Khagrachhari, খাগড়াছড়ি

Khagrachhari, খাগড়াছড়ি Khagrachari [খাগড়াছড়ি] is a district in Chittagong Division, Southeastern Bangladesh. It included under the Chittagong Hill Tracts region.

19/02/2026

রোজার মাসে সরকারি অফিসে দাড়িওয়ালা ঘুষখোরদের ওজু করে দৌড়াদৌড়ি দেখলে কি করতে ইচ্ছে করে?

🌄 কংলাক পাহাড় – সাজেকের চূড়ান্ত সৌন্দর্য! 🌿যদি আপনি মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যেতে চান, তাহলে কংলাক পাহাড় হতে পারে আপনার পরবর্...
17/07/2025

🌄 কংলাক পাহাড় – সাজেকের চূড়ান্ত সৌন্দর্য! 🌿

যদি আপনি মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যেতে চান, তাহলে কংলাক পাহাড় হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য। এটি সাজেক ভ্যালির সর্বোচ্চ চূড়া, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর উপজাতীয় সংস্কৃতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন। রুইলুই পাড়া থেকে প্রায় ৪০ মিনিটের ট্রেক পেরিয়ে আপনি পৌঁছে যাবেন এই অসাধারণ জায়গায়।

সকালে সূর্যোদয়ের সময় মেঘের গায়ে রঙের খেলা দেখলে মন ভরে যায়। আর সন্ধ্যার সূর্যাস্ত? যেন পাহাড়ে আগুন লেগেছে! কংলাক পাড়ার স্থানীয় লুসাই, ত্রিপুরা ও পাংখোয়া আদিবাসীদের সরল জীবনযাপন, পাহাড়ি ফলমূলের চাষ আর নির্লিপ্ত সৌন্দর্য যেন আপনাকে নতুন এক জগতে নিয়ে যাবে।

⛰️ যারা প্রকৃতি, ট্রেকিং আর নিস্তব্ধতা ভালোবাসেন, তাদের জন্য কংলাক পাহাড় এক অনন্য অভিজ্ঞতা। মনে রাখবেন, পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব—তাই দয়া করে প্লাস্টিক ফেলা বা শব্দ দূষণ থেকে বিরত থাকুন।

📷 আপনার ভ্রমণের স্মৃতিগুলো শেয়ার করতে ভুলবেন না!

#কংলাকপাহাড় #সাজেকভ্যালি #খাগড়াছড়ি #চট্টগ্রামপার্বত্যজেলা #পাহাড়েরডাক #প্রকৃতিরআহ্বান #বাংলাদেশভ্রমণ

17/07/2025

ধর্ম বা ইতিহাস নিজে পড়ে জানতে হয়, নিজের বুদ্ধি দিয়ে বুঝতে হয়।

অন্যের চোখ-কান-বুদ্ধি দিয়ে বুঝতে গেলেই সর্বনাশ।

আহা রে !প্লিজ চোর ভাই এই কথাটা রাইখেন।এতটা সুন্দর করে কেউ অনুরোধ করলে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে দিতাম :)
26/04/2025

আহা রে !
প্লিজ চোর ভাই এই কথাটা রাইখেন।
এতটা সুন্দর করে কেউ অনুরোধ করলে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে দিতাম :)

এক শকুনের বাচ্চা তার বাপের কাছে বায়না ধরলো,"বাবা, আমি মানুষের মাংস খাব!"শকুন বলল--"ঠিক আছে বেটা, সন্ধ্যার সময় এনে দেব।...
30/12/2024

এক শকুনের বাচ্চা তার বাপের কাছে বায়না ধরলো,"বাবা, আমি মানুষের মাংস খাব!"

শকুন বলল--"ঠিক আছে বেটা, সন্ধ্যার সময় এনে দেব। শকুন উড়ে গেল আর আসার সময় মুখে এক টুকরো শুকরের মাংস নিয়ে এসে বাসায় রাখলো ।

বাচ্চা বলল--"বাবা, এটা তো শুকরের মাংস, আমি মানুষের মাংস খেতে চাই।"

বাপ বলল --অপেক্ষা কর বাবা!

