Dighali High School

Dighali High School Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dighali High School, Library, Lakshmipur.

12/08/2016

বল্টু তার বৌকে মারবে।কিন্ত
বৌকে মারার কোনো কারন
পাচ্ছে না।তবুও তার বৌকে
মারতে লাগলো..........................
তো বল্টুর বৌ বল্টুকে বলল,
বল্টুর বৌ: ওগো আমায় মারলে
কেন?
বল্টু :বাড়ির উঠানে কুকুর শুয়ে
আছে বালিশ দিস নাই কেন?

31/10/2015

এক নোয়াখাইল্লা চা দোকানে চা
খাইতে ঢুকল, একটা রং চা খাইল।
যখন বিল দিতে গেল !
নোয়াখাইল্লা: বিল কত হল?
দোকানদার: 6 টাকা ।
নোয়াখাইল্লা: কেন দুধ চা কত?
দোকানদার: 6 টাকা ।
নোয়াখাইল্লা: কেন? আমিতো রং চা
খাইলাম,তা হলে আমার ১ টাকার দুধ
দিয়ে দিন।
দোকানদার: হাতের তালুতে এক চামচ
দুধ দিল।
নোয়াখাইল্লা: জিহ্বা দিয়ে চেটে
দুধ
খেয়ে মাটিতে গড়াগড়ি শুরু করল
এখন দোকানদার ভয়ে অস্থির
নোয়াখাইল্লার পকেটে 100 টাকা
দিয়ে বল্ল ভাই তুই হাসপাতালে যা ,
নোয়াখাইল্লা: উঠে দাঁড়িয়ে বল্ল
কেন?
দোকানদার:মনে হয় দুধ খাওয়াতে
তোমার সমস্যা হয়েছে।
নোয়াখাইল্লা: আরে না ।
দোকানদার:তাহলে গড়াগড়ি
করছিলেন
কেন?
নোয়াখাইল্লা: আমি আগে চা পরে
দুধ
খাইছিতো তা মিক্সড করছিলাম ।।
পুরাই অস্থির, দূষ্টু রে কেউ ধর

