মহেশপুর-কোটচাঁদপুর

মহেশপুর-কোটচাঁদপুর Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মহেশপুর-কোটচাঁদপুর, Landmark & historical place, Maheshpur-Kotchandpur, Jhenida.

01/06/2025

Ityadi at a Glance:Program Name: ITYADI (ittadi) - ইত্যাদিShooting Location: Bot Tala, Kushadanga Seed Production Farm, Dattanagar Agricultural Farm, Maheshp...

ঐতিহ্যবাহী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান *ইত্যাদির* এবারের পর্ব ধারণ হচ্ছে ঝিনাইদহে মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর ফার্ম ও কুশাডাংগা বটতলা...
17/05/2025

ঐতিহ্যবাহী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান *ইত্যাদির* এবারের পর্ব ধারণ হচ্ছে ঝিনাইদহে মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর ফার্ম ও কুশাডাংগা বটতলা প্রাঙ্গণে।
শনিবার(১৭ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।
দেশসেরা উপস্থাপক হানিফ সংকেতের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় জমে উঠবে পুরো আয়োজন।
গ্রামীণ সৌন্দর্য, ইতিহাস আর সংস্কৃতির ছোঁয়া নিয়ে এবার ইত্যাদি হাজির হচ্ছে সীমান্ত জনপদে।

16/05/2025

আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত।
#ঝিনাইদহ_জেলা র মহেশপুর উপজেলার কুশাডাঙ্গা বটতলায় 'ইত্যাদি' অনুষ্ঠান সকলের জন্য উন্মুক্ত।

March for GAZA
12/04/2025

March for GAZA

26/08/2024

ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট (১০৯টি) খুলে দিয়েছে ভারত। সোমবার (২৬ আগস্ট) এ গেটগুলো খুলে দেওয়া হয়। এতে করে একদিনে বাংলাদেশে ঢুকবে ১১ লাখ কিউসেক পানি।

এর ফলে দেশের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী ও মানিকগঞ্জসহ আশপাশের জেলাগুলো প্লাবিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইতিহাসের সাক্ষী খালিশপুর নীলকুঠিকালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঝিনাইদহের কপোতাক্ষ নদীর তীরে খালিশপুরের নীলকুঠি। এই ঐতিহাসি...
17/03/2024

ইতিহাসের সাক্ষী খালিশপুর নীলকুঠি

কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঝিনাইদহের কপোতাক্ষ নদীর তীরে খালিশপুরের নীলকুঠি। এই ঐতিহাসিক ভবনটি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায় খালিশপুর নামক গ্রামে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ১৭৫৭ সালে পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্যে এদেশে ইংরেজ শাসনের পত্তন হয়। ভাগ্য বদলের জন্য শত শত সাহেব এদেশে আসে। তাদের একটা বড়ো অংশ নীলের ব্যবসায়ে নামে। তৎকালীন যশোর, নদীয়া ও রাজশাহী অঞ্চলে তারা কুঠি স্থাপন করে নীল চাষ শুরু করে। ইংরেজ আমলে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ভারত উপমহাদেশে নীলচাষ শুরু করার পর অন্যান্য অঞ্চলের মত খালিশপুরেও এই নীলকুঠিটি নির্মাণ করেন। খালিশপুর নীলকুঠিটি নীল চাষের শেষ দিকে স্থাপন করা হয়েছিল। নির্মাণের পর ১৮১০ থেকে ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত এই নীলকুঠিটি নীলচাষের জন্য ব্যবহার করা হতো। কৃত্রিম নীল আবিষ্কারের পর নীল ব্যবসায়ে ভাটা দেখা দেয়। সাহেবগণ ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে থাকে। এদেশীয় জমিদাররা কুঠিগুলো কিনে তাদের কাচারি স্থাপন করতে থাকে। সাহেবদের কাছ থেকে এই কুঠিটি কিনে নেন পাবনার এক জমিদার। তিনি তার জমিদারির কাচারি স্থাপন করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর জমিদার দেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে যান। একজন নায়েব দেখাশুনা করতেন। ১৯৫২ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হলে নায়েবও এ কুঠি ছেড়ে চলে যান। ১৪ একর জমির ওপর স্থাপিত এই নীলকুঠিটি তখন সরকারের খাসে নেওয়া হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। দ্বিতল এ কুঠিটি সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের পথে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে নথিভুক্ত করে। এই নীলকুটির পাশেই রয়েছে একটি আমবাগান। নীলকুটি ও আমবাগান মিলিয়ে সংলগ্ন এ জায়গাটি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে রয়েছে।

