Kansat Shibganj Chapainawabganj

Kansat Shibganj Chapainawabganj আমের রাজধানীতে আপনাকে স্বাগতম।
Helpline: 01823-342019

22/07/2025
একজন বাবার কথা
22/07/2025

একজন বাবার কথা

আমি ভীত.. আমি আতঙ্কিত... সত্যি বলতে এই মুহূর্তে আমার চাকরি, অফিস, সেভিংস, বাড়ি গাড়ি সবকিছুই অর্থহীন মনে হচ্ছে... আমার শুধু মনে হচ্ছে আমি জীবনের বাকি কটা দিন আমার সন্তানগুলোকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকি...বিশ্বাস করেন আমার খুব পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে.. এমন কোথাও যেখানে আমি আমার বাচ্চাগুলোকে একটু নিরাপত্তা দিতে পারবো..আমি সত্যিই নিতে পারছি না! সম্ভবত আমি নিজেকে যতটা সাহসী ভাবতাম আমি অতটা সাহসী নই, এই মুহূর্তে আমি ভয়ানক রকমের একজন ভীত বাবা!

আমের রাজ্য হিসেবে পরিচিত দেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এই জেলারই খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ কানসাট, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রাচীন ...
20/01/2025

আমের রাজ্য হিসেবে পরিচিত দেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এই জেলারই খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ কানসাট, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রাচীন ইতিহাস। কানসাটের পূর্ববর্তী নাম ছিল কংসহট্ট। এই কানসাটে অবস্থিত কানসাট রাজবাড়ি যেটি স্থানীয়দের মাঝে কুঁজো রাজার বাড়ি বলে পরিচিত। ইতিহাসবিদদের ধারণা, কংসহট্ট এলাকাটি মানুষের মুখে-মুখে বিবর্তিত হয়ে কানসাট হয়েছে।

কানসাট আরও এক কারণে বিখ্যাত। এখানেই দেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজারটি অবস্থিত। কানসাট শুধু দেশের সবচেয়ে বড় বাজারই নয়, এটি এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম আম বাজারও। ছোট বড় মিলিয়ে এখানে প্রায় আড়াইশ’ আড়ত বসে আম বেচাকেনা করার জন্য। শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জই নয়, রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য এলাকার আড়তদাররা এখানে আসেন আম কিনতে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় কানসাটে বাজারের অবস্থান। ঢাকা থেকে যেকোনো বাসে উঠেই কানসাট চলে যাওয়া যায়। অথবা চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে নেমে সেখান থেকে ২১ কিলোমিটার দূরের কানসাটে যেতে লোকাল বাহনে উঠে গেলেই হয়। আমের মৌসুমে এই কানসাট জেলা শহরের চেয়ে জমজমাট থাকে! প্রতি আমের মৌসুমে দেশের এই বৃহৎ আম বাজারে প্রায় শত কোটি টাকার বেশি আমের বেচাকেনা হয়। প্রতিদিনই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এখানে কাঁচা আম এবং বিকেল তিনটা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিক্রি হয় পাকা আম।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর সড়কে অবস্থানের কারণে এই এলাকায় ব্যবসায়ীদের আনাগোনা থাকে সব সময়। আমের মৌসুমে এই বাজারের যেদিক চোখ যায় সেদিকেই শুধু আম আর আম। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে এখানে আম নিয়ে হাজির হন ব্যবসায়ীরা। সারি সারি ভ্যান ও বাইসাইকেলে ডালিতে আম সাজিয়ে বসে আছেন চাষিরা। চারদিকে হাঁকডাক! আপনি দেশের প্রায় সব অঞ্চলের ক্রেতাদেরই দেখা পাবেন এই বাজারে।

কানসাটের এই বাজার থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে শতাধিক ট্রাক আম। প্রতিদিন গড়ে চার কোটি টাকার আম কেনা-বেচা হয় কানসাটে। ঘুরে দেখার সঙ্গে সঙ্গে আপনি চাইলে কিনে খেতে পারবেন নানা রকম তরতাজা পাকা আম। এছাড়া ঝুড়িভর্তি করে আম কিনে নিতে পারবেন নিজের জন্যে।

আম বাজারের পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন আম বাগানে ঘুরে দেখতে পারবেন। চাইলে বাগান থেকেও নিজ হাতে পেরে আম কিনে নিতে পারবেন। এছাড়া হাতে সময় থাকলে কানসাটের কাছেই কানসাট জমিদার বাড় ও ছোট সোনা মসজিদ ঘুরে দেখতে পারেন। আরও আছে নাচোল উপজেলার আলপনা গ্রাম টিকইল।

আপনার যদি রাতে থাকার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরে থাকার জন্যে মোটামুটি মানের বেশকিছু হোটেল আছে। উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল রোজ, হোটেল আল নাহিদ, হোটেল স্বপ্নপুরী, নবাবগঞ্জ বোডিং এবং হোটেল রংধনু। তবে পরিবেশ তেমন ভালো না। ভালো কোথাও থাকতে চাইলে আপনার রাজশাহী শহরে চলে আসতে হবে।

#ক্ষিরসাপাতআম
#কানসাটআমবাজার
KaKansat Shibganj Chapainawabganjmango

12/02/2024
জিনিসপত্রের দাম কেনো বাড়ছে জানতে চান? আসুন একটু জেনে নেয়া যাক....মুদ্রাস্ফীতির সাথে খেলাপী ঋণ ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।প্রথেমে...
06/08/2022

জিনিসপত্রের দাম কেনো বাড়ছে জানতে চান? আসুন একটু জেনে নেয়া যাক....