30/10/2015

# গল্প
রাত ৩.৪০
হটাৎ ঘুম ভেঙে যায় মিলার।
এসি চলছে
তবুও ঘেমে যাচ্ছে। হটাৎ নুপুরের
শব্দ শুনতে
পায় ও। কোথাথেকে আসে? মনে
হচ্ছে
কিচেন থেকে,কিন্তু কার
পায়ের
আওয়াজ?
শব্দটা পুরো ঘর ছেয়ে গেছে,
প্রতিধ্বনি
হচ্ছে!
মিলার পাশে শুয়ে আছে
মিস্টার রায়ান
খান। বয়স ৩১বছর, অবুর্ব মায়াবি
চেহারা!
মিলা ভয়ে অস্থির হয়ে
রায়ানকে ডেকে
তোলে।
-ঘামছ কেন?
মিলা তোতলাতে তোতলাতে
বলে নুপুর!!
নুপুরের শব্দ!
-কোথায়? কোনো আওয়াজই তো
শুনতে
পাচ্ছি না, তুমি নিশ্চয় স্বপ্ন
দেখছ।
ঘুমিয়ে পড়।
শেষমেশ কম্বল গায়ে দিয়ে
শুয়ে পড়ল
মিলা।
এভাবে প্রতি রাতেই একই ঘটনা
ঘটতে
থাকে, শব্দ শুধু মিলা-ই শুনতে
পায়।
একদিন রাতে মিলা সাহস করে
ওই শব্দের
উৎস খুজতে যায়।
রান্না ঘরের দরজা খুলতেই
মিলা যা দেখল
তা দেখার জন্য মোটেও প্রস্তুত
ছিল না।ও
দেখল যে একটা মেয়ে
কিচেনের সিলিং
এ ঝুলছে তার এক পায়ে নুপুর
পরা!
চোখের পলক ফেলতেই মিলা
দেখল
মেয়েটি নিচে দারিয়ে আছে,
অবস্থা
বুঝে উঠার আগেই দেখল
মেয়েটি আরেক
জায়গায় যেমন টা হরর
সিনেমায় ঘটে
থাকে।
মিলা সাহস করে জিজ্ঞেস
করল কে তুমি?
মেয়েটি বলল আমার নাম ঝুমু,
*সাত বছর আগে,
ফেসবুকে পরিচয় ঝুমু আর
রায়ানের।দুজনেই
স্টুডেন্ট, একদিন দুইদিন কথা
হওয়ার পর
থেকে আস্তে আস্তে
ভালোলাগা তারপর
ভালবাসা!
অনেক ভালবাসত দুজন দুজনকে,
কিন্তু
সময়ের সাথে সবকিছু যেন কেমন
ক হয়ে
যেতে লাগল। রায়ান এখন খুব
ব্যস্ত থাকার
কথা বলে,কিন্তু ঝুমুর ধারনা ও
বিজি না।
এই নিয়ে খুব অভিমান। কিন্তু
রায়ান যদি
একদিন ভাল করে কথা বলে
তাহলে সব
ভুলে যায় ও।
হটাৎ একদিন রায়ান ঝুমুকে বলে
যে ঢাকায়
আসো,আমরা বিয়ে করব। হটাৎ
রায়ানের
এই কথা শুনে ঝুমু মনে করে
রায়ান তাকে
আসলেই খুব ভালবাসে,এই সুযোগ
হাতছাড়া
করা যাবে না। ভালবাসায় অন্ধ
ঝুমু সব
ফেলে ভালবাসার টানে ছুটে
আসে
ঢাকায়। বাড়িতে জানানোর পর
বাড়ির
লোকজন খুব কষ্ট পায় এবং
ঝুমুকে বলে যে
মেয়ে আমাদের মুখে চুনকালি
মেয়ে বাড়ি
থেকে বেরিয়ে যেতে পারে
সেরকম মেয়ে
থাকার চেয়ে না থাকা ভাল
তাই তারা
ঝুমুকে ত্যাজ্য করে।ঝুমু কিছুটা
কষ্ট
পেলেও ভাবে যে রায়ান তো
আছেই।এক
সময় সব কিছু মেনে নেবে।
তারপর রায়ান বলে যে এখন তো
তুমি বাড়ি
ফিরে যেতে পারবে না তাহলে
তো
তোমাকে নিয়ে থাকার সমস্যা
হবে।চল
কুমিল্লা যাই।ওখানে আমাদের
একটা
বাংলো বাড়ি আছে। পরেরদিন
রায়ান ঝুমু
আর বিয়ের সাক্ষী হিসেবে
রায়ানের
একটা বন্ধুও যায়। কুমিল্লা
পৌছতে সন্ধ্যা
হয়ে যায়।ওদের বাড়িতে গিয়ে
ফ্রেশ
হওয়ার পর রায়ানের বন্ধুটি বলে
রাত তো
হয়ে গেল,আজ তো বিয়ে করা
সম্ভব না।
কালকে কাজি অফিসে গিয়ে
বিয়ে
করতে হবে।তখন রায়ান বলে
আমি বিয়ে
করব না। ঝুমু শুনে তো হতবিহ্ব্ল!
রায়ান
ঝুমুকে বলে, কি মনে করেছ?
তোমাকে
বিয়ে করব আমি? হা হা হা!
তোমার থেকে
সুন্দরি ধনীর মেয়েরা আমার
জন্য পাগল!
তুমি কি না সেখানে...
ঝুমুর আর বুঝতে কিছুই বাকি
থাকে না
কিন্তু অনেক দেরি হয়ে গেছে