এশিয়ার বৃহৎ কৃষি খামারগুলোর একটি মহেশপুরের দত্তনগর কৃষি খামারআজ থেকে প্রায় ৭৭ বছর আগে কলকাতার বিশিষ্ট ঠিকাদার হেমেন্দ্...
16/01/2024

এশিয়ার বৃহৎ কৃষি খামারগুলোর একটি মহেশপুরের দত্তনগর কৃষি খামার

আজ থেকে প্রায় ৭৭ বছর আগে কলকাতার বিশিষ্ট ঠিকাদার হেমেন্দ্র নাথ দত্ত ব্রিটিশ শাসনকালে এলাকার কিছু মানুষের সাহায্যে সবজি চাষ শুরু করেন। উল্লেখ্য ব্রিটিশ এই নাগরিকের নাম অনুসারে এলাকার নাম দত্তনগর করা হয় যা মহেশপুর উপজেলায় অবস্থিত। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় বিশাল আয়তন ও চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার আংশিক আয়তন নিয়ে অবস্থিত দত্তনগরের হেমেন্দ্র নাথ দত্তের এই সবজি খামার। যা এশিয়ার বৃহৎ কৃষি খামারগুলোর অন্যতম। ১৯৪০ সালে হেমেন্দ্র নাথ দত্তের খামারটি প্রায় তিন হাজার (৩০০০) একর জমির উপর অবস্থিত। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সেনা বাহিনীর রসদ সরবরাহকারি ঠিকাদার ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনীর জন্য সবজি সরবরাহের ঠিকাদারি লাভ করেন। তাজা সবজি উৎপাদনের জন্য নিজ গ্রাম দত্তনগরে এ বিশাল কৃষি খামার গড়ে তুলেন। ১৯৪০ সালে এ এলাকা ছিল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নিভৃত পল্লী। সড়ক ছিল না। রেলপথে দর্শনা স্টেশনে সবজি বহন করে নিয়ে কলকাতায় পাঠানোও ছিল দুরূহ ব্যাপার। দীর্ঘ সময় লাগায় পচে যেত। তিনি দত্তনগরে হেলিপ্যাড স্থাপন করেন এবং প্রতিদিন হেলিকপ্টারযোগে টাটকা শাক-সবজি কলকাতায় সরবরাহ করে তিনি প্রচুর লাভ করতেন। খামারের কলেবরও বৃদ্ধি করেন।

দত্তনগর এ বিশাল খামারের আওতায় ৫টি ফার্ম আছে। সেগুলো হচ্ছে গোকুলনগর, পাথিলা, মথুরা, করিঞ্চা এবং কুশাডাঙ্গা। ফার্মগুলোর মোট জমির পরিমাণ দু’হাজার ৭৩৭ একর। আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় আড়াই হাজার একর। নিচু জমি আছে ৬শ’একর এবং বিল এলাকা আছে ২শ’একরের উপর। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর এইচ দত্ত দত্তনগর খামার ছেড়ে কলকাতায় চলে যান। ম্যানেজার ও কর্মচারিরা খামার দেখাশুনা করতে থাকেন। ১৯৪৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার দত্তনগর খামার অধিগ্রহণ করে এবং কৃষি বিভাগের উপর পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ১৯৬২ সালে ফার্মের যাবতীয় সম্পত্তি কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিএডিসি বিভিন্ন শস্য বীজ উৎপাদনে খামারটি কাজে লাগায়। অফিস, বাসভবনসহ নানান স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। সেচের জন্য বসানো হয় গভীর ও অগভীর নলকূপ। আর ক্ষেতে পানি সরবরাহের জন্য পাকা ড্রেন নির্মাণ করা হয়। আগে শ্রমিক দিয়ে শস্য কর্তন ও মাড়াই করা হতো। এখন বড় বড় মেশিনের সাহায্যে ফসল কাটা ও মাড়াই করা হয়। সেচের জন্য ৩৬টি গভীর, ১৩টি অগভীর এবং ১০টি পাওয়ার পাম্প।

দুইভাবে এই কৃষি খামারে যাতায়াত করা যায়:

(ক) জেলা শহর ঝিনাইদহ বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসযোগে কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে আসতে হবে তারপর পুনঃরায় বাসযোগে মহেশপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে বাসযোগে/রিক্সা ভ্যান/সিএনজি এর মাধ্যমে সরাসরি এশিয়ার বৃহত্তম দত্তনগর কৃষি খামারে যাওয়া যাবে।

(খ) জেলা শহর ঝিনাইদহ বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসযোগে জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে নেমে বাসযোগে অথবা সিএনজি এর মাধ্যমে সরাসরি এশিয়ার বৃহত্তম দত্তনগর কৃষি খামারে যাওয়া যাবে।

24/12/2023

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষক ছিলেন মহেশপুরের জয়গোপাল তর্কালঙ্কার

প্রধানত সাহিত্যিক ও শাব্দিক হিসাবে পরিচিত জয়গোপাল তর্কালঙ্কার ৭ অক্টোবর, ১৭৭৫ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন বৃটিশ ভারতের নদিয়া জেলায়, বর্তমান বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বজরাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষা লাভ করেন পিতা পণ্ডিত কেবলরাম তর্কপঞ্চাননের কাছে। পিতার কাছে শিক্ষা লাভের পর তিনি বারানসী চলে যান এবং কর্মজীবন শুরু করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি প্রাচ্যতত্ত্ববিদ হেনরি থমাস কোলব্রুককে বাংলা ও সংস্কৃত শেখানোর জন্য পণ্ডিতরূপে নিযুক্ত হন। এবং ১৮০৫-২৩ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুর মিশনে উইলিয়াম কেরির অধীনে কাজ করেন। ওই সময়ে তিনি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় সমাচার দর্পণ প্রকাশে সহায়তা করেন। ১৮১৮-২৩ খ্রিস্টাব্দে পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগের প্রধান কর্মীদের মধ্যে তিনি অন্যতম ছিলেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি সংস্কৃত বহুল কঠিন বাংলাকে ব্যবহারের উপযোগী ও সহজ করে তুলেছিলেন। বস্তুত তার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা ভাষাকে পারসিক আরবিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে তার বিকাশ সাধন করা। ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি সেখানে কাব্যের অধ্যাপক হিসাবে যোগ দেন এবং আমৃত্যু কাজ করেন। সেখানে তারাশঙ্করের তর্করত্ন, মদনমোহন তর্কালঙ্কার ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রমুখেরা তার ছাত্র ছিলেন। ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর 'চণ্ডী'র সম্পাদনা করেন। সুকবি হিসাবেও তার পরিচিতি ছিল। বিল্বমঙ্গল-কৃত হরিভক্তিমূলক সংস্কৃত কবিতার বঙ্গানুবাদ ও ষড়ঋতু বর্ণনা প্রভৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কবিতা তিনি রচনা করে গেছেন। এছাড়াও ফরাসি ভাষায় একখানি অভিধান সংকলন করেন। রাধাকান্ত দেব প্রতিষ্ঠিত ধর্মসভার একজন বিশিষ্ট সদস্য হিসাবে উক্ত সভা কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষাদি নির্বাহ করতেন। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল 'শিক্ষাসার' (১৮১৮) 'কৃষ্ণবিষয়কশ্লোকঃ' (১৮১৭) 'চণ্ডী' (১৮১৯) 'পত্রের ধারা' (১৮২১) 'বঙ্গাভিধান' (১৮৩৮) 'পারসিক অভিধান'। পণ্ডিত জয়গোপাল তর্কালঙ্কার ১৩ ই এপ্রিল, ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ৭১ বৎসর বয়সে প্রয়াত হন।

