Ala Hazrat Islamic Pathagar, Naula, Kachua, Chandpur.

Ala Hazrat Islamic Pathagar, Naula, Kachua, Chandpur. রাজনীতি মুক্ত, একটি সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান।

আলা হযরত ইসলামী পাঠাগার ও সমাজ কল্যান সংস্থা একটি রাজনীতি মুক্ত প্রতিষ্ঠান। শিক্ষিত, ইসলামিক মনের অধিকারী কিছু যুবকের প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান টি ইংরেজি ২০১০ সালের ৩ই মে, চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার ১০নং গোহট উঃ ইউনিয়নের নাউলা গ্রামে অবস্থিত। ইহার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর সুশিক্ষায় শিক্ষিত সমাজ গঠন এবং জনকল্যাণ মূলক কাজ ও দেশ প্রেমের মাধ্যমে আল্লাহ ও তার রাসূল (সঃ) এর সন্তুষ্টি অর্জন।

07/04/2026

আজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে একবার ভেবে দেখুন…
হয়তো আগামীকাল ভোরে ঘুম থেকে উঠে শুনবেন—মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে গেছে।
হয়তো হাজার বছরের পারস্য সভ্যতা শুধু ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে…
এই ক্ষতি কার?
শেষ পর্যন্ত এই ব্যথা বয়ে বেড়াবে মুসলিম উম্মাহই…
আমরা… হ্যাঁ, আমরা অনেকেই ভয় পেয়েছি।
আমরা অনেকেই চুপ থেকেছি।
আমরা কখনো সাহস করে আম্রিকা-ইজ্রায়েলের বিরুদ্ধে গিয়ে ইরানের পক্ষে, লেবানন, ফিলিস্তিনের পক্ষে, সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে পারিনি…
কিন্তু ওদিকে—ইরানের মাটিতে—
ইতিমধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ নিবন্ধন করেছে শহীদ হওয়ার জন্য, নিজের জীবন উৎসর্গ করার জন্য নাম লিখিয়েছে…
শুধু দেশের জন্য… সম্মানের জন্য… বিশ্বাসের জন্য…
যেখানে সাধারণ মানুষ, তরুণ, বৃদ্ধ—
এমনকি দেশের স্পিকার, প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত
একই কাতারে দাঁড়িয়ে বলছে—
“প্রয়োজনে জীবন দেবো…”
এই দৃশ্য কি আপনাকে নাড়া দেয় না?
আপনার চোখে কি একফোঁটা পানি আসে না?
আজ রাতে ঘুমানোর আগে…
একটু সময় নিন…
দুনিয়ার সব ব্যস্ততা ভুলে…
দু’হাত তুলে দাঁড়ান—
আর কেঁদে কেঁদে বলুন—
“হে আরশের মালিক…
হে সমগ্র জগতের একচ্ছত্র অধিপতি…
আপনি ছাড়া আমাদের কেউ নেই…
আপনার রহমত ছাড়া কোনো আশ্রয় নেই…
আমাদের ভাইদের হেফাজত করুন…
তাদের ঈমানকে দৃঢ় রাখুন…
তাদের ত্যাগ কবুল করুন…
আর আমাদেরও ক্ষমা করুন আমাদের নীরবতার জন্য…”
মনে রাখবেন—
মানুষ পরিকল্পনা করে, কিন্তু
মহান আল্লাহই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী।
আজকের এই দোয়া…
হয়তো কারো জীবনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে…
হয়তো কিয়ামতের দিন আপনার জন্য সাক্ষী দেবে…
তাই আজ…
ঘুমানোর আগে—
একবার হলেও কেঁদে নিন… 🤲🤲🤲🤲
(সংগৃহীত পোস্ট)

01/04/2026

আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সহ বেশ কয়েকটি সংস্থার সিনিয়র এক কর্মকর্তা পদত্যাগ করে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি বলেন -- ইরানের মোনাব স্কুলের দেয়ালে দেয়ালে ছোট ছোট বাচ্চাদের ছবি আছে, বই হাতে স্কুলে যাওয়ার ছবি আছে, গাছের নিচে খেলাধুলা করার ছবি আছে। যে যুদ্ধ বিমানের মাধ্যমে টমাহক মারা হয় সেই বিমানের স্ক্রিনে এইসব ছবি স্পষ্ট দেখতে পাওয়ার রেকর্ড আছে। স্পষ্ট দেখতে পাওয়ার পরও, স্পষ্ট বুঝতে পাওয়ার পরও কেন সেখানে টমাহক মেরে ১৬৫ জন বাচ্চাকে হত্যা করা হয়েছে?
জঙ্গি কে? ইরান নাকি আমরা?

