Jessore City

Jessore City Jessore is a district in the of southwestern tip of Bangladesh. It is bordered by India to the west. The district produces a variety of crops year-round.

Date-sugar, called patali, is made from the sap of locally grown date trees. It is cooked, thickened and crystallised using a traditional method. Patali is mainly produced in Khajura, but many date trees are cultivated in the Keshabpur Upazila and Manirampur Upazila areas. Jessore district was established in 1781. It consists of 4 municipalities, 36 wards, 8 upazilas, 92 unions, 1329 mouzas, 1434

villages and 120 mahallas. Upazilas are Abhaynagar Upazila, Bagherpara Upazila, Chaugachha Upazila, Jessore Sadar Upazila, Jhikargachha Upazila, Keshabpur Upazila, Manirampur Upazila, and Sharsha Upazila. Jessore town consists of 9 wards and 73 mahalls. Jessore municipality was established in 1864. The area of the town is 25.72 km2. It has a population of 201,796 at the 2011 Census. The literacy rate among the townspeople is 56.57% in 1991. The town has one dakbungalow.

12/06/2018

World Cup fixtures: Comprehensive coverage of all your major sporting events on SuperSport.com, including live video streaming, video highlights, results, fixtures, logs, news, ...

ভূকম্পনের সময় করণীয়:ভূকম্পন অনুভূত হলে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এ সময়ের করণীয় সম্পর্কে আজ এক স...
27/04/2015

ভূকম্পনের সময় করণীয়:

ভূকম্পন অনুভূত হলে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এ সময়ের করণীয় সম্পর্কে আজ এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে দেশবাসীকে কতিপয় পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, ভূকম্পনের সময় বিছানায় থাকলে বালিশ দিয়ে মাথা ঢেকে টেবিল, ডেস্ক বা শক্ত কোন আসবাবপত্রের নিচে আশ্রয় নিন।
রান্না ঘরে থাকলে গ্যাসের চুলা বন্ধ করে দ্রুত বেরিয়ে আসুন অথবা বীম, কলাম ও পিলার ঘেঁষে আশ্রয় নিন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে স্কুল ব্যাগ মাথায় দিয়ে শক্ত বেঞ্চ অথবা শক্ত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
ঘরের বাইরে থাকলে গাছ, উঁচু বাড়ি, বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে খোলাস্থানে আশ্রয় নিন।
গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী, হাসপাতাল, মার্কেট ও সিনেমা হলে থাকলে বের হওয়ার জন্য দরজার সামনে ভিড় কিংবা ধাক্কাধাক্কি না করে দু’হাতে মাথা ঢেকে বসে পড়–ন।
ভাঙ্গা দেয়ালের নিচে চাপা পড়লে বেশি নড়া চড়ার চেষ্টা করবেন না। কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন, যাতে ধুলাবালি শ্বাস নালিতে না ঢোকে।
একবার কম্পন হওয়ার পর আবারও কম্পন হতে পারে। তাই সুযোগ বুঝে বের হয়ে খালি জায়গায় আশ্রয় নিন।
উপর তলায় থাকলে কম্পন বা ঝাঁকুনি না থামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, তাড়াহুড়ো করে লাফ দিয়ে বা লিফট ব্যবহার করে নামা থেকে বিরত থাকুন।
কম্পন বা ঝাঁকুনি থামলে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়–ন এবং খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নিন।
গাড়িতে থাকলে ওভার ব্রিজ, ফ্লাইওভার, গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে গাড়ি থামান। ভূকম্পন না থামা পর্যন্ত গাড়ির ভিতরে থাকুন।
ব্যাটারীচালিত রেডিও, টর্চলাইট, পানি এবং প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম বাড়িতে রাখুন।
বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করুন।

***নকল ডিমে বাজার সয়লাব, জানুন এই ডিম চেনার ১০টি লক্ষণ***এখন আমরা প্রায় সকলেই জানি নকল বা কৃত্রিম ডিমের কথা। অনেকেই বিষয়...
06/04/2015

