আমাদের কসবা

আমাদের কসবা The administration for Kasba was founded in 1908 as a police station and upgraded to an upazila (Sub-District) in 1983.

24/03/2026

বিস্তারিত আসছে ভিডিও নিউজ

24/03/2026
24/03/2026

মুখোশের আড়ালে ভয়ংকর অপরাধী

(ভিজুয়াল স্ক্রিনে একটি ভাঙা আয়নার গ্রাফিক্স, যেখানে একদিকে একজন সাংবাদিকের অবয়ব এবং অন্যাদিকে একজন অপরাধীর ছায়া। ব্যাকগ্রাউন্ডে অভ্যন্ত গম্ভীর এবং ইনভেস্টিগেটিভ মিউজিক বাজবে।)

নিজস্ব প্রতিবেদক পর্ব -১

ভয়েসওভার (গন্তীর, বিশ্লেষণাত্মক ও অত্যন্ত সুদৃঢ় কণ্ঠে): সাংবাদিকতা- যাকে রাষ্ট্রের চতুর্ণ স্তন্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তা মূলত সত্য উন্মোচন এবং জনস্বার্থ রক্ষার একটি পবিত্র মাধ্যম 1। কিন্তু এই মহান পেশার আড়ালে যখন কোনো ব্যক্তি নিজের ভয়ংকর অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তোলে, তখন তা শুধু সাংবাদিকতার জন্যই নয়, বরং সমগ্র রাষ্ট্র এবং সমাজের জন্য এক চরাম অশনিসংকেত। আজ আমরা এমন একজন ব্যক্তির মুখোশ উন্মোচন করতে যাচ্ছি, যিনি কলমের বদলে ব্যবহার করেছেন ব্ল‍্যাকমেইল, প্রতারণা এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার মতো ভয়ংকর সব হাতিয়ার। তিনি কসবা টিভি এবং পাক্ষিক অপরাধপত্র-এর সম্পাদক খ. ম. হারুনুর রশিদ ঢালি।

তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কেবল নীতিগত স্খলন নয়, বরং দেশের প্রচলিত আইনে এগুলো অত্যন্ত গুরুতর এবং অমার্জনীয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আসুন, আজ তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তির ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করি, কীভাবে একজন কথিত সাংবাদিক দিনের পর দিন আইনের চোখে ধুলো দিয়ে নিজেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে রেখেছেন।

(১:৩১-৩:৩০) পর্ব ১: চাঁদাবাজি, ব্ল‍্যাকমেইল এবং সাইবার পর্নোগ্রাফি-পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তার হুমকি

(ভিজ্যুয়াল 'দৈনিক সমডট' পত্রিকার নিউজ কাটিংয়ের ছবি, র‍্যাবের লোগো এবং শ্রীমঙ্গলের মানচিত্র। স্ক্রিনে '১০ লক্ষ টাকা চাঁদা লেখাটি লাল কালিতে হাইলাইট করা হবে।)

ভয়েস ওভার: আইনের দৃষ্টিতে চাঁদাবাজি এবং কাউকে ব্ল‍্যাকমেইল করা জামিন অযোগ্য ও ভয়ংকর অপরাধ। হারুনুর রশিদ ঢালির অপরাধমূলক ক্যারিয়ারের অন্যতম ভিত্তি হলো নিরীহ মানুষদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করা 4।

সিলেটের শ্রীমঙ্গলে এক নারীকে ব্ল‍্যাকমেইল করে ওই নারীর পরিবারের কাছে তিনি ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। এই জঘন্য অপরাধের কারণে র‍্যাব তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দৈনিক সমতট' পত্রিকায় প্রকাশিত সচিত্র প্রতিবেদনে এই ঘটনার সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যার শিরোনাম ছিল "শ্রীমঙ্গলে ব্ল‍্যাকমেইল করতে গিয়ে র‍্যাব এর হাতে আটক অপরাধপত্রের সম্পাদক ও প্রকাশক ঢালিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণা।

কিন্তু তার অপরাধের মাত্রা এখানেই থেমে নেই। ঢালি এবং তার পুত্রের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর গোপন ভিডিও ধারণ করে ব্ল‍্যাকমেইল করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি হাসিলের গুরুতর অভিযোগ স্থানীয় সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলিত রয়েছে। প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী এটি একটি জঘন্যতম শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে তিনি মূলত সমাজে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। (৩:৩১-৬:০০) পর্ব ২: রাষ্ট্রীয় তথ্যভান্ডার লুণ্ঠন এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল অপরাধ

(ভিজ্যুয়াল বাংলাদেশ পুলিশের ডাটাবেজের ডামি ফুটেজ, হ্যাকিং, ডিজিটাল ফরেনসিকের গ্রাফিক্স। স্ক্রিনে টাইমস্ট্যাম্প

24/03/2026

ভয়েসওভার (কণ্ঠস্বর আরেকটু তীক্ষ্ণ ও জোরালো হবে): ব্যক্তিপর্যায়ের অপরাধ ছাড়িয়ে ঢালির হাত পৌঁছে গেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সুরক্ষিত তথ্যভান্তরে, যা সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং সাইবার নিরাপত্তার চরম লঙ্জনের শামিল। বাংলাদেশ পুলিশের অত্যন্ত সুরক্ষিত ক্রিমিনাল ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম' বা সিডিএমএস (CDMS)-এর অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীল নথিপত্র এবং নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) অনুলিপি বেআইনিভাবে সংগ্রহ করে তিনি তার কসবা টিভিতে হুবহু প্রকাশ করেছেন।

