31/10/2017
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে দুর্বৃত্তকারী ও সন্ত্রাসীদের দ্বারা নগ্নহামলা ঘটানোর প্রতিবাদে,
♦ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জ্ঞাপন করছি ♦
""""""""""""""""""""""""""""""""""
গত ২৮'শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং
তারিখে, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের মাঝে ত্রান-সামগ্রী বিতরণের উদ্দেশ্যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল [বিএনপি]'র, চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া'র নেতৃত্বে বিপুল পরিমাণ ত্রাণ-সামগ্রীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে, পথিমধ্যে দেশবিরোধী কিছু দুর্বৃত্তকারীরা মহাসড়কে গাছ ফেলে দফায় দফায় বাঁধা সৃষ্টি করে।
এসববাঁধা অতিক্রম করে গাড়িবহরটি সামনের দিকে আগাতে থাকলে,পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে ওঁতপেতে থাকা একশ্রেনীর অগণতান্ত্রীক গোষ্টির মদদপুষ্ট বেশকিছু সন্ত্রাসীরা বেগম জিয়া'কে হত্যার অপপ্রয়াসে অতর্কিত হামলা চালায়।
এসময় চেয়ারপারসনের সাথে থাকা দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতিরোধের মুখে হামলাকারী সন্ত্রাসীরা দেশনেত্রীকে বহনকরা গাড়ি এবং বহরের অন্যান্ন বেশ কিছু গাড়ি ভাংচুর করে পালিয়ে যায়।
বহরের সাথে থাকা সাংবাদিকরাও ঐসব অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হামলার স্বীকার হয়ে আহত হয়।
এঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন আসে, যেদেশে তিন তিন'বার নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম বৃহত্তম একটি দলের দলীয় প্রধানের উপর যদি প্রকাশ্য দিবালোকে এরুপ ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটতে পারে তবে সেদেশে একজন
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়...?
এরথেকেও বেশি সংশয়ের ব্যাপার, এরকম ঘৃন্যতম নগ্ন হামলার ঘটনা অবশ্যই প্রমাণ করে, এদেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আজ অবস্থান করছে, সীমানার অনেক বাইরে।
এমতাবস্থায় দেশ ও জনগনের স্বার্থে, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা আর স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে প্রয়োজন ঘরে ঘরে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলে এসব দেশবিরোধী শক্তিকে দৃঢ়হাতে রুখে দেয়া...।