***নকল ডিমে বাজার সয়লাব, জানুন এই ডিম চেনার ১০টি লক্ষণ***

এখন আমরা প্রায় সকলেই জানি নকল বা কৃত্রিম ডিমের কথা। অনেকেই বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেও এখন আর সেটা গুজবের পর্যায়ে নেই। কেননা খোদ বাংলাদেশেই নকল ডিম কেনার ও খাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়েছে। এবং আক্ষরিক অর্থেই চিন থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ডিম ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশে-ভারত-মায়ানমার সহ আশেপাশের অনেক দেশেই।
মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি-সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি সম্প্রতি জানিয়েছে যে, মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ ওই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চিন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হচ্ছে। চোরাপথে সেই ডিম ভারত-সহ আশপাশের অন্যান্য দেশেও সয়লাব হয়েছে নকল ডিমে। যা দেখতে একদম হাঁস-মুরগির মতো।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। তাতে অবশ্য একথাও বলা আছে যে, কৃত্রিম ডিমে কোনও খাদ্যগুন নেই। নেই কোনও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। চীনে তৈরি হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এই ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।
কীভাবে চিনবেন নকল ডিম?
১. কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। এর খোসা অল্প চাপেই ভেঙে যায়।
২. এই ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়।
৩. ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে খানিকটা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় পুরো কুসুমটাই নষ্ট ডিমের মত ছড়ানো থাকে।
৪. কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড়
৫. এর খোলস খুব মসৃণ হয়। খোসায় প্রায়ই বিন্দু বিন্দু ফুটকি দাগ দেখা যায়।
৬. রান্না করার পর এই ডিমে অনেক সম্যেই বাজে গন্ধ হয়। কিংবা গন্ধ ছাড়া থাকে। আসল কুসুমের গন্ধ পাওয়া যায় না।
৭. নকল ডিমকে যদি আপনি সাবান বা অন্য কোন তীব্র গন্ধ যুক্ত বস্তুর সাথে রাখেন, ডিমের মাঝে সেই গন্ধ ঢুকে যায়। রান্নার পরেও ডিম থেকে সাবানের গন্ধই পেতে থাকবেন।
৮. নকল ডিমের আরেকটি উল্লেখ্যযোগ্য লক্ষণ হলো ডিম দিয়ে তৈরি খাবারে এটা ডিমের কাজ করে না। যেমন পুডিং বা কাবাবে ডিম দিলেন বাইনডার হিসাবে। কিন্তু রান্নার পর দেখবেন কাবাব ফেটে যাবে, পুডিং জমবে না।
৯. নকল ডিমের আকৃতি অন্য ডিমের তুলনায় তুলনামূলক লম্বাটে ধরণের হয়ে থাকে।
১০. নকল ডিমের কুসুমের চারপাশে রাসায়নিকের পর্দা থাকে বিধায় অক্ষত কুসুম পাওয়া গেলে সেই কুসুম কাঁচা কিংবা রান্না অবস্থাতে সহজে ভাঙতে চায় না।

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আপনার করনীয়বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আপনার করনীয়একটি ছাত্রের শিক্ষাজ...
16/02/2015

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আপনার করনীয়

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আপনার করনীয়
একটি ছাত্রের শিক্ষাজীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ সার্টিফিকেট আর তা হারিয়ে গেলে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান অনেকেই। কী করবেন, কিভাবে সার্টিফিকেট ফিরে পাবেন তা বুঝতে পারেন না। সার্টিফিকেট বা এ ধরনের মূল্যবান শিক্ষাসংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

প্রথমে যা করবেনঃ

সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এর জন্য প্রথমে আপনার এলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।

জিডির একটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখতে হবে। এরপর যেকোনো একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম, শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসের সাল, বোর্ডের নাম এবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট, নম্বরপত্র অথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদন কার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংক ড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানার জিডির কপি জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃ

আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখ সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।

পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

কত টাকা লাগবেঃ

সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এ ছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ-নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়।

শরীরে হঠাত আগুন লাগলে কি করবেন?
09/02/2015

শরীরে হঠাত আগুন লাগলে কি করবেন?

