতিয়ার।নিয়মিত গাছ লাগানো অামাদের সামাজিক দায়িত্ব,সেই দায়িত্ববোধ স

বার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমরা থাকবো সদা সচেষ্ট।

অাসুন অামরা গাছ লাগাই, যথাযথ যত্ন নেই, জীবনকে সুন্দর ও সবুজ করি।

06/09/2020

টবের গাছের যত্ন এবং টুকিটাকি কিছু টিপস..

প্রথমেই টবের জন্য উপযুক্ত গাছ নির্বাচন করুন। দীর্ঘজীবী অথবা বৃক্ষজাতীয় গাছ টবে বেশিদিন বাঁচে না। নানা ধরণের মৌসুমি ফুল টবের জন্য সবচেয়ে ভালো। সব মৌসুমের ফুল কিছু কিছু করে লাগাতে পারেন। এতে সারা বছরই বিভিন্ন ফুলের দেখা মিলবে আপনার টবে। গোলাপ, গাঁদা, বেলি, অপরাজিতা, ডালিয়া, চন্দ্রমলি­কা, নয়নতারা, গন্ধরাজ গাছ লাগাতে পারেন বারান্দায় রাখা টবে। ছাদে জায়গা থাকলে বড় বা মাঝারি টবে হাসনাহেনা, জুঁই, বাগানবিলাস, টগর, জবা কিংবা শিউলি ফুল গাছ রাখা যেতে পারে। ফুলের পাশাপাশি ফল গাছও লাগাতে পারেন টবে। তবে এজন্য পর্যাপ্ত রোদ, আলো বাতাস ও প্রশস্ত জায়গা থাকা জরুরী। সবচেয়ে ভালো হয় বাড়ির সামনের খোলা জায়গা অথবা ছাদে রাখা টবে ফলের গাছ লাগালে। পেয়ারা, আমলকী, জাম্বুরা, ডালিম, লেবু, মরিচ গাছ ছাদে বা ড্রামে লাগানো যেতে পারে।

টবে চারা রোপণের আগে দোঁআশ মাটির সঙ্গে তিন ভাগের এক ভাগ পরিমাণ জৈব সার মিশিয়ে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। সঙ্গে একমুঠো হাঁড়ের গুঁড়া, দুই চামচ চুন, দু'মুঠো ছাই মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে টবের মাটির উর্বরতা অটুট থাকবে দীর্ঘদিন। চারাটি যেন সতেজ ও প্রানবন্ত হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরী। গাছ লাগানোর পর আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে গোড়ার মাটি শক্ত করে দিতে হবে। তারপর গোড়ায় পানি দিন সামান্য। গাছ লাগানোর পরপরই কড়া রোদে রাখবেন না। কয়েক দিন ছায়ায় রেখে সহনশীল করে তারপর রোদে দিন। সকাল ও বিকেলের হালকা রোদে দিতে পারেন প্রথম কিছুদিন। দ্রুত বেড়ে ওঠা শুরু করলে গাছকে সোজা রাখার জন্য বাঁশের কঞ্চি বা স্টিক ব্যবহার করতে পারেন। তবে টবের গাছ খুব বড় হতে দিবেন না। বাড়তি অংশ ছেঁটে দিন কিছুদিন পর পর। মাসে একবার নিড়ানির সাহায্যে গোঁড়ার মাটি খুঁচিয়ে জৈব সার দিন। গাছের ফুল শুকিয়ে গেলে একটু নিচ থেকে ডালসহ কেটে দিন। নতুন পাতা গজানোর সময় এক চিমটি ইউরিয়া সার এক লিটার পানিতে গুলে গাছের গোঁড়ায় দিন। ট্যাবলেট সারও দিতে পারেন। ফুলের আকৃতি বড় হবে। গাছে কীটনাশক দিন নিয়মিত। খুব প্রয়োজন না হলে এক টব থেকে অন্য টবে গাছ স্থানান্তর করতে যাবেন না।