এখন আর
কিছুই করার নাই। সারারাত ওই
দুই নরপশু
অমানুষিক নির্যাতন করে। সকাল
হলে
তারা দেখে যে ঝুমুর জ্ঞান
ফিরছে
না,ভাবে যে মনে হয় মারা
গেছে তাই ওরা
ঝুমুকে কিচেনের সিলিং এ
ঝুলিয়ে দিয়ে
চলে আসে যাতে মারা না
গেলেও মারা
যায়। তারপর রায়ান পড়ালেখার
জন্য
বিদেশ চলে যায়।
কয়েকদিন পর ওই বাংলো
বাড়ির সামনে
দিয়ে চলাচলকারী এক
পথযাত্রী মৃত
মানুষের গন্ধ পেয়ে লোকজন
ডাকে। শেষ
পর্যন্ত তারা ওই বাংলো বাড়ির
কিচেনে
লাশ আবিষ্কার করে, পুলিশে
খবর দিলে
পুলিশ আসে, কিন্তু লাশটা এত
বেশি পচে
গেছিল যে কোনো আলামত
সংগ্রহ করা
যায়নি। তারপরও কেস হয় কিন্তু
রায়ানের
বাবা টাকা খাইয়ে মামলা
ধামাচাপা
দিয়ে দেয়। আর স্থানীয়
লোকজন লাশ ওই
বাড়ির সামনে পুতে দেয়।
মাঝে মাঝেই ওই রাস্তার
আশেপাশে
রাতের বেলা একটা মেয়েকে
ঘুরাঘুরি
করতে দেখা যায়
সাত বছর পর রায়ান তাদের
কম্পানির
কুমিল্লা শাখার দায়িত্বে
এখানে বউ
নিয়ে আসে। সাথে এক বুয়া র
তার ছোট্ট
মেয়ে।
* মিলা বলে,তুমি তাহলে মরে
গেছ কিন্তু
আমি তো দেখতে পাচ্ছি
তোমাকে! কি
চাও তুমি?
-শোন মেয়ে, আমার বোঝাপড়া
রায়ানের
সাথে।বাঁচতে চাইলে পালাও
তারপর থেকে ওই বাড়িতে
আজগুবি সব
ঘটনা ঘটতে থাকে! বুয়া
পালিয়েছে। গত
কয়েকদিন দিন ধরে মিলা খুব
অসুস্থ।
রায়ান অফিসের কাজ গুছিয়ে
ঢাকায় চলে
যাওয়ার চেষ্টা করতে লাগল।
রবিবার রায়ান ঢাকার অফিসে
জয়েন
করবে। কিন্তু শনিবার অফিসের
কাজ
গুছিয়ে দিতে দেরি হয়ে যায়।
তারপর ও
ফিরতে হবে। সাথে গাড়ি আছে,
ব্যাপার
না।
মিলা আর রায়ান সন্ধ্যার পরই
বের হয়ে
যায়। শীত পরেছে,রাস্তায়
কুয়াশাও আছে।
কিছুদূর যাওয়ার পর রায়ান
দেখতে পায়
সামনে একটা মেয়ে দারিয়ে
আছে। গাড়ি
থামাতেই রায়ানের চোখ
ছানাবড়া!
-ঝুমু!! তুমি!
- হ্যা আমি
মিলা চিৎকার দিয়ে
বলে,আমরা চলে
যাচ্ছি, ছেড়ে দাও আমাদের।
তুমি চলে
যাও।
ঝুমু বলে,আমি তো অনেক আগেই
চলে
গেছি।কিন্তু একা ভাল লাগে
না। এই
রায়ান,তুমি না বলেছিলে
সারাজিবন
আমার পাশে থাকবে এখন কেন
এই মেয়ের
সাথে সংসার করছ?? আমি কি
দোষ
করেছিলাম? কেন আমায় বাঁচতে
দিলে
না? তুমি আমায় ভালবাস না
এতা বল্লেই
পারতে, মেরে ফেললে কেন?
আমি আমার
বাবা মা সবাইকে ছেড়ে
তোমার সাথে
বাঁচতে চেয়েছিলাম আর তুমিই
কি না..!!
নাহ আমি তোমায় ছাড়ব
না,আমি তো এত
মহৎ না! এই বলেই ঝুমু রায়ানের
গলা ধরে উঁচু
করে ফেলে, মিলা বাঁচাতে
গেলে ওকে
ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।
মিলা আর
উঠতে পারে না। ঝুমু রায়ানকে
কঠিন
থেকে কঠিনতমভাবে খুন করে।
মিলার জ্ঞান ফিরলে সে
হাসপাতালের
বেডে নিজেকে আবিষ্কার
করে।পাশে
রাখা নিউজপেপারে দেখে যে
মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায়
বিশিষ্ট
শিল্পপতি পুত্র রায়ান খানের
মৃত্যু।
মিলা এখন মানসিক
হাসপাতালে।
গল্পটা অন্যরকমও হতে
পারত,প্রতিশোধটা
মিলাও নিতে পারত।
সম্পুর্ন কাল্পনিক গল্প
লেখা- Jobayda jahan sowa
(স্বপ্নময়ী ছোঁয়া)