চাষী নজরুল ইসলাম আর নেই
11/01/2015

চাষী নজরুল ইসলাম আর নেই

তোমার বন্ধু উপরতলায় বাসানিচের দিকে চেয়ে দেখ কতো হতাশা... :(
10/01/2015

তোমার বন্ধু উপরতলায় বাসা
নিচের দিকে চেয়ে দেখ কতো হতাশা... :(

জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে, ভূল থাকলে অথবা নতুন পরিচয়পত্র করতে গেলে কি করবেন?পরবর্তিতে মনে রাখার জন্য শেয়ার করে আপনার ...
17/10/2014

জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে, ভূল থাকলে অথবা নতুন পরিচয়পত্র করতে গেলে কি করবেন?
পরবর্তিতে মনে রাখার জন্য শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে সেভ করে রাখুন ।
আমরা অনেকেই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিভিন্ন ভূলভ্রান্তি নিয়ে বিভিন্ত ভোগান্তি পোহাতে হয়। আবার যারা নতুন পরিচয় পত্র করতে চাই তারাও এ বিষয়ে অনেক অজ্ঞ। কিভাবে করব, কোথায় কবর, কি কি লাগবে ইত্যাদি বিষয়ে। আর এ সমস্যা সমাধানের জন্য নিন্ম পদ্ধতি অনুসরণ করলে আশা করি সবাই উপকার পাবেন।
পরিচয়পত্রে নিজের নাম, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী ও অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ, রক্তের গ্রুপ এবং ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে হতে পারে। এ জন্য প্রার্থীকে সাদা কাগজে ‘ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্প’- এর পরিচালকেরকাছে আবেদন করতে হবে। এই আবেদন আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলায় প্রকল্প কার্যালয়ে পাওয়া ছক বা ফরমেও করা যায়। ফরম পূরণ করে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দেওয়ার পর সেখান থেকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (প্রাপ্তি নম্বরসংবলিত) দেওয়া হয়। এতে সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে। এই তারিখের সাত দিনের মধ্যে কাউন্টার থেকে সংশোধিত পরিচয়পত্র নিতে হবে। নাম সংশোধনঃ কেউ পরিচয়পত্রে থাকা নিজের নাম, পিতা, স্বামী কিংবা মাতার নাম সংশোধন করতে চাইলে তাকে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে
১। এসএসসি বা সমমান সনদ,
২। নাগরিকত্ব সনদ,
৩। জন্মনিবন্ধন সনদ,
৪। চাকরির প্রমাণপত্র,
৫। পাসপোর্ট,
৬। নিকাহনামা এবং
৭। পিতা, স্বামী কিংবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত এসব নথি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা নথির যার যেটি আছে, শুধু সেটি দিলেই চলবে। যেমন, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির কম, তাকে এসএসসি বা সমমানের সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে না। আবার কেউ যদি চাকরি না করেন, তাকে চাকরির প্রমাণপত্র দিতে হবে না। আবার পাসপোর্ট না থাকলে তা দেওয়ার দরকার নেই।
নাম পরিবর্তনঃ
জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নাম বদল করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি (শিক্ষাগত যোগ্যতা এর নিচে হলে দেওয়ার দরকার নেই), বিবাহিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট এবং জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের কপি। নাম পরিবর্তনের জন্য প্রার্থীকে শুনানির দিন প্রকল্পের কার্যালয়ে কাগজপত্রের মূল কপিসহ হাজির হতে হবে।
স্বামীর নাম সংযোজন বা বাদ দেওয়াঃ
বিয়ের পর কেউ জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে তাকে কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। আর বিবাহবিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে আবেদনকারীকে তালাকনামার সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তনঃ
পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তন করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড। পিতা বা মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা বা মাতা বা উভয়ে মৃত হলে দিতে হবে ভাই বা বোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা-মাতার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিতে পারেন।
