বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার

  • Home
  • Bangladesh
  • Kalkini
  • বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার

বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার

22/03/2016

আপনি কি মুসলিম?? তাহলে পোষ্টিটি আপনার জন্য।
অবশ্যই পড়বেন।
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ প্রশ্নে একজন সাধারণ ফেসবুক
ইউজার কি করতে পারেন ?

আগামী ২৭শে মার্চ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম
ইসলাম বাদ দেওয়া হতে পারে । অনেকেই
বলেছেন যে তিনি চান রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম
জারি থাকুক, কিন্তু একজন সাধারণ ফেসবুক ইউজার
হিসেবে তিনি কি বা করতে পারেন ?
যারা এ ধরনের প্রশ্ন করছেন, তাদের
জন্য বলছি- -----
বর্তমান সময়ে ফেসবুক যে কোন বিষয়ে
প্রতিবাদ জানানোর সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম বা
প্ল্যাটফর্ম। আপনি হয়ত ভাবছেন- ফেসবুক
দিয়ে কিছু হবে না, কিন্তু ফেসবুকে প্রতিবাদ করার
কারণে অনেক বিষয় কিন্তু মুসলমানদের পক্ষে
যাচ্ছে। যেমন ধরুন--------
১) বাংলাদেশ সরকার চেয়েছিলো বুড়িগঙ্গার
তীরে ২২টি মসজিদ ভেঙ্গে দিতে, কিন্তু
ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে তারা বিষয়টি স্থগিত
করে। ২) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে
কোরবানীর ঈদে কোরবানী নির্দ্দিষ্ট স্থানে
দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, কিন্তু পরবর্তীতে তা
ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
৩) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে ব-দ্বীপ
প্রকাশনী বন্ধ করে দেওয়া হয়।
৪) ফেসবুকে প্রতিবাদ করার কারণে এটিএম বুথে
হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত সরে আসে বাংলাদেশ
ব্যাংক। তাহলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল নিয়ে চক্রান্ত
চলছে সেটা
কেন ফেসবুকে প্রতিবাদের কারণে বাতিল হবে
না ? অব্যশই হবে ইনশাআল্লাহ। তাহলে আপনার
দায়িত্বটা কি ?

ক) প্রত্যেকে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করে লিখুন।
দেশের একজন নাগরিক হিসেবে প্রতিবাদ করা
আপনার নাগরিক অধিকার। নিজ নিজ আইডিতে স্ট্যাটাস
দিয়ে বলুন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধানে বহলা থাকুক
এটা
আপনি চান।
খ) বেশি বেশি ইভেন্ট খুলুন এবং সেখানে
প্রতিবাদ জানান।
গ) নিজে লিখতে না পারলে যারা লিখতে তাদের
লেখা শেয়ার করুন, কপি করুন এবং ছড়িয়ে দিন।
ঘ) এ সম্পর্কে প্রতিবাদ নিয়ে লেখা বিভিন্ন
পেইজের কমেন্টে, বিভিন্ন গ্রুপে গিয়ে
পোস্ট করুন।
ঙ) সবাই বিভিন্ন শ্লোগান ছড়িয়ে দিন। যেমন
‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল চাই’। কিংবা হ্যাশট্যাগ মারুন।
যেমন- # রাষ্ট্রধর্ম_ইসলাম_বহাল_চাই ।
চ) প্রয়োজনে প্রোফাইল পিক চেঞ্জ করুন।
ছ) সবাই সবার বন্ধু-বান্ধব, নিকট ব্যক্তিদের বিষয়টি
জানিয়ে দিন। ব্যস এতটুকুই। আপনার এতটুকু
সচেতনতায় অবশ্যই অবশ্যই রাষ্ট্রধর্ম বেচে
যাবে,ইনশাআল্লাহ্।
যদি ১০ হাজার ফেসবুক ইউজার বিষয়টি নিয়ে এক
সাথে ঝাপিয়ে পড়ে তবে ২৭ তারিখ পর্যন্ত
অপেক্ষা করতে হবে না, বরং তার আগেই
দেখবেন বিশেষ নির্দেশ বলে ঐ রিট আবেদন
বাতিল করতে বাধ্য হবে ষড়যন্ত্রকারীরা। বরং
উল্টো দেখবেন নিজ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা
পর্যন্ত চাইতে বাধ্য হবে। তাই এখনই শুরু করে
দিন.......... মনে রাখবেন আল্লাহ সর্বদা আমাদের
সাথে আছেন। Let's goooooooooo........

31/12/2014

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে ভালোই আছেন।

বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার
বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার
বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার

এই নামে আমি একটি ইসলামিক পেইজ খুলেছি, ইসলাম প্রিয় ভাই-বোনদের কে উদার্ত আহবান জানাচ্ছি এই পেজের মেম্বার বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করার জন্য।

এটি একটি উন্মুক্ত পেইজ।
এটি আমাদের লাইব্রেরীর অফিসিয়াল পেইজ।
এটি একটি নতুন পেইজ।
তাই সকল কে অনুরধ করছি যে,Like, Share, Invite এবং Promote এর মাধ্যমে পেইজের মেম্বার বাড়িয়ে আমাদের ইসলাম প্রচারে সহায়তা করুন।

যারা প্রমোট দিবেন, তাদের জন্য আইডি কোড দিলাম,
@+[680270008737442:]
"+" চিণ্হটি কেটে পোষ্ট করুন।
বিঃদ্রঃ সঙ্গত কারনে এই পেজটি আর ব্যবহৃত
হবে না। তাই এই পেজের
মেম্বারদেরকে আলোচ্চ পেজে লাইক দেবার
জন্য অনুরোধ করা হল।

