তোতার খিল আয়েশা উচচ বিদ্যালয় Toter khil ayesha high school

  • Home
  • Bangladesh
  • Laksmipur
  • তোতার খিল আয়েশা উচচ বিদ্যালয় Toter khil ayesha high school

তোতার খিল আয়েশা উচচ বিদ্যালয় Toter khil ayesha high school আমরা সবাই এই বিদ্যালয় এর ছাএছাএী
পড়াল?

সালাম, হে ভাষা যুদ্ধের আত্নোৎসর্গকারী গন।
21/02/2024

সালাম, হে ভাষা যুদ্ধের আত্নোৎসর্গকারী গন।

13/01/2024

তোতারখিল আয়েশা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব ফয়েজুর রহমান এর বাবা আজ সকলে ইন্তেকাল করেছেন।
মরহুমের জানাজার নামাজ বাদ আসর অনুষ্ঠিত হবে।

27/08/2017

আধুনিকতা
আমরা অনেক আধুনিক হয়ে গেছি । এই রকম আধুনিক না হওয়াটা ভালো ছিলো । আগে মেয়েরা ঘর থেকে বাইরে যেতে অনেক ভয় পেতো । আগের দিনে ছেলে মেয়েরা বাবা মা কে ভয় পেতো । মা বাবা শাসন করতো । এখন আর এমন হয় না । তবে কিছু মা বাবা ও ছেলে মেয়ে আছে ঠিক আগের মতো । আর প্রায় সবাই পরিবর্তন মানে আধুনিক । ভাইবোন কে আমি বলি এটা আধুনিক নয় । আগে মেয়েরা রাতকে বাইরে বের হতো না বলে চলে । বিকাল হলে ঘর থেকে বের হতো না । আর এখন রাত দিন বলতে কিছু নাই । এমনকি তারা তাদের পিতামাতাকে ভয় পায় না । মেয়ে রা বাইরে যাবে তবে প্রয়োজনে । তবে পর্দাশীল হলে ঠিক আছে । আর এখন পর্দা নেই বললে চলে । আগে মেয়েরা মাথা ওড়না সব সময় দিতো । আর এখন না দেয় বলে চলে । আগে ছেলে মেয়ে প্রেম করতে ভয়ে করতো না ।আর এখন এই টা কোনো বিষয় না।এইসব কারণে মেয়েরা নানা দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে । কি লাভ হলো এই আধুনিকতা ? যতো দিন পারি ইসলামের আলোকে জীবনযাপন করি । এতক্ষণ মেয়েদের কথা বললাম । ছেলেরা বড় হলে আগে মা বাবার পাশে থাকতো । আর এখন থাকে না । একটু বড় হলে এখন নেশা করে , মারামারি করে , আর কত কি করে । আগে একে অপরে প্রতি বিশ্বাস ছিলো । এখন তা আর নাই । পুরুষরা আগে নারীদের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র ছিলো । তেমনি নারীরা পুরুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্রী ছিলো । এখন আর নেই । একে অপরে কাছে প্রতারণার শিকার । তাই বিশ্বাস টাও কমে গেছে । আগে প্রেম ভালোবাসা খাটি ছিলো । এখন স্বার্থতার রূপ নিয়েছে । আগে ছেলেমেয়েরা একজন ওর সাথে সম্পর্ক করতো । আর এখন কি হচ্ছে ? আপনারা ভালো জানেন । আগের দিন কি ছিলো আর এখন কি? আধুনিকতা আমাদের কি দিলো?এর নাম কিন্তু আধুনিকতা নয় । আমাদের বিবেক বিলুপ্ত করে আধুনিকতা হয় না । বরং বিবেক তার চাই আর উন্নত করায় নাম আধুনিকতা । আর সবচেয়ে বড় আধুনিকতা হবে ইসলামের আলোকে জীবনযাপন করলে । বর্তমানের এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হবে ।

17/08/2017

The most successful people invest in themselves when they have no resources and when they have countless resources.

16/08/2017

১.
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,
- তুমি কোথায় চাকুরি করো?
- একটা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে।
- স্যালারি কতো?
- ৫০০০।
- মোটে পাঁচ হাজার? চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তোমার যা যোগ্যতা, হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি, বসের প্রতি বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে জুলুমের কথা জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়াতে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো।
এখন যুবকটি বেকার।
২.
- তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
- জ্বি।
- তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয় নি? উপহার বা এ জাতীয় কিছু?
- না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! টাকা দিতে হবে কেন?
- কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা। সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো। স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। লেগে গেলো দু’জনে। কথা কাটাকাটি। ঝগড়া। হাতাহাতি। শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়াল।
৩.
- এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে, বড় চাকুরি করে শুনেছি। বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
- না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে খোঁজ-খবর নেয়। নিয়মিত।
- কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-দাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
- সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই সময় চলে যায়!
- আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে। আর আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো। স্ত্রীও বাধা দিল,
- আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
- নাহ, খন্দকার সাহেব কি মিথ্যা বলতে পারেন? ...আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম?
কিছু "নিরীহ" প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে এক লহমায় দুঃখী করে দিতে সক্ষম। ছদ্মবেশী দরদীরা নিস্তরঙ্গ শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়...
- কেন? সেটা এখনো কিনেন নি?
- আপনাদের এখনো বাচ্চাকাচ্চা হয় নি?
- এই জীবন কিভাবে বহন করে চলেছেন?
- ছেলেকে বিশ্বাস করে বসে আছেন?
- ছেলে তো বউয়ের কেনা গোলামে পরিণত হয়েছে!
গল্পের নির্যাসঃ
= ফাসাদ সৃস্টিকারী হয়ো না।
= হিংসুকদের ছলনায় পড়ো না।
=পরনিন্দা কর না

