31/05/2026
ঈদের আমেজ শেষ, কিন্তু সিএনজি-অটোরিকশার "ঈদ সেলামি" শেষ হয় না!
ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে ঈদ চলে গেছে বহু দিন হলো। মানুষের ছুটির আমেজ শেষ, অফিস-আদালত-কাজকর্ম সবকিছু একদম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। কিন্তু আমাদের দেশের অটোরিকশা আর সিএনজি চালকদের "ঈদের সিজন" যেন শেষই হতে চায় না!
যেকোনো জায়গায় যাবেন—ভাড়া দ্বিগুণ, তিনগুণ। জিজ্ঞেস করলেই এক অদ্ভুত যুক্তি, "মামু, ঈদের দিনগুলাতে একটু বেশি দেওন লাগে।" ভাইরে, ঈদ কি বছরে ১২ মাসই থাকে? নাকি আপনাদের ক্যালেন্ডার অন্য কোনো নিয়মে চলে?
সাধারণ মানুষ কি টাকার খনি?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, মধ্যবিত্ত আর সাধারণ মানুষের কাছে কি টাকার কোনো ভান্ডার বা খনি আছে?
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে এমনিতেই পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
তার ওপর প্রতিদিনের যাতায়াতে এই পকেট কাটার উৎসব!
প্রতিবাদ করলে উল্টো শুনতে হয়—"নিলে নেন, না নিলে অন্য গাড়ি দেখেন।"
মাঝে মাঝে মনে হয়, এই দেশে জন্ম নিয়ে সাধারণ মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকাটাই যেন একটা নীরব পাপ। বড় লোকরা এসির বাতাসে ঘুরে বেড়ায়, তাদের গায়ে এই কষ্টের আঁচ লাগে না। আর যত চাপ, যত জুলুম—সব এসে পড়ে এই খেটে খাওয়া, সাধারণ মধ্যবিত্তের ওপর।
এই নৈরাজ্য থামবে কবে?
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এভাবে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এই উৎসব আর কতদিন চলবে? প্রশাসন বা দেখার কি কেউ নেই?
চাহিদা বেশি থাকলেই যে পকেট কাটতে হবে, এই মানসিকতা থেকে এরা কবে বের হবে? আমরা শুধু একটু স্বাভাবিক ভাড়ায়, শান্তিতে যাতায়াত করতে চাই। এই দেশে সাধারণ মানুষের মত বেঁচে থাকার অধিকারটুকু কি আমাদের নেই?
#পরিবহন_নৈরাজ্য #সাধারণ_মানুষের_কষ্ট #ভাড়া_সন্ত্রাস