খুলনা মহানগর, বিএনপি

খুলনা মহানগর, বিএনপি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from খুলনা মহানগর, বিএনপি, Political Party, Khulna City, Bangladesh, Khulna.

09/05/2020

নগর বিএনপি’র সদস্য নিঘাত সীমার স্বামীর ইন্তেকাল : শোক

09/05/2020

করোনাকালে বাংলাদেশ..........................
'দেশে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বড় অংশেরই চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা হয়নি। ৮ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৮৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৫৬ জন বাসায় অথবা কর্মস্থলে মারা গেছেন। তাদের ৬৪.৭৪ ভাগই একরকম বিনাচিকিৎসা বা চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আগেই মারা গেছেন। উপসর্গে মৃতদের মধ্যে ১৪.১০ ভাগ স্থানীয় চিকিৎসক, পল্লিচিকিৎসক, হোমিওপ্যাথিক, কবিরাজ এমনকি তান্ত্রিকের কাছে যান। ১২.৮২ ভাগ উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান এবং সেখান থেকে চিকিৎসা-পরামর্শ দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়। ৭.০৫ ভাগ হোম বা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে মৃত্যুবরণ করেন। আর ১.২৮ ভাগ একাধিক হাসপাতালে গেছেন, তবে করোনা আতঙ্কে তাদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করা হয়েছে। ৩.৯০ ভাগ রাস্তার ধারে, মসজিদে, বাজারে, উপকূলে, চা বাগানে, বাসার সামনে বা হাসপাতালের বাইরে মরে পড়ে ছিলেন।'

'কভিড-১৯ উপসর্গে মৃত্যুসমূহ ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা' শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। দেশ ও দেশের বাইরের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, গবেষক, ফ্রিল্যান্সার ও কম্পিউটার ডেভেলপারদের স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এ গবেষণা পরিচালিত হয়। মূলত বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত খবরের তথ্য ও তথ্যসূত্র পর্যালোচনা করে তাদের প্রতিবেদনটি তৈরি। গবেষক দলের পক্ষে নেদারল্যান্ডসের গ্রনিঙ্গেন ইউনিভার্সিটির এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের শিক্ষার্থী অনুপম সৈকত শান্ত জানান, আইইডিসিআর বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিদিন কভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর যে তথ্য জানায়, সেখানে করোনা উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যাটি অনুল্লেখিত থেকে যায়। এ কারণেই দেশজুড়ে করোনা উপসর্গে মৃত্যুর ঘটনাগুলোকে সংকলিত করার উদ্দেশ্যে গবেষণা কার্যক্রমটি হাতে নেওয়া হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে নকিয়া বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক এই টেলিকম প্রকৌশলী জানান, করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পরও নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি বা করা যায়নি। তবে এপ্রিলের শুরু থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর পর নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এপ্রিল পর্যন্ত করোনা উপসর্গে মৃতদের ৭৭ ভাগ বা ২৯৮ জনের নমুনা ল্যাবে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ২৬৫ জনের নমুনা নেওয়া হয়েছে মৃত্যুর পর। মাত্র ৩৩ জনের নমুনা মৃত্যুর আগে সংগ্রহ করা হয়। তিনি জানান, করোনা উপসর্গে মার্চে ৭৩ ও এপ্রিলে ৩১৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ ২০ জনের মৃত্যু হয় ১১ এপ্রিল। এক দিনে ১৫ বা তার বেশিজনের মৃত্যু হয়েছে পাঁচ দিন এবং এপ্রিলের শেষ নাগাদ সংখ্যাটি ৫ থেকে ১০ এর মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা উপসর্গে মৃতদের ২৬৮ জনেরই জ্বর ছিল। ২৩৫ জনের ছিল শ্বাসকষ্ট, ১৩৮ জনের সর্দি ও ১৩৪ জনের কাশি। জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও সর্দি- এই চার লক্ষণের কমপক্ষে দুটি লক্ষণ ছিল ২৪৬ জনের, কমপক্ষে তিনটি লক্ষণ ছিল ১৪৯ জনের। উপসর্গে মৃতদের ৭১ ভাগ পুরুষ ও ২৯ ভাগ নারী (১১ জনের তথ্য পাওয়া যায়নি)। করোনায় আক্রান্তের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হার যথাক্রমে ৩২ ও ৬৮ ভাগ।