মুদ্রাস্ফীতির সাথে খেলাপী ঋণ ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।

প্রথেমেই বুঝতে হবে মুদ্রাস্ফীতি জিনিস টা আসলে কি? খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছি।

মুদ্রাস্ফীতিঃ কোন দেশে সর্বোপরি যতটুকু সম্পদ আছে তার মূল্য ওই দেশের বর্তমানের মোট মুদ্রামাণের(টাকা) সমান। মনে করুন, বাংলাদেশে সর্বমোট ১৫ টাকা আছে এবং এই দেশের সম্পদ বলতে সাকুল্যে আছে ৫ টি কমলা। আর কিছুই নেই। যেহেতু দেশের মোট সম্পদের মূল্য মোট মুদ্রামানের সমান, সেহেতু এই ৫ টি কমলার মূল্য ১৫ টাকা। অর্থাৎ, প্রতিটি কমলার মূল্য ৩ টাকা। এখন যদি আরো ৫ টা ছাপানো হয়, তাহলে মোট মুদ্রামান হয়ে যাবে ১৫+৫ = ২০ টাকা। কমলা কিন্তু বাড়েনি। তারমানে এখন[নতুন করে ৫ টাকা ছাপানোর পর] ৫ টি কমলার মোট মূল্য হয়ে গেল ২০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি কমলার বর্তমান মূল্য ৪ টাকা।

এই যে সম্পদ না বাড়িয়ে অতিরিক্ত টাকা ছাপানোর ফলে কমলার দাম ৩ টাকা থেকে ৪ টাকা হয়ে গেল, এইটাই সহজ ভাষায় "মুদ্রাস্ফীতি"। একই পণ্য আগের থেকে বেশি দামে ক্রয় করা মানেই মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে।

অর্থাৎ, আমরা বলতে পারি "কোন দেশের সম্পদের পরিমাণ না বাড়িয়ে টাকা ছাপালে মুদ্রাস্ফীতি হবে।"

এইবার আসি খেলাপী ঋণের প্রসঙ্গে। সহজ ভাষায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করলে সেই ঋণ কে খেলাপী ঋণ বলা যায়। আবার সেই ১৫ টাকা এবং ৫ কমলায় ফিরে আসা যাক।

মনে করুন, এই ১৫ টাকা থেকে এক ব্যক্তি ৫ টাকা ঋণ নিল। যতক্ষণ পর্যন্ত ঋণের ৫ টাকা দেশের মধ্যেই থাকছে, ততক্ষন দেশের মোট মুদ্রামান ১৫ টাকাই থাকে। মানে প্রতিটি কমলার মূল্য ৩ টাকাই থাকে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি এখন পর্যন্ত ঘটেনি।

এইবার ধরুন ওই ব্যক্তি ঋণের ৫ টাকা ডলারে কনভার্ট করে বিদেশে গিয়ে খরচ করে ফেলেছে এবং সে ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম। ডলারে কনভার্ট করার মানে হচ্ছে ওই ৫ টাকা এখন আর টাকা নাই। ধরুন ১ ডলার হয়ে গেছে[ধরি, ১ ডলার = ৫ টাকা]। এখন ওই ১ ডলার কিন্তু আর বাংলাদেশে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। যে দেশের মুদ্রা শুধুমাত্র সে দেশেই ব্যবহার করা যায়। মানে ওই ৫ টাকা বাংলাদেশের মধ্যে আর নাই!! অথচ খাতা কলমের হিসাবে বাংলাদেশের মোট টাকার মান এখনো ১৫ ই আছে!!! কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আছে ১০ টাকা। ওই খেলাপী ৫ টাকার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আবার ৫ টাকা অতিরিক্ত ছাপানো হয়। অর্থাৎ খাতাকলমে মোট মুদ্রামান হয়ে যায় ২০। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ১৫ টাকা থাকে।

এইখানে দুইটা ভয়কংর ঘটনা ঘটেঃ

১)যেহেতু টাকা ছাপানো হয় নতুন করে, সেহেতু মুদ্রাস্ফীতি হবে। অর্থাৎ একই কমলার দাম আগে ছিল ৩ টাকা। এখন হয়ে যাবে ৪ টা।