09/12/2023

ছোট কলকাতা খ্যাত আজকের কোটচাঁদপুর

বাংলাদেশের এক পুরোনো শহর ও প্রসিদ্ধ এলাকা হলো বর্তমানের কোটচাঁদপুর। কোটচাঁদপুর শহরটি বর্তমানে খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহ জেলায় অবস্থিত। ১৯৮৬ সালে ঝিনাইদহ জেলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে পর্যন্ত এই শহরটি বৃহত্তর যশোর জেলার অধীনে ছিল। ছোট এই শহরটি একইসাথে থানা, পৌরসভা ও উপজেলা। এই শহরের অধীনে আছে ৫ টি ইউনিয়ন। মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদের এই শহরের রয়েছে এক প্রসিদ্ধ ইতিহাস। একসময় এই কপোতাক্ষ নদী বড় বড় লঞ্চ, হাজারমণি নৌকা এমনকি কিছু কিছু জাহাজও আসতো। বণিকরা এখানে আসতো ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে। বিশেষ করে চিনি, খেঁজুরের গুড়ের জন্য বিখ্যাত ছিল এই এলাকা। লোকমুখে শোনা যায় যে, এই এলাকা একসময় কেয়া বাগানে ভরা এক মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিদর্শন ছিল। ব্রিটিশ শাসন আমলে ইংরেজদের শাসনের স্মৃতি এখনো বহন করছে ইংরেজদের বসবাসের বিশাল ভবনটি যেটি এখন বিদ্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ, যোগাযোগব্যবস্থা ভালো ও ভারতের নিকটবর্তী হওয়ার ক্রমেই তখন ছোট কলকাতা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল কোটচাঁদপুর।

প্রথমেই জানা যাক এই শহরের নামকরণ সম্পর্কে। মুঘল সাম্রাজের সম্রাট আকবরের আমলে ইসলাম প্রচারের জন্য এই এলাকায় এসেছিলেন সরদার চাঁদ খা নামের এক দরবেশ। তিনি তার সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে কপোতাক্ষ নদের তীর বসতি স্থাপন করেন। তার নামানুসারেই প্রথমে এই এলাকার নাম রাখা হয় চাঁদপুর। ধীরে ধীরে চাঁদপুর বঙ্গের একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠে ও দেশ বিদেশ থেকে এখানে মানুষ আসতে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসবাসের উদ্দেশ্যে। দেশ বিদেশে এই বাণিজ্য কেন্দ্রটির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়লে সেটি নজরে আসে মগ ও পর্তুগীজদের। বেশ কয়েকবার তারা এখানে আক্রমণ ও লুটপাট করেন। তখন ছিল বাদশা জাহাঙ্গীরের শাসনামল। ১৬০৮ সালে তিনি খাঁ চিশতী নামের একজন সুবেদারকে তৎকালীন চাঁদপুরে পাঠান মগ-পর্তুগীজসহ ভিনদেশি দস্যুদের দমন করতে। তারপরে ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খাঁ এখানে প্রাচীর নির্মাণ ও দস্যুদের বিচারের জন্য কোর্ট(আদালত) নির্মাণ করেন। তখন চাঁদপুরের আগে কোর্ট শব্দটি যুক্ত হয়ে নাম হয় কোর্টচাঁদপুর। কোর্টচাঁদপুর থেকেই আরেকটু পরিমার্জিত হয়ে বর্তমান নাম কোটচাঁদপুর।

সুবেদার ইসলাম খাঁ মৃত্যুবরণ করার পরে কোটচাঁদপুরের সুবেদার নিযুত হন কাসিম খাঁ। এরপরে ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে কোটচাঁদপুরকে মহকুমায় উন্নীত করা হয়। ১৮৬৩ সালের ১৪ই মার্চ পর্যন্ত এই এলাকাটি মহকুমা হিসেবে ছিল। কিন্তু তারপরে সেটি সম্পূর্ণরুপে বিলুপ্ত করা হয় এবং কোর্টটিও তখন বিধ্বস্ত হয়ে যায়।

একসময় ছোট কলকাতা খ্যাত কোটচাঁদপুর বিখ্যাত ছিল মাতগুড়ের জন্য। এই গুড় দিতেই তৈরি হতো চিনি এবং সেই চিনি সুখ্যাতি ছিল দেশ-বিদেশে। সেই আমলের চিনিকলের স্মৃতিবহন করে এখনো দাঁড়িয়ে আছে বেশকিছু পুরোনো ভবন। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে ইউরোপিয়ান নাগরিক মিস্টার বেইক কোটচাঁদপুরে একটি চিনিকল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারপরে এখানে আরও বেশকিছু চিনিকল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৩ সালে কোটচাঁদপুরকে মিউনিসিপাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়। সেই সময় ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্টারের দায়িত্বে ছিলেন মি.ক্যাসেল। তারপরে পর্যায়ক্রমে মি. ই জি ম্যাকলয়েড, এইচ সি ম্যাকলয়েড, নীলরঞ্জন রায়, হেমন্ত চন্দ্র দায়িত্ব পালন করেন। কোটচাঁদপুর পৌরসভার প্রথম মুসলিম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন গোলাম হায়দার সরদার, ১৯৪৭ সালে।

