09/05/2026
খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে - পৌরসভা বা তার নিচের স্তরে নিয়ে যাওয়া উচিত। ৩ মাস অন্তর সিটি কর্পোরেশন ট্যাক্স নেয় শহরে বাড়ি যাদের তাদের থেকে,
বাড়ি যেমন তেমন পাই টু পাই হিসাব করে ট্যাক্স নেয়, এতে শুধু বাড়িওয়ালা না, ভাড়াটিয়াদের উপরও চাপ সৃষ্টি হয়, কারণ ট্যাক্স বাড়লে বাড়ি ভাড়া বাড়ে। ট্যাক্স নিবে, এটা নিয়ে আমাদের নগরবাসীর সমস্যা নেই কিন্ত যেভাবে ট্যাক্স নিচ্ছে সেভাবে কি নাগরিক সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে?
হাইওয়ে থেকে একটু ভেতরে ঢুকলে মনেহয় যেন অজপাড়াগাঁয়ে আসছি, সড়কবাতি অধিকাংশ নষ্ট ঠিক করছেনা। রাস্তাঘাট থাকে নোংরা, ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দখলে।
রাজশাহীর রাস্তাঘাট, সাজানো-গোছানো শহর দেখে খুলনাবাসী আফসোস করে, অথচ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয় কিন্ত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের চেয়ে বেশি, আপনি রাজশাহী বাদ দেন, যশোর পৌরসভাও খুলনার চেয়ে বেশি সাজানো-গোছানো-পরিপাটি। অথচ যশোর পৌরসভার বাজেট ছিল খুলনার সাত ভাগের এক ভাগ।
বার্থ সার্টিফিকেট,ডে'থ সার্টিফিকেট, ফ্যামিলি সার্টিফিকেট,ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স সহ বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্টস কাউন্সিলর অফিস এবং নগর ভবন থেকে আনতে গেলে হ'য়রানির শেষ নেই, যেখানে অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন অনলাইন করে ফেলছে এসব।
এসব সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য ডকুমেন্ট অনলাইনে আবেদন করা, অনলাইনে জমা নেওয়ার সিস্টেম রাখতে পারতো কেসিসি, তারপর প্রতিটা ওয়ার্ড অফিসে একজন ডেলিভারি ম্যান রেখে ডকুমেন্টস গুলো হোম ডেলিভারি দিতে পারতো কেসিসি এতে কিন্ত কেসিসির খুব বেশি খরচ হয় না, আমরা যে পরিমাণ হোল্ডিং ট্যাক্স দেয়, সেটা থেকে ০.১% ব্যয় করলে এই সার্ভিস নিশ্চিত করতে পারবে।
এসব যদি না করতে পারে, তো আমাদের এই সিটি কর্পোরেশন থেকেই বা কি লাভ হচ্ছে? না থাকলে অন্তত ট্যাক্স আর দেওয়া লাগতোনা। এখন আবার যারা ময়লা সংগ্রহ করতে আসে তাদের নিয়ে নতুন নাটক। সিটি কর্পোরেশনকে ট্যাক্স দিতে হবে আবার ট্রাস যারা সংগ্রহ করতে আসে তাদেরকে টাকা দিতে হবে? তাদের ইচ্ছামত টাকা নিবে! এ কেমন নিয়ম?