The Green Valley

The Green Valley The trusted Valley for Green & Fresh daily products....

নবীগনের পেশা!-আদম আ. ছিলেন কৃষক। জমিতে চাষ করতেন। ফসল বুনতেন। ইদরীস আ. ছিলেন দর্জি। পোষাক সেলাই করতেন। নূহ আ. ছিলেন কাঠম...
18/07/2020

নবীগনের পেশা!
-
আদম আ. ছিলেন কৃষক। জমিতে চাষ করতেন। ফসল বুনতেন।

ইদরীস আ. ছিলেন দর্জি। পোষাক সেলাই করতেন।

নূহ আ. ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। জাহাজ বানিয়েছেন।

ইবরাহীম আ. ছিলেন রাজমিস্ত্রি। কা‘বাঘর বানিয়েছেন।

ইলয়াস আ. ছিলেন তাঁতী। সুতো-কাপড় বুনতেন।

দাউদ আ. ছিলেন কামার। লৌহবর্ম বানাতেন।

মুসা আ. ছিলেন রাখাল। শ্বশুরবাড়ির মেষ চরাতেন।

ঈসা আ. ছিলেন ডাক্তার। দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা করতেন।

মুহাম্মাদ সা. ছিলেন রাখাল। মক্কায় মেষ চরাতেন।

কোনও পেশাই ফেলনা নয়।
সব হালাল পেশাই সম্মানের।
আয়-উপার্জনের জন্য কায়িক শ্রমের পেশাকে ছোট করে দেখা গুনাহ। মানুষকে পেশা দিয়ে মাপাও গুনাহ

say Alhamdulillah  for every thing
18/07/2020

say Alhamdulillah for every thing

আল্লাহ তার ভাগ্য পরিবর্তনে সহযোগিতা করেন যে তার নিজ ভাগ্য পরিবর্তন করতে সচেষ্ট হয়। শ্রম মেধা আর চেষ্টার সর্বোচ্চটা দিতে ...
18/07/2020

আল্লাহ তার ভাগ্য পরিবর্তনে সহযোগিতা করেন যে তার নিজ ভাগ্য পরিবর্তন করতে সচেষ্ট হয়।
শ্রম মেধা আর চেষ্টার সর্বোচ্চটা দিতে পারলে সাফল্য তার জন্য নিজে এগিয়ে আসে।

তোমার প্রতিপালক মৌমাছিকে (তার অন্তরে ইঙ্গিত করে) নির্দেশ দিয়েছেন, গৃহনির্মাণ করো পাহাড়ে, বৃক্ষে ও মানুষ যে গৃহ নির্মাণ ক...
18/07/2020

তোমার প্রতিপালক মৌমাছিকে (তার অন্তরে ইঙ্গিত করে) নির্দেশ দিয়েছেন, গৃহনির্মাণ করো পাহাড়ে, বৃক্ষে ও মানুষ যে গৃহ নির্মাণ করে, তাতেও। [সুরা : নাহল, আয়াত : ৬৮ (দ্বিতীয় পর্ব)

তাফসির : আলোচ্য আয়াতে মৌমাছির প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়েছে। মৌমাছি ছোট একটি প্রাণী। কিন্তু পবিত্র কোরআনে সে প্রাণীকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। মৌমাছির আরবি প্রতিশব্দ হলো ‘নাহল’। মহান আল্লাহ এ নামে একটি সুরা অবতীর্ণ করেছেন। হাজার বছর আগেই আল্লাহ মৌমাছিদের জীবন সম্পর্কে আমাদের জানিয়েছেন। এর অন্যতম কারণ মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হলেও মৌমাছি থেকে তাদের শেখার আছে অনেক কিছু। এ আয়াতে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহ নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশনা দিয়ে মৌমাছি সৃষ্টি করেছেন। অনুরূপ প্রতিটি বস্তু সৃষ্টি করে মহান আল্লাহ নির্দিষ্ট নিয়মের অধীন করে দিয়েছেন। সে দায়িত্ব ও নিয়ম উপেক্ষা করার এখতিয়ার ও শক্তি কারো নেই। কিন্তু মানুষকে মহান আল্লাহ ভালো-মন্দ বেছে নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। তিনি মানুষকে ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ তাঁর ইবাদত করে না। মানুষ আল্লাহর দেওয়া সীমিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে।
মৌমাছি মানুষকে পবিত্র রিজিক গ্রহণের শিক্ষা দেয়। মৌমাছি নষ্ট ফুল থেকে মধু আহরণ করে না। তারা পরিষ্কার ও অব্যবহৃত ফুল থেকেই মধুর উপাদান সংগ্রহ করে থাকে। মানুষের উচিত পবিত্র রিজিক গ্রহণ করা। হারাম রিজিক ভক্ষণের মধ্যে কোনো বরকত থাকে না।