প্রাচীন আমলে তৈরি একটি বিশাল ভবন এখন শহরের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়। শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত আরেকটি ভবন (তারিন দত্তের বাড়ি) বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও নড়বড়ে হয়ে গেছে। এখন আর কপোতাক্ষে বড় বড় লঞ্চ, স্টিমার, হাজারমণি নৌকা আসে না। কোটচাঁদপুরের সেই সমৃদ্ধ ঐতিহ্য আর নেই এখন। কোটচাঁদপুরের এসব ভবনগুলো বাংলাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ। এই শহরের পুরাকীর্তিগুলো সংরক্ষণ করা হলে তা আমাদের ঐতিহ্যকে করবে আরও সমৃদ্ধ।

08/12/2023

ঝিনাইদহ-৩
ঝিনাইদহ-৩ হল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঝিনাইদহ জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের ৮৩নং আসন।১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে সৃষ্ট হয়। ঝিনাইদহ-৩ আসনটি ঝিনাইদহ জেলার কেটচাঁদপুর উপজেলা ও মহেশপুর উপজেলার নিয়ে গঠিত।

এক নজরে ঝিনাইদহ-৩
বিভাগ: খুলনা
জেলা: ঝিনাইদহ
আসন-৮৩নং: মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর
মোট ভোটার: ৩,৬০,৮৭৯ (২০১৮)

নির্বাচিত সাংসদের তালিকা ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত:
১৯৮৬ এ এস এম মোজাম্মেল হক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১৯৮৮ শামসুল হুদা খান
১৯৯১ শহিদুল ইসলাম মাস্টার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ শহিদুল ইসলাম মাস্টার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
১৯৯৬ শহিদুল ইসলাম মাস্টার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
২০০১ শহিদুল ইসলাম মাস্টার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
২০০৮ শফিকুল আজম খান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২০১৪ নবী নেওয়াজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২০১৮ শফিকুল আজম খান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

22/05/2023

একনজরে ঝিনাইদহ জেলা:

১। ঝিনাইদহে আছে এশিয়ার শ্রেষ্ঠ এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় তম বিখ্যাত খামার। যেটি ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার দত্তনগরে অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীংশ চাল এখান থেকে আসে।

২। ঝিনাইদহে আছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় এবং বয়স্ক বটগাছ। যেটি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানায় অবস্থিত।
৩। ঝিনাইদহে আছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় পুকুর। যা ধলসমুদ্র নামে পরিচিত। আপনি এটি দেখতে চাইলে ঝিনাইদহ শহর থেকে পাগলা কানাইয়ের ভিতর দিয়ে ২ কিঃ মিঃ গেলেই পেয়ে যাবেন। অপুরুপ সুন্দর একটি পুকুর।
৪। ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানায় আছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কালীমন্দির। যা হিন্দুদের একটি তীর্থ স্থান।
৫। বাংলাদেশ সহ এশিয়ার সবচেয়ে বড় মাছের হ্যাচারি ঝিনাইদহের কোটচাদপুরে অবস্থিত।
৬। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারক গঞ্জ চিনির মিল বাংলাদেশের অন্যতম একটি স্বনামধন্য চিনির মিল
৭। সাত জন বীরশ্রেষ্ঠর অন্যতম বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের বাড়িও এই ঝিনাদহের মহেশপুর থানায়।
৮।বাংলাদেশের প্রখ্যাত বিদ্রোহী ইসলামীক সংগীত শিল্পী, কলরব শিল্পীগোষ্টির প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আইনুদ্দীন আল আযাদ (রহঃ) এর বাড়ীও ঝিনাইদহ জেলায়।
৯। বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী মনির খানের বাড়িও এই ঝিনাইদহ জেলায়।
১০। বিখ্যাত কবি ফররুখ আহমেদের বাড়িও এই ঝিনাইদহে।
১১। বিখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার বাড়িও ঝিনাইদহ জেলায়।
১২। বিখ্যাত মরমি কবি লালন ফকিরের জন্ম ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ড থানায়।
১৩। বিখ্যাত কবি পাগলা কানাইয়ের জন্ম ঝিনাদহে। তার নামানুসারে ঝিনাইদহের একটি স্থান "পাগলা কানাই" নামে পরিচিত।
১৪। তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের
পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপার বাঘুটিয়া গ্রামে।
১৫। বাঘা যতীন,কেপি বসু,জিল্লুর রহমান
সিদ্দিক, কমরেড আবদুল মতিন মুনীর সহ
অসংখ্য মনীষির জন্ম ঝিনাইদহে।
১৬। চিত্রশিল্পী মনোয়ার মোস্তফার বাড়ী ঝিনাইদহের শৈলকুপায়।
১৭। বাংলাদেশের একমাত্র ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝেও এই ঝিনাইদহ জেলা রয়েছে।
১৮। ক্যাডেট কলেজের ভিতর অন্যতম ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ এখানেই অবস্থিত।
১৯। বর্তমান জাতীয় ক্রিকেট দলের প্লেয়ার আল আমিনের বাড়িও ঝিনাইদহে।
এছাড়া ঝিনাইদহ জেলার অনেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন স্থানে গুরুত্বপুর্ন পদে কর্মরত থেকে ঝিনাইদহের মুখ উজ্জ্বল করেছে।
২০। ১৯৭১ সালে ঝিনাইদাহের বিষয়খালিতে সর্বপ্রথম পাকিস্থানী বাহিনীর সাথে মুক্তিবাহিনীর সম্মুখ সমরে যুদ্ধ হয়েছিল।
২১। ঝিনাইদহের মহেশপুরে রয়েছে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন পৌরসভা যা ১৮৬৯ সালে স্থাপিত হয়।
২২। বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম শহীদ মিনার ঝিনাইদহ এ অবস্থিত।
২৩। এছাড়া ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলাসহ অনেক জায়গায় ব্রিটিশ স্থাপত্য অনেকগুলো নীলকুঠি রয়েছে।
২৪। ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ এ আছে বার আউলিয়ার মসজিদ।
২৫।কালু গাজী চম্পাবতির মাজার
রয়েছে।
***যাদের বাড়ী ঝিনাইদাহ,সবাই Share করি এবং জানিয়ে দিই ঝিনাইদাহ আমাদের গর্ব।***