30/10/2015

ফেইসবুক প্রেম।
R.I. Nirob
রাজু যখন কলেজে ভর্তি হবে
তখন ওর বাবা মা ভাবলেন- ওকে
ঢাকায় ভর্তি করাই। ঢাকায়
ভর্তি হলে জীবনের সাথে লড়াই
করে বাঁচতে শিখবে। জীবনের
আসল মানে টা বুঝবে। গ্রামে
থেকে সারাদিন এদিক সেদিক
ঘোরে, যা ইচ্ছে করে বেড়ায়।
এমনটি আর করতে পারবে না।
যেই ভাবা সেই কাজ। ঢাকার
একটা স্বনামধন্য কলেজে ভর্তি
হল রাজু। প্রথম প্রথম একটু
সমস্যা হলেও এখন পুরোপুরি
মানিয়ে নিয়েছে। একটা
আশ্চর্য ব্যাপার সবসময় লক্ষ্য
করতো। সেটা হল ফেইসবুক।
একটা কিছু হলেই এই আমার
আইডিতে আছে দেখে নিস।
আমি একটা ফানি জিনিস
শেয়ার করেছি দেখেছিস?
ইত্যাদি ইত্যাদি। বন্ধুদের কাছে
গেলেই খুব লজ্জায় পড়তে হয়
মাঝে মাঝে। কাউকে বললে
সবাই হাসে যে- রাজুর ফেইসবুক
আইডি নেই! কলেজে পরে অথচ
ফেইসবুক আইডি নেই এটা শুনলে
সবাই হাসে। তাই একবার লজ্জা
ভেঙ্গে ওর এক বন্ধুকে বলল-
আমাকে একটা আইডি খুলে দে
আর টার্মগুলো একটু বুঝিয়ে দে।
রাজুর বন্ধু ওকে একটা আইডি
খুলে দেয়।
খুব তাড়াতাড়ি অনেক গুলো
ফ্রেন্ড হয়ে যায়। একদিন নিশা
নামের একটা ফ্রেন্ডকে অন
লাইন এ পেয়ে রাজু একটা
ম্যাসেজ পাঠায়- আপনি ফ্রি
আছেন? একটু সময় দেয়া যায়?
অনেক ক্ষণ অপেক্ষা করার
পরেও কোন রিপ্লে না পেয়ে
রাজু ফেইসবুক থেকে বের হয়ে
গেলো। অনেকক্ষণ পরে আবার
অন লাইন এ গিয়ে দেখে নিশার
একটা ম্যাসেজ- সরি, আমি একটু
ব্যাস্ত ছিলাম। বলেন কি
বলবেন। তখনো নিশা
ফেইসবুকেই ছিল। তাই ওদের
অনেক কথা হয়। ওরা দুজনই নতুন।
তাই বন্ধু কম। তাই শুধু দুজনেই
অনেকক্ষণ চ্যাট করে।
এভাবে ফেইসবুকে গেলেই রাজু
আর নিশার কথা হয়। সারাদিন
কার কেমন কাটলো। কোথায়
কোথায় গেলো। কি কি করলো
ইত্যাদি। এভাবে প্রায় ২ মাস
চ্যাট করার পরে একদিন নাম্বার
দেয়া নেয়া হল। ফেইসবুকে
থাকলে চ্যাট, আর না থাকলে
ফোনে কথা। এভাবেই চলতে
থাকে। প্রোফাইল এ রাজুর ফটো
ছিলো কিন্তু নিশার ছিল না।
তাই রাজু একদিন একটা ফটো
চায়। নিশাও না করে না। বলে
রাতে দিবে। রাতে নিশা একটা
ফটো দেয়। রাজু খুব অবাক হয়।
এতো সুন্দর নিশা!!! এতো সুন্দর
একটা মেয়ে এতদিন রাজুর
সাথে চ্যাট করেছে! রাজু
অনেকক্ষণ ছবির দিকে তাকিয়ে
থাকে আর ভাবে- এতো সুন্দর
একটা মেয়ে, না জানি কখন
রাজুকে ছেড়ে দূরে চলে যায়।
রাতে যখন কথা হয় তখন রাজু
নিশার অনেক প্রশংসা করে।
আর জানতে চায় রাজুকে নিশার
কেমন লাগে। নিশা বলে
রাজুকেও তার পছন্দ হয়। রাজু
খুশিতে কুটি কুটি হয়। নিজেকে
আজ বড় দামি মনে হয়। ভাবে
এতো সুন্দরীও পছন্দ করে তাকে-
যেন ভাবাই যায়না।
এভাবে দিনের পর দিন ওদের
সম্পর্কটা বহুদূর গড়ায়। মাঝে
মাঝে মাঝে ফটো দেয়া নেয়া
চলে। রাজু মাঝে মাঝে খুব
অবাক হয়। কারণ, প্রতিটা ফটো
তেই নিশার আলাদা লুক যা
পাগল করে দেয় ওকে। একদিন
তো রাজু ওর সেই বন্ধুটাকে যে
ওকে আইডি খুলে দিছিলো সেই
রকম একটা খাবার দেয়। এভাবেই
চলে রাজুর ফেইসবুক লাইফ।
একদিন সুযোগ পেয়ে রাজু
নিশাকে ওর মনের কথা বলে
দেয়। বলে দেয় রাজুর জীবনে
নিশার প্রভাব। জানায় নিশাকে
সে অনেক ভালোবাসে। ওকে
পেলে সারাজীবন মনের মাঝে
লুকিয়ে রেখে দিবে।
সারাজীবন সুখে রাখবে। নিশাও
এই দিনটির অপেক্ষায় ছিল।
সেও রাজুর ডাকে সাড়া দেয়।
শুরু হয় এক নতুন জীবন।
আর কতো দিন এভাবে
ফেইসবুকে! সামনাসামনি
দেখতে চায় রাজু। নিশা ঢাকায়
থাকে তবে রাজুর থেকে বেশ
দূরে। ২ ঘণ্টার পথ। ভালোবাসার
জন্য শুধু ২ ঘণ্টার পথ কেন,
হাজার মাইল পারি দিতেও
রাজী আছে রাজু। তাই একদিন
সময় বের করে ওরা দেখা করার
জন্য দিন ঠিক করে। এর মাঝে
দুজনের পছন্দের জিনিসগুলো
কিনে নেয় গিফট দেয়ার জন্য।
প্রথম দেখা। খালি হাতে গেলে
হয়!
একদিন দেখা করতে গেলো
ওরা। একটা নির্দিষ্ট জায়গায়
রাজুকে আসতে বলে। ওখানে
গিয়ে নিশাকে ফোন দিলেই
সে আসবে। ওখানেই থাকে সে।
রাজু ঠিক জায়গাই গিয়ে কল
দিলো। নিশা বলল একটু
অপেক্ষা করো। আমি
আসতেছি। রাজু যেন অস্থিরতার
মধ্যে আছে। কিছুই ভাবতে
পারছে না। কি বলবে কি করবে
কিছুই ভাবতে পারছে না। রাজু
দাড়িয়ে থাকলো কিছুক্ষণ।
-
- হাই, তুমি রাজু?
-
-জী আপনি?
-
- আমি নিশা। ভালো আছো?
আসতে কষ্ট হয়নিতো?
-
-না মানে, আপনি মানে তুমি
নিশাতো তাইনা?
-
-হ্যা তাইতো। কোন সন্দেহ?
-
-না না। সন্দেহ থাকবে কেন।
-
- ওকে চলো, একটা সুন্দর
জায়গায় তোমাকে নিয়ে যাই।
আসলে এতদিনের কল্পনা গুলো
সব ভুল আর মিথ্যা প্রমানিত হয়
রাজুর। বার বার নিশার দিকে
তাকায় রাজু। অপরুপ সুন্দরী
ভাবত যাকে সেই নিশা এমন
কেন? গায়ের রং কালো, ফেইস
টাও কেমন যেন। রাজু বার বার
নিশার চোখের দিকে তাকায়।
শুধু চোখ দুটোই ফেইসবুকের
ফটোর সাথে মিলে। আর কিছুই
না। ফেইসবুকে দেয়া ফটো গুলো
সবই নিশার ছিল সেটা ঠিক,
তবে সবগুলো এডিট করা। এডিট
এর কারণে পুরোটা চেইঞ্জ।
রাজু ঘুরলো ঠিকই কিন্তু কোন
কথা বলল না। নিশা জিজ্ঞেস
করলেই শুধু উত্তর। না হলে না।
সারাক্ষণ রাজু ভাবছিল- এমনটা
কেন করলো নিশা।
যাহোক, বিকেল পর্যন্ত ঘুরে
রাজু ওর সাথে নেয়া গিফট
গুলো দিয়ে চলে আসলো। নিশা
কয়েকটা ফটো করে রাখলো
একত্রের। রাজু ওর হোস্টেলে
আসতে আসতে রাত হয়ে গেছে।
এসেই ফেইসবুকে ঢুকে দেখে
নিশা রাজুর সাথের একটা ফটো
ফেইসবুকে আপলোড করেছে।
সেই ভাবেই এডিট করা।
ক্যাপশন এ লেখা- “ মি উইথ মাই
জানু”। ফটোটা এডিট করা ছিল।
তাই রাজুকে রাজু নিজেই
চিনতে ভুল করতেছিলো।
কমেন্টে সবাই লিখতে ছিল-
ওয়াও, নাইস জুটি। কি করবে
বুঝতে না পেরে রাজুও একটা
লাইক দিলো।
রাজুর দেখা স্বপ্নটা হঠাৎ
ভেঙ্গে যাওয়ায় রাজু কি করবে
বুঝতে পারছিলো না। তবে,
ফেইসবুকের প্রতি তার টানটা
আর নেই।