গতকাল এবং আজ প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষ আমেরিকার রাস্তায় রাস্তায় জেগে উঠেছে। ভিডিওতে দেখলাম একজন পুলিশ বাধা দিতে গেলে সেই পুলিশকে ধরে রাস্তায় ফেলে লাত্থি, গুতা মেরে নাক মুখ ফাটিয়ে রক্ত বের করে ফেললেন সাধারণ পাবলিক।

আপাতত স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে আমেরিকা স্থল যুদ্ধে যাবে না। কিন্তু বোমা মারার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে তারা।
হয়তো এটাই শেষ ধাক্কা দিচ্ছে। কিন্তু ইরান অনড়। ইরানের এক কথা -- চোখের বদলে চোখ। ইরানের দেওয়া শর্ত মেনে নিলেই কেবল যুদ্ধ বন্ধের দিকে যাবে ইরান।

আজও হরমুজ প্রণালী দখলে নিতে প্রাণ পণ চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ইরানের সাথে পারতেছে না। ইরান এখানে সব সময় জয়ী হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে তার উল্লেখযোগ্য কারণ একটা আছে।

সেটি হলো -- ইরান এক আশ্চর্য ফাইবার বোট তৈরি করেছে যেখানে লোহা বা স্টিল নাই। পুরাটাই ফাইবার দিয়ে তৈরি। রঙ লাগিয়েছে সাগরের পানির রঙ। যার কারণে রাডার ধরতে পারে না। চিকন সরু ৫০ হাত লম্বা এমন টাইপের সব বোট গতি স্পিড বোটের চেয়েও বেশি। যার ৯০% পানির নিচে ডুবে থাকে। ভীমরুলের চাকে গুতা দিলে ভীমরুল যেমন চারিদিক থেকে আক্রমণ করে ঠিক তেমনি হয়েছে এইখানে।

রাডার ধরতে না পাওয়ার কারণে আমেরিকা ইসরায়েল বিমান থেকেও মার্ক করতে পারে না। যার কারণে বার বার ফেইল মারতেছে এবং সব সময়ই ফেইল মারবে।

আজ আমেরিকা যে ৯০০ কেজির বোম মেরেছে, এর প্রতিশোধ নিতে ইরান অলরেডি প্রস্তুতি নিয়েছে। ইরান আজ স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে আমেরিকা পারমাণবিক বোমার দিকে গেলে ইরানও তার সমান সমান প্রতিশোধ নিবে। এই কথায় স্পষ্ট বুঝা যায় ইরানে কী আছে আর কী নাই।

সব শেষে বলতে চাই ইরানের জয় নিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ! সংগৃহীত।

01/04/2026

ইরানের ভালো দিক গুলোঃ-
১/ অন্যায়ের কাছে মাথা নতো না করা।
২/ মুসলমানদের পক্ষে কথা বলে।
৩/ নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা।
৪/ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাই একজোট।

আলা হযরত ইসলামি পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা জনাব মৌলভী মোঃ আবদুল হক শাহজী, দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত ...
31/03/2026

আলা হযরত ইসলামি পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা জনাব মৌলভী মোঃ আবদুল হক শাহজী, দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগতেছেন। মহান আল্লাহ ওনাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুক আমিন।

গত ২৮শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ শনিবার, নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ফটো ফ্র...
31/03/2026

গত ২৮শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ শনিবার, নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ফটো ফ্রেমে বন্দী মাস্টার মোঃ আব্দুল কাদের, সভাপতি আলা হযরত ইসলামি পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ সংস্থা। পাশেই রয়েছে পাঠাগারের অন্যতম সদস্য ও তরুন সমাজ সেবক জনাব মোঃ সুমন পাঠান।

সংগৃহীত,,,জাতিসংঘ ইরানে নিউক্লিয়ার হামলার পর রেসকিউ অপারেশন কিভাবে হবে,সেটা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে গত এক সপ্তাহ ধরে। এমন ...
30/03/2026

