24/03/2026
ভয়েসওভার (কণ্ঠস্বর আরেকটু তীক্ষ্ণ ও জোরালো হবে): ব্যক্তিপর্যায়ের অপরাধ ছাড়িয়ে ঢালির হাত পৌঁছে গেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সুরক্ষিত তথ্যভান্তরে, যা সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং সাইবার নিরাপত্তার চরম লঙ্জনের শামিল। বাংলাদেশ পুলিশের অত্যন্ত সুরক্ষিত ক্রিমিনাল ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম' বা সিডিএমএস (CDMS)-এর অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীল নথিপত্র এবং নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) অনুলিপি বেআইনিভাবে সংগ্রহ করে তিনি তার কসবা টিভিতে হুবহু প্রকাশ করেছেন।
পর্ব মাইনাস ৩
ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রকাশিত নথিতে একটি সুস্পষ্ট ইউআরএল (URL) এবং একটি টাইমস্ট্যাম্প '12/28/2025, 12:01 PM' দৃশ্যমান। এর মানে হলো, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে পুলিশের ভেতরের কোনো অসাধু কর্মকর্তার আইডি ব্যবহার করে এই তথ্য বের করে ঢালিকে সরবরাহ করা হয়েছে। এটি ১৯২৩ সালের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, রাষ্ট্রীয় সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং পুলিশ রেগুলেশনস বেঙ্গল (PRB)-এর সুস্পষ্ট ও প্রমাণিত লজ্ঞান।
সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের এই সংবেদনশীল সিডিএমএস তথ্য ভারতে ও অন্যান্য দেশে অবস্থানরত পলাতক শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে পাচার করে আসছেন। এছাড়া, আওয়ামী লীগের সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের একান্ত সচিব আলাউদ্দিন বাবুর সাথে মিলে তিনি অত্যন্ত গোপনে 'আওয়ামী এজেন্ডা' বাস্তবায়নের অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য বিদেশী রাষ্ট্রের পলাতক আসামিদের কাছে হস্তান্তর করা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত এবং প্রচলিত আইনে এটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ।
(৬:০১-৮:০০) পর্ব ৩: প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ এবং সংবাদমাধ্যমকে 'অস্ত্র' হিসেবে ব্যবহার (ভিজ্যুয়াল কসবা টিভির অপপ্রচারের স্ক্রিনশট, বিকাশ লেনদেনের প্রতীকী ছবি এবং সাংবাদিক দ্বীন ইসলামের ছবি ব্লার বা সিলুয়েট আকারে দেখানো হবে।)
ওয়েসওভারঃ যে সংবাদমাধ্যমের কাজ সত্য প্রকাশ করা, ঢালি তার সেই কসবা টিভিকে বানিয়েছেন ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানো এবং প্রতারণার হাতিয়ার। জয়নগর গ্রামে বিজিবির অভিযানের সময় সাংবাদিক দ্বীন ইসলামের মোটরসাইকেল ও মোবাইল চোরাকারবারীদের হাতে ছিনতাই হয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঢালি ও তার সহযোগী জামশেদ মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দ্বীন ইসলামের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩,০০০ টাকা নেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও মোটরসাইকেল ফেরত না দিয়ে ঢালি পুরো টাকা আত্মসাৎ করেন। দ্বীন ইসলাম তার অধিকারের কথা বললে ঢালি তাকে জঘন্যভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করেন। ঢালি হুমকি দেন যে, দ্বীন ইসলাম আর কথা বললে তার বিরুদ্ধে আদালতে চলমান মামলার নথি এবং তার ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য জনসমক্ষে ফাঁস করে দেওয়া হবে।
নিজের অপকর্ম ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ঢালি চরম প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন। দ্বীন ইসলাম একসময় কসবা টিভিতে দীর্ঘদিন কাজ করলেও, ঢালি তাকে 'ভুয়া সাংবাদিক' আখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে কসবা টিভিতে লাগাতার অপপ্রচার শুরু করেন। শুধু তাই নয়, কসবা টিভির মাধ্যমে তিনি দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে ১,০০০ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হওয়ার ভুয়া খবর এবং ভারত থেকে মোটরসাইকেল পাচারের মতো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ এনে সংবাদ প্রচার করেন। এমনকি, নিজের বিকাশে টাকা নেওয়ার অপরাধ ঢাকতে কসবা টিভিতে বিকাশে অর্থ পাঠিয়ে ফাঁসানোর নতুন প্রতারণা' শিরোনামে বানোয়াট প্রতিবেদনও প্রকাশ করেন, যাতে তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেন। নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে একটি গণমাধ্যমকে এভাবে মিথ্যাচারের কারখানায় পরিণত করা সাংবাদিকতার নীতিমালার চরম লঙ্ঘন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মানহানির বড় অপরাধ।
(৮:০১ - ১০:০০) উপসংহার: প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের দাবি