ALO Voggoponno Uthpadonmukhi Somobai Somiti Ltd

ALO Voggoponno Uthpadonmukhi Somobai Somiti Ltd ALO (Light) is the torchbearer of rural development programs,Such as poverty alleviation,Socioeconomic activities in the backward and for under privileged.

ALO is not only an organization but a commitment towards the socioeconomic development of Bangladesh to served the suffering population of the rural area as well as SLUM dwellers in the towns and cities of the country,who are less and least privileged in the society. certainly, we can say that we have vested all our efforts and financial supports to the benefits of the poor people,distress persons

,home less and land less cultivators as to see them self-confident.Using modern technology and equipment in their social life in the field of Education,Cultivation,irrigation,Afforestation and plantation,dairy Farming and also extending Medicare with pure drinking water as well as nutrition program to the children to wipe out the sorrow,poverty and diseases from society. Our view,To irradiate the drug abuse and to resist the erosion of moral and ethical values and stagnation of social activities.

আলো ভোগ্যপন্য উৎপাদনমূখী সমবায় সমিতি লি:,যাএা শুরু করেছে ২০১৫ সালে।কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার অর্ন্তগত কিছু গ্রামে প্রাথমিক ভাবে যাএা শুরু করে। মুন্সী শাহিনুর মুনীর টুটুল,জনাব আব্দুল হামিদ বিপুল এর কঠোর পরিশ্রম,প্রচেষ্টা,তথাপি বিভিন্ন ধ্যান- ধারনা,চিন্তা - চেতনা থেকে এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম।সার্বিক তত্বাবধায়নে আছেন কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সু-যোগ্য সভাপতি এবং আলো গ্রুপের মাননীয় পরিচালক জনাব গাজী মাহাবুব রহমান।বর্তমানে একটি ভিন্ন ধর্মী সমবায় সমিতি হিসাবে যথেষ্ট সুনামের সাথে কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে এই সমবায় টি।***ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প,অর্থনৈতিক মুক্তির মূল মন্ত্র*** নামক স্লোগান নিয়ে এই সমবায়ের পথ চলা শুরু হয়।আলো সমবায়ের বর্তমান বাস্তবায়িত প্রকল্প:-
১/ ছাগল পালন
২/ ভেড়া পালন
৩/ হাঁস পালন
৪/ মৎস চাষ প্রকল্প
৫/বৃহত সবজী ও ফলজ বাগান প্রকল্প।
আলো সমবায় সমিতি এই ক্ষুদ্র সময়ে কুষ্টিয়া জেলার প্রথম সারির একটি সমবায়।যার ভবিষ্যত পরিকল্পনা হল,বেকার মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং হত দরিদ্র মা,বোনের পাশে এসে দারানো।এটি আমাদের একটি সামাজিক আন্দোলন।----

১ জুন কাটারি ধান সাপ্লাই দিসিলাম ১,৩৬৫ টাকা রেট এ। আজকে অর্ডার কাটলাম ১,৫৯৫ টাকা রেট এ। ২২ দিন, দাম বাড়সে ২৩০ টাকা, ১৭% ...
24/06/2025

১ জুন কাটারি ধান সাপ্লাই দিসিলাম ১,৩৬৫ টাকা রেট এ।
আজকে অর্ডার কাটলাম ১,৫৯৫ টাকা রেট এ।
২২ দিন, দাম বাড়সে ২৩০ টাকা, ১৭%

এই লাভ এর গুড় কে খাচ্ছে? কৃষক অবশ্যই না। যাদের ক্যাশ আছে, স্টক করার সক্ষমতা আছে তারা। এই বেনিফিট কৃষক পর্যন্ত যাবে কীভাবে?

সারা বাংলাদেশে ১০ হাজার গুদাম / ওয়ারহাউজ বানাতে চাই। প্রতি ইউনিয়নে ২টি করে। কৃষক আসবে, তারা প্রডাক্ট দিবে, কিউসি হবে। একটা ই আর পি জেনারেটেড চালান আসবে।

ব্যাক-এন্ড এ কয়েকটা ব্যাংক থাকবে, যারা এই চালান ধরে কৃষককে ৭০%-৮০% টাকা দিয়ে দিবে। এই লোন পেতে কোন জমি / বাড়ি লাগবে না, ফসলই কোল্যাটারাল।