মৌমাছি খুবই পরিশ্রমী পতঙ্গ। ফুলের রস মুখে নিয়ে, সেটা থেকে জলীয় অংশ দূর করে শতভাগ ভেজালমুক্ত এক ফোঁটা মধু তৈরি করতে যে শ্রম ও সময় ব্যয় করে সেটা বিস্ময়কর! এক পাউন্ড মধু বানাতে ৫৫০ মৌমাছিকে প্রায় ২০ লাখ ফুলে ভ্রমণ করতে হয়! আবার এক পাউন্ড মধু সংগ্রহ করতে একটি কর্মী মৌমাছিকে প্রায় ১৪.৫ লাখ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়! যা দিয়ে পৃথিবীকে তিনবার প্রদক্ষিণ করা সম্ভব! ফুলের সন্ধানে প্রতিটি মৌমাছি, মৌচাকের পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসের পুরো এলাকা তারা তন্ন তন্ন করে ঘুরে বেড়ায়! তাদের ওড়ার গতি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২৪ কিলোমিটার। একটি সক্ষম মৌমাছি দৈনিক ১০ কিলোমিটারের মতো পথ পাড়ি দিতে পারে। মানবসন্তান যখন চামচে ভরে মধু পান করে তৃপ্ত বোধ হয়, তখন সে ভাবে না যে এই এক চামচ মধু সৃষ্টিতে কত শত মৌমাছির রক্তক্ষয়ী অবদান লুকিয়ে আছে!

একটি কর্মী মৌমাছির ৪২ দিনের ছোট্ট জীবনে নিজেদের সঞ্চিত মধু পান করার সৌভাগ্য খুব কমই হয়!
মৌমাছির এই ত্যাগের শিক্ষা মানুষ ধারণ করলে পৃথিবীর চেহারা বদলে যেত। ভাগ্যবিড়ম্বিত এসব পতঙ্গের মজুদ করা মধু বিভিন্ন প্রাণী চুরি করে পান করে। মানবজাতিও পরম তৃপ্তিতে মধু পান করে। মধু পানের সময় মৌমাছির ত্যাগের কথা তারা ভুলে যায়। ভুলে যায় মৌমাছির স্রষ্টাকেও! Alhamdulillah

ভাল থাকার ১০ উপায়.....১. খাদ্যভ্যাস: শরীর সুস্থ সবল প্রাণবন্ত রাখতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। প্রচুর রঙিন শাকস...
13/07/2020

ভাল থাকার ১০ উপায়.....