এদিকে বাংলাদেশে করোনার উপসর্গে কিংবা কভিড-১৯ পজিটিভ হয়ে মৃতদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হচ্ছে শিশুমৃত্যু। মৃতদের ২ ভাগ ১০ বছরের কম বয়সী শিশু। করোনা উপসর্গে মৃতদের ক্ষেত্রে শিশু ৬ ভাগ। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ২০ শিশু করোনা উপসর্গে মারা গেছে। আর ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-তরুণ মারা গেছে আরও ২৪ জন বা ৭.৬ ভাগ। করোনা উপসর্গে মৃত্যুর ১৩২টি ঘটনায় পেশাগত তথ্য পাওয়া যায়নি। বাকি ২৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৭ জন শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ। করোনা উপসর্গে সর্বাধিক ২৫ জন মারা গেছেন নারায়ণগঞ্জে ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ জন ঢাকায়। করোনা উপসর্গ থাকা ৫০ জন হাসপাতালে নেওয়ার পথে অর্থাৎ চিকিৎসা শুরুর আগেই মারা যান। উপসর্গ নিয়ে ১৩৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে মাত্র ৭.৩৮ ভাগ দু'দিনের বেশি বেঁচেছেন এবং মাত্র ০.৮২ ভাগ রোগী আইসিইউতে ভর্তি অবস্থায় মারা গেছেন। রোগীদের ১৩.৯৩ ভাগই মারা গেছেন ভর্তি হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে।

প্রতিবেদনটির উপসংহারে বলা হয়েছে, এই মৃত্যুগুলোর কতটি করোনায় আর কতটি নয়, সে সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার অপ্রতুলতা ও ভঙ্গুর দশার চিত্রটি গবেষণায় পরিস্কারভাবেই উঠে এসেছে।

---সমকাল, ৮ মে. ২০২০

মাত্র ৫৫% কোটা!মানবিক সহায়তা কার্ডের বণ্টন যখন অমানবিক ভাবে হচ্ছে 😥
08/05/2020

মাত্র ৫৫% কোটা!
মানবিক সহায়তা কার্ডের বণ্টন যখন অমানবিক ভাবে হচ্ছে 😥

08/05/2020

সুখ তা নয় যা আপনি চান,
আপনার যা আছে তা নিয়ে ভালো থাকাই সুখ।

২২নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মহীন মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে : মঞ্জু      ...
08/05/2020

২২নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মহীন মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে : মঞ্জু

কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিদিনই বাড়ছে। এ মুহূর্তে সমাজের অসচ্ছল, ভাসমান, গরীব ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে হবে। ত্রাণ বিতরণে দলের পক্ষ থেকে সামাজিকভাবে সম্মিলিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। দেশের জনগণ সংগ্রাম করে যাচ্ছে দু’মুঠো ভাতের জন্য।
মঞ্জু আরো বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির এখন একটাই লক্ষ্য, এদেশের দরিদ্র, শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের খাদ্য সমস্যার সমাধান করা। দল ও দলের বাইরে বৃহৎ জনগোষ্ঠী অর্ধাহারে, অনাহারে দিন পার করছে। স্ত্রী পরিবার পরিজন কর্মহীন ভাবে ঘরে বন্দি আছে। বেঁচে থাকার তাগিদে করোনা নামক অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। প্রতিদিন আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্যে দিয়ে মানুষ দিন পার করছে। সকলে মিলে সমাজের কর্মহীন মানুষের সাহায্যের জন্য হাত বাড়াতে হবে।
মহানগর বিএনপি’র সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে নগর বিএনপি’র মানবিক সাহায্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগর বিএনপি’র উদ্যোগে ২২নং ওয়ার্ডের নতুন বাজার চর এলাকার নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মোঃ মনিরুজ্জামান মনি, যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, ইউসুফ হারুন মজনু, চৌধুরী নাজমুল হুদা সাগর, আলমগীর কবির আলম, তরিকুল ইসলাম তরু, শামীম আশরাফ, জাহিদ কামাল টিটু, সিরাজুল ইসলাম লিটন, শামসুল আলম খান বাদল, খান মঈনুল হাসান মিঠু, ডা. ফারুক হোসেন, নুরুল ইসলাম দিপু, শহিদুল ইসলাম, সাহারুজ্জামান মুকুল, এম এ হাসান, ইয়াকুব আলি ব্যাপারী, তরিকুল ইসলাম তারেক, আবু তালেব, ইমরান হোসেন প্রমুখ।