22/05/2023

মহেশপুর উপজেলার অবস্থান:

সাধারণ তথ্যাদি
জেলা ঝিনাইদহ
উপজেলা মহেশপুর
সীমানা: এই উপজেলার উত্তর দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলা ও জীবননগর উপজেলা, দক্ষিণ দিকে চৌগাছা উপজেলা ওভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্ব দিকে চৌগাছা উপজেলা এবং পশ্চিম দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
জেলা সদর হতে দূরত্ব :
জেলা সদর হতে উপজেলার দূরত্ব ৪০ কিঃমিঃ সড়ক পথে।

আয়তন ৪১৭.৮৫ বর্গকিলোমিটার
জনসংখ্যা ৩,৭১,৬৬৯ জন
পুরুষ ১৮৪৫৪০ জন
মহিলা ১৮৭১০১ জন
লোক সংখ্যার ঘনত্ব ৮৮৯ জনে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে
মোট ভোটার সংখ্যা ২,৬৮,২৭৯ জন
পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১৩৫৮০২ জন
মহিলা ভোটার সংখ্যা ১৩২৪৭৭ জন
বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১৪%
মোট পরিবার (খানা) ৭৯,৭৬১ টি
নির্বাচনী এলাকা ৮৩ ঝিনাইদহ-৩
গ্রাম ২০৬ টি
মৌজা ১৫৬ টি
ইউনিয়ন ১২ টি
পৌরসভা ০১ টি
এতিমখানা সরকারি নাই
এতিমখানা বে-সরকারি ০৭ টি
মসজিদ ৪৭৫টি
মন্দির ২০ টি
নদ-নদী ০৫ টি
হাট-বাজার ৪৭ টি
ব্যাংক শাখা ০৬ টি
পোস্ট অফিস ১৩ টি
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০১ টি
ক্ষুদ্র ওকুটির শিল্প ১২৭ টি
বৃহৎ শিল্প ০১ টি
কৃষি সংক্রান্ত
মোট জমির পরিমাণ ৪৯২১০.২০ হেক্টর
নীট ফসলী জমি ৪০৪৮০ হেক্টর
মোট ফসলী জমি ৪০৯৪০ হেক্টর
এক ফসলী জমি
১৭৬৮৫ হেক্টর
দুই ফসলী জমি ১৬৮০০ হেক্টর
তিন ফসলী জমি ৬০৪৫ হেক্টর
গভীর নলকূপ ২৮০১ টি
অ-গভীর নলকূপ ৬২৫৬ টি
শক্তি চালিত পাম্প নাই