30/10/2015

আমি এবং অবনী
অনেকদিন পর আজ গ্রামে
আসলাম।প্রায় দুইমাস ত হবেই।
কাজের চাপে আসতে পারি না।
আজ এসেছি অবশ্য একটা কারন
আছে। কারনটা হচ্ছে কাল
অবনীর বিয়ে।আজ গায়ে হলুদ।
অবনী সম্পর্কে আমার কাজিন
হয়।কিন্তু বাস্তবে আমরা ভাল
বন্ধু।সেই ছোটবেলা থেকে।
অবনী একটু রাগি টাইপের
মেয়ে।ছোটবেলা একবার খেলা
নিয়ে ঝগড়া বেধেছিল
আমাদের মাঝে।অবনী রাগ
কন্ট্রোল করতে না পেরে আমার
নাকে একটা ঘুষি মেরেছিল।
এখনো মাঝে মাঝে সমস্যা
দেখা দেয় নাকে।আরো অনেল
স্মৃতি আছে বলে শেষ করা
যাবে না।
বাসায় গিয়ে আব্বা-আম্মার
সাথে দেখা করে বিয়ে
বাড়িতে গেলাম অবনীকে
দেখতে।সারা বাড়িটা একবার
ঘুরে দেখলাম।সুন্দর করে
সাজানো হয়েছে।যে
সাজিয়েছে তার চয়েস আছে
বলতে হবে।একটু পর দেখলাম
অবনী আমার দিকে আসছে।খুব
সুন্দর দেখাচ্ছে অবনীকে।গায়ে
হলুদ শাড়ী, দুহাত ভর্তি মেহদী
ভালই লাগছে দেখতে।ভাবতে
ভাবতে অবনী আমার কাছে চলে
এসেছে।
এসেই অবনী বলল-- কিরে কখন
এলি?
আমি কোন উওর দিলাম না।চুপ
করে দাঁড়িয়ে রইলাম।একটু পর
অবনী আবার বলল-- কিরে উওর
দিলি না যে?
>>ভাবছি!
>>কি ভাবছিস শুনি একটু?
>>তোর বরের কথা যার সাথে
তোর বিয়ে হবে।
>>কেন?কি হয়েছে বরের?
>>না মানে তুই যেই গুন্ডা
টাইপের মেয়ে না জানি তোর
হাতে বেচারা কত মার খায়।
>>কি বললি?
অবনী রাগে গজগজ করছে।আর
রাগে রাগটা তার সাপের মত
ফুঁসছে।
>>দুঃখিত গুন্ডা হবে না।গুন্ডাত
পুংলিঙ্গ।আসলে সঠিক উচ্চারণ
হবে গুন্ডি টাইপের মেয়ে।
মেয়েটা আরো রেগে গেল।
এবার আর রাগ সহ্য করতে না
পেরে হাতের মেহেদীগুলো
আমার মুখে মেখে দিল।
একেবারে নাজেহাল অবস্থা
করে ছাড়ল।কি আর করার?
বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আবার
বিয়ে বাড়িতে আসলাম কিন্তু
অবনীর সামনে যাবার সাহস হল
না কারন মেয়েটা এখনো আমার
উপর রেগে আছে।চাচাত
ভাবিরা জোড় করে হাতে
মেহেদী পড়িয়ে দিল। এটাই
গ্রামের কালচার।ছোট দেবর
থাকলে ভাবিরা জোড় করে
হলেও মেহেদী পড়িয়ে দিবে।
পরেরদিন শুক্রবার।অবনীর
বিয়ের দিন।অনেক সুন্দর করে
সাজানো হয়েছে তাকে।আমি
কোনদিন পরী দেখিনি?পরীরা
দেখতে কেমন তাও জানি না?
কিন্তু অবনীকে দেখতে তখন
আমার চোখে পরীর মত লাগছে।
অবনী তখনো আমার উপর রেগে
আছে কারন গতকাল রাতে
তাকে "গুন্ডি" বলেছি বলে।
বিকেল পাচঁটা।আমি আমার রুমে
এসে শুয়ে আছি কারন গতকাল
রাতে একটুও ঘুম হয়নি।বাহিরে
মনে হয় ঝগড়া হচ্ছে।রুম থেকে
বের হলাম।বাহিরে গিয়ে
শুনলাম বরপক্ষ নাকি আমাদের
সাথে ঝগড়া বাধিয়েছে।তাদের
কানে নাকি কে যেন এসে
অবনীর নামে বাজে বাজে কথা
বলেছে।তারা নাকি এখন এই
বিয়ে ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছে।
আব্বা চাচাত সবাইকে দেখলাম
তাদের বুঝানোর চেষ্টা করছে
কিন্তু এক পর্যায়ে তারা চলে
গেল।এদিকে সবার মাথায় হাত
কারন বিয়ের পিড়ি থেকে
একটা মেয়ে উঠে পড়া মানে
কলঙ্ক তার উপর বাসা বাধা।
একটু পর দেখলাম সবাই আমার
দিকে তাকিয়ে আছে।বুঝলাম
না কেন? অবনীর আব্বু মানে
আমার চাচা আমাকে এসে
বললঃ- আমার একটা উপকার
করতে পারবি।
>>বলেন কি উপকার করতে
পারি?
>>আমার মেয়েটাকে বিয়ে
করতে পারবি।
আমার মাথাটা তখন কোন কাজ
করছিল না? কি করব বুঝতে
পারছি না? একটু পর আব্বু আমার
সামনে এসে হাজিরঃ- চুপ করে
থাকবি না উওর দিবি।
বুঝতে পারলাম আব্বুও চাচ্ছে
আমার সাথে অবনীর বিয়ে
হোক।একটু পর আম্মু তারপর
আস্তে আস্তে সবাই এসে
আমাকে ঘিরে ধরল।আমি তখন
কোনটা রেখে কোনটা চিন্তা
করব বুঝতে পারছিলাম না।শুধু
এতটুকু বলেছিলামঃ- আপনারা
যা ভাল মনে করে তাই করেন?
বিয়েটা হয়েই গেল।জীবনে
কোনদিন ভাবিনি অবনীকে
আমার বিয়ে করতে হবে।জীবন
সঙ্গী হিসেবে অবনীকে আমার
গ্রহন করতে হবে।
রাত ১২টা।অবনী খাটের মাঝে
বসে আছে।রুমে ঢুকলাম।অবনী
এসেই আমাকে সালাম করল।
আমি বললাম- দেখ অবনী এটা
আমার পক্ষে এটা সম্ভব না
তোকে স্ত্রী হিসেবে মেনে
নেয়া।আমি শুধু সবার চাপে পড়ে
এ কাজটা করতে বাধ্য হয়েছি।
অবনী কোন কথা বলল না।আবার
খাটের মাঝে গিয়ে বসে রইল।
আমি বারান্দায় চলে গেলাম।
গিয়ে একটা চেয়ারের উপর