পর্ব মাইনাস ৩

ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রকাশিত নথিতে একটি সুস্পষ্ট ইউআরএল (URL) এবং একটি টাইমস্ট্যাম্প '12/28/2025, 12:01 PM' দৃশ্যমান। এর মানে হলো, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে পুলিশের ভেতরের কোনো অসাধু কর্মকর্তার আইডি ব্যবহার করে এই তথ্য বের করে ঢালিকে সরবরাহ করা হয়েছে। এটি ১৯২৩ সালের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, রাষ্ট্রীয় সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং পুলিশ রেগুলেশনস বেঙ্গল (PRB)-এর সুস্পষ্ট ও প্রমাণিত লজ্ঞান।

সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের এই সংবেদনশীল সিডিএমএস তথ্য ভারতে ও অন্যান্য দেশে অবস্থানরত পলাতক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে পাচার করে আসছেন। এছাড়া, আওয়ামী লীগের সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের একান্ত সচিব আলাউদ্দিন বাবুর সাথে মিলে তিনি অত্যন্ত গোপনে 'আওয়ামী এজেন্ডা' বাস্তবায়নের অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য বিদেশী রাষ্ট্রের পলাতক আসামিদের কাছে হস্তান্তর করা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত এবং প্রচলিত আইনে এটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ।

(৬:০১-৮:০০) পর্ব ৩: প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ এবং সংবাদমাধ্যমকে 'অস্ত্র' হিসেবে ব্যবহার (ভিজ্যুয়াল কসবা টিভির অপপ্রচারের স্ক্রিনশট, বিকাশ লেনদেনের প্রতীকী ছবি এবং সাংবাদিক দ্বীন ইসলামের ছবি ব্লার বা সিলুয়েট আকারে দেখানো হবে।)

ওয়েসওভারঃ যে সংবাদমাধ্যমের কাজ সত্য প্রকাশ করা, ঢালি তার সেই কসবা টিভিকে বানিয়েছেন ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানো এবং প্রতারণার হাতিয়ার। জয়নগর গ্রামে বিজিবির অভিযানের সময় সাংবাদিক দ্বীন ইসলামের মোটরসাইকেল ও মোবাইল চোরাকারবারীদের হাতে ছিনতাই হয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঢালি ও তার সহযোগী জামশেদ মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দ্বীন ইসলামের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩,০০০ টাকা নেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও মোটরসাইকেল ফেরত না দিয়ে ঢালি পুরো টাকা আত্মসাৎ করেন। দ্বীন ইসলাম তার অধিকারের কথা বললে ঢালি তাকে জঘন্যভাবে ব্ল‍্যাকমেইল করতে শুরু করেন। ঢালি হুমকি দেন যে, দ্বীন ইসলাম আর কথা বললে তার বিরুদ্ধে আদালতে চলমান মামলার নথি এবং তার ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য জনসমক্ষে ফাঁস করে দেওয়া হবে।

নিজের অপকর্ম ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ঢালি চরম প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন। দ্বীন ইসলাম একসময় কসবা টিভিতে দীর্ঘদিন কাজ করলেও, ঢালি তাকে 'ভুয়া সাংবাদিক' আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে কসবা টিভিতে লাগাতার অপপ্রচার শুরু করেন। শুধু তাই নয়, কসবা টিভির মাধ্যমে তিনি দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে ১,০০০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হওয়ার ভুয়া খবর এবং ভারত থেকে মোটরসাইকেল পাচারের মতো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ এনে সংবাদ প্রচার করেন। এমনকি, নিজের বিকাশে টাকা নেওয়ার অপরাধ ঢাকতে কসবা টিভিতে বিকাশে অর্থ পাঠিয়ে ফাঁসানোর নতুন প্রতারণা' শিরোনামে বানোয়াট প্রতিবেদনও প্রকাশ করেন, যাতে তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেন। নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে একটি গণমাধ্যমকে এভাবে মিথ্যাচারের কারখানায় পরিণত করা সাংবাদিকতার নীতিমালার চরম লঙ্ঘন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মানহানির বড় অপরাধ।

(৮:০১ - ১০:০০) উপসংহার: প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের দাবি

24/03/2026

সিলেটের শ্রীমঙ্গলে এক নারীকে ব্ল‍্যাকমেইল করে ওই নারীর পরিবারের কাছে তিনি ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন।

24/03/2026

এটি অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে, খ. ম. হারুনুর রশিদ ঢালি কোনো সাংবাদিক নন; তিনি একজন পেশাদার অপরাধী, চাঁদাবাজ এবং রাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ একজন ব্যক্তি।

24/03/2026

তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কেবল নীতিগত স্খলন নয়, বরং দেশের প্রচলিত আইনে এগুলো অত্যন্ত গুরুতর এবং অমার্জনীয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

24/03/2026

The most shocking thing is that he has been smuggling this sensitive police CDMS information to fugitive top Awami League leaders in India and other countries for a long time.

​ ​ ​
​ ​ ​ ​ ​ ​ ​
​ ​ ​

Address

Kasba
3460

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমাদের কসবা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category