জন্মতারিখ সংশোধনঃ
যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের, তাদের আবেদনপত্রের সঙ্গে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শন কিংবা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে হতে পারে। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের কম, তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার আগের তারিখে পাওয়া সার্ভিস বুক বা এমপিওর কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম সদন, নিকাহনামা, পাসপোর্টের কপি প্রভৃতি। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রকল্প পরিচালক আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে থাকেন। এ ছাড়া দরকার হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।
ঠিকানা সংশোধনঃ
জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা বর্তমান ঠিকানা ও ভোটার এলাকা বদল করার সুযোগ আছে। তবে সারা বছর সেই সুযোগ মেলে না। এটা শুধু ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় করা যাবে। বর্তমানে হালনাগাদ করার কাজটি করা হয় শুধু জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে। সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ থাকে না কেন, জানতে চাইলে প্রকল্পের কমিউনিকেশন অফিসার দেবাশীষ কুণ্ডু বলেন, ‘আমাদের দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হয়। দেখা যায়, একই বছর একাধিক নির্বাচন হয়। একই বছরে কেউ যাতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তাই সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ দেওয়া হয় না।’ হালনাগাদ করার সময় ভোটার এলাকা বদল করতে হলে নতুন ঠিকানার উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে দেওয়া ফরম-১৩ অথবা ফরম-১৪ পূরণ করে উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তবে ঠিকানা পরিবর্তন না করে সংশোধন (বানান, বাড়ির নম্বর, সড়ক নম্বর ভুল থাকলে) করার সুযোগ ঢাকার প্রকল্প কার্যালয়ে রয়েছে।
এ ছাড়া স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন বা এর কোনো তথ্য সংশোধনেরও সুযোগ আছে। ঠিকানার ছোটখাটো ভুল সংশোধন বা স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের সুযোগ সারা বছরই থাকে। এ জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিতে হবে পরিবারের কোনো সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন বিলের যেকোনো একটির কপি বা কর দেওয়ার কপি। আরও জমা দিতে হবে চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ওই ঠিকানায় নিজের নামে বা পিতা বা মাতার নামে থাকা জমি বা ফ্ল্যাটের দলিলের সত্যায়িত ফটোকপিও জমা দিতে হবে।
রক্তের গ্রুপ সংশোধনঃ
রক্তের গ্রুপ সংশোধন করতে হলে মেডিকেল প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
বিবিধ সংশোধনঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে কোনো নামের আগে পদবি, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না। পিতা বা স্বামী বা মাতাকে মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যুর সনদ দাখিল করতে হবে। জীবিত পিতা বা স্বামী বা মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।
হালনাগাদ কর্মসূচির পরিচয়পত্র সংশোধনঃ
২০০৯ সালে হালনাগাদ কর্মসূচির সময় যাদের নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে কোনো ভুল থাকলে বা হারিয়ে গেলে তাদের ২০১০ সালের ডিসেম্বরের পর প্রকল্প কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলেঃ
পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় ভোটার নম্বর বা আইডি নম্বর উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। এরপর জিডির মূল কপিসহ প্রকল্প কার্যালয় থেকে নেওয়া ছকের আবেদনপত্র নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র নিতে হবে। প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।
