বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুলাউড়া উপজেলা

  • Home
  • Bangladesh
  • Kulaura
  • বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুলাউড়া উপজেলা

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুলাউড়া উপজেলা খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণ-আন্দোলন গড়ে তুলুন।
ধর্ম বর্ণ ভিন্ন মত সবার জন্য খেলাফত।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বিকেএম)

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুলাউড়া উপজেলা শাখার পুনর্গঠন সম্পন্ন----কুলাউড়া | ১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (ব...
15/07/2026

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুলাউড়া উপজেলা শাখার পুনর্গঠন সম্পন্ন----

কুলাউড়া | ১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বিকেএম) কুলাউড়া উপজেলা শাখার শুরা অধিবেশন শাখা সভাপতি মাওলানা ইউনুস আহমাদ-এর সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আমিম আহমাদ শাম্মাম-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত শুরা অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি জননেতা মুফতী মাওলানা হাবিবুর রহমান ক্বাসেমী।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও মৌলভীবাজার জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইসলাম উদ্দীন।

শুরা অধিবেশনে উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে মাওলানা ইউনুস আহমাদ-কে সভাপতি এবং মাওলানা ইমরান আহমাদ-কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এছাড়াও ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কুলাউড়া উপজেলা শাখার নতুন কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।

আলোচনা শেষে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং খেলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখে এরকম পাতলামী মার্কা বক্তব্য মানায় না।
13/06/2026

প্রধানমন্ত্রীর মুখে এরকম পাতলামী মার্কা বক্তব্য মানায় না।

13/06/2026
13/06/2026

প্রস্তাবিত বাজেট জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী এবং দেশকে ঋণের দাসত্বে বাঁধার পাঁয়তারা — মাওলানা মামুনুল হক

​বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আজ ১২ জুন শুক্রবার এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।

তিনি বলেন, গতকাল ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ মেগা-বাজেট হতে পারে, কিন্তু এটি মূলত দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পরনির্ভরশীল করার এক বিশাল উচ্চাভিলাষী মহাপ্রকল্প। এই বাজেট কোনোভাবেই জাতির বাস্তব চাহিদার প্রতিফলন নয়, বরং এটি একটি ঘাটতিনির্ভর ফাঁপা বাজেট।

​বিবৃতিতে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, "৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার গালভরা এই বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার যে বিশাল ঘাটতি ধরা হয়েছে, তা পূরণের জন্য সরকার এখন বৈদেশিক দাসত্ব এবং অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর দেদারসে হাত বাড়াবে। ব্যাংক থেকে এই বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণের অর্থ হলো—বেসরকারি খাতের গলা টিপে ধরা, দেশীয় বিনিয়োগকে পুরোপুরি স্থবির করে দেওয়া এবং জনগণের আমানতকে ঝুঁকিতে ফেলা। বিগত সময়ের ভুল নীতি এবং ঋণের ফাঁদে জর্জরিত অর্থনীতিকে সচল রাখার নামে সরকার দেশকে এক দীর্ঘমেয়াদী দাসত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যার চড়া মূল্য দিতে হবে এদেশের খেটে খাওয়া আম জনগণকে।

​তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ লাগামহীন দ্রব্যমূল্য, ব্যাপক বেকারত্ব, ভয়াবহ বিনিয়োগ সংকট এবং শিল্প ও কৃষিখাতের চরম স্থবিরতায় দিশেহারা। সরকার যখন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার রূপকথা শোনায়, তখন বাজার বাস্তবতায় তা জনগণের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো শোনায়। বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যর্থ সরকার রাজস্ব আদায়ের নামে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার যে দানবীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তা আদায়ের চাবুক চালানো হবে মূলত মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের জনগণের পিঠে। নতুন কর আরোপ এবং পরোক্ষ করের বোঝা চাপিয়ে ধনীদের আরও ধনী এবং দরিদ্রদের আরও নিঃস্ব করার এক পুঁজিপতিবান্ধব দলিল পেশ করা হয়েছে।

​বাজেটের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের বৈষম্য তুলে ধরে আমীরে মজলিস বলেন, "জনগণের করের টাকায় কোন মন্ত্রণালয়ে কত বরাদ্দ দেওয়া হলো, তার খতিয়ান দেখলেই স্পষ্ট হয় যে, এই সরকার গণমানুষের প্রকৃত সংকট মোচনে কতটা উদাসীন ও লোকদেখানো নীতিতে বিশ্বাসী। কৃষি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ২৭,৮৮১ কোটি টাকা। দেশের সিংহভাগ মানুষ যেখানে কৃষির ওপর নির্ভরশীল, সেখানে এই যৎসামান্য বরাদ্দ দিয়ে উৎপাদন খরচ সামাল দেওয়া কৃষকদের সাথে এক ধরণের তামাশা। অন্যদিকে, জননিরাপত্তা ও জনকল্যাণের নামে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৩১,০৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা কৃষি খাতের চেয়েও বেশি! এটা কি কৃষিকে বাঁচানোর বাজেট নাকি আমলাতান্ত্রিক শাসনযন্ত্রকে চাঙ্গা রাখার বাজেট?

​তিনি আরও বলেন, একইভাবে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বিভাজন করলেই সরকারের আসল চেহারা বেরিয়ে আসে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে ৫৭,৩০২ কোটি টাকা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪৬,৭৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৮,৪৫৭ কোটি টাকা। দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর দ্বীনি ও কর্মমুখী শিক্ষার এই খাতকে এভাবে চরম অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, যেখানে মহামারী ও জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় দেশের স্বাস্থ্যখাত ভঙ্গুর, সেখানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে ৪৯,৩৮৭ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে মাত্র ১৩,৪৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই নামমাত্র বরাদ্দ দিয়ে জনগণের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার সুদূরপরাহত।

​মাওলানা মামুনুল হক গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই বাজেট কতটা গণবিচ্ছিন্ন, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো—২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঐতিহাসিক আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারসহ বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলনে নিহত বহু শহীদের আত্মত্যাগকে এই বাজেটে চরমভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দীর্ঘদিন ধরে শাপলা শহীদ পরিবারসহ সকল শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা ও চিকিৎসার জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় তহবিল গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদের ভূত এখনো বাজেট প্রণেতাদের ঘাড় থেকে নামেনি, যার কারণে এই মহান শহীদদের দাবি আবারও উপেক্ষিত হয়েছে।

​বিবৃতিতে তিনি আহ্বান জানান, এই গণবিরোধী বাজেট চূড়ান্ত অনুমোদনের পূর্বে অবিলম্বে কৃষি, শিক্ষা (বিশেষ করে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা), স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাস্তবসম্মতভাবে বৃদ্ধি করতে হবে; অর্থপাচারকারী, ব্যাংকডাকাত ও ঋণখেলাপিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে; বাজার সিন্ডিকেটের হোতাদের কারাগারে পাঠাতে হবে; এবং শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারসহ সকল শহীদ পরিবারের পুনর্বাসনে পৃথক বিশেষ বরাদ্দ সংযোজন করতে হবে। অন্যথায়, এই তথাকথিত মেগা-বাজেট জনআকাঙ্ক্ষার মরণফাঁদ হিসেবেই ইতিহাসে কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে।

​বার্তা প্রেরক
হাসান জুনাইদ
প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

Address

Kulaura

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কুলাউড়া উপজেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share