সংগৃহীত,,,

জাতিসংঘ ইরানে নিউক্লিয়ার হামলার পর রেসকিউ অপারেশন কিভাবে হবে,সেটা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে গত এক সপ্তাহ ধরে। এমন একটা বিস্ফোরক তথ্য দেওয়ার পর জাতিসংঘ থেকে পদত্যাগ করেছেন জাতিসংঘে 'প্যাট্রিয়টিক ভিশন অর্গানাইজেশনের' প্রধান প্রতিনিধি মুহাম্মদ সাফা।

তিনি বলেন,খুবই হতাশার সংবাদ এই যে জাতিসংঘের সিনিয়র কর্মকর্তানা যায়ো রেজিমকে গণহত্যাকারী বলতে নারাজ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে নিউক্লিয়ার ব্যবহার করা থেকে থামানোর পরিবর্তে তারা ইরানে রেসকিউ মিশনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, এই তথ্যটা প্রকাশ করে আমি আমার চাকরি ত্যাগ করেছি। পৃথিবী বাসীর উচিত আমেরিকাকে এখনি থামানো।

28/03/2026

জাপানের নাগাসাকিতে সেদিন কী ঘটেছিল?

৯ আগস্ট ১৯৪৫। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। এই দিনে জাপানের নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা ফেলে মিত্র বাহিনী। এর তিন দিন আগে ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা শহরেও বোমা নিক্ষেপ করেছিল তারা। বিধ্বস্ত হয়েছিল ওই শহরও। আজ নাগাসাকি দিবসে জানা যাক, এই শহরের কোথায় সেদিন বোমা ফেলা হয়েছিল এবং এই বোমার প্রতিক্রিয়ায় কী কী ঘটেছিল!

জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরের ওপর আণবিক বোমা হামলা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর সাত দশক অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।

জাপানের দুটি শহরকে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আণবিক বোমা হামলার শিকার হতে হলেও আণবিক বোমার ভয়াবহতা এবং সেই ভয়াবহ পরিণতি এড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে জনমত সৃষ্টি ও প্রচারের বেলায় হিরোশিমার নাম নাগাসাকির চেয়ে অনেক বেশি উচ্চারিত হতে শোনা যায়। শুধু তা-ই নয়, আণবিক বোমা যে মর্মান্তিক পরিণতি নাগরিক জীবনে নিয়ে এসেছিল, সেসব কাহিনির বর্ণনায়ও হিরোশিমা অনেক বেশি উপস্থিত। এর প্রধান কারণ অবশ্যই নাগাসাকির চেয়ে মাত্র তিন দিন আগে (৬ আগস্ট ১৯৪৫) বিশ্বের প্রথম শহর হিসেবে হিরোশিমার আণবিক বোমা হামলার পরিণতি সহ্য করা। তাই বলে নাগাসাকির ক্ষয়ক্ষতি এবং ধ্বংসের বিস্তৃতি কিন্তু হিরোশিমার চেয়ে কোনো অংশেই কম ছিল না।

৭০ বছর আগে ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরের ক্যাথলিক গির্জার ঠিক ওপরে ফেলা আণবিক বোমা সেদিনই ৭০ হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিকের প্রাণ হরণ করেছিল এবং দীর্ঘমেয়াদি সময়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল আরও অনেক বেশি। হিরোশিমার মতোই প্রাণে বেঁচে যাওয়া অনেককেই দীর্ঘকাল ধরে সইতে হয়েছে নানা রকম শারীরিক ও সামাজিক প্রতিকূলতা।