যাঁরা এখনো পরিচয়পত্র ওঠাননিঃ
ঢাকা সিটি করপোরেশনের যেসব বাসিন্দা (ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, শ্যামপুর থানা ছাড়া) ২০০৭-০৮ সালে পরিচয়পত্রের জন্য সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু সেটি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে গিয়ে আর আনেননি, তাঁরা প্রকল্প কার্যালয়ে গিয়ে মূল প্রাপ্তি রসিদ জমা দিয়ে সেই পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। ডিসিসির বাইরে ঢাকা জেলার অন্যান্য উপজেলা বা থানার বাসিন্দা কিংবা দেশের অন্য কোনো জেলার বাসিন্দারা পরিচয়পত্র নির্দিষ্ট সময়ে না উঠিয়ে থাকলে, তাঁদের প্রাপ্তি রসিদ সংশ্লিষ্ট উপজেলা, থানা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মন্তব্যসহ প্রাপ্তি রসিদ জমা দিয়ে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। তাঁদের মূল প্রাপ্তি রসিদ প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র গ্রহণ করতে হবে। প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে তাঁদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।
অভিবাসীরা যেভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেনঃ
অভিবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার সুযোগ আছে। এ জন্য তাঁদের অবশ্যই দেশে আসতে হবে। তাঁদের থাকতে হবে পাসপোর্ট। আর তাতে বাংলাদেশে আসার সিল (অ্যারাইভাল সিল) থাকতে হবে। কারও যদি পাসপোর্ট না থাকে, তবে তাঁকে এমন কোনো কাগজ দেখাতে হবে, যেটা প্রমাণ করে যে তিনি বিদেশে ছিলেন। পাসপোর্ট বা সেই প্রমাণপত্র নিয়ে তাঁকে যেতে হবে তাঁর থানা বা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া এবং ভোটার হওয়ার আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। সেখানে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবেদনকারীকে ফরম ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র নিয়ে আসতে হবে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। সেই দপ্তর থেকে সব কাগজপত্র ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে থাকা ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের দপ্তরে। তবে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে কাগজপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষ করে আবেদনকারী সেগুলো হাতে হাতে নিয়ে আসতে পারেন প্রকল্পের কার্যালয়ে। এখানে আবেদনকারীর ছবি তোলা হবে, নেওয়া হবে হাতের ছাপ ও চোখের (আইরিশ) স্ক্যান। এসব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রাপ্তি রসিদ দেওয়া হবে। তাতে আবেদনকারীকে ১৫ দিন পর আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলায় প্রকল্পের দপ্তর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হবে। তখন অবশ্যই প্রাপ্তি রসিদ আবেদনকারীর সঙ্গে থাকতে হবে।
নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে হলেঃ
বাংলাদেশে কারও বয়স ১৮ বছর হলেই কেবল তিনি ভোটার তালিকায় নাম ওঠাতে পারেন। দেশের প্রতিটি উপজেলায় সার্ভার স্টেশন তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। এসব স্টেশনে ভোটার তালিকা তৈরি ও বিতরণের কাজ করা হবে। এগুলোয় কার্যক্রম শুরু হলে যখন যাঁর বয়স ১৮ বছর হবে, তখন তিনি ভোটার তালিকায় নাম ওঠাতে পারবেন। এখন ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া মাত্রই জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সুযোগ থাকছে তাঁদেরই, যাঁদের চিকিৎসা, পড়াশোনা বা কাজের জন্য বিদেশে যেতে হবে। এ জাতীয় কোনো প্রয়োজনীয়তার প্রমাণ দেখাতে হবে।
যোগাযোগঃ ভোটার তালিকাসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে হলে যোগাযোগ করতে হবে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলার কার্যালয়ে।

