উপজেলা ভূমি অফিস, জয়পুরহাট সদর

  • Home
  • Bangladesh
  • Joypur
  • উপজেলা ভূমি অফিস, জয়পুরহাট সদর

উপজেলা ভূমি অফিস, জয়পুরহাট সদর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from উপজেলা ভূমি অফিস, জয়পুরহাট সদর, Government Organization, সদর রাস্তা, জয়পুরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর, সার গুদামের পাশে, Joypur.

জয়পুরহাট সদর উপজেলাধীন ভূমি ও ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রশাসনিক ইউনিট । এর অধীন ০৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরএলাকাধীন ভূমি ও ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য আটটি প্রশাসনিক ইউনিট রয়েছে । এগুলোকে লোকজ ভাষায় তহশীল অফিস বলা হয় ।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান ও নিয়ন্ত্রনকারী কর্কর্া তিনি একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ।

27/06/2020
29/06/2019

জয়পুরহাট সদর উপজেলা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের উদ্যোগে ২০১৮ সালের মে মাসে বেদখলে থাকা সরকােরি জমি উদ্ধার করে স্থানীয় সহযোগিতায় গড়ে তোলা হয় পশুপাখির অভয়াশ্রম । পুরাণাপৈল এর ছোট হেলকুন্ডা গ্রামে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছে ছোট পরিসরে সৃষ্টি হতে যাওয়া এ ক্ষুদ্র বনাঞ্চল ।

সংবাদ মাধ্যমের নজরে আসে সরকার ও জনঅংশগ্রহণের এ বিষয়টি ।

01/10/2018

ভূমি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ

কোর্ফাঃ জমির নিম্নতম স্বত্ব বা অধিকারকে কোর্ফা বলে; যে প্রজা তার উর্ধ্বতন প্রজার কাছ থেকে জমি নিয়ে চাষ করে তাকে কোর্ফা প্রজা বলে।

বর্গা চাষী: বর্গা বলতে ভূমিতে উৎপন্ন ফসলের ভাগ বুঝায়। কোন ব্যক্তি ভূমিতে উৎপন্ন ফসলের কোন নির্দিষ্ট অংশ ভূমি মালিককে দেয়ার শর্তে যদি চাষাবাদ করেন, তবে উক্ত চাষীকে বর্গাচাষী বলা হবে।

এজমালী সম্পত্তি: কোন প্লট বা জমি খন্ড একাধিক শরিক একত্রে ভোগ-দখলে রাখলে তাকে এজমালী সম্পত্তি বলে।

চাকরান ভূমি: জমিদারগণ তাদের চাকরদেরকে বেতনের পরিবর্তে যে ভূমি ভোগ-দখলের সুবিধা প্রদান করতেন, তাকে চাকরান ভূমি বলে।

ভূমি অধিগ্রহণ: জনস্বার্থে কোন উন্নয়নমুলক কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তির প্রয়োজনে কালেক্টরেট বা জেলা প্রশাসক জনসাধারণের নিকট হতে বাধ্যতামূলকভাবে যে ভূমি গ্রহন করে, তাকে ভূমি অধিগ্রহণ বলে।

জে,এল, নম্বর (Jurisdiction List No) : থানা বা উপজেলাধীন প্রত্যেকটি মৌজাকে পর্যায়ক্রমে ক্রমিক নম্বর দ্বারা চিন্থিত করা হয়। মৌজার এ নম্বরকে জে,এল, নম্বর বলে।

দাগ নম্বর: ভূমির নকশায় প্রতিটি প্লটকে এক একটি নম্বর দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, এই নম্বরকে দাগ নম্বর বলে।

ছুট বা ছুটা দাগ (Omitted or dropped plot): নকশায় সংখ্যায়নের মাধ্যমে ভূমির দাগ নম্বর দেয়ার সময় প্রায়শই ভুলক্রমে কোন সংখ্যা বাদ পরে অথবা কোন কারণে পরবর্তী সময় কোন সংখ্যা নকশায় বাদ দিতে হয়। নকশায় প্রকৃত অনুপস্থিত ঐ নম্বরকে ছুট দাগ বলে। ছুট দাগ নম্বর সীটের পার্শ্বে নোট করা থাকে।

