Mayor,Khulna City Corporation

Mayor,Khulna City Corporation Official Page of Khulna City Corporation, Khulna, Bangladesh.

08/09/2026
বিএনসিসি’র সুন্দরবন রেজিমেন্ট কর্তৃক মহানগরীতে বৃক্ষরোপণ ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাথে স...
07/09/2026

বিএনসিসি’র সুন্দরবন রেজিমেন্ট কর্তৃক মহানগরীতে বৃক্ষরোপণ ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয়ের লক্ষ্যে সোমবার বিকেলে নগর ভবনে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র সাথে মতবিনিময় করেন রেজিমেন্ট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মাসুদ রায়হান।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৬'শ ১ কোটি ৭৯ লক্ষ ০৭ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা---------------------------------------------------...
07/09/2026

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৬'শ ১ কোটি ৭৯ লক্ষ ০৭ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা
------------------------------------------------------------------
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ৬’শ ১ কোটি ৭৯ ল ০৭ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ সোমবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন। একই সথে তিনি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৩’শ ৩৮ কোটি ৯৭ ল ২১ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেটও পেশ করেন। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ২’শ ১১ কোটি ৯০ ল ৫ হাজার টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ২’শ ৪১ কোটি ৪৪ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা। এছাড়া সরকারি বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১’শ ৯৭ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা। ৮’শ কোটি টাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পটি শেষ হওয়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ কম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বাজেট কাম একাউন্টস অফিসার মো: মনিরুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া-কে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ একং কেসিসি’র প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, মার্চ মাসে কেসিসি’র প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে খুলনা মহানগরীকে একটি পরিচ্ছন্ন সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলায় মনোনিবেশ করি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সিটি কর্পোরেশনের বাজেট ঘোষণার মধ্য দিয়ে একটি নগরীর উন্নয়ন ভাবনা প্রতিফলিত হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটও সেই উন্নয়ন ভাবনাই প্রতিফলিত হয়েছে এবং খুলনাকে একটি শান্তি ও স্বস্তির নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। নিজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকার ও বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতা আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রশাসক মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জুলাই আন্দোলনে শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন।

বাজেটের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে গিয়ে প্রশাসক বলেন, এটি একটি উন্নয়নমুখী বাজেট। নতুন কোন কর আরোপ না করে বকেয়া পৌরকর আদায়ের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া নবনির্মিত স্থাপনার উপর প্রচলিত নিয়মে পৌরকর ধার্য্য, মার্কেট, দোকান, নতুন স্থাপনা নির্মাণ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে নিজস্ব আয়ের সম্প্রসারণ করাই বাজেটের মূল লক্ষ্য। এছাড়া স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন, ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও নগরবাসীর স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণসহ স্থাপনাসমূহ রক্ষণা-বেক্ষণের ওপর এ বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কেসিসি’র দাপ্তরিক কার্যক্রমের আধুনিকায়নসহ সড়ক, ড্রেন ও ধর্মীয় উপসনালয়ের উন্নয়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। বাজেটের সফল বাস্তবায়নে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিকের পরিপূর্ণ আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বাজেট বর্ণনায় কেসিসি প্রশাসক বলেন, মাস্টার রোল ও আউটসোসিং কর্মকর্তা কর্মচারী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন ভাতা, নিজস্ব সংস্থাপন ব্যয় মিটিয়ে নিজস্ব তহবিল হতে উন্নয়ন খাতে ৭৩ কোটি ৩৫ ল ৫৬ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্তখাত, বিএমডিএফ, অবকাঠামো তৈরি, সড়কবাতি, শিা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, সমাজ কল্যাণ, পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, ভেটেরিনারি ও কঞ্জারভেন্সি উন্নয়ন খাতে ৫৫ কোটি ২৬ ল ৫৬ হাজার টাকা, মেরামত ও রণাবেণ খাতে ১৮ কোটি ৯ ল টাকা এবং মূলধন খাতে ৫ কোটি ৯০ ল টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), থোক ও বিশেষ বরাদ্দে চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। থোক বরাদ্দ থেকে পূর্ত খাতে ৯২ কোটি ৮৭ ল টাকা, জরুরী পানি চাহিদা খাতে ২ কোটি টাকা, ভেটেরিনারী খাতে ১ কোটি ৫০ ল টাকা, জনস্বাস্থ্য খাতে ২০ কোটি ৫০ ল টাকা এবং কঞ্জারভেন্সি খাতে ৩৩ কোটি ১৩ ল টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় এডিপিতে ৩টি প্রকল্পে ৪৭ কোটি ৬২ ল টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে যা চলতি বছরে পাওয়া যাবে।