16/08/2017

আমরা কি আসলেই চিন্তা করি এই বিষয় গুলো....................)
নূপুরের দাম হাজার টাকা,
তার স্থান কিন্তু পায়ে,
আর দুই টাকার টিপের স্থান কপালে।
ইতিহাস স্বাক্ষী আছে নুনে
কখনো পোকা ধরেনি,
কিন্তু মিষ্টিতে তো
প্রতিদিনই পোকা ধরে,
পিপড়া ও ছাড়েনা।
মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ
করা হয়।
আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন
পালন করা হয়।
মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না,
বাঁকা পথের প্রতি সবারই আগ্রহ বেশি।
তাইতো মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে
যেতে হয় না,
কিন্তু দুধ বিক্রেতাকে ঘরে
ঘরে যেতে হয়।
আমরা সবসময় বলি দুধে
পানি মেশান নিতো?
কিন্তু মদে নিজেরাই পানি মিশিয়ে খাই।আজ পযর্ন্ত
মানুষকে এটুকুই বুঝলাম,
মানুষকে জানোয়ার
বললে ক্ষেপে যায়,
আর সিংহ বললে খুশি হয়।
আজব এক পৃথিবীতে বাস
করছি আমরা।

02/08/2017
অনেক ইচ্ছে ছিল আসবো,কিন্তু জীবীকার জন্যোজীবনের সাথে যুদ্ধের কাছেহার মেনে নিেজরইচ্ছেটাকে বিসরর্জনদিলাম!!
15/02/2016

অনেক ইচ্ছে ছিল আসবো,
কিন্তু জীবীকার জন্যো
জীবনের সাথে যুদ্ধের কাছে
হার মেনে নিেজর
ইচ্ছেটাকে বিসরর্জন
দিলাম!!