বিদায় ২০১৪।
নতুন বছরের আগাম সুভেচ্ছা।

এস,এ,আর আসলাম।

11/09/2014

একগ্রামে অনেকগুলো সবল
ছেলেপেলেদের মধ্যে একটিমাত্র দূর্বল
ছেলে। তাই সবাই তাকে কিছুটা অবজ্ঞা করেই
চলত। দূর্বল ছেলেটির
খেলাধুলা কিংবা অন্য কোনকিছুতে অংশগ্রহন ছিল
না বললেই চলে।
গ্রামের ছেলেপেলেরা ছোট্ট
একটা নদী অপর পারে পাহাড়ের
কোলে মাঠের মত একটা জায়গায় খেলতে যেত।
দূর্বল ছেলেটিও
সংগে যেত, যদিও মাঠের একপাশে বসিয়ে রাখা হত
তাকে।
গাজপালায় ঢেকে থাকা বনটিতে ভয়ংকর সব পশুর
আনাগোনাও ছিল,
যদিও দিনের বেলায় মাঠের দিকটা ছিল নিরাপদ।
ঝড়ো আবহাওয়ার
এক বিকেলে, সব ভয়কে উপেক্ষা করেই
গ্রামের
ছেলেপেলেরা রওয়ানা দিল খেলার মাঠের দিকে।
বিকেল যতই
গড়াতে লাগল ঝড়ের বেগও বাড়তে লাগল
পাল্লা দিয়ে। ঝড় একসময়
তীব্র রূপ ধারন করল। টনক নড়ল ছেলেগুলোর,
দৌড়ে আশ্রয় নিল গূহার
মত একটি জায়গায়। দূর্বল ছেলেটি আগে থেকেই
ওখানে আশ্রয়
নিয়েছিল। ঝড় তখন দানবীয় রূপে গাছপালা সব তছনছ
করে ফেলছে।
একটি গাছ শেকড়শহ উপড়ে এসে পড়ল গূহার
মুখে। ঝড়
কিছুটা কমে আসতেই ছেলেগুলা হাত
লাগালো গাছটাকে সরানোর।
কাজটি তাড়াতারি সাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল তারা। সাঝের
ঘনিয়ে আসা অন্ধকারে ভয়ের মাত্রাটা বাড়তে লাগল
তাদের,
ভয়ংকর সব জানোয়ারের। গাছ ঠেলতে লাগল
তারা সবাই মিলে, গাছ
একটু নড়ে তা আবার নড়ে না। বার বার
চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হল
তারা, শেষ পর্যন্ত মাটিতে হাতপা ছড়িয়ে বসে পড়ল
সব হতাশ
হয়ে পড়া ছেলেগুলা। বিশ্রাম নেয়ার পর, শেষ
চেষ্টায় সব
শক্তি লাগিয়ে আবার গাছিটিতে ঠেলা লাগাল তারা, একটু
নড়ে থেমে পড়ল গাছটি আবার ।
"আমাকে তোমাদের সাথে চেষ্টা করতে দাও",
দূর্বল ছেলেটি মৃদু
শুরে বলল।
সবাই তখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাজি হয়ে আবার
গাছিটিকে ঠেলতে শুরু করল সবাই, এবার দূর্বল
ছেলেটিসহ।
একটু একটু নড়তে শুর করল গাছটা, তারপর
সবাইকে অবাক
করে দিয়ে গাছটি গড়িয়ে পড়ল একপাশে একটুখানি,
আর তাতে করেই
গুহা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ পেল
ছেলেগুলো, একজন একজন করে।
ওরপর থেকে দূর্বল ছেলেটিকে কেউ
কখনো আর অবহেলা করেনি।

08/09/2014

মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়ুন।
আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।
এক মহিলা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলো
উঠানের সামনে তিনজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে
আছেন।তিনি তাদের কাউকেই চিনতে
পারলেন না। তাই বললেন,
‘আমি আপনাদের কাউকেই চিনতে
পারলাম না,কিন্তু আপনারা হয়তো ক্ষুধার্ত।
আপনারা ভেতরে আসুন,
আমি আপনাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি।‘
তারা জিজ্ঞেস করলেন ‘বাড়ির কর্তা কি আছেন?’
মহিলা বললেন,’না’। ‘তিনি বাইরে গেছেন।’
‘তাহলে আমরা আসতে পারবো না।‘
সন্ধ্যায় যখন বাড়ির কর্তা ঘরে ফিরে
সব শুনলেন তখন তিনি বললেন,'যাও তাদের
বলো যে আমি ফিরেছি এবং তাদের ঘরে আসার
জন্যে অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।‘
মহিলা বাইরে গেলেন এবং তাদের ভেতরে
আসতে বললেন।
কিন্তু তারা বললো,‘আমরা এভাবে যেতে পারি না।'
মহিলা জিজ্ঞেস করলেন,’ কিন্তু কেন? আবার
কি সমস্যা?’
বৃদ্ধ লোকেদের মধ্যে একজন
বললেন,’আমাদের
মধ্যে একজনের নাম সম্পদ।‘ আরেকজনের
দিকে নির্দেশ করে বললেন,’তার নাম সাফল্য
এবং আমি ভালবাসা।এখন
আপনি ভেতরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিন আমাদের
কাকে আপনি ভেতরে ঢুকতে দেবেন।'
মহিলা যখন ভেতরে গিয়ে সব খুলে বললেন,
তখন তার স্বামী অত্যন্ত খুশি হয়ে গেলেন
এবং বললেন,'আসাধারন! চল আমরা সম্পদকে
ডাকি,তাহলে আমরা ধনী হয়ে যাব!'
তার স্ত্রী এতে সম্মতি দিলেন না,’নাহ,আমার
মনে হয় আমাদের সাফল্যকেই ডাকা উচিত।'
তাদের মেয়ে ঘরের অন্য প্রান্তে বসে সব
শুনছিলো। সে বলে উঠলো,
'তোমাদের কি মনে হয় না আমাদের
ভালবাসাকেই ডাকা উচিত? তাহলে আমাদের
ঘর ভালবাসায় পূর্ন হয়ে উঠবে।'
লোকটি বললো,‘ঠিক আছে আমরা তাহলে
আমাদের মেয়ের কথাই শুনবো, তুমি বাইরে যাও
এবং ভালবাসাকেই আমাদের
অতিথি হিসেবে ডেকে নিয়ে এসো।‘
মহিলাটি বাইরে গেলেন এবং বললেন’আপনাদের
মধ্যে ভালবাসা কার নাম? অনুগ্রহ করে
তিনি ভেতরে আসুন,আপনিই আমাদের অতিথি।'
ভালবাসা নামের বৃদ্ধ উঠে দাড়ালেন এবং বাড়ির
দিকে হাটতে শুরু করলেন,বাকী দুজনও
উঠে দাড়ালেন
এবং তাকে অনুসরন করতে লাগলেন।
মহিলাটি এতে ভীষন অবাক হয়ে গেলেন
এবং বললেন,
'আমিতো শুধু ভালবাসা নামের
বৃদ্ধকে ভেতরে আসার
আমন্ত্রন জানিয়েছি,আপনারা কেন তার
সাথে আসছেন?’
বৃদ্ধ লোকেরা বললো,'আপনি যদি সম্পদ আর
সাফল্যকে আমন্ত্রন করতেন তবে আমাদের
বাকী
দুজন বাইরেই থাকতাম,কিন্তু আপনি যেহেতু
ভালবাসাকে আমন্ত্রন
জানিয়েছেন,সে যেখানে যায়,আমরা দুইজনও
সেখানেই
যাই।
যেখানেই ভালবাসা থাকে, সেখানেই সম্পদ ও
সাফল্যও
থাকে।‘