*****পরবর্তিতে মনে রাখার জন্য শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে সেভ করে রাখুন ।

19/08/2014

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষার তারিখঃ ৫ সেপ্টেম্বর- ২৬ সেপ্টেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ ২১ -৩১ আগস্ট বেলা ২টা পর্যন্ত।
২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটায় আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এ আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩১ আগস্ট বেলা ২টা পর্যন্ত।
ভর্তিচ্ছুদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (www.du.ac.bd) ভর্তি সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে।
ভর্তি ফরমের মূল্য নির্ধারিত করা হয়েছে ৩২০ টাকা। এর মধ্যে ৩০০ টাকা ফরমের মুল্য। আর ২০ টাকা ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ। নির্ধারিত ইউনিটের ব্যাংক পে ইন স্লিপ ডাউনলোড করে রাষ্ট্রায়াত্ব চারটি ব্যাংকের (সোনালী, রূপালী, অগ্রনী, জনতা) যে কোনো শাখায় জমা দেওয়া যাবে।
প্রথম বর্ষ ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ সেপ্টেম্বর। এদিন বাণিজ্য অনুষদের অধীন ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া বিজ্ঞান অনুষদের অধীন ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১২ সেপ্টেম্বর, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৯ সেপ্টেম্বর।
আর বিভাগ পরিবর্তনকারী ঘ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৬ সেপ্টেম্বর এবং চারুকলা অনুষদের অধীন চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষার তারিখঃ ১৩ সেপ্টেম্বর- ২৫ সেপ্টেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ ১৭ -৩১ আগস্ট বেলা ২টা পর্যন্ত।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ভর্তির জন্য এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ১৭ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে এ আবেদন করতে হবে।বিভিন্ন অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। ভর্তি সংক্রান্ত যোগাযোগ করা যেতে পারে ০১৭৮৭-১২৩৬১৪ নম্বরে। www.juniv.edu/admission থেকে ভর্তি নির্দেশিকা ডাউনলোড করে বিস্তারিত জেনে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষার তারিখঃ ৫ সেপ্টেম্বর- ২৬ সেপ্টেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ ১৮ -২৭ আগস্ট বেলা ২টা পর্যন্ত।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু হবে ১৮ আগস্ট। ২৭ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ভর্তি আবেদন করতে পারবে।
২০১১ বা ২০১২ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০১৩ বা ২০১৪ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ৭.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। অন্যান্য শাখার জন্য কমপক্ষে জিপিএ ৭.০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও কমপক্ষে জিপিএ ৬.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ‘ই’ ইউনিটে আবেদন করতে পারবে।
তবে এস.এস.সি./সমমান অথবা এইচ.এস.সি./সমমান কোন পরীক্ষায় জিপিএ ২.৫ এর নীচে প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে না।
এদিকে জিসিই ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ৩টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেড সহ ন্যূনতম ৫টি বিষয়ে উত্তীর্ণ এবং ২০১৩ বা ২০১৪ সনের ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে ‘সি’ গ্রেডসহ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, চতুর্থ বিষয়সহ মোট জিপিএ গণণা করা হবে। কোটায় ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের সময় কোটা উল্লেখ করতে হবে।
এবার ৫ সেপ্টেম্বর ‘সি’ ইউনিটের ৬২০টি, ১২ সেপ্টেম্বর ‘এ’ ইউনিটে ৭৯০টি, ১৩ সেপ্টেম্বর ‘ই’ ইউনিটে ১০০টি, ১৯ সেপ্টেম্বর ‘বি’ ইউনিটে ৭১০টি এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ‘ডি’ ইউনিটে ৫৪০টি আসনসহ সর্বমোট ২৭৬০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (www.jnu.ac.bd) পাওয়া যাবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়:
পরীক্ষার তারিখঃ ৩০ অক্টোবর - ১ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ ২১ -৩১ আগস্ট বেলা ২টা পর্যন্ত।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত।
আগামী ২০ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তিচ্ছুরা টেলিটক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস পাঠিয়ে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।
আর পরীক্ষা শুরু হবে ৩০ অক্টোবর থেকে। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুল এবং একইদিন বিকাল ৩টায় জীব বিজ্ঞান স্কুলের পরীক্ষা হবে।
৩১ অক্টোবর শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় সামাজিক বিজ্ঞান স্কুল এবং বিকাল ৩টায় কলা ও মানবিক স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
শেষ দিন ১ নভেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুল এবং বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে চারুকলা ইনস্টিটিউটের ভর্তি পরীক্ষা।
ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.ku.ac.bd) পাওয়া যাবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৩ নভেম্বর শুরু হবে।
২৩ নভেম্বর শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।বিস্তারিত জানা যাবে www.iu.ac.bd এ ওয়েব ঠিকানায়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষার তারিখঃ ১৭ - ১৮ অক্টোবর
আবেদনের সময় সীমাঃ ২৪ আগস্ট - ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ১৭ ও ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইন ফরম পূরণ চলবে ২৪ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিস্তারিত তথ্য:www.barisaluniv.edu.bd