04/05/2020

◾শোক সংবাদ ◾

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইউসুফ মোল্যার
মায়ের ইন্তেকাল : বিএনপি’র শোক

খুলনা মহানগরস্বেচ্ছাসেবক দলের ১ম যুগ্ম-সম্পাদক ইউসুফ মোল্যার মাতা ফজিলা খাতুন (৫৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…..রাজিউন)। সোমবার সকাল ৮টায় খালিশপুর নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। বাদ জোহর বিআইডিসি রোডে মরহুমার নামাজে জানাযা শেষে তাকে গোয়ালখালি সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

ইউসুফ মোল্যার মায়ের ইন্তেকালে মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন নগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দরা হলেন বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

04/05/2020

করোনাভাইরাস বিশ্বমহামারি
সরকার ব্যর্থ
— বিএনপি
--------------------------------------------
বাংলাদেশে করোনাভাইরাস বিশ্বমহামারি মোকাবেলায় সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর ব্যর্থতা ঢাকতেই তারা একেক সময়ে একেক তুঘলকি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে অভিযোগ তার।

সোমবার, মে ৪, ২০২০, সকালে রাজধানীতে দুঃস্থ ও কর্মহীন মানুষের মাঝে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও উপহার সামগ্রী বিতরণের কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, এই সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে, মানুষের মধ্যে আশার সৃষ্টি করার ক্ষেত্রেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। আজকে তারা একেক সময় একেকটা তুঘলকি সিদ্ধান্ত নেয়। কিছুদিন আগে সিদ্ধান্ত নিল যে, গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। বন্ধ করলো। কিন্তু দুদিন পরে গণ-পরিবহন খোলা রাখল। ফলে সারাদেশে মানুষের বিচরণ হল, করোনা ছড়িয়ে পড়ল সবখানে। এই বিষয়গুলো আজকে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার আজকে গার্মেন্টস খুলেছে, কিন্তু গার্মেন্ট কর্মৗদের যে নিরাপত্তা সেই নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। গার্মেন্টস কর্মীদের এখন আবার অনেকেই আক্রান্ত হওয়া শুরু হয়েছে ঢাকার সাভারে, আশুলিয়ায়, গাজীপুরে ও নারায়নগঞ্জে। অর্থাৎ শ্রমিকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি সরকারকে বারবার বলেছি যে, আপনারা সবাইকে নিয়ে এক সঙ্গে আলোচনা করে, পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। তারা সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না এবং তারা সেই এক সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষজ্ঞ বা যারা এক্সপার্টস আছেন তাদের কারো সঙ্গে পরামর্শ করে এই কাজগুলো করছেন না। সবার একতায় দুর্যোগ মোকাবেলা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মির্জ ফখরুল বলেন, আজকের এই দুঃসময়ে আমি কোনো সমালোচনা করতে চাই না। শুধু যে ক্রটিগুলো, যে সমস্যাগুলো আছে সেগুলো আমরা দেখিয়ে দিচ্ছি। আমরা মনে করি যে, এই ত্রুটিগুলো দেখে মানুষকে এক করে, সবাইকে একত্রিত করে, ঐক্যবদ্ধ করে সব মানুষকে নিয়ে আজকে এই দুযোর্গ মোকাবেলা করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত দুঃসময়ে অতিক্রম করছি। এই দুঃসময়েও আমরা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশে প্রতিটি জায়গায় আমাদের সাধ্যমতো যতটুকু আমাদের সম্পদ আছে তা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি। আমরা প্রথম দিকে মানুষকে সচেতন করতে লিফলেট বিলি করেছি, মাস্ক বিতরন করেছি এর পরে আমরা উপহার নিয়ে এই রোজা মাসে আমরা চেষ্টা করছি সমগ্র দেশেই যতটুকু সম্ভব মানুষের কাছে দাঁড়ানোর জন্য। যারা বিত্তশালী ব্যক্তি আছেন এলাকাতে, দেশে তাদের প্রতি অনুরোধ জানাব যে, আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন এভাবে যেন আমরা আমাদের ভাই-বোনদের পাশে দাঁড়াতে পারি যারা এখন অত্যন্ত দুঃসময় কাটাচ্ছেন।
গুলশানের নিজের বাসায় কোয়ারেন্টিনে থাকা অসুস্থ দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জনগনকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উল্লেখ করে বিএনরপির মহাসচিব বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ, তিনি বাসাতেই আছেন। তিনি বেরুতে পারছেন না। কারণ তাকেও কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তিনি আপনাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং আল্লাহ তা’লার কাছে দোয়া করেছেন তিনি যে, এই দুর্যোগ থেকে আমাদের সবাইকে রক্ষা করেন।