শকুনটা আবার উড়ে গেল আর আসার সময় এক মরা গরুর মাংস নিয়ে এলো।

বাচ্চা বলল --"আরে এটা তো গরুর মাংস নিয়ে এসেছ, মানুষের মাংস কোথায়?

এবার শকুনটা দুটো টুকরো একসাথে মুখে নিয়ে উড়াল দিল আর শুকরের মাংসটি একটা মসজিদের পাশে আর গরুর মাংস একটা মন্দিরের পাশে ফেলে দিয়ে চলে এলো!

কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে শুরু হলো দাঙ্গা! কয়েকশ মানুষের লাশ পড়ে গেল! তখন গাছের ডাল থেকে নেমে বাপ-বেটা মিলে খুব তৃপ্তিতে মানুষের মাংস খেল।

বাচ্চাটা খেতে খেতে জিজ্ঞেস করছে-- "বাবা, এত মানুষের মাংস এখানে কি করে এলো ?"

শকুন বললো -- "এই মানুষ জাতটাই এরকম। সৃষ্টিকর্তা এদেরকে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ হিসাবে সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু ধর্ম আর রাজনীতির নামে এদেরকে আমাদের থেকেও হিংস্র বানিয়েছেন...! "

বাচ্চা বললো তুমি ধর্মকে ব্যবহার করলে কেন, কতগুলো নীরিহ লোক মারা গেল , রাজনীতি করলেই পারতে!

বাবা হেসে উত্তর দিল, তাতেও নিরীহ লোকগুলোই মারা পড়তো! ধর্মটা আবেগের যায়গা তাই ফলাফলটাও তাৎক্ষণিক! তুমি আজই খেতে চেয়েছিলে! রাজনীতি টা কুটিল এবং জটিল, এটি শুরু হতে সময় নেয় কিন্তু হলে আর থামেনা!

বাচ্চা বললো- "তোমার অনেক বুদ্ধি, বাবা"

শকুন-"আরেহ, ধুর! এটা তো আমি মানুষের কাছ থেকেই শিখছি, এদের একটা অংশ যখনই কোন অনিষ্ট করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয় তখনই সহজ রাস্তা হিসেবে হয় ধর্মকে নয়তো রাজনীতিকে ব্যবহার করে!!

আমাদের শুধু বৈষয়িক ক্ষুধা, জ্ঞানের কোন ক্ষুধা নেই
10/03/2023

আমাদের শুধু বৈষয়িক ক্ষুধা, জ্ঞানের কোন ক্ষুধা নেই

নিউজ ইমপ্যাক্ট
08/02/2023

নিউজ ইমপ্যাক্ট

08/02/2023

চলতি বছরে শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাওয়ার পর থেকে বইয়ের ভুলত্রুটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। ছড়ানো হচ্ছে পাঠ্যবইয়ে উল্লেখ নেই এমন সব স্পর্শকাতর তথ্য। ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মিথ্যা এসব তথ্য হরহামেশায় ছড়ানো হচ্ছে।

কিন্তু কারা ছড়াচ্ছে এসব মিথ্যা তথ্য, তাদের উদ্দেশ্যই বা কি?

#পাঠ্যবই #গুজব #বাংলাদেশ #পাঠ্যপুস্তক

* This is sponsored content. We have no association with the content.

'ধর্মেও আছি, জিরাফেও আছি'-এই প্রবাদটির অর্থ কী? এর উৎপত্তিই বা কীভাবে হয়েছিল?জয়পুরের মহারাজ একবার জাহাজে করে আফ্রিকা থেক...
23/01/2023

'ধর্মেও আছি, জিরাফেও আছি'-এই প্রবাদটির অর্থ কী? এর উৎপত্তিই বা কীভাবে হয়েছিল?