24/08/2014

গাজায় একটি মাত্র বিদ্যুত উত্পাদন
কেন্দ্র, সেটাও
বিমান হামলা ধ্বংস
করে দিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল।
ঠিক করতে যাবে ? আবার
হামলা করে আবার ধ্বংস
করে দেবে, কি উপায় ? এখন
কি তাহলে গাজা বাসী ইহুদিদের
করুনার উপর ভর
করে বসে থাবে? না,এমন
টি হতে দেয়নি এরদোগানের
তুরস্ক। পাঠিয়ে দিয়েছেন এমন
একটি শক্তি-
শালী পাওয়ার প্ল্যান্ট
যা সারা গাজা বাসীকে দেবে অন্ধকারে আলোর
ঝিলিমিলি।
সেটা মাটিতে থাকবে না,
থাকবে পানির
উপরে। বিশাল জাহাজ পুরাটায়
পাওয়ার স্টেশন।
ইহুদিরা যাতে হামলা না করতে পারে তাই
হেফাজতের
জন্য সাথে পাঠিয়ে দিয়েছেন
নৌবাহিনীর একটি বহর
। এরদোগান ইসরাইলকে স্পষ্ট
ভাবে জানিয়ে রেখেছে ,
আমাদের কোনো ত্রান কেন্দ্র
বা যাহায্য সংস্থার
কর্মীদের উপড় কোনো প্রকারের
হামলা হলে তোমাদের
উপরও
আমরা পাল্টা হামলা চালাব,
এবং আমরাও
যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ব।

13/08/2014

ভারত বর্ষের একটা দরিদ্র ছেলে রাতের
বেলা কোরআন পড়ছিল হঠাত্ তেল
শেষ হয়ে বাতিটা নিভে যাওয়ায়
ছেলেটি মনের
দুঃখে কাঁদতে লাগলো আর
বলতে লাগলো হে আল্লাহ আমায় এত
গরীব
করে কেনো দুনিয়াতে পাঠালে তেল
কিনে কোরআন
পাঠ করার সামর্থও যে আমার নাই।
তখন ঐ ছেলেটির
কান্না শুনে একজন যুবক তার দরজায়
ঘা মারলো ছেলেটি দরজা খোলার পর
তাকে জিজ্ঞাসা করলেন:
তুমি কাঁদছো কেনো?
অতঃপর
ছেলেটি তাকে বললো আমি এতই গরীব
যে তেল কিনে কোরআন তেলাওয়াত
করতেও পারছিনা।
অতঃপর যুবকটি বললেন:
তুমি কেঁদনা আমি তোমার জন্য
কেরোসিন
নিয়ে আসছি।
কিছুক্ষন পরে যুবকটি কেরোসিন
কিনে এনে বলেছিলেন:
আমি জীবনে আর মদ খাব না এতদিন যত
টাকার মদ খেতাম এখন থেকে সেই
টাকা দিয়ে তোমাকে কোরআন পড়ার
জন্য কেরোসিন
কিনে দেব।
ওই রাতেই যুবকটি মারা গেলেন কিন্তু
সে মদ খেত বলে এলাকার লোকজন
কেউ তার দাফন কাফন
করতে চাইলো না,
এমনকি তার লাশ ঐ এলাকার
কবরস্হানে দাফন
করতেও দিবেনা বলে জানালেন।
অতঃপর যুবকটির লাশ
জঙ্গলে ফেলে রেখে আসা হল।
কিন্তু আল্লাহর
কি কুদরতি মহিমা তিন দিন তিন রাত
অতিবাহিত হবার
পরেও লাশটি সম্পূর্ন অক্ষত অবস্হায় ছিল।
বনের কোনো হিংস্র জন্তু জানোয়ার
ছিড়ে খাবে তো দূরের
কথা একটা পোকা মাকড়ও
তার মৃতদেহ স্পর্স করেনি।
এমনি ভাবে চার
দিন কেটে যাবার
পর ঐ এলাকার তিনজন আল্লাহ
ওয়ালা লোক
স্বপ্নে দেখলেন
যুবকটির লাশ
দাফন করতে হবে।
পরের দিন তারা তিন জন মিলিত
হয়ে লাশটিকে জঙ্গল
থেকে তুলে এনে গোসল
করিয়ে কাফন
পড়িয়ে জানাযার
আয়োজন করলেন,কিন্তু
এলাকাবাসী বললেন একটা মদখোরের
জানাযা আমরা পড়বো না।
তাই অল্প কিছু
লোক নিয়েই জানাযা আদায় করার পর
মৌলভী সাহেব
জানতে চাইলেন
এমন কেউ কি নাই
যে এই মৃত ব্যক্তির
একটি ভাল কাজের কথা বলতে পারবে..?
তখন একজন লোক হাত তুললেন যার
কাছ থেকে যুবকটি ঐ
গরীব ছেলেটির
জন্য কেরোসিন
কিনেছিলেন।
দোকানদার
লোকটি বললেন
আমি তাকে বলতে শুনেছি জীবনে অনেক
পাপ
করেছি দেখি যদি এই পূন্যের কাজের
বিনিময়ে আল্লাহ আমাকে মাফ করেন
কিনা।
তখন জানাযার
একেবারে পিছন
থেকে একটা ছেলের কান্নার আওয়াজ
পাওয়া গেল এই ছেলেটিই হল সেই
কোরআন পাঠ করা ছেলেটি,
অতঃপর সে উপস্হিত সবাইকে উদ্দেশ্য
করে বললোঃ আজ
রাতে আমিও
একটি স্বপ্ন
দেখেছি যিনি আমাকে কোরআন পাঠ
করার জন্য এক টিন কেরোসিন
কিনে দিয়েছিলেন তিনি বিশ্ব নবীর
সাথে জান্নাতে প্রবেশ করছেন।
পরিশিষ্টঃ মুসলমান
ভাইয়েরা ফিরে আসুন ইসলাম শরীয়তের
মূল পথে বিশ্বনবীর
আদর্শে জীবন
গঠন করুন।
কোরআনকে শক্ত
করে আকড়ে ধরুন কেবলমাত্র
তাহলেই আমরা আবার তামাম
বিশ্বকে তাক
লাগিয়ে দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ!
কারন যেই
কোরআন পাঠ
করার জন্য এক
টিন কেরোসিন
কিনে দিলেও বিশ্ব নবীর
সাথে জান্নাতে যাওয়ার সৌভাগ্য
জোটে সেটা আমাদেরই ধর্মগ্রন্হ।