২)উপরের সমস্যা টাও খুব একটা প্রভাব ফেলত না যদি সত্যি সত্যি দেশে ২০ টাকা থাকত। তাহলে পণ্যের দাম বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়ত। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না। কারন দেশে তো ২০ টাকা নাই। আছে ১৫ টাকা। ৫ টাকা গায়েবুল হাওয়া হয়ে গেছে। মানে আমাদের কাছে ১৫ টাকা। কিন্তু পণ্য কিনতে হচ্ছে এমন দামে যেন আমাদের ২০ টাকা আছে।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর এর পর মোট খেলাপী ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় এক লাখ এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর অর্থ এই হিউজ পরিমাণ টাকা আমাদের দেশে নাই। অথচ আমাদের পণ্য ক্রয়ের সময় এমন দাম দিতে হচ্ছে যেন ওই এক লাখ এক হাজার ১৫০ কোটি টাকাা আমাদের মুদ্রামাণে যুক্ত আছে। কি ভয়ংকর!!! এইসব হিসাবেই গ্যাসের সিলিন্ডার আজ ১৪০০ টাকা, অথচ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সেই ৭০০ টাকা ই আছে।

ভয়ংকর ব্যাপার। আপনাকে টাকা না দিয়ে বলা হচ্ছে টাকা দিয়েছি, আছে তোমার পকেটে, বেশি দাম দিয়ে চাল, ডাল, তেল কিনবা। নাহলে না খেয়ে মরবা।

😑😑🏩ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংকম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকাব্যাংকে রাখতে চাই.😎ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত আছে? .👵বু...
16/11/2021

😑😑
🏩ব্যাংকে এসে এক বুড়ি মহিলা ব্যাংক
ম্যানেজারকে বললঃ আমি কিছু টাকা
ব্যাংকে রাখতে চাই.😎
ম্যানেজার জিজ্ঞেস করলঃ কত আছে? .
👵বুড়ি বললঃ হবে ১০ লাখের মত....😱
ম্যানেজার বললঃ বাহ! আপনার কাছে বেশ
ভালোই টাকা আছে। আপনি করেন কি?
বুড়ি বললঃ তেমন কিছু না খোকা ।
ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় বাজি লাগাই।
আর বাকি সময় সবার সাথে যেকোনো
ব্যাপারে বাজি খেলি।
👴ম্যানেজার বললঃ শুধু বাজি লাগিয়েই এত
টাকা জমিয়েছো? তাজ্জব ব্যাপার !
বুড়ি বললঃ তাজ্জবের কিছু নেই খোকা।
আমি এখুনি এক লাখ টাকা বাজি ধরতে
পারি যে, তোমার মাথায় ফলস চুল
লাগানো...
ম্যানেজার হাসতে হাসতে বললঃ না
দিদা। আমি এখনো যথেষ্ট যুবক ।আর মাথায়
ফলস চুল লাগানো নেই।
বুড়িঃ তাহলে লাগাবে কি বাজি?
ম্যানেজার মনে মনে ভাবল, এই বুড়ি পাগল
মনে হচ্ছে। যাই হোক ১ লাখ টাকা ফ্রিতে
কামানো যাচ্ছে, তো অত ভেবে লাভ কি...?
ম্যানেজার রাজি হয়ে গেলো...
বুড়ি বললঃ যেহেতু এক লাখ টাকার ব্যাপার
তাই আমি কাল সকাল ১১ টায় আমার উকিল
নিয়ে এই কেবিনে আসব। আর ওর সামনেই
প্রমান করা হবে। আপনি কি রাজি ?
ম্যানেজার বললঃ ঠিক আছে। আমি রাজি।
ম্যানেজারের রাতে ঘুম আসলো না, সারা
রাত ঐ বুড়ি আর ১ লাখ টাকার কথা ভাবতে
থাকে...
পরের দিন সকালে ঐ বুড়ি উকিল নিয়ে ঠিক
🕥১১ টায় ম্যনেজারের কেবিনে এসে
উপস্থিত।
বুড়ি ম্যানেজার কে বললঃ আপনি কি
রেডি?
ম্যানেজার বললঃ একদম রেডি।
বুড়ি বললঃ যেহেতু প্রমানের দরকার তাই
আমি আমার উকিলের সামনে আপনার চুল
টেনে প্রমান করতে চাই যে চুল আসল না
নকল।
ম্যনেজার ভাবল, এক লাখ টাকার ব্যাপার...
একটু চুলই তো টানবে! তাই সে রাজি হয়ে
গেলো....
বুড়ি ম্যানেজার এর পাশে গেলো আর চুল
ধরে টানতে শুরু করল। আর ঠিক ঐ সময়ই বুড়ি'র
সাথে আসা উকিলটা দেওয়ালে মাথা
ঠুকতে শুরু করে দিলো...!
ম্যানেজার বলে উঠেঃ আরে আরে উকিল
বাবু কি হলো ???
বুড়ি হাসতে হাসতে বললঃ কিছু না। শক
খেয়েছে। আসলে ওর সাথে ৫ লাখ টাকার
বাজি ধরেছিলাম যে আজ সকাল ঠিক ১১
টায়, শহরের সবথেকে বড় ব্যাংকের,,,,
ম্যানেজারের চুলের মুঠি ধরে টানবো। 🤣🤣🤣🤣

Address

Kansat Shibganj Chapainawabganj
Kansat

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kansat Shibganj Chapainawabganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category