জয়পুরের মহারাজ একবার জাহাজে করে আফ্রিকা থেকে একটি জিরাফ আনান তার চিড়িয়াখানার জন্য। এইরকম অদ্ভুত দর্শন বিশাল আকৃতির জীব জয়পুর কেন আশেপাশের কেউ কখনও শোনেনি দেখা তো দূরের কথা। জয়পুর এবং আশপাশ থেকে দলে দলে সেই চিড়িয়াখানায় ভিড় জমাতো অদ্ভুত দর্শন সেই জন্তু দেখতে।

আশেপাশের দেশীয় রাজারা সম্ভবতঃ ঈর্ষান্বিত হয়েই কিছু মানুষ ধর্মের দোহাই দিয়ে রটিয়ে দিল যে এই রকম অদ্ভুত দর্শন জন্তুর উল্লেখ হিন্দু , মুসলমান বা ঈশাহী ধর্মগ্রন্থে কোথাও নেই তাই এই জন্তুটি ঈশ্বরের সৃষ্টি না, শয়তানের সৃষ্টি। একে দেখাও পাপ। জিরাফ দেখলে তাকে নরকে বা দোজখে যেতে হবে।

এই ফতোয়াতে দর্শনার্থী প্রথম চোটে অনেকটা কমে গেলেও আস্তে আস্তে আবার দুয়েক জন করে আসতে লাগল। মানুষের কৌতুহলের জোর ধর্মীয় ফতোয়ার জোরের থেকেও শক্তিশালী মনে হচ্ছিল।

তখন জয়পুরের মহারাজ একটু চালাকি করে রাতের দিকেও অনেকক্ষণ চিড়িয়াখানা খোলা রাখার ব‍্যবস্থা করলেন। ক্রমশঃ দেখা গেল যেসব ধর্মের ধ্বজাধারী দিনের বেলায় জিরাফ বিরোধী ফতোয়ার কথা ধর্মস্থানে ভক্তদের বোঝায় তারাই আবার অন্ধকার হলে চুপিচুপি সপরিবারে জিরাফ দেখতে চিড়িয়াখানায় যায়। এসব ভন্ড মৌলবাদীদের‌ই জয়পুরের লোকেরা বলত এই ব‍্যাটারা দিনের বেলায় ধর্মে আছে রাতের বেলায় জিরাফে।

First step of solving a problem identity there is one !
19/01/2023

First step of solving a problem identity there is one !

রাজারহাট গ্রামের একজন ধনী ব্যক্তি, ঠিক করলেন, তিনি কিছু সম্পত্তি ঈশ্বরের নামে দান করবেন। তার পরিকল্পনা মতে, তিনি সেখানে ...
30/12/2022

রাজারহাট গ্রামের একজন ধনী ব্যক্তি, ঠিক করলেন, তিনি কিছু সম্পত্তি ঈশ্বরের নামে দান করবেন। তার পরিকল্পনা মতে, তিনি সেখানে একটি মন্দির বানাবেন, তারপর সেখানে একটি ফুলের বাগান লাগাবেন। কিছু চাষের জমি সেখানে থাকবে, আর সেখানে সারাবছর ধরে চাষাবাস হবে। আর সেই দিয়েই যেন মন্দিরের খরচা চলে যায়। তিনি ঠিক করলেন যে, তিনি সেখানে একটি বিশ্রামালয় বানাবেন। দুরদিগন্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীরা সেখানে চাইলেই দুই-তিন দিন থাকতে পাড়বেন। তাদের খাওয়ার যেন সু-বন্দবস্ত হয় সেই দিকেও তিনি খেয়াল দেওয়ার কথা ভাবলেন। তার পরিকল্পনা সব কিছুই তিনি ঠিক করে রেখেছিলেন। কিন্তু তিনি কিছুতেই নিজের মনের মত একটি লোককে খুঁজে পাচ্ছেন না, যার উপর তিনি এই সব কাজের ভাঁড় দিবেন।

তার এমন পরিকল্পনার কথা শুনে, অনেক মানুষই তার কাছে এলেন, এটা ভেবে যে, কোনো মতে সেখানে ঢুকে গেলে, আর পয়সার অভাব হবে না। কিন্তু সেই ধনী ব্যক্তিটি কিছুতেই কাউকে দায়িত্ব দিলেন না। কারণ তার কাউকেই পছন্দ হল না।