ইসরাইলের বার-ইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্যের শিক্ষকমরদেচাই কেদর, এই কুত্তার বাচ্ছা, পতীতালয়েরবাচ্ছা বলেন, এবার পিলীস্তিনি...
12/08/2014

ইসরাইলের বার-ইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্যের শিক্ষক
মরদেচাই কেদর, এই কুত্তার বাচ্ছা, পতীতালয়ের
বাচ্ছা বলেন, এবার পিলীস্তিনি মহিলাদের
ধরে ধরে ধর্ষন করার পরামর্ষ দিছে। এই কুলাঙ্গার
কুত্তা শুয়ারেরে কি করা দরকার...???আমার
মুখদিয়া কোন ভাষা আসছে না

একাই ইসরাইলের ঘুম হারাম করেছেন হামাসকমান্ডার মুহাম্মাদ দেইফ, যিনি হামাসের সামরিক শাখারপ্রশিক্ষিত এবং দুর্ধর্ষ কমান্ডারআজ...
12/08/2014

একাই ইসরাইলের ঘুম হারাম করেছেন হামাস
কমান্ডার মুহাম্মাদ দেইফ, যিনি হামাসের সামরিক শাখার
প্রশিক্ষিত এবং দুর্ধর্ষ কমান্ডার
আজকের কথিত সভ্যজগত যখন শুধু
তাকিয়ে দেখছে তখন বিশ্বের অন্যতম প্রধান
দুটি সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে অসম লড়াই করে সেই
দুই শক্তিকে পায়ের কাছে নত করতে সক্ষম
হয়েছে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অকুতোভয়
যোদ্ধার দল হামাস। হামাস শক্ত হাতে কমান্ড
করে অমানবিকতার দুই ভিলেইনকে এতটায়
কোণঠাসা করেছে যে, তারা এখন কায়রোয়
হামাসের সঙ্গে আলোচনার
টেবিলে বসতে বাধ্য হয়েছে।
হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম
ব্রিগেডের দৃঢ়-সংকল্পের কমান্ডার মুহাম্মাদ
দেইফ এখন আগের যেকোনো সময়ের
চেয়ে গাজা উপত্যকার স্বায়ত্তশাসন আদায়ের
কাছাকাছি পৌঁছেছেন। একইসঙ্গে তিনি ফিলিস্তিনের
জাতীয় বিজয় অর্জনেরও দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু
কে এই দৃঢ়-সংকল্পের মুহাম্মাদ দেইফ?
এবারের গাজা যুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইলের এত
সেনা-ক্ষয়ের নায়ক মুহাম্মাদ
দেইফকে ইসরাইলের জনগণের
কাছে অনেকটা আড়াল রেখেছে তেল
আবিবের কঠোর শাসনে থাকা গণমাধ্যমগুলো।
যার কারণে এত বড় পরাজয়ের মুখে সেই
কমান্ডার মুহাম্মাদ দেইফকে ‘ছায়াচ্ছন্ন’
করে রেখেছে যুদ্ধবাজ ইসরাইল। বড় জোর
তাকে অপরিচিত এক
ব্যক্তি বলে আখ্যা দিয়ে থাকে। তারপরেও
কি থেমে থাকে সবকিছু! সত্য প্রকাশ
হয়ে পড়ে সময়ের ব্যবধানে। যেমনি প্রকাশ
হতে শুরু করেছে মুহাম্মাদ দেইফের পরিচয়।
ফিলিস্তিনের জনগণের কাছে চ্যাম্পিয়ন এই
কমান্ডারের পরিচয় তিনি একজন ‘সামরিক পণ্ডিত’ যার
আরেক পরিচয় ‘গেরিলা যুদ্ধের ছাত্র’। আসুন তার
সম্পর্কে এবার একটু বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি।
হামাসের এই কমান্ডারের ওপর পাঁচবার
বোমা হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইল।
তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি প্রতিবারই
বেঁচে গেছেন। যতবার জীবন ফেরত
পেয়েছেন ততবারই যেন ঈমান
আরো বেশি শক্তিশালী হয়েছে আর
মধ্যপ্রাচ্যের দাম্ভিক সামরিক
শক্তি ইসরাইলকে উপেক্ষা করেছেন প্রবল
পরাক্রমে। ইসরাইলের হামলা-ই যেন
হামাসকে উপহার দিল এক দুর্ধর্ষ কমান্ডার যার নাম
মুহাম্মাদ দেইফ।
এবারের যুদ্ধে ইসরাইল যতই শক্তি নিঃশেষ
করে দেয়ার জন্য হামাসকে সতর্ক করেছে,
যতই বলেছে রকেট ও টানেল ধ্বংস
করা হবে ততই বর্বর শক্তির
হুঁশিয়ারিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছেন মুহাম্মাদ
দেইফ। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন,
গাজা উপত্যকার ওপর থেকে আট বছরের
অবরোধ তুলে না নিলে যুদ্ধবিরতি হবে না।
১৯৬৫ সালে গাজার খান ইউনুস শহরের উদ্বাস্তু
শিবিরের একটি কারাগারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন
এই বীর কমান্ডার। কিন্তু কে জানতেন এই শিশুই
একদিন ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনে এত বড়
বীরের ভুমিকা পালন করবেন!
গত ২০ বছর ধরে এ বীর যোদ্ধা হামাসের
সামরিক অভিযানের সঙ্গে জড়িত। তার
নেতৃত্বে বহু হামলা হয়েছে ইসরাইলের ওপর।
বহু হামলার পরিকল্পনা তিনিই করেছেন। ইসরাইলের
সেনা অপহরণের নেতৃত্ব
কিংবা পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কাজ করেছেন,
হাতে নিয়েছেন গাজার অভ্যন্তরে টানেল
নির্মাণের এক কঠিন প্রকল্প যাতে ইসরাইলের
বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালানো যায় সহজেই।
সময়ের ব্যবধানে ২০০২ সালে হামাসের সামরিক
শাখা ইজ্জাদিন আল-কাসসাম ব্রিগেডের প্রধান
হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় দেইফকে।
ইসরাইলের হাতে পূর্বসুরি সালাহ শেহাদের’র
শাহাদাতের পর তিনি এ দায়িত্ব পান।
এ দায়িত্ব পাওয়ার আগে থেকেই দীর্ঘদিন
ধরে মুহাম্মাদ দেইফ
গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছেন। তারও
আগে ১৯৮০’র
দশকে তিনি ইসলামি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত
হন। বায়োলজির এ ছাত্র ইখওয়ানুল মুসলিমিনের
রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং গাজার
ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রধান
হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইসরাইলের
হাতে বন্দি হয়েছিলেন ১৯৮৯ সালে এবং ১৬
মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল ইসরাইলের কথিত
আদালত।
বলা হয়ে থাকে, ২০০০ সালে যখন দ্বিতীয়
ইন্তিফাদা শুরু হয় তখন তিনি ইয়াসির আরাফাতের
নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের
হাতে পরিচালিত কারাগার থেকে মুক্তি পান
অথবা কারা ভেঙে বের হতে সক্ষম হন। এ
ঘটনায় অনেক বেশি ক্ষুব্ধ হয় মানবতার শত্রু
ইসরাইল। অথচ এক দশকেরও বেশি সময়
ধরে মুহাম্মাদ দেইফের ওপর শকুনের
মতো তীক্ষ্ণ নজর ছিল ইসরাইলের। হামাসের
সামরিক শাখার প্রধান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার
পরপরই ইসরাইল পঞ্চমবারের
মতো হামলা চালিয়েছিল দেইফের ওপর। ওই
গুপ্ত
কিন্তু এবারের হামলাও ব্যর্থ হলো। অবশ্য,
পঞ্চমবারের হামলায় মুহাম্মাদ দেইফ
মারাত্মকভাবে আহত হয়েছিলেন। হামলার পর গুজব
ছড়িয়ে পড়ে তার পা ও দেহের নীচের অংশ
প্যারলাইজড হয়ে গেছে যদিও তা কখনো নিশ্চিত
হওয়া যায় নি। এরপর তিনি একদমই গোপন কোথাও
চলে গেছেন; জনসমক্ষে আর দেখা যায় নি।
তার জীবন সম্পর্কেও তেমন বিস্তারিত কিছু
জানা যায় না।
২০০২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
মাসে ইহুদিবাদী ইসরাইল অ্যাপাচি হেলিকপ্টার
থেকে দেইফের গাড়ি লক্ষ্য
করে দুটি হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
করে। সে সময় তিনি এক শোকানুষ্ঠান
থেকে ঘরে ফিরছিলেন। আহত হয়ে এ যাত্রাও
বেঁচে যান কমান্ডার দেইফ।
২০০৩ সালের আগস্ট মাসের কথা। এবারও আরেক
হামলা থেকে বেঁচে যান তিনি। সেদিন হামাস
নেতা ইসমাইল হানিয়া, আল-আউয়াল এবং আধ্যাত্মিক
নেতা শেখ ইয়াসিনের সঙ্গে মুহাম্মাদ দেইফ
বৈঠক করছিলেন একটি ভবনের নিচ তলায়।
ইহুদিবাদী ইসরাইল ওই ভবনের ওপরের তলায়
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। হামলায় সবাই বেঁচে যান
তবে সামান্য আহত হন।
দফায় দফায় আহত হওয়ার পর শোনা যায় দেইফ তার
প্রতিনিধিত্ব দিয়েছেন তারই সহযোগী আহমাদ
জাবারিকে। শত্রুদের মধ্যে তার নাম
রয়েছে “ক্যাট উইথ নাইন লাইভস”।
ধীরে ধীরে গাজার অভ্যন্তরে তার সুনাম-
সুখ্যাতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অনেক শক্তভাবে।
অতি সম্প্রতি মুহাম্মাদ দেইফের
কয়েকটি ছবি পাওয়া গেছে যা ২০ বছর আগের;
খানিকটা অস্পষ্টও বটে। এ থেকেই জানা গেল
তার অস্তিত্ব। তবে তিনি কোথায় থাকেন তা সাধারণ
লোকজন তো বটেই বিশিষ্টজনদেরও
অনেকে জানেন না। বলা হয়ে থাকে- শুধুমাত্র
হামাসের দু জন নেতা কমান্ডার দেইফের অবস্থান
সম্পর্কে জানেন। ধারণা করা হয় তাদরেই একজন
হচ্ছেন ইসমাইল হানিয়া। এছাড়া, মনে করা হয়
হামাসের এই কমান্ডারের সঙ্গে একমাত্র ইসমাইল
হানিয়ার সারসরি যোগাযোগ আছে।
মুহাম্মাদ দেইফ ছদ্মবেশ ধারণ করার বিষয়ে এতটাই
পারদর্শী যে, মুহূর্তেই জনতার
মধ্যে মিশে যেতে পারেন। রহস্যময় এ
কমান্ডার কোনো প্রযুক্তির সঙ্গে থাকেন না;
ব্যবহার করেন না কোনো মোবাইল ফোন
বা অন্য কিছু। কারণ একটাই; শত্রু ইসরাইলের
যেকোনো ধরনের ফাঁদ
এড়িয়ে চলা যাতে কোনোভাবেই তার চিহ্ন
না পায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হামাস কর্মকর্তার বরাত
দিয়ে গত ক’দিন আগে এই তথ্য জানিয়েছিল
বার্তা সংস্থা এএফপি।
সম্ভবত তিনি এ কৌশল ও সতর্কতা অবলম্বন করেন
তারই বিজ্ঞ পরামর্শদাতা ইয়াহহিয়া আইয়াশের
শাহাদাতের কারণে। আইয়াশ শহীদ হয়েছিলেন
১৯৯৬ সালে। মোবাইল ফোন ট্রাক
করে ইসরাইলের গুপ্তচর
সংস্থা ফাঁদে ফেলে তাকে শহীদ করে।
শহীদ আইয়াশ একান্ত তত্ত্বাবধানের
মাধ্যমে মুহাম্মাদ দেইফকে গড়ে তোলেন
বোমা বিশেষজ্ঞ হিসেবে; সেই
সঙ্গে গড়ে ওঠে হামাসের সামরিক শাখার কমান্ড
কাঠামো।
যে দেইফ নিয়ে এতক্ষণ এত কথা হলো সেই
দিয়েফের পুরো নাম কিন্তু জানা হলো না। তার
পুরো নাম মুহাম্মাদ দিয়াব আল-
মাসরি এবং তিনি পরে গেরিলা নাম ধারণ করেন
দিয়েফ যার আরবি অর্থ হচ্ছে মেহমান বা অতিথি।
হামাসের এই জাঁদরেল কমান্ডারের স্বাভাবিক অভ্যাস
হচ্ছে- ক্ষণে ক্ষণে অবস্থান পরিবর্তন করা।
নাম প্রকাশে হামাসের এক
কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মুহাম্মাদ দেইফ হচ্ছেন
“অতিশয় বিনয়ী মানুষ, বিচক্ষণ এবং খুব নরম
সুরে কথা বলেন।” তার পরম ভালোবাসার বিষয়
হচ্ছে ‘সামরিক কৌশল’। দিনের বেশিরভাগ সময় কাটান
তিনি সামরিক কৌশল নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে।
রহস্যের জালে ঘেরা এই কমান্ডারের
কোনো বক্তব্য-বিবৃতিও পাওয়া দুর্লভ বিষয়।
২০১২ সালে ইহুদিবাদী ইসরাইলকে ‘পিলার অব
ডিফেন্স’ নামে সামরিক অভিযান চালানোর
বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।
গাজা থেকে হামাসের রকেট হামলা ঠেকানোর
নামে ইসরাইল ওই অভিযান চালায়।
১৯৯৬ সালে ইয়াহহিয়া আইয়াশ শাহাদাতবরণ করার পর
মুহাম্মাদ দেইফ নিজেই ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম
ব্রিগেডের ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব পালন করা শুরু
করেন। আইয়াশ নিজেও ছিলেন বিস্ফোরক
বিশেষজ্ঞ। ইসরাইল মনে করে- মুহাম্মাদ
দেইফের কারণেই হামাস বহু হামলায়
সফলতা পেয়েছে। ২০০৬ সাল পর্যন্ত
ইসরাইলের অভ্যন্তরে যেসব
হামলা হয়েছে তার মূল
পরিকল্পনাকোরী ছিলেন হামাসের এই কমান্ডার।
হামাসের কৌশলগত উন্নয়নে তিনিই বড়
ভূমিকা রেখেছেন বলে মনে করে ইসরাইল।
ইসরাইলের সামরিক
কর্মকর্তারা আরো মনে করেন- হামাসের কাসসাম
রকেটের আবিষ্কারক হলেন কমান্ডার মুহাম্মাদ
দেইফ। বলা হয়- ইরান উন্নত রকেট
প্রযুক্তি দেয়ার আগ পর্যন্ত এই রকেটের
পাল্লা ছিল ৮ কিলোমিটার। সূত্র- রেডিও তেহরান