তিনি বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিদিন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। কোথায় কে যাবেন, না যাবেন,কোথায় কে কি করবে সেগুলো নির্দেশ দিচ্ছেন। আসুন দোয়া করি- আল্লাহ‘তালা যেন এই দুযোর্গ থেকে দেশ ও পৃথিবীর সব মানুষকে রক্ষা করেন।

সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত এবং তাদের চাকরির নিশ্চয়তা বিধান এবং হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী ও শিল্পকারখানার শ্রমিকদের চাকুরিচ্যুত না করা দাবিও জানান মির্জা আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে সারা বাংলাদেশের মানুষ সংগ্রাম করছে, লড়াই করছে এই অসুখ থেকে বাঁচার জন্য। কি দুর্ভাগ্য আমাদের যে সরকার যাদের থেকে মানুষ আশা করে যে দুর্যোগের দিনে, দুঃসময়ের দিনে তারা সঠিক পথ দেখাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার আমাদেরকে সঠিক পথ দেখাতে পারেনি। এই সরকার যেহেতু জনগনের জন্য নির্বাচিত নয়, জনগনের দ্বারা নির্বাচিত নয়, জনগনের কাছে তাদের কোনো রকমের কোনো জবাবদিহি নাই। সেই কারণে প্রথম দিকে মার্চ পর্যন্ত তারা এটাকে অবহেলা করেছে এবং অবহেলা এমন পর্যায়ে করেছে যে এটাকে তারা গুরুত্বই দেয়নি। দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশ যখন লকডাউন ঘোষণা করেছে তখন এরা কিন্তু লকডাউন ঘোষণা করেনি, স্থানীয়ভাবে লকডাউন দিচ্ছে কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয়ভাবে কোনো লকডাউন ঘোষণা করা হয়নি। যার ফলে মানুষ এটার গুরুত্ব সেভাবে উপলব্ধি করতে পারেনি।

ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি ত্রাণ বিতরণ যেটা মানুষের এই দুঃসময়ে কাছে পৌঁছানোর কথা সেই কাজটা কখনো সরকার সঠিকভাবে করতে পারছে না বলেই আজকে এতো অভাব সৃষ্টি হয়েছে। ৪ এপ্রিল সরকারকে একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম সাধারণ মানুষ যারা আছে যারা এখন কাজ করতে পারবে না তাদেরকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে দেয়ার জন্য, তিন মাস আমরা দেয়ার জন্য বলেছিলাম। এগুলো স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে তালিকা করে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বিতরণ করা যেতে পারে। এখন পর্যন্ত সরকার এটা পাত্তাই দেয় নি, গায়েই লাগায়নি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই হাসপাতালের যে ব্যবস্থা সেই ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না, একেবারেই অপ্রতুল ব্যবস্থা। ডাক্তার আক্রান্ত হচ্ছেন সবচেয়ে বেশি,সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন, পুলিশ সবেচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যারা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করছিলো।