এরপর তিনি নিজেই মন্দির নির্মাণ কাজে দেখাশোনা করতে লাগলেন। কিন্তু এত ব্যস্ততার মধ্যে তিনি এদিকে সময় দিতে পাড়েন না। তাই আবারও তিনি একজন ভালো মানুষের খোঁজ শুরু করলেন। এবারও অনেক মানুষ তার কাছে এল, কিন্তু ব্যক্তিটির কাউকেই পছন্দ হল না। আগন্তুক লোকগুলি ব্যক্তিটিকে পাগল বলে গালাগালি দিতে দিতে চলে গেল।

প্রতিদিন সেই ব্যক্তিটি মন্দিরের সামনের বিশ্রামাগারে বসে আগন্তুক মানুষদের দিকে দেখে থাকত। তার চোখ এমন কোনো ব্যাক্তিকে খুঁজছে , যে সাধারণ হবে, দায়িত্ব পরায়ণ হবে। এত মানুষের ভিড় উপেক্ষা করে, তার চোখ একজন মানুষের দিকে গেল, যার পায়ে কোনো জুতো নেই, শরীরের বস্র স্থানে স্থানে ছিঁড়ে গেছে।

এই মানুষটিকেই তার পছন্দ হল। এরপর সেই মানুষটি যাওয়ার রাস্তা ধরতেই, ধনী ব্যাক্তিটি তাকে কাছে ডেকে বললেন- “আমি তোমাকে এই বিশাল মন্দিরটির দায়িত্বভাঁড় দিতে চাই। তুমি এই মন্দিরটির দায়িত্বভাঁড় গ্রহণ করতে রাজী আছো কি নেই?” সেই লোকটি অবাক হয়ে বলল- “বাবু, আমি পড়তে জানিনা লিখতে জানিনা, কিভাবে এত সুবিশাল মন্দিরের দায়িত্বভাঁড় পালন করব বলুন।“ ধনী ব্যক্তিটি বললেন- “আমি আপনাকেই এই মন্দিরের দায়িত্ব দিতে চাই। আপনার সাধারণ স্বভাব দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। আমি দেখছিলাম, যখন আপনি মন্দির থেকে নীচে নামছিলেন, সামনে থাকা একটা পাথরে সবাই ধাক্কা খাচ্ছিল, কিন্তু কেউই সেটাকে সেখান থেকে উঠিয়ে ফেলছিল না। আমি আপনাকেই দেখলাম, পাথরটিকে সেখান থেকে সরিয়ে ফেললেন। এরপর সেখানাকার মাটিও আপনি সমান করে দিলেন। আপনার সিধে-সাধা গুনে আমি মুগ্ধ।“

সেই মানুষটি বলল- “বাবু এটা তো প্রতিটা মানুষের কর্তব্য। রাস্তায় পড়ে থাকা পাথর, ডাল, কাটা ইত্যাদি যাতে অন্য কোনো মানুষের বাঁধা ন হতে পাড়ে, যার নজরে সেই বাঁধাটি আসবে সেইই সেখান থেকে নিরাপদ জায়গায় সেটিকে রেখে দিবে।“

শুধুমাত্র একজন নাগরিক হলেও হয় না, হতে হয় একজন দায়িত্ববান নাগরিক। এমন নাগরিক হতে হবে যেন প্রত্যেকের কাজে আসতে পাড়ি। মানুষকে যতই আপনার গুনের কথা বলুন না কেন, সবথেকে বড় প্রমান হল আপনার সাধারণ মানের স্বভাব। এটিই আপনার সামনে থাকা ব্যাক্তিকে মুগ্ধ করে, এটিই আপনার সামনে থাকা ব্যাক্তিকে আপনার দিকে আকর্ষিত হতে বাধ্য করে। তাই নিজের চরিত্রের মাধুর্যতা এবং নিজের মুক্ত মনোভাব বজায় রাখুন। দেখবেন মানুষ নিজে থেকেই আপনার দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে।

বুলেট ট্রেনের জটিল সমস্যার সমাধান করল মাছরাঙা, কী ভাবে?১৯৬৪ সালের অক্টোবর মাসে পথ চলা শুরু জাপানের ‘বুলেট ট্রেন’-এর।১৯৬৪...
22/12/2022

বুলেট ট্রেনের জটিল সমস্যার সমাধান করল মাছরাঙা, কী ভাবে?