একটা প্ল্যাটফর্ম থাকবে যারা এই ফসলকে ফরোয়ার্ড মার্কেট এ কানেক্ট করবে। মাল বিক্রি হবে হাই প্রাইসে। কখন বন্যা চলে আসে আর কখন লোনের টাকা ফেরত দিতে হয় এই ভয়ে কৃষক সাথে সাথে আর মাল বেঁচে দিবে না। এইটা এমন কোন রকেট সায়েন্স না। আমাদের স্ট্যাচার এর কোম্পানিই বছরে ১০ ডিজিট ফরোয়ার্ড ট্রেড করে দিতে পারবে চোখ বন্ধ করে।

এবার কৃষক ১-২ মাস সময় নিয়ে এই পণ্য বাজারে বেচবে। বেচা হলে ব্যাংক প্রথমে তার পয়সা পাবে, তারপরে পাবে গুদামের ম্যানেজমেন্ট, তারপরে পাবে কৃষক।

একটা কোন সিঙ্গেল কোম্পানিকে এই পুরা কাজ দেয়া যাবে না। বরং পুরা জিনিস ফ্র্যাঞ্চাইস আউট করতে হবে। জাস্ট চিন্তা করেন এই ফ্র্যাঞ্চাইস যদি কোন একটা সরকার তার পলিটিক্যাল হায়ারারকি দিয়ে করায় - পুরা রুরাল ইকোনমি’র কন্ট্রোল তার কাছে থাকবে। যেখানে এই ওয়ারহাউজ তৈরি হবে সেখানে ইন্টারনেট লাগবে। লেবার লাগবে, ট্রাকের সাপোর্ট লাগবে। ব্যাংকের এটিএম বুথ লাগবে। যে পরিমাণ এফিলিয়েটেড ব্যবসা তৈরি হবে, সেটার মাধ্যমে গ্রাসরুটের ছেলেপেলেকে টাকা কামানোর রাস্তা করে দিতে পারলে - অনেক ক্যাওস কমবে।

এবার আসেন, এই পুরা জিনিস এ কৃষকের আরেকটা লাভ হবে। এক সিজনে কৃষকে ইনফরমাল থেকে ফরমাল ইকোনোমিতে এলিভেট করে যাবে। এখন তার আর ২৪% এর লোন নিতে হবে না, মহাজনের কাছে গয়না বন্ধক দিতে হবে না। সে ভবিষ্যতে কৃষি ব্যাংকের সিংগেল ডিজিট লোন পাবে।

দেখেন ঢাকার একটা রিকশাওয়ালার ইনকাম হয়তো গার্মেন্টস শ্রমিকের চেয়ে বেশি। কিন্তু গার্মেন্টস শ্রমিকের একটা ক্লাস আছে। সে প্যান্ট পড়ে অফিস যায়, কার্ড পাঞ্চ করে বেতন তোলে। কৃষিতে গ্রামীণ সমাজে এই ক্লাস টা আনতে হবে। নাহলে বড় দুর্দিন।

করবেন নাকি আমাদের আমুল - আমাদের ইউনিয়ন ভিত্তিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জ?

©Dipto Da- Founder

এক জন কৃষক তার জমিতে প্রচুর মূলা চাষ করেন। কিন্তু তিনি খেয়াল করলেন যে মূলার পাতাগুলো কেউ কিনতে চায় না। পাতাগুলো সাধারণ...
09/02/2025

এক জন কৃষক তার জমিতে প্রচুর মূলা চাষ করেন। কিন্তু তিনি খেয়াল করলেন যে মূলার পাতাগুলো কেউ কিনতে চায় না। পাতাগুলো সাধারণত ফেলে দেওয়া হতো। কৃষক খুব হতাশ হয়ে পড়লেন।

একদিন তিনি জাপানে গেলেন এবং সেখানে গিয়ে দেখলেন যে লোকেরা মূলার পাতা কিনে খাচ্ছে। তিনি আরও জানতে পারলেন যে জাপানে মূলার পাতার অনেক চাহিদা রয়েছে এবং এগুলো বেশ দামি।

তখন কৃষকের মনে হলো, কেন না তিনি তার মূলার পাতাগুলো জাপানে বিক্রি করার চেষ্টা করেন? তিনি কিছু পাতা নিলেন এবং জাপানে গিয়ে সেগুলো বিক্রি করার চেষ্টা করলেন।

প্রথমে কেউ তার কথা বিশ্বাস করলো না। সবাই বললো, "এগুলো তো মূলার পাতা! এগুলো কেউ খায় নাকি?"
কিন্তু কৃষক হাল ছাড়লেন না। তিনি বিভিন্ন দোকানে গিয়ে তাদের মূলার পাতার উপকারিতা সম্পর্কে বোঝালেন। তিনি বললেন যে মূলার পাতায় প্রচুর ভিটামিন এবং মিনারেল রয়েছে। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