নকশা: কাগজে অংকিত ভূমির প্রতিচ্ছবিকে নকশা বলে।

বাটা দাগ (Divided plot): নকশা প্রস্তুতের সময় প্রত্যেক ভূমি খণ্ডকে চিহ্নিত করার জন্য দাগ নম্বর দেয়া হয়। পবর্তীকালে কোন দাগ বাস্তব প্রয়োজনে বিভক্ত করা আবশ্যক হতে পারে। যদি কোন দাগকে বিভক্ত করে আলাদাভাবে নতুনদাগ সৃষ্টি করে নম্বর দেয়া হয়, তাহলে বিশেষ পদ্ধতিতে দাগ নম্বর দিতে হয়। পরবর্তী সময় এ নতুন সৃষ্ট নম্বরকে বাটা দাগ নম্বর বলে। এ নতুন সৃষ্ট দাগে বাটা দাগ নম্বর দেয়ার সময় বিভক্ত দাগের মুল নম্বর এর নীচে (বাই নম্বর) সীটের শেষ নম্বরে পরের নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। বাটা দাগ নম্বরে সীটের পার্শ্বে নোট করে প্রর্দশন করতে হয়।

বারবরদারী খরচ: দলিলের দাতা রেজিস্ট্রি অফিসে বা কোন স্বাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে অপারগ হলে, সাব-রেজিস্ট্রার বা কমিশনার উক্ত ব্যক্তিবর্গের বাড়িতে গমনাগমনের জন্য যে খরচ হয়, তাকে বারবরদারী খরচ বলে।

চালা (Highland): আবাদী উঁচু জমি যেখানে সাধারনত শাক-সবব্জির চাষ করা হয়, তাকে চালা বলে। কোন কোন এলাকায় চালা শ্রেনীর জমিকে ভিটিও বলা হয়।

মৌজাঃ সি,এস, জরিপের সময় প্রতিটি থানা এলাকাকে অনেকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একককে ক্রমিক নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরূপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাধিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়।

খতিয়ান: সাধারণত স্বত্ব সংরক্ষণ ও রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে জরীপ বিভাগ কর্তৃক প্রত্যেক মৌজার ভূমির মালিক বা মালিকগণের নাম, পিতা অথবা স্বামীর নাম, ঠিকানা, জমির হিস্যা বা অংশ এবং তাদের স্বত্বাধীন দাগসমূহের নম্বরসহ ভূমির পরিমাণ, শ্রেণী ইত্যাদি বিবরণসহ যে স্বত্ব তালিকা বা স্বত্বের রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়, তাকে খতিয়ান বলা হয় এবং উক্ত রেকর্ডকে স্বত্ত্বের রেকর্ড বা রেকর্ড অব রাইটস (ROR) বলা হয়। খতিয়ানগুলো ১,২,৩,৪ ইত্যাদি ক্রমিক সংখ্যা দ্বারা সাজানো হয়। এই নম্বরকে খতিয়ান নম্বর বলে। প্রত্যেক মৌজার খতিয়ান নম্বর ১ হতে শুরু হয়। কোন কোন মৌজায় কয়েক হাজারে খতিয়ান থাকতে পারে। কোন মৌজায় কতটি খতিয়ান রয়েছে তা উক্ত মৌজার স্বত্বের রেকর্ডে (ROR) পাওয়া যায়।

পর্চা (Draft copy of Khatian) : জরীপ চলাকালে খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভূমির মালিককে দেয়া হয় তাকে পর্চা বলে ।

তসদিক: কাগজপত্র ও সাক্ষ্যপ্রমাণ দ্বারা সত্যতা যাচাই করার নাম তসদিক। যেমন, তসদিককৃত পর্চা।

বয়নামাঃ ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ প্রদান করেন তাকে বয়নামা বলে।
বয়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বয়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।

দখলনামাঃ দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে, সরকার-পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন, তাকে দখলনামা বলে। সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন।

এছাড়া কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন, তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।

জমাবন্দিঃ জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করা হত, যা জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয়।

আমলনামাঃ আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব ও দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।

