28/09/2025
একটি অজ্ঞাতনামা গণধ*র্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হলো রাত ১০টায়। পুলিশ সাথে সাথে মাঠে নামলো। সেনাবাহিনী টিআই প্যারেড করিয়ে একজনকে আটক করল তাৎক্ষণিকভাবে। অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযান চলেছে রাতভর। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি একশন যখন দৃশ্যমান, তা সত্ত্বেও সকাল থেকেই মাঠে নেমে গেল একদল জনতা ধর্ষণের প্রতিবাদে। রাস্তাঘাট অবরোধ, গাড়ি-ঘোড়া, দোকানপাট ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ চলল দুই দিন।
নিজেদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজায় ছুটিতে গিয়েছিলেন লাখ লাখ মানুষ। তাদের উৎসব পণ্ড হওয়ার পথে। লম্বা ছুটি পাওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায় এবং হাজার খানেক সাধারণ মানুষ গিয়েছিল সাজেকে। তারাও আটকে পড়ল। এই লম্বা ছুটিতে সারা দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পর্যটক পাহাড়ের পর্যটন স্পটগুলোতে ভ্রমণ করার পরিকল্পনা করেছিল, সেটাও ভন্ডুল হল। স্থানীয় পর্যটন কেন্দ্র দোকানপাট ও যানবাহন গুলো এই বিশাল পর্যটন উৎসবে যে আয় করার স্বপ্ন দেখেছিল তাও শেষ। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এখন শঙ্কিত তারা শেষ পর্যন্ত পূজা শেষ করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে ❗
একজন ধর্ষকের কঠিন শাস্তির রয়েছে আমাদের দেশীয় আইনে। কিন্তু সেটি বিচার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই পেতে হয় সারা দুনিয়াতেই। সরকার যখন আইনি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে তখন বিচারের অপেক্ষা না করে এই যে সহিংসতা শুরু করা হলো এবং এর ফলে পাহাড়ে যাদের জান ও মালের ক্ষতি হলো তার দায় কে নেবে ❓ দুইদিন খাগড়াছড়ি সদরে সহিংসতা চলার পর আজকে গুইমারাতে আরো ছড়িয়ে পড়লো সহিংসতা। অগ্নি সংযোগ, লুটপাট, ভাঙচুর, জান ও মালের যে ক্ষতি হলো তাতে 'ধর্ষিতার' কী লাভ হলো? এর মাধ্যমে কি অভিযুক্ত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব ❓ যাদের ক্ষতি হলো তাদের ক্ষতি কীভাবে বুঝিয়ে দেবেন আন্দোলনকারীরা ❓