কিছুদিন পর একজন দোকানদার তার কথা বিশ্বাস করলো এবং তার কাছ থেকে কিছু মূলার পাতা কিনলো।

দোকানদার পাতাগুলো তার দোকানে বিক্রি করলো এবং সেগুলো খুব তাড়াতাড়ি বিক্রি হয়ে গেল।

তখন অন্য দোকানদারেরাও কৃষকের সাথে যোগাযোগ করলো এবং তার কাছ থেকে মূলার পাতা কিনতে শুরু করলো। ধীরে ধীরে কৃষকের মূলার পাতা জাপানে খুব জনপ্রিয় হয়ে গেল।

কৃষক অনেক টাকা কামালেন এবং তার জীবনযাত্রার মান উন্নত হলো।

এই গল্প থেকে আমরা শিখতে পারি যে কোনও জিনিসের মূল্য তখনই হয় যখন কেউ তার মূল্য দিতে রাজি থাকে। আপনার যদি কোনও জিনিসের মূল্য না থাকে, তাহলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আপনি আপনার স্থান পরিবর্তন করুন এবং নতুন করে শুরু করুন। হয়তো সেখানে আপনার মূল্য কেউ দেবে।

মূল বার্তা: নিজের মূল্য চিনতে শিখুন এবং সঠিক জায়গায় নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগান।

"বর্তমানে বাংলাদেশ মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটির বেশি। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মীর সংখ্যা মাত্র ১৪ লাখ। ধরে নিলাম, প্রতি পরিবারে প...
19/12/2024

"বর্তমানে বাংলাদেশ মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটির বেশি। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মীর সংখ্যা মাত্র ১৪ লাখ। ধরে নিলাম, প্রতি পরিবারে পাঁচজন মানুষ আছে। সে ক্ষেত্রে ৭০ লাখ মানুষকে সরকার স্বস্তি দিল মহার্ঘ ভাতা দিয়ে। ধরে নিলাম, আরও ৭০ লাখ মানুষ আছে, যাদের মূল্যস্ফীতির খড়্গ খুব একটা স্পর্শ করবে না। এরা হলেন সমাজের বিত্তবান মানুষ। সুবিধাভোগী অংশ। কিন্তু এর বাইরে যে ১৫ কোটি মানুষ আছে, তাদের কী হবে?"

এই ছেলেটি আমার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সে কৃষক হতে চায়। মাছ ধরবে - মাছ চাষ করবে - গরু পালবে। মুরগীর খামার করবে। আমি চাই সে ক...
12/12/2024

এই ছেলেটি আমার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সে কৃষক হতে চায়। মাছ ধরবে - মাছ চাষ করবে - গরু পালবে। মুরগীর খামার করবে। আমি চাই সে কৃষি বিশ্ববিদ‍্যালয়ে পড়ুক। সে স্কুলেই যেতে চায় না। কারণ স্কুলে কৃষিকাজ শেখায় না। আর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাস করা ছেলে হয় ব‍্যাংকের অফিসার। এদের জন‍্য এই সমাজ ও পরিবেশ বন্ধুভাবাপন্ন না। কৃষকের এখনো সম্মান নাই। কৃষকের ফসল প‍্যাকেটে আর বোতল বেচে প্রাণ আর রূচি। স্পন্সর করে পুরস্কার দেয় নাচ গান অভিনয়ে। কৃষকদের কিছু আছে? আমাদের এখন দরকার কৃষি স্কুল। এরা কৃষি স্কুলেই পড়বে। বড় হয়ে পাকা কৃষক হবে। কৃষিতে পিএইচডি করার মতো জ্ঞান থাকবে তাদের। এই পরিকল্পনা দরকার এখন। সকল থানায় কৃষি স্কুল। এই মাছটা আমাদের পুকুরের মাছ! অর্গানিক কাতলা।

- শুভ্র হাসান

19/09/2024

মাসুদের পাশেও মানুষ ছিলো, ছিলোনা শুধু জল।
খাবার খেয়ে তৃপ্তিতে মরেছে এতিম তোফাজ্জল।

14/09/2021

আসন্ন কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচনে মাহবুব-ডাবলু পরিষদের প্যানেল...

Address

Alo Bhobon
Kushtia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ALO Voggoponno Uthpadonmukhi Somobai Somiti Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ALO Voggoponno Uthpadonmukhi Somobai Somiti Ltd:

Share

Category