কিছুদিন আগেও এমন এক সময় জাপানে ছিলেন ‘হিবাকুশা’ নামে পরিচিত আণবিক বোমা হামলায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া লোকজন। তাঁরা তাঁদের দুঃখ আর বেদনার কথা প্রকাশ করতে দ্বিধা বোধ করতেন। যুদ্ধের ঠিক পরপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি দখলে জাপানে থাকার সময় আণবিক বোমাসংক্রান্ত সব রকম খবর প্রচারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সামাজিকভাবে করুণার দৃষ্টিতে দেখার প্রবণতা তাঁদের মধ্যে নিজেকে গুটিয়ে রাখার মনোভাব জাগিয়ে তুলেছিল। ফলে নিজেদের দুঃখের কথা অন্যদের বলায় তাঁদের মধ্যে অনাগ্রহ ছিল।
কিছুদিন আগেও এমন এক সময় জাপানে ছিলেন ‘হিবাকুশা’ নামে পরিচিত আণবিক বোমা হামলায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া লোকজন। তাঁরা তাঁদের দুঃখ আর বেদনার কথা প্রকাশ করতে দ্বিধা বোধ করতেন। যুদ্ধের ঠিক পরপর যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি দখলে জাপানে থাকার সময় আণবিক বোমাসংক্রান্ত সব রকম খবর প্রচারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সামাজিকভাবে করুণার দৃষ্টিতে দেখার প্রবণতা তাঁদের মধ্যে নিজেকে গুটিয়ে রাখার মনোভাব জাগিয়ে তুলেছিল। ফলে নিজেদের দুঃখের কথা অন্যদের বলায় তাঁদের মধ্যে অনাগ্রহ ছিল।

তবে পরবর্তী সময়ে অবশ্য বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী আন্দোলন আরও অনেক বেশি জোরালো হয়ে ওঠার মুখে জাপানেও সেই ঢেউ এসে লাগে এবং অনেকেই আণবিক বোমা হামলার সরাসরি শিকার যাঁদের হতে হয়েছিল, তাঁদের মুখ থেকে সেই মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার কথা শুনতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। সে রকম অনুকূল পরিবেশ ‘কাতারিবে’ নামে পরিচিত কথক বা বোমা হামলার শিকার লোকজনের গল্প বলার সুযোগ করে দিয়েছিল, অনেকটা নিয়মিতভাবে যাঁরা এখন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁদের সেই দুর্দশার স্মৃতি তুলে ধরছেন। তবে তাঁদের মধ্যে যাঁরা এখনো জীবিত, তাঁরা সবাই বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়ায় সেই স্মৃতি মানুষের কাছে কথা বলার মধ্য দিয়ে পৌঁছে দেওয়ার লোকজন অল্প কয়েক বছর পর আর হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেই অভাব পূরণ করতেই হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরের কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান অবশ্য তরুণদের প্রতি সেই দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছে। হিবাকুশাদের কাছ থেকে তাঁদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা শুনে নিয়ে ঠিক সেভাবে মানুষের কাছে তা বলার চর্চা যাঁরা এখন করছেন। ফলে হিবাকুশাদের চলে যাওয়ার পরও তাঁদের স্মৃতি অম্লান রাখার কাজ জাপানে ঠিকই এগিয়ে চলেছে।

আণবিক বোমা হামলার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি জাপানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পর থেকে বেশ কিছুকাল নিষিদ্ধ একটি বিষয় হিসেবে গণ্য ছিল। ম্যানহাটন প্রকল্প নামে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের আণবিক বোমা তৈরির গবেষণার প্রধান যিনি ছিলেন, সেই মার্কিন জেনারেল লেসলি গ্রোভস যেমন মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে বলেছিলেন যে উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে এসে মৃত্যুবরণ করা কার্যত হচ্ছে, মাত্রাতিরিক্ত যন্ত্রণা ভোগ না করে মারা যাওয়া এবং সত্যিকার অর্থে সেভাবে মারা যাওয়া হচ্ছে বেশ সুখকর এক অভিজ্ঞতা। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের সামরিক–বেসামরিক কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকেরা বাস্তবিক অর্থেই বিশ্বকে সে ধারণা দিতে চেয়েছিলেন বলেই হিরোশিমা-নাগাসাকির মর্মান্তিকতার ঘটনা চেপে রাখা তাঁদের জন্য আবশ্যক হয়ে দেখা দিয়েছিল।