১৯৬৪ সালের অক্টোবর মাসে পথ চলা শুরু জাপানের ‘বুলেট ট্রেন’-এর।১৯৬৪-র অলিম্পিক্স শুরু হওয়ার ঠিক দশ দিন আগে বুলেট ট্রেনের উদ্বোধন করে জাপান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নতুন জাপানের প্রতীক হয়ে ওঠে বুলেট ট্রেন। দ্রুতগতিতে মাউন্ট ফুজিকে ছাড়িয়ে এগিয়ে চলেছে বুলেট ট্রেন, এই দৃশ্য নতুন জাপানের প্রতীক।

দিন যত এগিয়েছে, ততই গতি বেড়েছে বুলেট ট্রেনের। কিন্তু তার সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে নতুন এক সমস্যা। তা হল ‘সনিক বুম’ বা শব্দাঘাত।

কী এই ‘সনিক বুম’? শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে যখন কোনও বস্তু এগিয়ে চলে তখন সেই বস্তুর গতিবেগের ফলে উদ্ভূত শব্দ তরঙ্গের ফলে তৈরি বিস্ফোরক শব্দকেই সনিক বুম বলে।

দ্রুত ছুটতে সক্ষম হলেও বুলেট ট্রেনের গতি কখনওই শব্দের চেয়ে বেশি ছিল না। কিন্তু এই ট্রেনের গতিবেগের ফলে তৈরি হচ্ছিল ‘সনিক বুম’। কী ভাবে?

টোকাইডো শিনকাসেন জাপানের অন্যতম ব্যস্ত রেললাইন। এই স্টেশন থেকে ছাড়া সমস্ত বুলেট ট্রেনকেই বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গের মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সুড়ঙ্গ থেকে ট্রেনগুলি বেরোনোর সময়ই বিকট শব্দ তৈরি হত। যা প্রায় চারশো মিটার দূর থেকেও শোনা যেত। সুড়ঙ্গগুলির আশপাশে বসবাসকারী বাসিন্দারও অভিযোগ জানাতে শুরু করেন এই বিষয়ে।

ট্রেনগুলি যখন সুড়ঙ্গে প্রবেশ করত তখন সুড়ঙ্গের ভিতরে উপস্থিত বায়ুর ওপর সেগুলি চাপ তৈরি করত। ট্রেনের গতিবেগ ১ কিলোমিটার বাড়লে সুড়ঙ্গের ভিতর বায়ুর চাপ বাড়ত ৩ গুণ। ট্রেনের সামনে ক্রমে বৃদ্ধি পেতে থাকত বায়ুচাপ।ট্রেনগুলি যখন সুড়ঙ্গ ত্যাগ করত তখন ট্রেনের সামনে থাকা বায়ুচাপ বাইরে বেরোনোর সুযোগ পেয়ে বিস্ফোরণের মতো বিকট শব্দ তৈরি করত। ট্রেনগুলি তৈরির সময় বিজ্ঞানীরা এই সমস্যার দিকটি ধর্তব্যের মধ্যে আনেননি।

ওভারহেড তারের সঙ্গে লাগানো প্যান্টোগ্রাফগুলি থেকে শব্দ হত সবচেয়ে বেশি। ইঞ্জিনিয়াররা প্রথমে উদ্যত হলেন প্যান্টোগ্রাফের ডিজাইন বদলাতে। অবশেষে ১৯৯৪ সালে তাঁরা পেঁচার ডানার আকৃতিতে বানালেন নতুন প্যান্টোগ্রাফ।
এক দল ইঞ্জিনিয়ার সেই সময় বুলেট ট্রেনকে আরও গতিশীল এবং আরও কার্যকর করার কাজে লেগে পড়েন। তাঁদের সামনে নতুন সমস্যা সমাধানের চ্যালেঞ্জ চলে এল। শব্দাঘাত কমানোর চ্যালেঞ্জ।