12/08/2014
09/08/2014

প্লিজ একটু সময় নিয়ে পড়ুন।
গাজা নিয়ে সৌদি রাজার মুখ খোলার রহস্য
ইসলামিকনিউজ ডেস্ক :গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার
প্রায় ২৫ দিন পর (শুক্রবার বিকেলে)
সৌদি রাজা আব্দুল্লাহ গাজায় ইসরাইলের
নাম উচ্চারণ না করেই ফিলিস্তিনিদের ওপর
ভয়াবহ ও নৃশংস হামলা সম্পর্কে ‘বিশ্ব
সমাজের নীরবতার’ নিন্দা করেছেন!
ইসলামের পবিত্রতম দুই স্থান তথা মক্কা ও
মদীনার খাদেম হওয়ার দাবিদার
রাজা আব্দুল্লাহ গাজায় ভয়াবহ ও নৃশংস
হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ এবং ‘রাষ্ট্রীয়
সন্ত্রাস’ বলেও অভিহিত করেছেন।
বিশ্ব সমাজের নীরবতার’
ফলে শান্তি বিরোধী প্রজন্ম
গড়ে উঠবে বলেও
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সৌদি রাজার এ
সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত ও লিখিত বিবৃতি এক রাজ
কর্মকর্তা বা মুখপাত্র পড়ে শোনান।
এদিকে সৌদি আরবের প্রধান
মুফতি বা সৌদি শরিয়া বোর্ডের গ্র্যান্ড
মুফতি আবদুল আজিজ আল আশ শেইখ বলেছেন,
ইসরাইল-বিরোধী মিছিল করা সম্পূর্ণ
হারাম। তিনি আরো বলেছেন,
ফিলিস্তিনিদের পক্ষে মিছিল করা অর্থহীন
সস্তা আবেগপ্রসূত তৎপরতা মাত্র!
এর আগে সৌদি রাজপুত্র ও সাবেক
গোয়েন্দা প্রধান তুর্কি ফয়সাল গাজায়
গণহত্যা তথা ইসরাইলি অপরাধযজ্ঞের জন্য
দখলদারদের দোষ না দিয়ে বরং হামাসকেই
দায়ী করেছেন!
তুর্কি বলেছিলেন: হামাস অতীতের মতই ভুল
করে যাচ্ছে এবং গোঁয়ার্তুমি করে ইসরাইলে অকার্যকর
বা প্রভাবহীন রকেট নিক্ষেপ করছে বলেই
ইসরাইলি সেনারা ফিলিস্তিনে হত্যাকাণ্ড
চালাচ্ছে!
তবে সম্প্রতি সবচেয়ে মারাত্মক খবরটি ফাঁস
করেছে নিউইয়র্ক টাইমস। ওই
খবরে বলা হয়েছে, গাজায়
ইসরাইলি হামলা বা যুদ্ধের খরচ বহন
করছে সৌদি, জর্দান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও
মিশর সরকার!
এ অবস্থায় গণহত্যার শিকার
ফিলিস্তিনিদের প্রতি রাজা আবদুল্লাহর
কথিত সহমর্মিতা যে আসলে মায়াকান্না ও
লোক-দেখানো পদক্ষেপ তা দশ বছরের
বালকের কাছেও অস্পষ্ট থাকার কথা নয়।
রাই আল ইয়াওম সংবাদ মাধ্যমের ‘আবদুল
বারি আতওয়ান’সহ স্পষ্টভাষী আরব
সাংবাদিক ও বিশ্লেষকদের
মতে আসলে রাজা আবদুল্লাহর
কপটতা ফুটে উঠেছে আরো বেশ
কয়েকটি কারণে। প্রথমত তিনি তার ওই
বক্তব্যে ইচ্ছে করেই ইসরাইলের নাম
মুখে আনেননি। (কারণ, বাংলা প্রবাদ
অনুযায়ী ভাসুরের নাম মুখে আনতে নেই!)
ইসরাইলই যে এতোসব আগ্রাসন, গণহত্যা ও
সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাচ্ছে তা তিনি অন্তত
একবারও মুখে আনার সাহস করেননি!
দ্বিতীয়ত গাজায় অপরাধযজ্ঞ ও
গণহত্যা চলছে বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ
করেছেন, কিন্তু বলেননি যে কিভাবে এই
গণহত্যা ঠেকানো যায় এবং সৌদি আরব এ
ব্যাপারে কী করতে পারে!
সৌদি রাজা গাজায় গণহত্যা ঠেকানোর
বিষয়ে আরব দেশগুলোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের
নিয়ে বা পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে অন্তত
কোনো জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠানের আহ্বান
জানাতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি।
উল্লেখ্য, রাজার ওই বক্তব্য যখন
পড়ে শোনানো হচ্ছিল তখনই গাজায় ইসরাইলি ঘাতক
বিমানগুলোর হামলায় ৬০
জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়।
নিহতদের এক তৃতীয়াংশই ছিল শিশু ও
নবজাতক। এ সময় উত্তর গাজায়
ইসরাইলি গোলার আগুনে পুড়ে মারা যায় তিন
ফিলিস্তিনি শিশু। গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের বর্তমান
সংখ্যা ১৭০০
ছাড়িয়ে প্রায় ১৮০০’র কাছাকাছি (১৭৬৭)
