22/07/2025
(বলা না বলা কিছু কথা)
সবাই বন্ধু হয় না,
কেউ কেউ ছদ্মবেশী প্রতিযোগীও হয়। চাইলেতো প্রতিযোগীতার ধরনটা সুন্দরও হতে পারে।
ভেতরে শয়তানীতে ভরপুর,
বাইরে সাধু। এভাবে কেন?
কিছু মানুষ আছে, যারা সামনে এসে মিষ্টি কথা বলে, হাসে, আপন ভেবে গা ঘেঁষে দাঁড়ায়, আর পেছনে গিয়ে সেই আপনজনের গায়েই ছুরি চালায়।
ভাবখানা এমন, যেন তারা আমাদের মঙ্গলচিন্তায় ব্যস্ত, অথচ আদতে তারাই আমাদের স্থানচ্যুত করতে চায়,
পিন মারে নেপথ্যে, চরিত্রে কালি লাগানোর চেষ্টায় থাকে। ভেতরে হিংসা আর কূটচালের পাহাড়, বাইরে এসে আলগা হাসি আর 'ভাইরে ভাই' টাইপ পিরিত দেখায়। আমার আশেপাশেও এমন কিছু মুখোশধারী মানুষ আছে, সামনে আসলে ভালোবাসার নাটক, পেছনে গিয়ে সেই আমাকেই ছোট করে অন্যের কানে কানে ‘পিন’ মারে। যেন আমি নিজে থেকেই সরে যাই, ওরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারে।
আজ যারা নিজেদের যোগ্য বলে মনে করে, তারা ভুলে গেছে তাদের গড়ে ওঠার প্রথম পাঠশালাটা ছিল আমার হাতের ছাঁয়ায়।
আফসোস! এরা ভাবে, ছোটলোকি চালেই বড় হওয়া যায়। কিন্তু জীবন এমন নয় ভাই। যাদের চরিত্রে কুটিলতা থাকে, তারা কোনোদিন সত্যিকারের সম্মান পায় না।
আমি বহু অপকর্ম জানি, বহু ষড়যন্ত্রের প্রমাণও আমার হাতে এসেছে।
কিন্তু কখনও কাউকে হেয় করার চেষ্টা করিনি, আমার অবস্থান তৈরী করেছি নিজের কর্মে, অন্যকে নিচে নামিয়ে নয়।
আমি কারও ক্ষতি করিনি, করতেও চাই না। কারও পেছনে দাঁড়িয়ে ছোটলোকের মতো ‘পিন’ মারার শিক্ষা নেই আমার।
আমি জানি কে কী করেছে, কে কোথায় কী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, সব কিছু জানা থাকলেও মর্যাদা বিকিয়ে সুবিধা নেওয়ার মানুষ আমি নই। চাটুকারির সিঁড়ি বেয়ে কখনো উপরে উঠিনি। ছোটলোকি কৌশলেও নয়, আমি দাঁড়িয়েছি নিজের যোগ্যতায়। তাই পড়ার ভয়ও নেই। ইনশাআল্লাহ্
আজকাল অনেকে ফেইসবুকে এসে এমন ধার্মিক সাজে, এমন 'আল্লার খাস বান্দা'র অভিনয় করে, দেখলে মনে হয় আসমান থেকে ফেরেশতা নেমে এসেছে। অথচ বাস্তবে তাদের আচার-আচরণ রীতিমতো শয়তানের চেয়েও ভয়ংকর! এরা যখন হেসে কথা বলে, তখনও পিঠে ছুরি মারার ছক আঁকে।
ভাই-বন্ধুর মতো থাকার মানে এই নয় যে, কারও পেছনে ছুরি মারতে হবে। কারও উপরে উঠার মানে এই নয় যে, অন্যকে টেনে নামাতে হবে। একটা কথা বলি চরিত্রকে বিক্রি করবেন না ভাই। অনেকতো করলেন বয়সতো কম হয়নি। মুখে মধু অন্তরে শয়তানি ভরা এমন আর কতকাল?
এখন একটু থামেন। জীবন বড়, চরিত্র বড়, পজিশন আসবে যাবে। কিন্তু সম্মানটা যেন কখনও না হারায়।