জমা খারিজঃ জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।

ভিটি (Highland): এমন অনেক উঁচু জমি আছে যেখানে বসবাসের জন্য বাড়ীঘর নির্মাণ না করে চাষাবাদ করা হয়। বাড়ীঘর করার যোগ্য এমন উঁচু ভূমিকে ভিটি জমি বলে।

ছড়া (Downward strip land): পাহাড় বা টিলার যে সকল এলাকা সমতল ভূমির দিকে ঢালু হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে, তাকে ছড়া বা ছড়ি বলা হয়।

নয়নজুলি (Roadside Drain): রাস্তা নির্মানের সময় দুধার থেকে মাটি তোলার কারণে নালা সৃষ্টি হয়। রাস্তার দুধারে সৃষ্ট এমন নালাকে নয়নজুলি বলা হয়।

বাওড়: প্রাকৃতিক বা অন্য কারনে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে পুর্বের গতিপথের স্রোত প্রাকৃতিক কারণে বন্ধ হয়ে যে বিস্তীর্ণ জলাভূমি সৃষ্টি করে তাকে বাওড় বলে।

হাওড়: প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্ট বিস্তীর্ণ জলমগ্ন নিম্ন জলাভূমি হাওড় নামে পরিচিত। হাওড় এলাকা বিলের চেয়ে বড়।

বিল: বিস্তীর্ণ আবদ্ধ স্বাদু পানির জলাভূমি, যেখানে অতিরিক্ত পানি এসে জমা হয়।

ঝিল: লম্বাকৃতি জলাভূমি, ছোট আকারের বিল।

হালট: চাষিদের জমি চাষের জন্য হাল-বলদ নিয়ে জমিতে চলাচলের জন্য এবং শ্রমিকদের ভূমিতে কাজে যাওয়ার জন্য, ভূমির পাশ দিয়ে যে পথ বা রাস্তা রাখা হয়, তাকে হালট বলে।

আইল: প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা করার জন্য সীমানানির্দেশক উঁচু ধরনের চিহ্নকে আইল বলা হয়। জমিতে পানি আটকানোর জন্য নির্মিত অনুচ্চ বাঁধকেও আইল বলা হয়।

সিকস্তি: কোন ভূমি যখন নদী বা সাগরে ভেঙ্গে যায়, তখন তাকে সিকস্তি বলে।

পয়স্তি: পুর্বে যে ভূমি নদী বা সাগরে বিলুপ্ত হয়ে পুনরায় চর রূপে জেগে উঠে, তাকে পয়স্তি বলে।

গোপাট, গোচর, গোবাম (Pasture Land): যে পতিত জমিতে গবাদি পশু ঘাস খাওয়ার জন্য চড়ে বেড়ায় ।

গান্টার চেইন (Gunter chain): ভূমির দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য একশত লিংক বিশিষ্ট যে চেইন ব্যবহার করা হয়, তাকে গান্টার চেইন বলে। এ চেইনের দৈর্ঘ্য ৬৬ ফিট। চেইনের উদ্ভাবকের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে।

দাখিলা (Rent Receipt): ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের পর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) যে রশিদ ভূমি মালিককে প্রদান করে, তাকে দাখিল বলা হয়। দাখিলা ভূমির মালিকানা স্বত্বের অন্যতম প্রমান।

ডি,সি,আর, (Duplicate Carbon Receipt): ভূমি কর ব্যতীত অন্যান্য সরকারী পাওনা আদায় করার পর নির্ধারিত ফর্মে যে রশিদ দেয়া হয়; তাকে ডি,সি,আর, বলে।

সায়রত মহল (Sairat Mahal): সায়রত অর্থ ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য করের মাধ্যম সরকারের আয়। যে সমস্ত সাধারণ ব্যবহার্য স্থান সমুহ সাময়িক ব্যবহারের জন্য সরকার কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ বা কোন প্রতিষ্টানকে বার্ষিক লিজ দিয়ে অথবা স্বল্প মেয়াদি লিজ দিয়ে রাজস্ব আদায় করেন, তাকে সায়রত মহল বলে। এ লীজ দ্বারা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তরিত হয় না।