পর্যায়ে পৌঁছেছে। আহত হয়েছে প্রায় ৯
হাজার। ইসরাইল নিজেই যুদ্ধ-
বিরতি ঘোষণা করে নিজেই তা লঙ্ঘন
করছে এবং হাসপাতাল ও জাতিসংঘের স্কুলেও
হামলা অব্যাহত রেখেছে।
তৃতীয়ত প্রশ্ন হল গাজায় গণ হত্যার
ব্যাপারে প্রায় চার সপ্তাহ নীরব থাকার পর
সৌদি সরকারের মধ্য থেকে কেবল
রাজা আবদুল্লাহই কেন সরব হলেন?
আসলে তারা এটাই চাচ্ছিলেন যে স্বাধীনতাকে সংহত
ও টিকিয়ে রাখার
সংগ্রামে ব্যস্ত (তাদের ভাষায়)
‘গাজা নামক ঝামেলাটি’ মাত্র কয়েক দিনের
মধ্যেই শেষ হয়ে যাক! ইসরাইল কেন এখনও
গাজাকে ধ্বংস করতে পারল না সে জন্য
তারা ইসরাইলের ওপরই ক্ষুব্ধ হয়েছেন। চতুর্থত
ফিলিস্তিনের আরব ও সুন্নি মুসলমান
ভাইদের জন্য যদি সৌদি রাজার
মনে কোনো দরদই
থাকতো তাহলে তিনি ইসরাইলের
বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার কথাও
বলতেন। যেমন, তিনি এখনও কেনো তেল-অস্ত্র
প্রয়োগের কথা বলছেন না? অথচ ১৯৭৩
সালে তার ভাই ফয়সাল ইসরাইল ও তার
মিত্রদের বিরুদ্ধে তেল-অবরোধ আরোপ
করেছিলেন। (ফয়সালকে সম্ভবত এ জন্যই
পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জীবন
দিতে হয়েছিল নিজ ভাতিজার হাতে) সৌদি রাজা কেন
গাজার ওপর অবরোধ
তুলে নেয়ার কথা ও সেখানে প্রায়ই
ইসরাইলি হামলা ঘটার কথা তুলে ধরে এইসব
অপরাধ বন্ধের স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার
কথা বলেননি? আহত ফিলিস্তিনিদের
চিকিৎসার জন্য তিনি কি বলতে পারতেন না তারই স্নেহ-
ধন্য মিশরের সিসি যেন
রাফাহ ক্রসিং পয়েন্ট দিয়ে আহতদের
চিকিৎসার জন্য সৌদি আরবে আসার সুযোগ দেন
এবং এ
ব্যাপারে কোনো হয়রানি বা টালবাহানা না করেন?
বার বার ইসরাইলি হামলার শিকার গাজার দশটি হাসপাতালসহ
সেখানকার সর্বত্র
খাদ্য ও ওষুধ আর চিকিৎসা সামগ্রী শেষ
হয়ে আসার খবর কি তিনি জানেন না?
ইয়াতিম ও পঙ্গু শিশুদের জন্য
তিনি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন। আরো শিশু ও
নবজাতক যেন ইসরাইলি গোলার
আঘাতে টুকরো টুকরো না হয়ে যায় সে জন্য
তিনি কী ব্যবস্থা নিয়েছেন বা তাদের
প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে তিনি কি বলেছেন?
আহতদের চিকিৎসার জন্য
রাজা তো খুলে দিতে পারতেন এয়ার ব্রিজ
বা বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা। অথচ
স্বাধীনচেতা সিরিয়া ও ইরাকের
বিরুদ্ধে এবং এমনকি ইরানের
বিরুদ্ধে কথা বলতেও এইসব আরব রাজা-
বাদশাহদের গলা একটুও কাঁপে না!
দশ হাজার কিলোমিটার দূরের দেশ
ভেনিজুয়েলা, বলিভিয়া, ইকুয়েডর, ব্রাজিল ও
আর্জেন্টিনা ইসরাইলি গণহত্যার তীব্র
নিন্দা জানাচ্ছে। এইসব দেশ গাজার
আহতদের চিকিৎসার সুযোগ
দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এই দেশগুলোর
মধ্যে কয়েকটি দেশ ইসরাইলি হামলার
প্রতিবাদে তাদের রাষ্ট্রদূতকে ইসরাইল
থেকে ফেরত
এনেছে এবং এমনকি বলিভিয়া ইসরাইলকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র
হিসেবে অভিহিত করে তার সঙ্গে কিছু চুক্তিও
বাতিল করেছে। কিন্তু আজো কোনো আরব
দেশের
রাষ্ট্র প্রধান এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ
নিতে পারেননি! বরং মিশর গাজার সঙ্গে তার সীমান্ত
আরো মজবুত করে বন্ধ
করে দিয়েছে যাতে বোমা হামলা থেকে পালানোর
কোনো পথ খুঁজে না পায় সমুদ্র ও ইসরাইল-
বেষ্টিত গাজাবাসী এবং গাজাবাসীদের
জন্য জরুরী পণ্য সরবরাহের লাইন
হিসেবে ব্যবহৃত গোপন সুড়ঙ্গগুলো ধ্বংস
করছে! তারা গণহত্যার জন্য জল্লাদদের
দায়ী না করে বরং মজলুমকেই দোষারোপ
করছে!
কিন্তু গাজার সন্তানহারা পিতা ও শহীদদের
জননীরা বলছেন: আমাদের নারীরা আবারও
জন্ম দেবে বীর যোদ্ধাদের এবং গাজা কেবল
আল্লাহর কাছেই মাথা নত করবে!