বসলাম।সিগারেট কোনদিন
খাইনি।যদি তখন থাকত তাহলে
খেয়ে দেখতাম।
কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি টের
পাইনি।ভোরে অবনীর ডাকে ঘুম
থেকে জেগে উঠলাম।
আজ আমার ঢাকা ফেরার কথা
ছিল।আসতেও চেয়েছিলাম
কিন্তু কেউ আসতে দিল না।
পরেরদিন রবিবার অবনীকে
নিয়ে ঢাকায় ফিরলাম।আসতে
আসতে রাত হয়ে গেল।অবনী
রুমে ডুকেই বিছানা পত্র গুছানো
শুরু করে দিল।বিয়ের পর মনে হয়
সব মেয়েই কর্মঠ হয়ে ওঠে।আগে
যত রাগ বা জিদ আছে সব পানি
হয়ে যায়।
রুমে ফিরে সোফায় বসে কখন
যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বুঝতে
পারিনি।ঘুম ভাঙ্গল রাত ১২টার
দিকে।অবনী আমাকে ঢাকছে
>>এই ওঠ।
মেয়েটা এখনো আমাকে তুই
করেই বলছে।
>>কি হয়েছে বল?
>>খাবি না।
>>হুম।
>>টেবিলে ফ্রেশ হয়ে আয়।আমি
খাবার দিচ্ছি।
টেবিলে গিয়ে দেখি অনেক
কিছু রান্না করেছে মেয়েটা।
এভাবেই চলতে থাকে আমার
দিনগুলি।রাতে সোফায় ঘুমাতে
হয়।অবনী আমার রুমটা দখল করে
নিয়েছে।আমি অবনীকে স্ত্রী
হিসেবে গ্রহন এখনো করিনি
সেটা অবনী জানে।মেয়েটা
চেষ্টা করেই যাচ্ছে আমার
কাছে আসার জন্যে।কিন্তু আমি
সেই সুযোগ দেই না।
প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার
পর যখন প্রথম কলিং বেলটা
চাপতাম অবনী সাথে সাথে
দরজাটা খুলে দিত।মাঝে মাঝে
অফিস যাবার সময় আমার টাইটা
বেধে দিতে চাইত কিন্তু আমি
দিতাম না।
কোন একদিন অবনী আমার
টাইটা বেধে দিতে চাইল কিন্তু
দিলাম না।তখন অবনী বলল--তুই
আমাকে স্ত্রীর অধিকার না
দিলে আমার কিছুই করার নাই।
অন্তত এই টাইটা বাধার
অধিকারটুকু আমাকে দে।
আমি চেয়ে দেখলাম মেয়েটা
কাঁদছে।আমি আর কিছু বললাম
না।তাকে টাই বাধার অনুমতি
দিলাম।সেদিনের পর থেকে
অবনী আমার টাইটা বেধে দিত।
টাইটা বাধার সময় আমি
অবনীকে খুব কাছ থেকে দেখতে
পেতাম।মেয়েটা পরম যত্মে
আমার টাইটা বেধে দিত।
এভাবে প্রায় দুইমাস কেটে
গেল।
আজ কেন জানি অবনীর
চেহারটা আমার চোখের সামনে
ভাসছে?যখন সে আমার টাইটা
বেধে দেয় সেই দৃশ্যটা আমার
চোখের সামনে ভাসছে।
অফিসে একটুও মনোযোগ নেই।
শুধু অবনী অবনী অবনী।কেমন
যেন প্রেমে পড়ে গেলাম
মেয়েটার?তার প্রতি একটা
অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছে
আমার মাঝে।
রাত ১০টা মাত্র অফিসের কাজ
সেরে বাসার কাছে আসলাম।
কলিং বেলচাপতে যাব ঠিক
তখনি চিন্তায় আসল :-দেখি আজ
অবনী কত রাত পর্যন্ত অপেক্ষা
করতে পারে।
কলিংবেল চাপলাম না বাসার
নিচে মামা চায়ের দোকানে
বসে রইলাম।রাত ২টা বাজে
বাসায় ফিরলাম।এতক্ষণে হয়ত
অবনী ঘুমিয়ে পড়েছে।কিন্তু
আমার ধারনা ছিল ভুল কলিং
বেল চাপার সাথে সাথেই অবনী
দরজাটা খুলে দিল।
আমি কেমন যেন প্রেমে পড়ে
গেলাম অবনীর।একটা মেয়ে
এতটা ভালবাসে আমায় আর
আমি কিনা।ভাবতেই খারাপ
কাছে আমার।
পিছন থেকে ডাক দিলামঃ-
অবনী
অবনী পিছনে ফিরেঃ-হুম বল।
>>ভালবাসবে আমায়।
আমার মুখে এমন কথা শুনে
মেয়েটা অবাক হয়ে গেল।আমার
দিকে ৫ মিনিট ধরে রইল।
আমি আবার বললাম- ভালবাসবে
আমায়।
কিন্তু কোন উওর নেই।আমি
অবনীর কাছে গিয়ে হাতটা ধরে
বললাম- ভালবাসবে আমায়।
মেয়েটা কাঁদছে সাথে মুখে
হাসি।আমি মেয়েটাকে বুকে
টেনে নিলাম।মেয়েটা এখনো
কাঁদছে।সেদিন শুরু হল আমাদের
ভালবাসাময় বিবাহ পরবর্তী
জীবনের প্রথম রাত।
পরেরদিন সকাল ৯টা।মেয়েটা
এখনো টাই বেধে দেবার জন্য
আসছে না।আগেত তাড়াতাড়ি
চলে আসত।অনেকক্ষণ
অপেক্ষায় পর আমি অবনীকে
ডাক দিলামঃ-অবনী
রান্না ঘর থেকে উওর আসল;- হুম
বল।
>>এদিকে আস।
অবনী আসল এবং বলল:- কি
হয়েছে বল?
>>টাইটা বেধে দাও।
>>আমি পারব না।নিজেরটা
নিজে বেধে নাও।
>>মানে কি? এতদিনত টাইটা
বেধে দেবার জন্যে অনেক
আগ্রহী ছিলে আজ কেন এমন
করছ?
>>এতদিন তুমি আমাকে কোন
অধিকার দাও নি।তাই টাইটা
যাতে বেধে দিতে পারি সেটা
চেয়ে নিয়েছি।আজ যেহেতু সব
অধিকার আমাকে দিয়েছ তাই
এটা আমি বয়কট করলাম।
অবনী একটা হাসি দিয়ে চলে
গেল।আমি চেয়ে রইলাম তার
দিকে আর ভাবলাম মেয়েরা
পারেও বটে।
বি:দ্রঃ-গল্পটা সম্পূর্ণ
কাল্পনিক।এতে বাস্তবতার
সাথে কোন মিল নেই।