কোর্ট অব ওয়ার্ডস (Court of Wards): চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পরবর্তীকালে কোন জমিদার নি:সন্তান অথবা নাবালক সন্তান রেখে মৃত্যুবরণ করলে উক্ত জমিদারি, সরকার কর্তৃক তত্ত্বাবধান করার জন্য ১৮৭৯ সনে কোর্ট অব ওয়ার্ডস আইন করা হয়। এ আইন মোতাবেক বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কালেক্টর একজন ম্যানেজার নিয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জমিদারী তত্বাবধান করতেন।

শত্রু সম্পত্তি: ১৯৬৫ সালে পাকিস্থান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এ যুদ্ধের কারনে কিছু পাকিস্থানী (হিন্দু) ভারতে চলে যায়।এরূপ পাকিস্তানী নাগরিকের ফেলে যাওয়া সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলে।

অর্পিত সম্পত্তি: ১৯৬৫ সালে পাকিস্থান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এ যুদ্ধের কারনে কিছু পাকিস্থানী (হিন্দু) ভারতে চলে যায়।এরূপ পাকিস্তানী নাগরিকের ফেলে যাওয়া সম্পত্তিকে শত্রু সম্পত্তি বলে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর উক্ত সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি নামে নামকরণ করা হয়।

বিনিময় সম্পত্তি (Exchange property): ১৯৪৭ সনে পাকিস্তান ও ভারত বিভক্তির পর তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ হতে কিছু হিন্দু নাগরিক ভারতে চলে যায় এবং ভারত হতে কিছু মুসলমান নাগরিক পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশে আগমন করে। এরূপ চলে যাওয়া ও আগত ব্যক্তিদের মধ্যে বিধি মোতাবেক যে সম্পত্তি বিনিময় হয়, তাকে বিনিময় সম্পত্তি বলে।

পরিত্যক্ত সম্পত্তি (Abandoned Property): ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকালে বা স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে যে সকল পাকিস্তানি নাগরিক স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করে চলে যায়, বাংলাদেশে ফেলে যাওয়া তাদের সম্পত্তিকে পরিত্যক্ত সম্পত্তি বলে।

ওয়াকফ সম্পত্তি (Wakf property): কোন মুসলমান তার সম্পত্তি ধর্মীয় বা সমাজ কল্যাণমুলক কাজের জন্য দান করতে পারে। ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দলিলের মাধ্যমে উৎসর্গ করলে সেই সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি বলে। যিনি সম্পত্তি উৎসর্গ করেন তাকে ওয়াকিফ বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না।

মোতোওয়াল্লী (Manager): যিনি ওয়াকফফ সম্পত্তি তত্বাবধান বা পরিচালনা করেন, কাকে মোতোওয়াল্লী বলে। ওয়াকিফ নিজেও মোতোওয়াল্লী হতে পারেন। মোতোওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উন্নতি কল্পে ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতিক্রমে ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

কবুলিয়ত (Counter part of lease): মালিকের বরাবরে প্রাপ্তি স্বীকারোক্তিমুলক দলিলকে কবুলিয়ত বলে। কবুলিয়ত দলিলে জমি ভোগ দখল করার জন্য শর্ত ও প্রজা কর্তৃক খাজনা দেয়ার প্রতিশ্রুতি লেখা থাকে।

নজরানা: জমিদারগনের নিকট হতে ভূমি পত্তন নেয়ার জন্য পূর্বে প্রজাগণ জমিদারগণকে যে অর্থ প্রদান করত, তাকে নজরানা বলা হত।

জলকর: জলকর অর্থ জল ব্যবহারের উপর কর। কোন জলমগ্ন স্থানকে ইজারা দিয়ে যে কর আদায় করা হয়, তাকে জলকর বলে।

জলমহাল: বিল, হাওর, বাওর, নিম্ন জলাভূমি ও নদ-নদীতে মৎস্য আহরণের এলাকাকে জলমহাল বলা হয়।

ডাঙ্গা জমি: দলিলে ব্যবহৃত এক ধরনের জমির শ্রেণী। সাধারণত উচু শ্রেনীর জমিকে ডাঙ্গা বলা হয়।

ভিটি জমি: সমভূমি হতে সামান্য উচু ভূমিকে ভিটি বলে।

নাল জমি: সাধারনত নিচুঁ সমতল কৃষি জমি জমিকে নাল জমি বলে।

কোলা জমি: বসতবাড়ী সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা জমি বলে।