দলের এক জওয়ান ইঞ্জিনিয়র সেই সময় বুলেট ট্রেনের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বিভাগের আধিকারিক এইজা নাকাতসুকে জানান, তাঁর মনে হয়েছে ট্রেনগুলি যখন কোনও সুড়ঙ্গে প্রবেশ করে তখন মনে হয় তা আকারে ছোট হয়ে গিয়েছে। নাকাতসু সেই শুনে মনে করেন যে, সুড়ঙ্গের বায়ুচাপের পরিবর্তন এর প্রধান কারণ হতে পারে।

পক্ষীবিশারদ নাকাতসুর মনে প্রশ্ন জাগে, পার্থিব এমন কোনও প্রাণী আছে যাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের জন্য এই রকম বায়ুচাপের পরিবর্তন সামলাতে হয়? তখনই তাঁর মনে পড়ে মাছড়াঙা পাখির কথা।

মাছরাঙা তার শিকার ধরতে নিম্নচাপ অঞ্চল (হাওয়ায় ওড়ার সময়) থেকে উচ্চচাপ অঞ্চলে (জলে ঝাঁপ দেওয়ার সময়) ঘণ্টায় প্রায় পঁচিশ মাইল বেগে ঝাঁপ দিতে পারে।ঝাঁপ দেওয়ার সময় জলে কোনও তরঙ্গেরও সৃষ্টি হয় না। এর কারণ মাছরাঙার সুদীর্ঘ এবং ছুঁচালো চঞ্চু।
এই কথা মাথায় আসতেই ইঞ্জিনিয়ররা নানা রকম মডেল পরীক্ষা করতে শুরু করেন। অবশেষে যে মডেলটি চূড়ান্ত পরীক্ষায় পাশ করে, সেটির অগ্রভাগ প্রায় মাছরাঙার চঞ্চুর মতোই দেখতে।

সেই অনুযায়ী তারা বুলেট ট্রেনের নতুন ডিজাইন প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন। নাম ‘শিনকানসেন-৫০০’। এই ট্রেনের যাত্রাপথে সুড়ঙ্গে মধ্যে বিস্ফোরকের শব্দের মাত্রা হ্রাস পেল। নির্ধারিত ৭০ ডেসিবলের মধ্যেই থাকল শব্দের মাত্রা।
শুধু শব্দই নয়। নতুন ডিজাইনে গতিবেগ বৃদ্ধি পেল ট্রেনের। বিদ্যুৎ ব্যবহার কমল অনেকাংশে। পুরনো ট্রেনের চেয়ে নতুন ট্রেনে বায়ুচাপ হ্রাস পেল প্রায় ৩০ শতাংশ।

১৯৯৭ সালের ২২ মার্চ সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য চালু করা হয় ‘শিনকানসেন-৫০০’ সিরিজের ট্রেন। ট্রেনটি সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটেছিল। যা সেই সময়ের বিশ্বরেকর্ড। এর ফলে শিন-ওসাকা থেকে হাকাতা পর্যন্ত যাত্রাপথের সময় প্রায় পনেরো মিনিট কমে গিয়েছিল।

নাকাতসুর এই প্রায় নির্ভুল পদক্ষেপটিকে বলা হয় ‘বায়োমিমিক্রি’। এর অর্থ, পার্থিব কোনও জীবের আকৃতি দেখে কোনও কাঠামোর নকশায় বদল এনে প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করা।

এই মাছরাঙার চঞ্চুর আদলেই এখনও তৈরি হয়ে আসছে টোকাইডো শিনকানসেন ট্রেন। পেঁচার ডানা এবং মাছরাঙার চঞ্চুর আকৃতি চিরকালের জন্য বদলে দিয়েছে বুলেট ট্রেনের চেহারা।

Source: আনন্দ বাজার পত্রিকা Powered by:

Address

Khagrachhari Sadar
Khagrachari
4400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khagrachhari, খাগড়াছড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share