১. খাদ্যভ্যাস: শরীর সুস্থ সবল প্রাণবন্ত রাখতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। প্রচুর রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল আঁশযুক্ত খাবার খান । ফলের রসের পরিবর্তে গোটা ফল চিবিয়ে খেলে উপকার বেশি হয়। এতে পুষ্টির সাথে ফাইবারও পাওয়া যাবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন দিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস। জাংকফুড, ফাস্টফুড, অতিরিক্ত তেল-চর্বি ও মসলা জাতীয় খাবার সরাসরি পরিহার করুন।

২. ভিটামিনস ও মিনারেল: খাদ্যে বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল সুস্থতা সতেজতা আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ক. ভিটামিন সি: ভিটামিন সি এর প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে টক জাতীয় ফল, যেমন- আমলকি, কাচা পাকা লেবু, কমলা, মাল্টা, আমড়া, জাম্বুরা, কড়মচা ইত্যাদি। এ ছাড়াও বাজারে ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়, যা ফ্লু উপসর্গে আপনি সকাল রাত্রে দুবার চুষে খেতে পারেন। তবে প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া ভিটামিন সি বেশি কার্যকরী।

খ. ভিটামিন ডি: ভি ডির প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে সূর্যরশ্মি। যা সকাল ৮/৯ টা থেকে বিকাল ৩/৪ টা পর্যন্ত শরীরের কিছু অংশ খোলা রেখে (যেমন মুখমণ্ডল, হাত বা ঘাড় ইত্যাদি) আপনি গ্রহন করতে পারেন। এ ছাড়াও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- ডিমের কুসুম, মাছের তেল, ওমেগা, গরুর কলিজা, চিজ এগুলো খেতে পারেন।

গ. জিংক: ফ্লু বা সর্দি-কাশি উপসর্গে জিংকের বেশ উপকারিতা রয়েছে। জিংক-সমৃদ্ধ খাবারগুলো হচ্ছে আদা, রসুন, ডাল, বিন্স, বাদাম, সামুদ্রিক মাছ ইদ্যাদি। বাজারে লজেন্স আকারে জিংক সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন ২-৩ ঘণ্টা পর পর।

৩. মধু: মধু প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। মধুতে এমন কিছু জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান রয়েছে, যেমন হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, নাইট্রিক অক্সাইড)। তাই ফ্লু উপসর্গে মধু বেশ উপকারী। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সাবধানে খেতে হবে।

৪. অনুঘটক : যেমন দই, চিজ ইত্যাদি খাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৫. চাপমুক্ত মানসিকতার অভ্যেস করুন: হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ বিপদ ডেকে আনতে পারে । তাই মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে। টিভি, সোশ্যাল মিডিয়ায় যে খবরগুলো আপনাকে মানসিক চাপে ফেলছে, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে ভালো সময় কাটান, বই পড়ুন, কুরআন ও হাদীস পড়ুন বা নতুন কিছু শিখতে মনোনিবেশ করুন।

৬. শরীরচর্চা: শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন অভ্যেস করুন হাঁটাহাটি, সাইক্লিং, ইয়োগা, ওয়েট শিফ্টিং, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা, এবং নিয়মিত নামাজ পরাও আপনার শরীর চর্চার প্রাত্যহিক নিয়ম হতে পারে।

৭. ধূমপান ও মাদক পরিহার করা: ধূমপান একটি মারাত্মক বদ অভ্যাস যা সকল রোগের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে বিশেষ করে ধূমপান, সরাসরি আপনার শ্বাসতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর মাদক মদ অন্যান্য অসামাজিক অভ্যেস থেকে নিজেকে যথাসম্ভব দূরে রাখুন।

৮. ফিট থাকা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা: সুষম খাবার গ্রহন আর শরীর চর্চা করে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে ফিট থাকুন ।

৯. ঘুম: প্রতিদিন ৮ ঘন্টাঅত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম আমাদের সতেজতা বৃদ্ধি করে।

১০. জীবানুমুক্ত পরিষ্কার: নির্দিষ্ট সময় পর পর হাত সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহার্য জিনিপত্র জীবাণুনাশক পদার্থ দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। দরজার হাতল, সুইচ, লিফ্টের বাটন জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার রাখুন ও মাস্ক ব্যবহার করুন।

Coming Soon with Pureness...
11/07/2020

Coming Soon with Pureness...

Address

Khagrachhari

Telephone

01978145577

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Green Valley posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share