24/10/2015

অপূর্ব এক সুন্দরী মেয়ে একটি
ঔষধের
দোকানের সামনে চুপ করে
দাঁড়িয়ে আছে।
মনে হচ্ছে যেন, সে
দোকানের ভীড় কমার
জন্য অপেক্ষা করছে।
দোকানের মালিক
তার
দিকে বেশ সন্দেহের দৃষ্টিতে
তাকাচ্ছে
মাঝে মাঝে। ভাবছে, সে কি এমন
কিছু
কিনতে এসেছে যেটা সবার
সামনে বলতে
লজ্জা পাচ্ছে?
এই ভেবে দোকানের মালিক
মনে মনে
চাইছে, ভীড়টা যেন দ্রুত কমে
যায়; তাতে
ঔষধ বিক্রি কিছুটা কমলেও ক্ষতি
নেই।
যাই হোক, অনেক্ষণ দাঁড়ানোর পর
অবশেষে
দোকানটা একটু ফাঁকা হলো।
মেয়েটি তখন
দোকানে ঢুকে দোকানের
মালিককে
ঈশারায় কাছে ডেকে সলজ্জ
ভঙ্গিতে এক
টুকরো কাগজ এগিয়ে দিয়ে ফিসফিস
করে
বলল-
আঙ্কেল-
আমার না .....
আমার না .....
কি করে যে বলি?
আমার না এক ডাক্তারের সঙ্গে
বিয়ে
পাকা
হয়েছে। আর আজ ওর প্রথম চিঠি
পেয়েছি।
ডাক্তারের হাতের লেখাতো
আপনারাই
পড়তে পারেন। তাই, একটু পড়ে
শোনাবেন?
আমি না কিচ্ছু বুঝ

24/10/2015

"কিছু না " এই কথার মাঝে অনেক কিছু
লুকায়িত থাকে..?কখনো থাকে
রাগ,কখনো থাকে না বলা কষ্ট.!
আবার
কখনো থাকে আবেগ মিশ্রিত
ভালবাসা..?