চিরাগী: মসজিদ বা কবরস্থান আলোকিত করার উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত নিষ্কর ভূমি।

পালাম ভূমি: বসতবাড়ি সংলগ্ন সবজি চাষের জন্য উচুঁ ভিটি জমিকে পালাম ভূমি বলে।

তলববাকী: মৌজার হোল্ডিং ভিত্তিক ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) এর হাল ও বকেয়া দাবির বিবরণকে তলববাকী বলে।

দেবোত্তর সম্পত্তি: হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি আয়োজন, ব্যবস্থাপনা ও সুসম্পন্ন করার ব্যয়-ভার নির্বাহের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলা হয়। যিনি দেবোত্তর সম্পত্তি তত্ত্বাবধান ও পরিচালনা করেন, তাকে সেবায়েত বলে।

সালামি: কোন হস্তান্তরের স্বীকৃতিস্বরুপ প্রিমিয়াম বা স্থায়ী ইজারা প্রদানের নিমিত্ত আর্থিক উপটৌকন

মিনাহ (Abatment): মিনাহ অর্থ ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) হ্রাসকরণ। জমি সিকস্তি হলে, সরকার কর্তৃক জমি অধিগ্রহন করা হলে অথবা অন্য কোন কারণে জমি মালিকের জমির পরিমান হ্রাস পেলে আবশ্যক ক্ষেত্রে খাজনা হ্রাস করাকে মিনাহ বলে।

হাসিল: গবাদি পশুর হাটে ক্রেতা বা বিক্রোতার নিকট থেকে আদায়কৃত টোলকে হাসিল বলা হয়।

তহশিলদার: সরকার বা জমিদারের অধনস্ত রাজস্ব বা খাজনা আদায়কারীকে তহশিলদার বলা হত। বর্তমানে তহশিলদার পদ বিলুপ্ত করে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়কারীকে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বলা হয়।

লায়েক পতিত ভূমি : আরবি ‘লায়েক’ অর্থ যোগ্য বা উপযুক্ত। লায়েক পতিত ভূমি বলতে আবাদযোগ্য পতিত ভূমিকে বুঝায়।

হারাহারি : মালিকানার পরিমান অর্থাৎ একাধিক ক্রেতা বা বিক্রেতার ক্ষেত্রে কে কতটুকু সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করল, তার পরিমান।

কস্য : কস্য শব্দের অর্থ ‘কাহার’। অনেক পুরাতন দলিলে এই শব্দের ব্যবহার প্রায়শই দেখা যায়। কিন্তু প্রকৃত অর্থে অমুকস্য তথা‘ অমুকের’ বা ‘যাহার দলিল তাহার নাম’ এর স্থলে কস্য শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানের দলিলে এইসব শব্দ পরিহার করাই শ্রেয়।

কায়েমী স্বত্ব ( permanent interest): চিরস্থায়ী ভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েমী স্বত্ব বলে।

মৌরশী (Heritable): পুরুষানুক্রমে কোন ভূমি ভোগদখল করাকে মৌরশী বলে।

মুদাফৎ : যার নামে প্রথম কোন জোতের সৃষ্টি হয়।

বায়া দলিল: ‘বায়া দলিল’ অর্থ সংশ্লিষ্ট ভূমির পূর্ব মালিকের দলিল। কোন ভূমি বা ভূমি খণ্ড যে যে দলিল মুলে যতবার হস্তান্তর হয়েছে, তার প্রত্যেকটি দলিলই এক একটি বায়া দলিল। বায়া দলিল ভূমির মালিকানার ইতিহাস ও হস্তান্তরের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে। তাই জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জমির বায়া দলিল ভালভাবে যাচাই করতে হয়।

