01/12/2025
“স্বৈরাচারের দোসরদের ছত্রচ্ছায়ায় কুলাউড়া উপজেলা রাজনীতি, সত্য এখন প্রকাশ্য”
বিগত রাতের উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় রাজনীতির যে কুশীলবরা ছায়া হয়ে কাজ করেছে, তাদের নাম এখন আর গোপন নয়। সাবেক রাতের ভোটের স্বৈরাচারী এমপি নাদেল, স্বৈরাচারী ডাকাত মেয়র সিপার এবং সাবেক চেয়ারম্যান সালমানের সরাসরি সহযোগিতা ছাড়া শাহেদ কি উপজেলা চেয়ারম্যান হতে পারতেন?
উত্তরটা সবাই জানে, কিন্তু উচ্চারণ করার সাহস সবার নেই।
শাহেদ এই ত্রিমূর্তির ছায়াতেই রাজনীতি করেছেন, তাদের সাথেই করেছেন লিয়াজু, আর তাদের ইশারাতেই উপজেলার বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করা থেকে শুরু করে বাধা দেওয়া—সব কিছুই ঘটেছে প্রকাশ্যে। আলালপুর জলসায় সাবেক ডাকাত পলাতক মেয়র সিপারের গরু দান এতটুকুই প্রমাণ করে পলাতক স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর সাথে শাহেদের সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে।
বদরুজ্জামান সজল কেন কথা বললেন এটাই এখন সাহেদের অনুচরদের গা জ্বালার কারণ
৬ নং টিলাগাঁও ইউনিয়নে বদরুজ্জামান সজল যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা নতুন কিছু নয় বরং সত্যকে সাহস করে উচ্চারণ করেছেন তিনি। সজল পরিষ্কার বলেছেন:
“সাহেব কিবলা সবার শ্রদ্ধার মানুষ। কিন্তু বিগত স্বৈরাচারের ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার পুত্র হুসাম উদ্দিন ফুলতলীর নাম ভাঙিয়ে এমপি হয়ে আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। আল ইসলা সিলেটের একটি আঞ্চলিক সংগঠন এই বাস্তবতা মনে রাখা জরুরি এবং তারা আওয়ামীলীগের দুসর ।”
এই কথাগুলো অনেক আগেই বলার প্রয়োজন ছিল—but সাহস করে যেদিন বললেন, সেদিন থেকেই শুরু হলো অনলাইন বুলিং, হুমকি-ধামকি ও চরিত্রহননের নোংরা প্রচারণা।
এই সত্য উচ্চারণের পর থেকেই শাহেদের সমর্থক চক্র সজল সাহেবের বিরুদ্ধে অনলাইন বুলিং শুরু করেছে। কে এই বদরুজ্জামান সজল?
তিনি বারবার নির্বাচিত কুলাউড়া ব্যবসায়ী সমিতির নেতা, একজন সামাজিক সংগঠক—যিনি বাধ্য হয়ে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে ছবি তুলেছেন বলেই আজ তাকে লক্ষ্য বানানো হচ্ছে।
কিন্তু লজ্জার চূড়ান্ত হয়েছে যখন তার সহধর্মিণীকে টার্গেট করে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করা হচ্ছে। তিনি কখনোই কোনো রাজনৈতিক পদে ছিলেন না; জেলা পরিষদের নির্বাচনে তিনি ছিলেন নির্জন প্রার্থী। পরিবারের একজন নারী সদস্যকে নিয়ে হেনস্তা এটি কেবল নিকৃষ্ট মনমানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
জাতীয় পার্টিকে আটকে রেখে শাহেদ কীভাবে ভোটে? প্রশ্ন একটাই যদি স্বৈরাচারী আওয়ামী দোসরদের কারণে জাতীয় পার্টি স্বাধীনভাবে নির্বাচন করতে না পারে, তবে শাহেদের মতো একজন ব্যক্তি কীভাবে সামনের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন? উত্তর পরিষ্কার: স্বৈরাচারী চক্রের সঙ্গে শাহেদের গভীর যোগসূত্রই তাকে রক্ষা করছে। আমরা দাবি করছি শাহেদকে গ্রেপ্তার করলেই পলাতক মেয়র সিপার, রেনু এবং তাদের পুরো দুর্নীতিবাজ গ্যাং কোথায় লুকিয়ে আছে, তা বেরিয়ে আসবে। আলালপুরের জলসায় পলাতক সিপারের গরু দান পর্যন্ত হয়েছে শাহেদের মাধ্যমে এটাই প্রমাণ তাদের নেপথ্য আঁতাতের।
প্রশাসন না ঘুমিয়ে জেগে উঠুন না হলে প্রমাণ হবে ৫ আগস্টের পরে আপনার এখনো সেইমই আছেন শুধু হয়তো পোশাক পাল্টেছে!