Shibir Khulna Medical College

Shibir Khulna Medical College like this page

সাবেক মহানগরী সভাপতি, সাংবাদিক শহীদ বেলাল উদ্দীনের ৯ম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিবিরের বিভিন্ন কর্মসূচী। ইসলামী ছাত্রশ...
10/02/2014

সাবেক মহানগরী সভাপতি, সাংবাদিক শহীদ বেলাল উদ্দীনের ৯ম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিবিরের বিভিন্ন কর্মসূচী।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক খুলনা মহানগরী সভাপতি, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক সংগ্রামের খুলনা ব্যুরো প্রধান নির্ভিক সাংবাদিক শহীদ শেখ বেলাল উদ্দীনের ৯ম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মহানগরী ছাত্রশিবির বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করেছে।
কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে, মহানগরীর থানায়-থানায় কুরআনখানী, শহীদের কবর জেয়ারত, শহীদ পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ, শহীদের জীবনী নিয়ে আলোচনাসভা, শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ৫ ফেব্র“য়ারি খুলনা প্রেসক্লাবের অভ্যন্তরে বোমা হামলায় গুরুতর আহত হন তৎকালীন খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও দৈনিক সংগ্রামের খুলনা ব্যুরো প্রধান নির্ভিক সাংবাদিক শহীদ শেখ বেলাল উদ্দীন। ছয়দিন চিকিৎসাধীন থেকে ১১ ফেব্র“য়ারি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শাহাদাতের পিয়ালা পান করেন প্রথিতযশা এ নির্ভিক কলম সৈনিক। শেখ বেলাল উদ্দীন ১৯৫৭ সালের ৩ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭২ সালে খুলনা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন। স্কুল জীবনেই তিনি বড় ভগ্নিপতি এরশাদ আলীর (মরহুম) হাত ধরে ইসলামী আন্দোলনের ছাত্র সংগঠন ছাত্র সংঘের কর্মী হন। তারপর তিনি নগরীর দৌলতপুর দিবা-নৈশ্য কলেজে লেখাপড়া করেন। এখান থেকে তিনি ১৯৭৪ সালে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি তৎকালীন ছাত্র সংঘের সাথী ও পরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সর্বোচ্চ শপথ (সদস্য) নেন। তিনি খুলনার সরকারি বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে ¯œাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ১৯৮৩-১৯৮৪ ও ১৯৮৬-১৯৮৭ সাল পর্যন্ত খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত সংগঠনের কেন্দ্রীয় বায়তুলমাল সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন সেক্রেটারিয়েটে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯১ সালে তিনি জাতীয় পত্রিকা দৈনিক সংগ্রামে যোগ দিয়ে সাংবাদিকতার মতো মহান পেশায় প্রবেশ করেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক তথ্য ও যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক লোকসমাজেও কাজ করতেন। মৃত্যর আগ পর্যন্ত তার প্রিয় পত্রিকা ‘দৈনিক সংগ্রাম’ই ছিল তার কর্মস্থল।

ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা মেডিকেল কলেজ শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ২৭.০৭.১৩
27/07/2013

ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা মেডিকেল কলেজ শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ২৭.০৭.১৩

27/06/2013

খুলনা মেডিকেলঃ বুধবার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ শাখার বৃক্ষরোপণ অভিযানে কলেজ সভাপতি শেখ ইমরান আহমেদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেডিকেল ক্যাম্পাসে গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেন মহানগরী সেক্রেটারি মীম মিরাজ হোসাইন। এ সময় সাবেক কলেজ সভাপতি, সেক্রেটারি, মহানগরী ও কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এখানে গাছের চারা রোপণ, কর্মচারীদের মাঝে চারা গাছ বিতরণ ও র‌্যালী বের করা হয়।

17/06/2013
25/11/2011

খুমেক হোস্টেলে ছাত্রলীগ নামধারীদের ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট

গত ২৪/১১/২০১১ তারিখে গভীর রাতে ছাত্রলীগ নামধারী (কিন্তু প্রকৃত ছাত্রলীগ নয়) ফিরোজ, শাহেদ, আশিক, অরুপের নেতৃত্বে, হল ছেড়ে আসা নির্যাতিত ছাত্রদের রুম (রুম নং-৪০৭, ৪০৯) ভাংচুর ও মালামাল লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসময় তারা কে-১৯ ব্যাচের নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কয়েকজন সদস্যের রুম ভাংচুর করে এবং সার্টিফিকেটসহ বইপত্র লুট করে নষ্ট করে দেয়।
এছাড়া নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়কসহ ৬ জন নিরীহ ছাত্রের গ্রেফতারের ঘটনায় পরিষদ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন। কলেজ অধ্যক্ষের সাথে বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তিনি কিছূই করতে পারবেননা বলে জানান।
এদিকে গত ২২/১১/১১ ইং তারিখে গভীর রাতে ছাত্রলীগকর্মী (!!) প্রত্যয় বিশ্বাসের নেতৃত্বে, হল ছেড়ে আসা নির্যাতিত ছাত্রলীগ কর্মীদের মালামাল লুটের ঘটনা ঘটে। গত ২৩/১১/২০১১ তারিখে আনুমানিক বেলা ১১ টার দিকে ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা অধ্যক্ষের কার্যালয় অবরোধ করে রাখে ও ক্যাম্পাসে জোরপূর্বক সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে মিছিল করে। এসময় তারা বিভিন্ন উস্কানিমূলক শ্লোগান দিতে থাকে এবং পুরাতন হোস্টেলে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাংচুর করে ও লুটপাট চালায়। এরপর থেকে তারা বিভিন্নভাবে হোস্টেলের বাইরে থাকা নির্যাতিত ছাত্রদের হুমকি দিয়ে আসছে, যার ফলে তারা বর্তমানে ক্লাসে যেতে পারছেন না।
এ সকল ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে। এক বিবৃতিতে সংগঠনের সমন্বয়কারী মু. সফিউজ্জামান সনি বলেন, “ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন থেকে ছাত্রলীগের নামধারী (!!) কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। যার হাত থেকে তাদের নিজ দলীয় কর্মীরাও রেহাই পাচ্ছেনা। হোস্টেলে লুটপাট ও অরাজকতার এ মহোৎসবে অধ্যক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের নিরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা আমাদের বিস্মিত করেছে। আমরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি এবং সাধারণ ছাত্রদের সাথে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষনা করব। এ বিষয়ে আমরা সচেতন খুলনাবাসীর সহযোগীতা কামনা করছি।”

24/11/2011

নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের
মিছিল শেষে ছয়জন আটক
॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
শিবির বিরোধী পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে খুলনা মেডিকেল ক্যাম্পাস। ছাত্রলীগের নামে ওইসব পোষ্টার লাগানো হলেও খুলনা মেডিকেলে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে। সেই সাথে মহানগর ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দও বলছেন, খুলনা মেডিকেলে তাদের কোন কমিটি নেই।
এদিকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রতিবাদ ও আবাসন সংকট দূর করার দাবিতে খুমেক ছাত্রদের সমন্বয়ে গঠিত নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কলেজ ক্যাম্পাসে একটি মিছিল বের হয়। মিছিল শেষে হাসপাতালের সামনে থেকে পুলিশ ৬ জন ছাত্রকে আটক করেছে। কিন্তু রাত ১২টা পর্যন্ত তাদের গ্রেফতারের কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ।
আটককৃত ৬ ছাত্র হচ্ছে, ৫ম বর্ষের জিয়াউল হায়দার ও তানভীর, ৪র্থ বর্ষের নূর ইসলাম এবং ৩য় বর্ষের ছাত্র এমরান হোসেন, মেহেদী আল মাসুম ও কামরুল হাসান।

খুলনা মেডিকেলের বিতাড়িত ছাত্রদের সমন্বয়ে নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন, অধ্যক্ষ দেড় ঘন্টা অবরুদ্ধ॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥...
22/11/2011

খুলনা মেডিকেলের বিতাড়িত ছাত্রদের সমন্বয়ে নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন, অধ্যক্ষ দেড় ঘন্টা অবরুদ্ধ

॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥
খুলনা মেডিকেল কলেজে হোস্টেল থেকে বিতাড়িত ছাত্রদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। গতকাল মঙ্গলবার গঠিত ওই কমিটি প্রথম দিনে কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে না পেয়ে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে গিয়ে তাকে দেড় ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখার মধ্যদিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।
এরপর পর্যায়ক্রমে মানব বন্ধন, অনশন, অধ্যক্ষের কার্যালয় ঘেরাওসহ নানা কর্মসূচী পালন করা হবে বলে কমিটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন। তাদের এ আন্দোলনের সাথে তাদের অভিবাবকদেরও শামিল করা হবে বলেও তারা জানান।
খুলনা মেডিকেলের সাথে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার সকাল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ক্যাম্পাসের ইন্টার্ণী হোস্টেলের একটি ভবন শিবিরের নেতৃত্বে কিছু ছাত্র দখল করে রাখার পর তাদেরকে কৌশলে বের করে দেয়া হলে নির্যাতিত ছাত্ররা গতকাল সকালে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। সন্ধ্যা ছয়টায় ওই কমিটির যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জন ছাত্র নগরীর কাকলী বাগস্থ খুমেক অধ্যক্ষ ডাঃ কাজী হামিদ আসগারের চেম্বারে গিয়ে অবস্থান করে। তারা জরুরী ভিত্তিতে তাদের আবাসন সংকট দূর করার দাবি জানায়। এসময় খুমেক অধ্যক্ষ আবারও নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী ছাত্ররা ওই চেম্বারে অবস্থানের পর রোগী দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বাইরে চলে যায়। যাবার সময় তারা অধ্যক্ষকে জানায় যে, তাদের আবাসন সংকট দূর করা না হলে প্রয়োজনে তারা অধ্যক্ষের বাসায় গিয়ে উঠতে বাধ্য হবে।
পরে অধ্যক্ষের চেম্বারের বাইরে গিয়ে নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, ইতোমধ্যে ক্যাম্পাস ছেড়ে আসা প্রায় অর্ধশত ছাত্র এখন নগরীর বিভিন্ন স্থানে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। এক কাপড়ে ক্যাম্পাস ছেড়ে আসার কারনে তাদেরকে বাজার থেকে কম দামী কাপড় কিনে কোন রকমে বেঁচে থাকতে হচ্ছে। যেটি মানবাধিকার লংঘনের পাশাপাশি তাদের শিক্ষা জীবনের ওপর হুমকি বলেও তারা মনে করেন। এ অবস্থায় তারা তাদের অভিভাবকদের সাথে নিয়ে যে কোন বৃহৎ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন বলেও উল্লেখ করেন।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, নির্যাতিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব এবিএম মেহেদী, যুগ্ম আহবায়ক কাফি, মাহমুদ, রফিক, হাসান মামুন, জিল্লু, জিয়া, শাহাজাদা, রাশেদ, উল্লাস, মেহেদী, রিয়াজ প্রমুখ।
এসময় তারা অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্র লীগের নির্যাতনের কারনে তারা হোস্টেলের বাইরে অবস্থান করলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের বিষয়টি আমলেই আনছেন না। এমনকি এ নিয়ে হল সুপার ডাঃ মানোয়ার আহসানের কাছে তিনি অধ্যক্ষের কাছে যেতে বলেন, আর অধ্যক্ষের কাছে আসলে তিনি হল সুপার বা খুলনার ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কাছে যেতে বলেন। যেটি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হতে পারে না বলেও তারা মনে করেন।
এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ ডাঃ কাজী হামিদ আসগার বলেন, তিনি অসহায়। এ ব্যাপারে তিনি কোন ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। গতকাল মঙ্গলবার থেকে তিনি ছুটি নিয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, তার ২১ দিনের ছুটি পাওনা রয়েছে। এ কয়দিন তিনি কলেজে যাবেন না।
কলেজের প্যাথলজী বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মনি মোহন সাহা বলেন, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে অধ্যক্ষ তাকে মোবাইলে তার ছুটির বিষয়টি জানিয়ে তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানিয়েছেন। এর বাইরে তিনি কিছুই জানেন না।
কলেজের একটি সূত্র জানায়, অধ্যক্ষ ডাঃ কাজী হামিদ আসগার ব্যক্তিগত কারনে দু’দিনের ছুটি নিয়েছেন।
সব মিলিয়ে খুলনা মেডিকেলের সাম্প্রতিক বিষয়টি ধীরে ধীরে নগরীর অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে। যা নিয়ন্ত্রণে না নিতে পারলে পরিস্থিতি আরও প্রকট হতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

22/11/2011

খুলনা মেডিকেলে আবাসন সমস্যাসহ ৬ দফা দাবীতে নতুন কমিটি
অধ্যক্ষের চেম্বার ঘেরাও কর্মসূচি পালিত

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় খুলনা মেডিকেল কলেজে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধানসহ ৬ দফা দাবীতে গঠিত নির্যাতিত ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ নামক সংগঠনের অধ্যক্ষের চেম্বার ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে।
নির্যাতিত ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কর্মসূচির প্রথম দিনে অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে না পেয়ে শান্তিধামস্থ তার নিজস্ব চেম্বার ঘেরাও করা হয়। নির্যাতিত ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধ শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যাগ ও ল্যাগেজ নিয়ে অধ্যক্ষের চেম্বার ঘেরাও করে এবং আবাসনের সমাধান চান। কিন্তু অধ্যক্ষ তাদের কোন সমাধান না দিয়ে উল্টো তার চেম্বারে আসার কারণ জানতে চাইলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা গত সোমবারের ২৪ ঘন্টার মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা করার আশ্বাস স্মরণ করিয়ে দেন। তখন অধ্যক্ষ বলেন আমার হাত পা বাধা। আমি কিছুই করতে পারব না। তোমরা সিটি মেয়রের কাছে যাও। তিনিই তোমাদের হল থেকে উচ্ছেদ করেছেন। এসময় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন ।
নির্যাতি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব এবিএম মেহেদী বলেন আগামী ৩দিনের মধ্যে সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে অন্যথায় অবিভাবক সমাবেশ,মানববন্ধন কর্মসূচিসহ বৃহৎ কর্মসূচি দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে এ আন্দোলনের সাথে অবিভাবকদেরও সম্পৃক্ত করা হবে।

Address

Khulna City
Khulna
9000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shibir Khulna Medical College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share