ছাদ ও বারান্দার পাশাপাশি ঘরে কিংবা সিঁড়িতেও রাখতে পারেন টবসহ বিভিন্ন গাছ। মানিপ্লান্ট, ড্রেসিনা, পাম, পাতাবাহার ইত্যাদি গাছ রাখতে পারেন ভেতরে। সেক্ষেত্রে সপ্তাহে একদিন টবটি বারান্দায় রাখার চেষ্টা করুন। টবের গোঁড়ায় একসাথে বেশি পানি দিবেন না। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে গাছ রাখা উচিত নয়।

জেনে নিন

* ছোট টবে বড় গাছ লাগানো যেমন অনুচিত তেমনি বড় টবে ছোট গাছও বেমানান দেখায়।

* টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে অবশ্যই। যাতে অপ্রয়োজনীয় পানি চুইয়ে পড়তে পারে। ছিদ্রটি ছোবড়া বা ইটের টুকরো দিয়ে ঢেকে তারপর টবে মাটি রাখুন।

* খুব ভারি টবের নিচে প্লেট রাখা জরুরী। প্রয়োজনে কয়েকটি ইটের উপর বসাতে পারেন টব।

* ফুল শুকানো শুরু করলেই ছেঁটে দিন। এতে দীর্ঘদিন ধরে ফুল ফুটাতে সক্ষম হবে আপনার প্রিয় গাছটি।

* মানি প্ল্যান্টের মতো যেসব গাছ পানিতে রাখতে হয় সেগুলো রাখার জন্য বাড়িতেই কন্টেইনার তৈরি করতে পারেন। পুরনো প্লাস্টিকের কন্টেইনার বা সিরামিকের মগে সাজিয়ে রাখুন। দেখতে সুন্দর লাগবে এবং বাড়ির মধ্যে সবুজের ছোঁয়াও থাকবে


* পুরনো চায়ের কেটলি বা সুগার পটের হ্যান্ডেল ভেঙে গেলে পরিষ্কার করে রাখুন। এরপর ভাঙা জায়গায় রঙ করে নিন। বাথরুম বা কিচেনে একটু সবুজের ছোঁয়ার জন্য এসব কন্টেইনারে গাছ লাগাতে পারেন। দেখতে সুন্দর লাগবে মনও উৎফুল্ল থাকবে।

* যে ধরনের গাছের গোড়া পানিতে রাখলেই তৈরি হয় সেগুলো কাচের জারে রাখুন। গাছের মূল বেড়ে উঠলে পানি ফেলে দিয়ে মাটি দিয়ে ভরে রাখুন।

* গাছ দিয়ে ঘর সাজানোর আগে পাতা ও ডাল ছেঁটে রাখুন। মরা বা হলদেটে পাতা ফেলে দিবেন, দেখতে ভালো লাগবে।


* ক্যাকটাস দিয়েও ঘর সাজাতে পারেন। এর একটা সুবিধা হচ্ছে বেশি পানি দেয়ার দরকার হয় না। এমনিতেই বড় হয়।

* দূরে কোথাও গাছ নিয়ে যেতে চান, তাহলে গাছের গোড়ায় ভেজা চা পাতা দিন। তাহলে গাছেল গোড়ার মাটি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাওয়ার আশংকা কম থাকে। অনেকক্ষণ ফ্রেসও থাকবে।

* বাড়িতে গাছের যত্নের জন্য সার বানাতে পারেন। ফেলে দেয়া চা পাতা ও ডিমের খোসা গুঁড়ো করে একসঙ্গে মিশিয়ে ৭-৮ দিন রোদে রাখুন। গোলাপ ও অন্যান্য ফুলের গাছের সার হিসেবে খুব ভালো কাজ করবে।

* নতুন চারাগাছ বেড়ে ওঠার জন্য পানির প্রয়োজন হয়। কিন্তু একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণে পানি না দিয়ে বারবার অল্প করে পানি দিন।