15/02/2016

পত্রিকায় দেখলাম বিশ্বের
সেরা ২০০০ ইউনিভার্সিটির
মধ্যে বাংলাদেশের কোন
ইউনিভার্সিটির নাম নেই।
মালোয়েশিয়ার আছে,
ব্রাজিলের আছে,
আর্জেন্টিনার আছে,
কোরিয়ার আছে, তুরস্কের
আছে, ভারতের আছে এমনকি
পাকিস্তানেরও একাধিক
ইউনিভার্সিটি এই
তালিকায় আছে। ... আসুন
এবার কারনগুলো দেখি।
এব্যাপারে আজকে একজন
স্যারের লেখা পড়লাম।
নোবেল বিজয়ী মালালা
ইউসুফজাঈ আমেরিকার
স্ট্যানফোর্ড
ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির
জন্য আবেদন করেছেন।
ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ
বলেছে তাকে ভর্তি
পরীক্ষা দিয়েই উত্তীর্ন হতে
হবে, নোবেল কোটা কোন
কাজে আসবে না। এখন
আমাদের দেশের কথা
চিন্তা করুন। উপজাতি
কোটা, খেলোয়ার কোটা,
মুক্তিযোদ্ধা কোটা, পোষ্য
কোটা, নারী কোটা। আমি
এমনও জানি, এক মেয়ে ভর্তি
পরীক্ষায় ফেল করেও,
শুধুমাত্র টিচারের মেয়ে
হওয়ায় সে এখন কম্পিউটার
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ে! ...
আমাদের এক স্যার যিনি
বর্তমানে মালোয়েশিয়ার
একটা ভার্সিটির প্রফেসর
তিনি বলেছিলেন,
বিদেশের ইউনিভার্সিটির
লাইব্রেরীতে গেলে মনে হয়
এটা গুরুস্তান, পিনপতন
নীরবতায় সবাই যার যার
পড়াশোণা করছে। আর
আমাদের দেশের
ইউনিভার্সিটি কী রকম
সেটা নাহয় না-ই বললাম।
রাত দশটার পর কেন হলের
বাইরে থাকতে পারবে না,
এর প্রতিবাদে আমাদের
মেয়েরা মিছিল করে।(সম্ভবত
রাত দশটার পর তারা বাইরে
গিয়ে গ্রুপ স্টাডি করতে
চায়। ভার্সিটি কর্তৃপক্ষের
এরকম অমানবিক সিদ্ধান্তের
আমিও নিন্দা জানাই। ) ...
এবার আসি উচ্চশিক্ষায়
গবেষণা প্রসংগে। বিদেশের
ইউনিভার্সিটিগুল োতে
গবেষণা খাতে মিলিয়ন
মিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়।
আর আমাদের
ইউনিভার্সিটিগুল
োতে এ খাতে কোন বরাদ্দ
নেই। বলবেন, আমরা গরীব
রাষ্ট্র? না জনাব। নব্বই
কোটি টাকা খরচ করে
জাতীয় সংগীত গাওয়া যায়,
লাখ লাখ টাকা খরচ করে
আলপনা (রোড
পেইন্টিং)আঁকার মতো
ফালতু কাজ করা যায়,
সাকিব আল হাসানদের
কোটি টাকা দেওয়া যায়,
কিন্তু উচ্চশিক্ষায়
গবেষনাকাজে টাকা নেই।
ইউনিভার্সিটিকে এগিয়ে
নিতে হলে, দেশকে এগিয়ে
নিতে হলে ইউনিভার্সিটির
রিসার্চের বিকল্প নেই। ...
শিক্ষকদের অবস্থা দেখুন।
ফাইভ পাশ করা কাউকে যদি
প্রাইমারী স্কুলের টিচার
বানানো হয় কিংবা
এসএসসি পাশ করার পরদিনই
যদি কাউকে হাইস্কুলের
টিচার বানিয়ে দেওয়া হয়,
অবস্থা কেমন হবে?বর্তমানে
অনার্স শেষ করতেই অনেকে
ইউনিভার্সিটির টিচার হয়ে
পড়েন। না আছে কোন
মৌলিক গবেষনাগ্রন্থ,
বিশেষ প্রবন্ধ, না আছে
প্রশিক্ষন! আর
ব্যাক্তিত্বহীনতা তো
আছেই। এরা স্টুডেন্টদের কী
শিখাবেন? আর যারা
অপেক্ষাকৃত ভালো তারা
বিদেশ চলে যান। সিএনজি
ড্রাইভারের মত বেতনে কে
চাকরি করতে চায়? ... বছরে
কয়েকবার শিরোনামহীন,
জেমস, আইয়ুব বাচ্চুকে এনে
কনসার্ট করানো যায়
(ভার্সিটি কর্তৃপক্ষের
অনুদান থাকে), কিন্তু
বিদেশের বিখ্যাত কোন
প্রফেসর/
বিজ্ঞানী/গবেষক এনে
বক্তৃতা দেওয়ানো যায় না!
স্টুডেন্টরা শিখবে কীভাবে?
যেমন কর্তৃপক্ষ, তেমন
স্টুডেন্ট! ....সবচেয়ে বড় কথা
হলো এ নিয়ে কারো
মাথাব্যাথা নেই।
শিক্ষামন্ত্রী কিংবা
শিক্ষাবিদরা এ নিয়ে
চিন্তাই করেন না। দরিদ্র
রাষ্ট্র হওয়ার পরও বুয়েন্স
আয়ার্স কিংবা কায়েদে
আজম ইউনিভার্সিটি পারলে
আমরা পারবো না কেন? ...এটা "ধর তক্তা, মার
পেরেক" টাইপের কিছু না।
প্রয়োজন ৫০/১০০ বছর মেয়াদী
মাস্টার প্লান। ভুলে গেলে
চলবে না,একটা দেশের
উন্নতি জাতীয় সংগীত
গাওয়া, ক্রিকেট খেলা
কিংবা সুন্দরবনকে ভোট
দেওয়ার উপর নির্ভর করে না,
নির্ভর করে সে দেশের
শিক্ষা ব্যবস্থা উপর।

18/01/2016

বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র/
ছাত্রীদের (রানিং
স্টুডেন্টস) প্রতি অনুরোধ
করছি আপনারা যারা
ফেইসবুক ব্যবহার
করেন,আপনারা একটু ফেইসবুক
ব্যবহার কমিয়ে দিলে
আপনাদের জন্য মঙ্গল হবে।
সামনে আপনাদের মধ্যে
অনেকের মেট্রিক পরীক্ষা
আরম্ভ হতে যাচ্ছে। সুতরাং
এখন পড়াশুনায় মনযোগ
দেওয়া অতীব জরুরী। আমার
কথায় কেউ মনে কষ্ট নিবেন
না। একবার রেজাল্ট খারাপ
হলে জীবনটা অন্ধকার হয়ে
যায়। ফেইসবুক এবং ক্রিকেট
এই সব আজীবন থাকবে। কিন্তু
পরীক্ষার পূর্বের এই
মহামূল্যবান সময়টুকু আর ফিরে
আসবে না। নিজের অনাগত
ভবিষ্যৎ এবং বাবা মা এর
মুখের দিকে তাকিয়ে
ফেইসবুক এবং ক্রিকেট খেলা
দেখা থেকে দূরে থাকুন।

13/01/2016

মা এমন একটা জিনিস তিলে তিলে নিজে শেষ হয়ে যাবে তুবু সন্তানকে বুঝতে দিবে না ।

Address

Laksmipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তোতার খিল আয়েশা উচচ বিদ্যালয় Toter khil ayesha high school posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share