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষার তারিখঃ ১৪ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি), ঢাকার ভর্তি পরীক্ষা ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত তথ্য: www.sau.edu.bd
যবিপ্রবি:
পরীক্ষার তারিখঃ ৬ - ৭ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ ১ - ৩০ সেপ্টেম্বর।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি (সম্মান ও ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৬ ও ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার ফরম পূরণ কার্যক্রম চলবে ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। www.just.edu.bd
শাবিপ্রবি:
পরীক্ষার তারিখঃ ১৫ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি পরীক্ষা ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-www.sust.edu এ ওয়েব অ্যাড্রেসটিতে।
কুয়েট:
পরীক্ষার তারিখঃ ৩১ অক্টোবর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যাচেলর অব আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং (বিইউআরপি) কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর। ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত তথ্য: www.kuet.ac.bd
রুয়েট:
পরীক্ষার তারিখঃ ২৪ অক্টোবর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত তথ্য-www.ruet.ac.bd
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষার তারিখঃ ৮ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(চুয়েট) এর ভর্তি পরীক্ষা ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত তথ্য: www.cuet.ac.bd
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষার তারিখঃ ২৮ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ ০১ সেপ্টেম্বর - ২৫ অক্টোবর।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(পাবিপ্রবি) এবারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ নভেম্বর। এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের সময়সীমা ০১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। বিস্তারিত জানতে http://www.pust.ac.bd ভিজিট করুন।
মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা ৩ অক্টোবর
পরীক্ষার তারিখঃ ৩ অক্টোবর
আবেদনের সময় সীমাঃ ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৩ অক্টোবর। আরও তথ্য পাবেনwww.dghs.gov.bd ও http://dghs.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়:
পরীক্ষার তারিখঃ ২৭ অক্টোবর- ০৬ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর।
২৭ অক্টোবর থেকে ০৬ নভেম্বর(http://www.cu.ac.bd) ,
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,ময়মনসিংহ:
পরীক্ষার তারিখঃ ৮ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
পরীক্ষার তারিখঃ ২৯ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
২৯ নভেম্বর(http://mbstu.ac.bd)
জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল:
পরীক্ষার তারিখঃ ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর
আবেদনের সময় সীমাঃ এখনও ঘোষণা পাওয়া যায় নি।
১০ থেকে ১৩ নভেম্বর(http://www.jkkniu.edu.bd) অনুষ্ঠিত হবে।
রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ২৫ আগস্ট
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ২৫ আগস্ট। এদিন রাত ১২টা ১ মিনিটে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত।
শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. ইলিয়াস হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এসএসসি/সমমান এবং ২০১৩ ও ২০১৪ সালের এইচএসসি/সমমান, আলিম, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বিএফএ(প্রাক), ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং (কম্পিউটার টেকনোলজি), ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিচালচার, বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভকেশনাল) ও এইচএসসি (ভকেশনাল), O লেভেল ও A লেভেল এবং অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কেবল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে না।
মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫সহ মোট জিপিএ ৭.৫ পেতে হবে। বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০সহ মোট জিপিএ ৮.৫ পেতে হবে। বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫ সহ মোট জিপিএ ৮.০০ পেতে হবে।
O লেভেল এবং A লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে 0 লেভেলে ৫টি বিষয়ে এবং A লেভেলে ২টি বিষয়ে ঊত্তীর্ণ হতে হবে এবং উভয় লেভেলে মোট ৭টির মধ্যে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে B ও ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড পেতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় তাদের পৃথক প্রশ্নপত্র থাকবে।
আবেদনকারী যে ইউনিটে আবেদন করুক না কেন সে যে শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সেই শাখার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এছাড়া ইউনিট ও বিভাগ কর্তৃক আরোপিত শর্তও প্রযোজ্য হবে।
উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষা ১৯ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও আসন বিন্যাসসহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.ru.ac.bd) অথবা (http://admission.ru.ac.bd) এবং বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত বিস্তারিত তথ্যাদি জেনে নিয়ে টেলিটক মোবাইল ফোন থেকে SMS করে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন

28/07/2014

Address

Jessore
7400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jessore City posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Jessore City:

Share