জন হার্সির লেখা হিরোশিমার বোমা হামলা-পরবর্তী সময়ের মর্মান্তিক বিবরণ সারা বিশ্বের পাঠক জেনে যাওয়ার পরও নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে জাপানি পাঠকেরা অনেক দিন ধরে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা সেই বই পাঠ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে মার্কিন দখলদারির অবসানের পর থেকে ধীরে ধীরে সেই নিষিদ্ধ দুয়ার উন্মোচিত হয় এবং এখন অনেকেই আগ্রহ নিয়ে হিবাকুশা ও তাঁদের মধ্যে যাঁরা আবার গল্পের আকারে সেই মর্মান্তিক ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরতে পারদর্শী, তাঁদের মুখ থেকে সরাসরি সেই ইতিহাস জেনে নিতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। পাশাপাশি হিরোশিমা আর নাগাসাকি দুই শহরই স্মৃতি ধরে রাখা এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্ব থেকে বিলুপ্ত করার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার নানা রকম উদ্যোগ নিয়মিতভাবে গ্রহণ করে চলেছে। হিরোশিমার বিধ্বস্ত গম্বুজ তো এখন অনেকটাই যেন পরমাণুমুক্ত বিশ্ব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার এক প্রতীক হয়ে উঠেছে।

নাগাসাকির সে রকম ব্যতিক্রমী একটি উদ্যোগ হচ্ছে, শহরের কেন্দ্রস্থলে গড়ে ওঠা শান্তি পার্ক। পার্কের পরিচিত প্রতীক হলো, ১৯৫৫ সালে আণবিক বোমা হামলার দশম বার্ষিকীতে সেখানে স্থাপন করা ১০ মিটার উঁচু এক ভাস্কর্য। এক হাত প্রসারিত করে এবং অন্য হাত আকাশের দিকে সোজা উঁচু করে ধরে রেখে যে ভাস্কর্য একই সঙ্গে পরমাণু অস্ত্রের হুমকি, শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছে। ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন সেইবো কিতামুরা। জাপান ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া অর্থসহায়তায় এটি তৈরি করা হয়।
সংগৃহীত পোস্ট।

আগামীকাল ২৮শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ শনিবার। নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনীর আয়োজন সফল হ...
27/03/2026

আগামীকাল ২৮শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ শনিবার। নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনীর আয়োজন সফল হোক।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে আগামীকাল ২৮শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ শনিবার, নাউলা সরকারি প্রাথমিক ...
27/03/2026

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!!
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে আগামীকাল ২৮শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ শনিবার, নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
আলা হযরত পরিবারের পক্ষ থেকে উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করছি।
বিঃ দ্রঃ - উক্ত অনুষ্ঠানে আগত মেহমানদের জরুরী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পাঠাগারের পক্ষ থেকে একটি ফ্রী মেডিক্যাল ক্যাম্প দায়িত্ব পালন করবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি অন্যান্য কাজেও অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পর্যন্ত পাঠাগারের সদস্যরা বিশেষ দায়িত্ব পালন করবে।

26/03/2026

পশ্চিমা তেল চো/র দেশটা আর মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সারনামক দেশটা ভেবেছিলো দু'চারটা বোমা ইরানে ফেললেই হবে। তাতেই ইরানের ক্ষমতার বার নড়বড়ে হয়ে যাবে। কিন্তু না হয়নি। কারন ইরানের জনগণের ভিতর সত্যিকারের দেশপ্রেম আছে। অন্য কিছুর বেলায় দ্বিমত থাকলেও দেশের জন্য সবাই এক। যদিও তারা যুদ্ধে ইতোমধ্যে প্রথম সারির শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতৃবৃন্দকে হারিয়েছেন। কিন্তু তা সত্বেও ইরান শতভাগ মনোবল এবং সাহসের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

আলা হযরত ইসলামি পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে আজ ২৩শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ সোমবার, একজন অসহায় দরিদ্র মেয়ের বিয়েতে ...
23/03/2026

আলা হযরত ইসলামি পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে আজ ২৩শে মার্চ ২০২৬ইং রোজ সোমবার, একজন অসহায় দরিদ্র মেয়ের বিয়েতে নগদ কিছু আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ খেদমতটুকো কবুল করুণ আমিন।

23/03/2026

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম!
আলা হযরত ইসলামি পাঠাগার ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার আয় ও ব্যয় এর হিসাব (গত রমজান থেকে এই রমজান পর্যন্ত)।

Address

Kachua

Telephone

+8801916437863

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ala Hazrat Islamic Pathagar, Naula, Kachua, Chandpur. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ala Hazrat Islamic Pathagar, Naula, Kachua, Chandpur.:

Share