রায়ত : দখলী স্বত্ব বিশিষ্ট প্রজা ।

পত্তন (Settlement lease): সাময়িকভাবে বন্দোবস্তকৃত।

পত্তনি: সাময়িকভাবে বন্দোবস্তকৃত ভূমি।

প্রজাবিলি : প্রজার অনুকুলে যথাযথ ভাবে বন্দোবস্তকৃত ভুমি।

চটান: বাড়ী সন্নিকটস্থ উচুঁ পতিত জমি।

চিটা: যে কাগজে ভূমির পরিমাণ লিপিবদ্ধ থাকে।

মৌয়াজি : মোট ভূমির পরিমাণ

স্থিতিবান : যে রায়তের স্বত্ব স্থায়ী।

মহাল : রাজস্ব আদায়ের জন্য নির্ধারিত এলাকা।

ইজা : চলমান। পূর্বের হিসাব থেকে স্থিত টেনে আনা।

কান্দা: এর অর্থ উচ্চ ভূমি।

হেবা : আরবি শব্দ, যার অর্থ দান।

গির্বি: এর অর্থ বন্ধক।

খিরাজ: এর অর্থ খাজনা।

কিত্তা: এর অর্থ দাগ বা প্লট।

বিতং : এর অর্থ বিস্তারিত ।

লাখেরাজ : এর অর্থ নিষ্কর।

দোং : এর পুর্ণরূপ “দোপ্তরে” যার অর্থ পিতা।

জং : এর পুর্ণরূপ “জওজিয়তে” যার অর

মং : এর পুর্ণরূপ “মবলগে” যার অর্থ মোট বা একত্রে।

সাং : এর পুর্ণরূপ “সাকিন”।

(সংগৃহীতঃ ভূমি ও রেজিস্ট্রি সেবা এপস)

21/07/2018

সরকারি চাকুরীজীবিদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের পদক " জনপ্রশাসন পদক " পাচ্ছেন, সিনিয়র সহকারী সচিব, জয়পুরহাট সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেছ আনসারী, Waresh Ansary Limon
আগামী ২৩ জুলাই ২০১৮, জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার হাতে এ সম্মানীয় পদকটি তুলে দেবেন।

16/07/2018

তথ্য পোস্ট ঃ
ট্রেড লাইসেন্স: কেন করবেন ও কীভাবে করবেন

যে কোনো দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করার প্রথম শর্ত হল আইনগত বৈধতা। আর এ বৈধতার প্রাথমিক ধাপ হল ট্রেড লাইসেন্স। বৈধভাবে যেকোনো ব্যবসা পরিচালনার জন্য নিজের একটি ট্রেড লাইসেন্স থাকা আবশ্যক। নিচে ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করা হলোঃ

# ট্রেড লাইসেন্স আর যেসব কাজে লাগেঃ

একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নানা কাজে লাগে এই লাইসেন্স। যেমন-

* ব্যাংক ঋণ নিতে।
* ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব খুলতে। ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব দিয়ে ব্যবসায়িক লেনদেন করা যায় না।
* ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে ব্যবসায়ীর বিদেশে যেতে হলে।
* কোনো ব্যবসায়িক এসোসিয়েশন এর সদস্য হতে হলে।
* ভ্যাট ও টিন এর জন্যও ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য।

# ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য কোথায় আবেদন করতে হবেঃ

ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা বা জেলা পরিষদে আবেদন করতে হবে। ব্যবসা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহারযোগ্য নয়।

# ট্রেড লাইসেন্স করতে যা লাগেঃ

* ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ করের রশিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ার চুক্তিনামা বা রশিদ
* তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং
* নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
* জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি
* TIN সার্টিফিকেট
* বাড়ির ইউটিলিটি বিলের কপি
* বাড়ি/দোকানের হোল্ডিং ট্যাক্স হালনাগাদ করণের রশিদ
* প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস ও সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন দিতে হবে।
* পার্টনারশিপ ব্যবসার ক্ষেত্রে পার্টনারশিপ ডিডের কপি দিতে হবে।
* কারখানার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান বা স্থাপনার নকশাসহ ওই স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা দাখিল করতে হবে।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু আলাদা কাগজপত্র জমা দিতে হয়। যেমন-

* শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ছাড়পত্র, প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র ও অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র
* ক্লিনিক বা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন, ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি
* রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মানবসম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স
* অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য অস্ত্রের লাইসেন্স
* ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে সিভিল এ্যাভিয়েশনের অনুমতিপত্র
* সিএনজি স্টেশন বা দাহ্য পদার্থের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর বা ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র

