বাঁশগ্রাম বাজার, বাগুলাট, কুমারখালী, কুষ্টিয়া

  • Home
  • Bangladesh
  • Kushtia
  • বাঁশগ্রাম বাজার, বাগুলাট, কুমারখালী, কুষ্টিয়া

বাঁশগ্রাম বাজার, বাগুলাট, কুমারখালী, কুষ্টিয়া বাঁশগ্রাম, কুমারখালি, কুষ্টিয়া, খুলন?

বাঁশগ্রাম বাজার খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি সুপ্রাচীন ও ব্যস্ততম বাজার। বহু বছরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতির কারণে এটি কুমারখালি উপজেলার অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের সমাগমে বাজারটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত, যা স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৃষিপণ্য, নিত্যপ্

রয়োজনীয় সামগ্রী ও অন্যান্য ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে বাঁশগ্রাম বাজার স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ।

#বাঁশগ্রামবাজার #কুষ্টিয়া #কুমারখালি #বাগুলাটইউনিয়ন #বাংলারবাজার #প্রাচীনবাজার #লোকসমাগম #বৃহৎবাজার #ব্যবসাকেন্দ্র #অর্থনীতি #বাণিজ্য #কৃষিপণ্য #খুলনাবিভাগ #বাংলাদেশ #বাজারসংস্কৃতি #স্থানীয়অর্থনীতি #গ্রামবাংলা #বাংলারঅর্থনীতি #লোকালট্রেড #রুরালমার্কেট

15/07/2025

"যতক্ষণ মানুষ স্বপ্ন দেখে, ততক্ষণই সে বাঁচে।"

02/01/2025

যত বার করিবে হরণ
তত বার হবে জনম ।।

সত্য বল সুপথে চল
ওরে আমার মন ।।
সত্য বল সুপথে চল
ওরে আমার মন ।।

শিক্ষিত হওয়ার চাইতে সুশিক্ষিত হয়ে গড়ে ওঠাই আসল শিক্ষা। – এরিস্টটল
02/02/2023

শিক্ষিত হওয়ার চাইতে সুশিক্ষিত হয়ে গড়ে ওঠাই আসল শিক্ষা। – এরিস্টটল

শিক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যার মধ্যে দিয়ে পৃথিবীকে বদলে ফেলা যায় - নেলসন ম্যান্ডেলা
29/01/2023

শিক্ষা হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যার মধ্যে দিয়ে পৃথিবীকে বদলে ফেলা যায় - নেলসন ম্যান্ডেলা

মানুষের মরণ আমাকে বড় আঘাত করে না, করে মনুষ্যত্বের মরণ দেখিলে।
28/01/2023

মানুষের মরণ আমাকে বড় আঘাত করে না, করে মনুষ্যত্বের মরণ দেখিলে।

ড. মুহাম্মদ খানী বলেন, একদা আমি আমার গাড়িতে বসা ছিলাম, হঠাৎ প্রায় ষোল বছর বয়সী এক বালক এসে আমাকে বলল, স্যার আমি কি আপনা...
08/12/2022

ড. মুহাম্মদ খানী বলেন, একদা আমি আমার গাড়িতে বসা ছিলাম, হঠাৎ প্রায় ষোল বছর বয়সী এক বালক এসে আমাকে বলল, স্যার আমি কি আপনার গাড়ির সামনের গ্লাসগুলো পরিস্কার করে দিতে পারি?
আমি বললাম হ্যা।
সে অত্যন্ত সুন্দর করে গ্লাস পরিস্কার করে দিলে আমি তার হাতে ২০ডলার গুজে দিলাম।
ছেলেটি কিছুটা অবাক হয়ে বলল, আপনি কি আমেরিকায় থাকেন?
আমি বললাম হ্যা। কেন?
সে বলল, আমি কি এই ২০ ডলারের পরিবর্তে সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে কিছু কথা জানতে পারি?