* টবের মধ্যে লাগানো গাছে কী পরিমাণে পানির দরকার তা বুঝতে অসুবিধা হয়। এছাড়া বেশি পানি দিলে গাছের গোড়া পচে যায়। তাই চিকন লম্বা তার মাটিতে ঢুকিয়ে রেখে দেখুন তারে মাটি লেগে আছে কিনা। ভিজা মাটি লেগে থাকলে বুঝবেন পানি দেয়ার দরকার নেই।

* বেশি পরিমাণে পানি দিলে যেমন গাছের ক্ষতি হয়, তেমনি কম পরিমাণে পানি দিলেও গাছের সজীবতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই সকালে বা বিকেলে যখন রোদের তেজ কম থাকে সেই সময় গাছে পানি দেয়ার আদর্শ সময়।

* অন্দরের গাছকে সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার গাছ রোদে দিতে হবে। সকালের হালকা রোদই উপকারি। রাতে গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়ে ,তাই সম্ভব হলে রাতে শোবার ঘর থেকে সরিয়ে বারান্দায় রাখুন। আর যদি সরানো সম্ভব না হয় তবে শোবার ঘরের জানালা খুলে রাখুন।

* ৭ থেকে ১০ দিন পর পর টবের মাটি উলট পালট করে দিন, এতে গাছের মাটির নিচের ক্ষতিকর গ্যাস বের হয়ে যাবে। তবে খুবই সাবধানে কাজটি করতে হবে। যাতে গাছের শিকড়ের কোন ক্ষতি না হয়।

* কয়েকদিনের জন্য বেড়াতে যাচ্ছেন অথচ বারান্দার টবে কয়েকটা গাছ রয়েছে। সেক্ষেত্রে সরাসরি রোদ আসে এমন জায়গা থেকে গাছ সরিয়ে রাখুন। আর বেড়াতে যাওয়ার দিন মনে করে গাছে পানি দিন।টবটি পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে পারেন, এতে ময়েশ্চার বজায় রাখবে। প্রতিদিন পানির দরকার হয় এমন গাছের টবের অংশটি বড় পাত্রে পানিতে ডুবিয়ে রাখুন।

* অতিরিক্ত আলোর নিচে গাছ রাখলে গাছের রঙ বিবর্ণ হয়ে যায়। তাই ঠাণ্ডা ও আলো কম পৌঁছায় এমন জায়গায় গাছ রাখুন।

* সিজনাল ফুল হলে বীজ সংগ্রহ করে রাখুন পরের সিজনের জন্য। বীজ বেশী হলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন, দেখবেন মনে বেশ শান্তি লাগবে। আবার অন্যদেরও সংগ্রহ বাড়বে।

* ঘরের পরিবেশে সজীবতা আনতে গাছ ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। এক টুকরো সবুজ যে প্রশান্তি দিতে পারে তা অন্য কোনো কিছুর দ্বারা সম্ভব না।

গাছ থাকার সুফল সুন্দরবনে! ম্যানগ্রোভের লড়াইয়ে বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা।পরিবেশবিদরা বলছেন, আয়লার থেকে বুলবুলের ক্ষতি যে অনেক...
30/08/2020

গাছ থাকার সুফল সুন্দরবনে! ম্যানগ্রোভের লড়াইয়ে বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা।

পরিবেশবিদরা বলছেন, আয়লার থেকে বুলবুলের ক্ষতি যে অনেকটাই কম হল, তার সিংহভাগ কৃতিত্বই এই বাদাবনের। প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করতে বৃক্ষরোপণের উপযোগিতা নতুন করে কিছু বলার নেই। শুধু ঝড় নয়, বন্যা-ভূমিকম্প-দূষণ প্রতিরোধ করতেও গাছের বিকল্প আর কিছু নেই। তাই পরিবেশবিদদের কথায়, প্রকৃতির কথা না হয় পরে ভাবলেন, নিজের জন্য হলেও গাছ লাগান।

Address

Madaripur City
Madaripur
7900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green Environment For Madaripur-GEM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category