#কোভিড১৯
#বাংলাদেশ

ধরণীর বুকে এত বড় মানবিক বিপর্যয় বিরল! যদি নিরন্ন একটি মানুষ কে একবেলা, একমুঠো ভাত ও দিবার সৌভাগ্য মহান রাব্বুল আলামীন দি...
04/05/2020

ধরণীর বুকে এত বড়
মানবিক বিপর্যয় বিরল!
যদি নিরন্ন একটি মানুষ কে
একবেলা, একমুঠো ভাত ও দিবার
সৌভাগ্য মহান রাব্বুল আলামীন দিয়ে থাকেন,
বসে থাকবেন না।

ইয়া রহমানু ❣
তোম্মার গোলামদের
ক্ষমা দাও, মাপ করে দাও!!

উনি চালচোর, তিনি জামিনদার!
04/05/2020

উনি চালচোর, তিনি জামিনদার!

বরিশাল বাণী: বানারীপাড়ায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের কাবিখার ২৫৬ বস্তা চাল সহ গত ১৭ এপ্রিল আটক হন .....

01/05/2020

নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট উপজেলা) আসনের এম্পি শহীদুজ্জামান সরকার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।

স্বজনপ্রীতি আর রাজনীতি করার সময় এখন নয়,আসুন সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মানবতার পাশে সবাই একসাথে দাঁড়াই।।- জননেতা জনাব নজরুল ই...
01/05/2020

স্বজনপ্রীতি আর রাজনীতি করার সময় এখন নয়,আসুন সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মানবতার পাশে সবাই একসাথে দাঁড়াই।।

- জননেতা জনাব নজরুল ইসলাম মঞ্জু

নভেল করোনা ভাইরাসে কর্মহীন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ ১ মে বিকালে ২৫ নম্বর ওয়াড বিএনপির উদ্দ্যোগে বিএনপি নেতা হেদায়েত হোসেন হেদুর ব্যবস্থাপনায় ইফতার সামগ্রী বিতরন কর্মসূচী উদ্বোধন করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ জননেতা জনাব নজরুল ইসলাম মঞ্জু। উপস্হিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা আছাদুজ্জামান মুরাদ, ইউসুফ হারুন মজনু, থানা বিএনপি নেতা রবিউল
ইসলাম রবি, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান আরজু, শেখ মহিউদ্দীন, শামীম রহমান, শরিফুল ইসলাম সাগর, ইমরান হোসেন, ওয়াহেদুজ্জামান খোকন, নজরুল ইসলাম ও মো:দিহান প্রমুখ ।

মহানগর বিএনপির মানবিক সাহায্য কর্মসুচী ——————————————————————নভেল করোনাভাইরাসে কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ...
01/05/2020

মহানগর বিএনপির মানবিক সাহায্য কর্মসুচী
——————————————————————
নভেল করোনাভাইরাসে কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ ১ মে বিকালে ২৮ নম্বর ওয়ার্ড টুটপাড়া পাইপের মোড়ে ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্দ্যোগে কারা নির্যাতিত যুবদলনেতা মাসুদ খান বাদলের ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন সাবেক এমপি ও মহানগর বিএনপির সভাপতি জননেতা জনাব নজরুল ইসলাম মঞ্জু। উপস্হিত ছিলেন ইউসুফ হারুন মজনু, ইসাহাক তালুকদার, রফিকুল হাসান, ডা:ফারুক হোসেন, ফরিদুল হক, সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ, কালাম হোসেন, সাকিব হোসেন, রাশিউল ইসলাম, ইদ্রীস আলী, শুকুর আলী ও জুয়েল প্রমুখ ।

Address

Khulna City, Bangladesh
Khulna
9000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খুলনা মহানগর, বিএনপি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share