চলমান প্রকল্পসমূহের বিবরণ তুলে ধরে কেসিসি প্রশাসক বলেন, খুলনা মহানগরীতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পে প্রাক্কলিত ব্যয় ৮’শ ২৩ কোটি ৭৯ ল ০৬ হাজার টাকার মধ্যে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩’শ ৯৩ কোটি ৪০ ল ৬০ হাজার টাকা যার মধ্যে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫ কোটি টাকা। জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতি মোকাবেলায় খুলনা শহরের উন্নয়ন প্রকল্পে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ কোটি ১২ লক্ষ টাকা। এছাড়া ২ হাজার ২’শ ৫৫ কোটি ১ লক্ষ ২২ হাজার টাকার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এছাড়া দাতা সংস্থা বিশ^ ব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, জার্মান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, বিল এন্ড এএমপি মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে সহযোগিতা করছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন দাতা সংস্থার মাধ্যমে ৯টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ সকল প্রকল্পে ৭৯ কোটি ৪৬ ল ৫৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে যা শীঘ্রই পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। প্রকল্পগুলি হচ্ছে নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প-২, হেলদি সিটি খুলনা আরবান লীড প্রোগ্রাম, কাইমেট চেঞ্জ এডাপটেড আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প, সাসটেইন্যাবল আরবান ওয়াটার সাইকেল প্রকল্প, কোভিট-১৯ রেসপন্স এন্ড রিকভারী প্রকল্প, ইউনিসেফ সাপোর্টেড কাইমেট স্মার্ট ওয়াস, লিভেবল এন্ড ইনকুসিভ সিটিস ফর অল, রিজিওনাল আরবান টিউটরিয়াল প্রকল্প এবং এমএসিপি প্রকল্প সাপোর্ট ইউনিসেফ।

খুলনা ওয়াসা’র চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জামায়াতে ইসলামী-খুলনা মহানগর শাখার আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানসহ সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও নাগরিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও কেসিসি কর্মকর্তাগণ বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

07/09/2026

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বাজেট 2026-2027

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম গবেষণা পরিষদ-খুলনা আয়োজিত ‘‘কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর রাসূল প্রেম’’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অ...
06/09/2026

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম গবেষণা পরিষদ-খুলনা আয়োজিত ‘‘কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর রাসূল প্রেম’’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
-----------------------------------------------------------
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সঙ্গীতের একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে রাসূল প্রেম। বাংলা সাহিত্যে ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি এমন নিবিড় ভালোবাসা ও আকুলতা আর কোনো কবির সৃষ্টিতে এত ব্যাপকভাবে ফুটে ওঠেনি। বাংলা ভাষায় ইসলামিক সঙ্গীতের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন তিনি। ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়, তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে, মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে ইত্যাদি নাতে রাসূল আজও প্রতিটি মুসলিম হৃদয়ে নাড়া দেয় বলে প্রশাসক উল্লেখ করেন।

কেসিসি প্রশাসক আজ রবিবার বিকেলে খুলনা প্রেস কাব মিলনায়তনে আয়োজিত ‘‘কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাসূল প্রেম’’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স.) পালন উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম পরিষদ-খুলনা এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। খুলনার জিরো পয়েন্টকে কবি নজরুল চত্বর এবং কেডিএ এভিনিউকে কবি নজরুল এভিনিউ ঘোষণা করায় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।

কেসিসি প্রশাসক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি শুধু একজন কবিই ছিলেন না, একাধারে তিনি ছিলেন সুরকার, গীতিকার এবং শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর। কবি নজরুল সারা জীবন আমাদের যে শিা দিয়েছেন, তার মূল ভিত্তিই ছিল সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিকতা। নজরুল তাঁর কবিতায় রাসূল (স.)-কে কেবল একজন ধর্মীয় নেতা হিসেবে দেখেননি, বরং তাঁকে শোষিত, লাঞ্ছিত এবং অবহেলিত মানুষের মুক্তির দূত ও পরম দয়ালু হিসেবে চিত্রিত করেছেন। তিনি রাসূল (স.) এর উদারতা, মা এবং মানবিক গুণাবলিকে নিজের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রশাসক জানান, খুলনা মহানগরীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত নজরুল বর্ষ পালনের জন্য সিটি কর্পোরেশনকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে এবং কেসিসি কর্তৃক আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানে নজরুল গবেষণা পরিষদসহ যে কয়টি সংগঠন আছে তাদের নিয়েই নজরুল বর্ষ উদযাপন করা হবে। শীঘ্রই একটি সভা আয়োজনের মাধ্যমে নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। তিনি কবি নজরুলের সাহিত্য পাঠ ও তাঁর আদর্শকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ গঠন এবং নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের সংগ্রামী জীবন এবং তাঁর সৃষ্টিকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান।

জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম গবেষণা পরিষদ-খুলনার সভাপতি কবি ও নজরুল গবেষক সৈয়দ আলী হাকিম-এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর আবদুল মান্নান এবং অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বক্তৃতা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা কবি ও গবেষক শেখ মনিরুজ্জামান লাভলু। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো: জিনারুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে কবি রুহুল আমিন সিদ্দিকী, অধ্য খান আখতার হোসেন, শের আলী সেরবাগ, অধ্য ইমরুল কায়েস, অধ্যাপক তাকদিরুল গনি, অ্যাডভোকেট এইচ এম বাহালুল করিম, আজাদুল হক আজাদ, বদিউল আলম চৌধুরী, রামপ্রসাদ রায়, সেলিম মাহবুব, নাজমুল তারিক তুষার, জামিল আহমেদ প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নগরীর বয়রা হাজী ফয়েজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অস্বচ্ছল ও ঝুঁকির মুখে থাকা পরিবারের মাঝে মশারী বিতরণ করেন কেসিসি প্রশাসক...
06/09/2026

নগরীর বয়রা হাজী ফয়েজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অস্বচ্ছল ও ঝুঁকির মুখে থাকা পরিবারের মাঝে মশারী বিতরণ করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
--------------------------------------------------------------------
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ডেঙ্গু জ¦রের প্রকোপ রোধে মশার প্রজনন স্থান অর্থাৎ বাড়ির আঙ্গিনার বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি রাতে ও দিনে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। একই সাথে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ও একটি সবুজ নগরী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণেরও কোনো বিকল্প নেই। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুলনাকে একটি নিরাপদ ও সবুজ নগরীতে পরিণত করতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কেসিসি প্রশাসক আজ রবিবার বিকেলে নগরীর বয়রা হাজী ফয়েজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অস্বচ্ছল ও ঝুঁকির মুখে থাকা পরিবারের মাঝে মশারী বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। সচেতনতা হোক ডেঙ্গু প্রতিরোধের হাতিয়ার-সবুজায়ন হোক সুস্থ জীবনের অঙ্গীকার-এই প্রত্যয় নিয়ে এবং ডেঙ্গু জ¦রের সংক্রমণ প্রতিরোধে এক্স রোটারেক্টর'স এসোসিয়েশন-খুলনা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রশাসক এডিস মশার আক্রমণ থেকে সুরা দিতে ১০০ টি পরিবারের মাঝে মশারি বিতরণ করেন।

এছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে সবুজায়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রার ল্েয বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রশাসক স্কুল ক্যাম্পাসে একটি গাছের রোপণের মধ্য দিয়ে সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এসোসিয়েশনের সভাপতি ফারহানা বিনতে হাসান কবিতা’র সভপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেস কাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাওন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশারি বিতরণে সফিকুল ইসলাম শান্ত এবং বৃরোপণ কর্মসূচিতে মুসফিকুর হাসান অভি চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রবিবার সকালে নগরীর মহেশ্বরপাশা শহিদ জিয়া মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ব...
06/09/2026

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রবিবার সকালে নগরীর মহেশ্বরপাশা শহিদ জিয়া মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ‘‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ’’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-খুলনা শাখা এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

ব্যাংকের এসইভিপি ও জোনাল হেড মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ মো: তারিকুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে কেসিসি’র ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী সালাউদ্দিন, ব্যাংকের খুলনা শাখার ভিপি ও ব্যবস্থাপক মো: এনায়েত ফকির, গল্লামারী শাখার ভিপি ও ব্যবস্থাপক মো: আব্দুল মান্নান, সাতক্ষীরা শাখার ভিপি ও ব্যবস্থাপক মো: শাহাদৎ হোসেন, দৌলতপুর শাখার এফএভিপি ও ব্যবস্থাপক মুন্সি মাছুদুর রহমান, খুলনা জোন অফিসের এফএভিপি এস এম শাফিউল আজম, স্থানীয় সমাজসেবক খবির উদ্দিন, আব্দুল জলিল হাওলাদার, কবির হোসেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Address

Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mayor,Khulna City Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Mayor,Khulna City Corporation:

Shortcuts

Share