আমি তার বিনয় ও লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে তাকে কাছে ডেকে নিয়ে আলাপ শুরু করে দিলাম।
আলাপের শেষ দিকে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম তুমি এভাবে রাস্তায় গাড়ি পরিস্কারের কাজ করে বেড়াচ্ছ কেন তুমি তো একজন মেধাবী ছাত্র?
উত্তরে সে বলল,
আমার দু বছর বয়সেই আমার আব্বু মারা যান। আমার মা মানুষের বাড়িতে বুয়ার কাজ করে। আমি এবং আমার ছোট বোন বাইরে টুকটাক কাজ করে বেড়াই বাড়তি কিছু রোজগারের আশায় যা দিয়ে আমাদের লেখাপড়ার খরচ চলে। আমি শুনেছি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নাকি মেধাবী ছাত্রদের উচ্চতর লেখাপড়ার জন্য স্কলারশিপ দেয়। আমার খুব ইচ্ছা সেখানে পড়ার।
কিন্তু সেখানে আমাকে সাহায্য করার মত তো কেউ নেই।

আমি বললাম চল আগে আমরা একসাথে ডিনার করি।
সে বলল একটি শর্তে কবুল করতে পারি। আর তা হল বিনিময়ে আমি আপনার গাড়ির পেছনের গ্লাসগুলোও পরিস্কার করে দেব।

আমি কথা না বাড়িয়ে তা মেনে নিয়ে হোটেলে ঢুকলাম।খাবার অর্ডার করলে সে ওয়েটারকে বলল তারগুলো পার্সেল করে দিতে। সে বাসায় গিয়ে তার মা আর বোনকে নিয়ে খাবে। খেয়াল করলাম তার ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অসামান্য।

বিদায় বেলায় সিদ্ধান্ত হল সে তার কাগজপত্রগুলো আমাকে দিবে, আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করব।
এভাবে দীর্ঘ ছয়মাস পর আমি তাকে আমেরিকা এনে ভালো একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে সক্ষম হলাম।
সে তার তার মেধা ও অধ্যাবসায়ের জোরে কয়েক বছরের মধ্যেই আধুনিক টেকনোলজির কনিষ্ঠ টেক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। নিউইয়র্ক টাইমসের পাতায় তাকে নিয়ে লিড নিউজ হলে সারা বিশ্বে হইচই পড়ে যায়।

তার ঈর্ষনীয় সফলতায় আমি ও আমার পরিবার যারপরনাই আনন্দিত হই।
এদিকে তাকে না জানিয়ে তার মা ও বোনের ভিসা ব্যবস্থা করে আচমকা তার সামনে আমেরিকায় নিয়ে এসে তাকে বড়সড় সারপ্রাইজ দিয়ে চমকে দেই। তাদের দেখে সে বোবা বনে যায়। এমনকি কাদতে পর্যন্ত ভুলে যায়।

তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা শিক্ষকদের একজন ছিলেন।

তারও কিছুদিন পর আমি একদিন বাসা থেকে রাস্তার দিকে তাকিয়ে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাই। দেখি সে বাইরে দাঁড়িয়ে আমার গাড়ির গ্লাসগুলো পরিস্কার করছে!
চটজলদি দৌড় গিয়ে তাকে বাধা দিয়ে বলি এগুলো কি করছো?
সে অশ্রুসজল চোখে বলল, ছাড়ুন স্যার! আমাকে আমার কাজ করতে দিন। যেন আমি আমার পরিচয় ভুলে না যাই। আমি মনে রাখতে চাই আমি কি ছিলাম আর আজ কি হলাম এবং আপনি আমার জন্য কী করেছেন।

এই সেই ফরিদ আব্দুল আলী। যিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসিদ্ধ প্রফেসর ছিলেন।

উল্লেখ্য, উপরোক্ত ঘটনাটি নিয়ে পুরোপুরি কোন কোন ওয়েব পোর্টালে প্রশ্ন তোলা হলেও আমরা এখান থেকে কৃতজ্ঞতার শিক্ষাটি গ্রহণ করতে পারি, যেটি ধীরে ধীরে আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে।

[Collected]

17/11/2022

আসল দারিদ্র
16/11/2022

আসল দারিদ্র

Address

বাঁশগ্রাম, কুমারখালি, কুষ্টিয়া, খুলনা, বাংলাদেশ
Kushtia
7000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাঁশগ্রাম বাজার, বাগুলাট, কুমারখালী, কুষ্টিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share