বার্ষিক খাদ্য চাহিদা
চাউল-গম-
৪০৬৮.৮৫৬ মে:টন১৪৮৮.০৫১ মে: টন

নলকূপের সংখ্যা ১৫৭৫২ টি
শিক্ষা সংক্রান্ত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৫২ টি
বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ০ টি
কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ টি
জুনিয়র নিম্ন বিদ্যালয় ৬ টি
মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় (সহশিক্ষা) ২৭ টি
উচ্চ বিদ্যালয় (বালিকা) ০২টি
দাখিল মাদ্রাসা ২২ টি
আলিম মাদ্রাসা ০২ টি
ফাজিল মাদ্রাসা ০১ টি
কামিল মাদ্রাসা নাই
কলেজ ১০ টি
মহিলা কলেজ ০১ টি
শিক্ষার হার ৭৪.৬৬%


স্বাস্থ্য সংক্রান্ত
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ০১ টি
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১৪ টি
বেডের সংখ্যা ৫০ টি
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ ৩৬ টি
কর্মরত ডাক্তার ১৫ জন
সিনিয়র নার্স ২৫ জন

ভূমি ও রাজস্ব সংক্রান্ত
মৌজা ১৫৬ টি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস ১২ টি
পৌর ভূমি অফিস ০১ টি
মোট খাস জমি ১৯০১.৪৫৭৯ একর
কৃষি ১৮৭০ একর
অকৃষি ৩১.৪৫৭৯ একর
বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি জমি ৩১৯.৬১ একর (কৃষি)
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর (দাবী) সাধারণ= ৯৮,৪১,৩১৫/-
সংস্থা = ৫,৯৪,৭৭৫/-
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর (আদায়) সাধারণ= ১,০২,৯৮৮৭৫/- জুন ২০১৪ পর্যন্ত আদায়
সংস্থা = ২,৯১,৭০৫/- জুন ২০১৪ পর্যন্ত আদায়
হাট-বাজার ১৬টি
যোগাযোগ সংক্রান্ত
পাকা রাস্তা ২১১ কিঃ মিঃ
অর্ধ পাকা রাস্তা ১৭২ কিঃ মিঃ
কাঁচা রাস্তা ৪৮২ কিঃ মিঃ
ব্রীজ/কালভার্টের সংখ্যা ৭০৯ টি
নদী ০৩ টি
পরিবার পরিকল্পনা
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ০২ টি
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক ০৭ টি
এম.সি.এইচ. ইউনিট নাই
সক্ষম দম্পতির সংখ্যা ৫০,৪১৫ জন
মৎস্য সংক্রান্ত
পুকুরের সংখ্যা ৩৭৬২টি
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার (সরকারি) ০১ টি
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার (বে-সরকারি) ৪ টি
বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা ৩৪১৯.২০মেঃ টন
বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন ৪১৮৫.০২মেঃ টন
প্রাণি সম্পদ
উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ০১ টি
প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ০১ জন
ভেটেনারী সার্জন ০১
কৃত্রিম প্রজণন কেন্দ্র ০১ টি
কৃত্রিম প্রজণন পয়েন্ট ০৪ টি
উন্নত মুরগীর খামারের সংখ্যা -
লেয়ার ৮০০ মুরগীর উর্ধ্বে· ১০-৪৯ টি মুরগী আছে, এরুপ খামার নাই
গবাদির পশুর খামার ৮৪ টি
ব্রয়লার মুরগীর খামার ৭৪ টি
সমবায় সংক্রান্ত
কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি ০৩ টি
মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি ০১ টি
ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি ০৭ টি
বহুমুখী সমবায় সমিতি ০৬ টি
মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি ২৩ টি
যুব সমবায় সমিতি ০৩ টি
আশ্রয়ন/আবাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি ০২ টি
কৃষক সমবায় সমিতি ১১৪ টি
পুরুষ বিত্তহীন সমবায় সমিতি ০৫ টি
মহিলা বিত্তহীন সমবায় সমিতি ১৯৩ টি
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি ০০ টি
অন্যান্য সমবায় সমিতি ০৮ টি
চালক সমবায় সমিতি ০০ টি

Address

Maheshpur-Kotchandpur
Jhenida
7300

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মহেশপুর-কোটচাঁদপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share