# প্রয়োজনীয় ফিঃ

ট্রেড লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরনের ওপর নির্ভর করে কমবেশি হতে পারে। এই ফি সংশ্লিষ্ট অফিসে রসিদের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। লাইসেন্স ফি সর্বনিম্ন ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

# প্রয়োজনীয় সময়ঃ

একটি ট্রেড লাইসেন্স পেতে সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিন সময় লাগে।

# লাইসেন্স বাতিলঃ

মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে, লাইসেন্সে উল্লিখিত শর্তাবলি এবং সিটি করপোরেশনের আইন ও বিধি মেনে না চললে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। এ ছাড়া লাইসেন্স গ্রহীতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে যেকোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে গ্রহীতাকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়।

জয়পুরহাট সদর উপজেলা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের উদ্যোগে পুরানাপইল ইউনিয়নের ছোট হেলকুন্ডা মৌজার ভূতগাড়ি জলাশয় সংলগ্ন নির...
28/05/2018

জয়পুরহাট সদর উপজেলা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের উদ্যোগে পুরানাপইল ইউনিয়নের ছোট হেলকুন্ডা মৌজার ভূতগাড়ি জলাশয় সংলগ্ন নির্মীয়মান পশুপাখির অভয়াশ্রম সংক্রান্ত বিধিনিষেধ সকলের জ্ঞাতার্থে শেয়ার করা হল।

21/05/2018

সদর উপজেলা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগটিতে পাখি প্রেমী সকলের সমর্থন ও সহযোগীতা কামনা করা হচ্ছে।

18/05/2018

জয়পুরহাট সদর উপজেলার সম্মানিত ব্যবসায়ীবৃন্দ,

পবিত্র রমযান মাসসহ সকল সময়ের জন্য নিম্নবর্ণিত পরামর্শ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো-

১. মাছ, মাংস, ফলমূল, সবজিসহ কোন খাদ্যে কার্বাইড, ফরমালিন বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোন প্রকার কেমিক্যাল মেশানো যাবে না;

২. মাংসে পৌরসভা/প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের সীল থাকতে হবে। অসুস্থ্য পশুর মাংস বিক্রি করা যাবে না। অবিক্রিত মাংশ ফ্রিজে সংরক্ষণ করে পরের দিন বিক্রি করা যাবে না। পশু ক্রয়ের স্বপক্ষে রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে;

৩. খাদ্যদ্রব্যে কোন ভেজাল মেশানো যাবে না।

৪. দোকান/ বাজারের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে;

৫. স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত ও বিক্রয় করতে হবে ;

৬.খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতকারীদের হাতে ও মাথায় গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। তাদের শারীরিক সুস্থ্যতা সংক্রান্ত সিভিল সার্জনের প্রত্যয়ন নিতে হবে;

৭. দোকান, হোটেল ও বাজারে সকল প্রকার পণ্য ও খাদ্যদ্রব্যের মূল্য প্রকাশ্যে প্রদর্শন করতে হবে; অধিক মূল্যে দ্রব্য বিক্রয় করা যাবে না।

৮. সঠিক মাপ ও ওজন নিশ্চিত করতে হবে।

৯. ফুটপাথে ইফতারির দোকান, সবজির দোকান বসানো যাবে না।

১০. রাস্তায় অবৈধ পার্কিং করা/ ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না।

১১. অননুমোদিত ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন নিজ দায়িত্বে অপসারণ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

উপর্যুক্ত পরামর্শ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধিমতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে।

ওয়ারেছ আনসারী
সহকারী কমিশনার (ভূমি)

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
জয়পুরহাট সদর উপজেলা

দৃষ্টি আকর্ষণ : জেলা প্রশাসন, জয়পুরহাট - District Administration, Joypurhat
উপজেলা প্রশাসন, জয়পুরহাট সদর-Upazila Administration, Joypurhat Sadar

Address

সদর রাস্তা, জয়পুরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর, সার গুদামের পাশে
Joypur
5900

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801774813722

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উপজেলা ভূমি অফিস, জয়পুরহাট সদর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to উপজেলা ভূমি অফিস, জয়পুরহাট সদর:

Share