07/08/2014

ইসরাইলি সৈন্যদের জন্য ভারতীয়
নারীর চিকেন বিরিয়ানি
গাজায় নিরীহ লোকজনের ওপর নৃশংস
হামলা করে করে ‘ক্লান্ত’
ইসরাইলি সৈন্যদের
বিরিয়ানি খাইয়ে তাদের হৃদয়মন জয়
করেছেন এক ভারতীয় নারী। তাদের
জন্য তিনি হাজির করেছিলেন
সুগন্ধী চিকেন বিরিয়ানি।
ইসরাইলি সৈন্যরাও তার
বিরিয়ানি খেয়ে তৃপ্ত হয়ে নতুন
শক্তিতে গাজায় হামলা চালিয়েছিল।
‘কারি কুইন’ নামে পরিচিত ওই ভারতীয়
নারীর নাম রিনা পুষ্করনা। কেবল
রান্নাই করেননি, তিনি নিজ
হাতে তাদের বিরিয়ানি পরিবেশন
করেছেন।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই ইহুদিদ
নারী ইসরাইলে চেইন
তন্দুরি রেস্তোরাঁ চালাতেন। ৩০ বছর
ধরে তিনি তেল আবিবে থাকেন। তার
বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল।
ইসরাইলে বিজেপির অন্যতম নেতা।
নরেন্দ্র মোদির
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ
অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
গাজায় ইসরাইলি সৈন্যদের হামলার
কথা শুনে তিনি গত সপ্তাহে গাজার
উপকণ্ঠে অস্থায়ী রেস্তোরাঁ খুলে দুই
হাজারের বেশি ইসরাইলি সৈন্যের
জন্য ৪০০
কেজি বিরিয়ানি রান্না করেন।
তিনি জানিয়েছেন, তার
রান্না ইসরাইলি সৈন্যদের
মুখে হাসি ফুটিয়েছে।
উল্লেখ্য, গাজায় ইসরাইলি সৈন্যদের
হাতে নিহত লোকদের বেশির ভাগই
ছিল নারী ও শিশু।সুত্র- ইন্টারনেট

07/08/2014

মাওয়া: মাওয়ার অদূরে ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চ
খুঁজতে দেশে প্রথমবারের মতো ব্যবহার
করা হয়েছে ‘সাব বটম প্রোফাইলার’। পদ্মার
উপরিভাগ তল্লাশি শেষে লঞ্চের
কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ‘সাব বটম প্রোফাইলার’
নামের যন্ত্র দিয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন নৌবাহিনীর
সদস্যরা। নদীর তলদেশে পলির নিচে কিছু
চাপা পড়ে থাকলে তা খুঁজে বের করবে যন্ত্রটি।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বেশ ক’বার নৌবাহিনীর
সদস্যরা যন্ত্রটি ফেলে তা থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত
সংগ্রহ করে কম্পিউটারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ
করছেন।
কিন্তু বেলা সোয়া ১২টা পর্যন্ত অত্যাধুনিক এ
প্রযুক্তি দিয়েও নিখোঁজ লঞ্চের সন্ধান
পেতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা।
উপাত্তে নিখোঁজ লঞ্চের কোনো তথ্য
নেই। যা পাওয়া যাচ্ছে তা কাদা আর বালির
স্তরবিশেষ। এমনটি জানিয়েছেন কাণ্ডারি-২’র
অনুসন্ধানকারী টিমের প্রধান নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন
নজরুল ইসলাম ও চট্রগ্রাম পোর্টের চিফ
হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মো. মনজুর আহমদ।
তারা বলেন, ডুবে যাওয়া কোনো লঞ্চ
খুঁজতে দেশে প্রথমবারের
মতো নামানো হলো ‘সাব বটম প্রোফাইলার’।
এটি নদীর তলদেশের মাটির স্তর পরীক্ষা-
নিরীক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়।
হলুদ রঙের ‘সাব বটম প্রোফাইলার’
দেখতে অনেকটা মিনি এয়ারক্রাফট বা ড্রোনের
মতো। এ যন্ত্র দিয়ে মাটির
তলদেশে ঢুকে পড়া কোনো বস্তু দ্রুত
খুঁজে বের করা সম্ভব। ক্রেনের
সাহায্যে এটি পানিতে ফেলা হলে সংযুক্ত
কম্পিউটারে সঙ্গে সঙ্গে সংকেত আসতে শুরু
করে।
অনুসন্ধানকারী কাণ্ডারি-২’র ওপরের তলায়
দু’টি কম্পিউটারে গ্রাফ চিত্রের মাধ্যমে ‘সাব বটম
প্রোফাইলার’ থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন
নৌবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা। সেতথ্য উপাত্ত
সঙ্গে সঙ্গে বিশ্লেষণ করছেন চট্রগ্রাম
পোর্টের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মনজুর
আহমদ।
যন্ত্রটি দিয়ে অনুসন্ধান
তৎপরতা দেখিয়ে তিনি বলেন, সাইড স্ক্যান
সোলার দিয়ে নিখোঁজ লঞ্চের সন্ধান না পাওয়ায়
‘সাব বটম প্রোফাইলার’ নামানো হয়েছে। মাটির
নিচে পলিতে কোনো কিছু চাপা পড়লে যন্ত্রটির
মাধ্যমে তা খুঁজে পাওয়া সম্ভব বলে জানান তিনি।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাঁচবার
যন্ত্রটি দিয়ে পদ্মার নিচে সংকেত
পাঠানো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ
করে লঞ্চের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এরপরও একটি সম্ভাব্য লাইন চিহ্নিত করে কাণ্ডারি- ২
থেকে নৌবাহিনীর ৩০ সদস্যের টিম উদ্ধার অভিযান
অব্যাহত রেখেছে।
কাণ্ডারি-২’র ক্যাপ্টেন নজরুল ইসলাম জানান, ‘সাব বটম
প্রোফাইলার’ কাদা মাটির মধ্যে ৭০ ফিট আর
বালি মাটি হলে ১৮ ফিট নিচ পর্যন্ত কোনো বস্তু
খুঁজতে সক্ষম।
ডুবে যাওয়া লঞ্চটি কাঠের তৈরি হওয়ায় কাঠ
পাতলা হয়ে ভাসতে ভাসতে অনেক দূর
চলে গেছে বলে ধারণা তার।
এদিকে, বৃহস্পতিবার নতুন করে আর কোনো লাশ
ভেসে উঠেনি পদ্মায়। ২৪ জনেই
আটকে আছে লাশের সংখ্যা। আর নিখোঁজের
তালিকায় আছেন ১৪৮ জন। স্বজনদের মধ্যে এ
পর্যন্ত হস্তান্তর করা হয়েছে ১১টি লাশ।

Address

Bonogram, Gopalpur, Madaripur
Kalkini

Telephone

01913895634

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বনগ্রাম খাদেমুল ইসলাম পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category