24/10/2015

স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার
শেষে
স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কী রে দোস্ত,
পরীক্ষা
কেমন হলো ?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে
দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত
পাবো

১ম বন্ধুঃ কীভাবে ?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার
জন্য ছিল ৫ নম্বর ! তাই আমি
পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা
আচড়ও দেইনি ! তাই ৫ নম্বর নিশ্চিত
পাবো ।
১ম বন্ধু :- হায়! সর্বনাশ হয়েছে-
আমি ও তো তোর মতো
পরীক্ষার
খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি !
আমাদের দুই জনের খাতাই একই রকম
দেখলে- টিচার মনে করবে না যে
আমরা
দুজনে নকল করেছি!

24/10/2015

❀১ বছরের মুল্য বুঝতে চান?
তাকে জিজ্ঞেস করুন,
যে পরীক্ষায় পাশ করতে
পারেনি....

❀১ মাসের মুল্য বুঝতে চান?
তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে তার
বেতন
পায়নি....

❀ ১ সাপ্তাহের মুল্য বুঝতে চান?
তাকে জিজ্ঞেস করুন,
যে হাসপাতালে ভর্তি ছিল....
↓ ❀ ১ দিনের মুল্য বুঝতে চান?
তাকে জিজ্ঞেস করুন,
যে রোজা রেখেছিল...

❀ ১ ঘন্টার মুল্য বুঝতে চান?
তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে
প্রিয়জনের
অপেক্ষায়
ছিল.....

❀ ১মিনিটের মুল্য বুঝতে চান?
তাকে জিজ্ঞেস করুন,
যে ট্রেন মিস করেছিল.....
↓ ❀ ১ সেকেন্টের মুল্য বুঝতে
চান?
তাকে জিজ্ঞেস করুন,
যে এক্সিডেন্টের হাত থেকে
রক্ষা
পেল...

❀ প্রতিটা মুহুর্ত খুব মুল্যবান..
গতকাল ইতিহাস... আগামীকাল
অজানা...
কিন্তু আজকের দিনটা আমাদের জন্য
আল্লাহ তায়ালার উপহার......

24/10/2015

■মহররমের দশ তারিখের মাহাত্ম্য■
♢এই দিন হযরত আদম আঃ এর তওবা
কবুল
হয়।
♢এই দিন হযরত নূহ আঃ এর কিশতী
জুদী
পাহাড়ে ভিরে।
♢এই দিন হযরত মুসা আঃ লোহিত সাগর
পার হন।
♢এই দিন হযরত ঈসা আঃ জন্ম গ্রহন
করেন।
♢এই দিন হযরত ঈসা আঃ কে আকাশে
উঠানো হয়।
♢এই দিন হযরত ইদ্রিস আঃ কে
আকাশে
উঠানো হয়।
♢এই দিন হযরত ইউনুস আঃ মাছের
পেট
থেকে নাজাত পান।
♢এই দিন হযরত ইউসুফ আঃ কূপ
থেকে
উদ্ধার পান।
♢এই দিন হযরত সুলাইমান আঃ
বাদশাহী পান।
♢এই দিন হযরত ইব্রাহিম আঃ জন্মগ্রহণ
করেন।
♢এই দিন নমরূদের অগ্নিকুণ্ড ,হযরত
ইব্রাহিম আঃ এর জন্য শীতল হয়।
♢এই দিন হযরত হুসাইন রাঃ শহীদ হন।
♢এই দিন দুনিয়া ও কিয়ামত হবে।
( ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻋﻠﻢ ﺑﺎﻟﺼﻮﺍﺏ ﻭﺇﻟﻴﻪ ﺍﻟﻤﺮﺟﻊ
ﻭﺍﻟﻤﺎﺏ )............................. ..........

24/10/2015

কেউ হাসবে কেউ হাসাবে, কেউ
কাঁদবে কেউ কাঁদাবে! কেউ ঘৃনা
করবে, আবার কেউ ভালোবাসবে!
কেউ মনে রাখবে, আবার কেউ
ভুলে যাবে! কেউ ফেলে দিবে,
কেউ বা আবার তুলে নিবে! কেউ
জিতবে, কেউ হারবে, কেউ বা
আবার হারিয়ে যাবে! কারো ইচ্ছা
পূর্ণ হবে, আবার কারো ইচ্ছা
অপূর্ণই থাকবে! আর........জীবন
নামের নৌকাটা - - - নিঃশেষ অবধি
এভাবেই চলতে থাকবে

09/10/2015

●বল্টু লেট করে ক্লাস এ
এসেছে। স্যার বিজ গনিত এর ক্লাস
নিচ্ছেন।
বল্টুঃ (দরজার সামনে দারিয়ে)
may i coming sir?
স্যারঃ no.
এবারে স্যার অন্য ছাত্রদেরকে
সেখাচ্ছেন যে সব সময়ই
'minus and minus plus' হয়।
বল্টু আবারঃ may i coming sir?
স্যারঃ no.
বল্টু ক্লাস-এ ঢুকে পড়লো।
স্যারঃ বেআদব ছেলে কোথাকার?
তোমাকে না ক্লাস এ ঢুকতে
নিষেধ
করলাম? ঢুকলা কেনো?
বল্টুঃ স্যার,
'minus and minus
এ যদি plus হয়? no and no তো
yes হবেই।

Address

Lakshmipur

Telephone

+8801747371912

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dighali High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category