04/05/2018
ছাত্রলীগ নেতা বানানো হবে জীবন বৃত্তান্ত আর গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে: প্রধানমন্ত্রী
আসন্ন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলনে এবার কোনও ভোট পর্ব হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, এবারের সম্মেলনে কোনও ২য় পর্বও থাকবে না। যোগ্যতার ভিত্তিতে পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড, মেধা এসব বিবেচনায় নিয়ে সিলেকশন পদ্ধতিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, নেতা বানানো হবে জীবন বৃত্তান্ত দেখে ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে।
সোমবার (৩০ এপ্রিল) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের নেতাদের সঙ্গে এক অনির্ধারিত সভায় ছাত্রলীগের ব্যাপারে এই নির্দেশনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। নেতাদের কাছ থেকে ছাত্রলীগের আসন্ন সম্মেলনের সর্বশেষ প্রস্তুতিও জানতে চান তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, মাহবুব উল আলম হানিফ, আব্দুর রহমানসহ অন্য কয়েকজন নেতা।
জানা গেছে, ওই সভায় শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘সম্মেলনে কোনও প্রার্থীর নাম প্রস্তাব ও সমর্থনেরও প্রয়োজন নেই। যোগ্যতার ভিত্তিতে পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড, মেধা এসব বিবেচনায় নিয়ে সিলেকশন পদ্ধতিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি সবক্ষেত্রে এবার সিলেকশন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হলে বহুদিনের ‘অদৃশ্য সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে’ বলে মনে করেন ছাত্রলীগের বর্তমান কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা।
পদপ্রত্যাশীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ছাত্রলীগের সাবেক এক সভাপতি এতদিন ধরে সিন্ডিকেটটি নিয়ন্ত্রণ করতেন। এবার সেখান থেকে বের হতে যাচ্ছে ছাত্রলীগ। সংগঠনটির নেতাকর্মীদের দাবি অদৃশ্য সিন্ডিকেট মুক্ত নেতৃত্ব বাছাই হোক ছাত্রলীগের জন্য।
উল্লেখ্য, আগামী ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু নেতা নির্বাচন এখনও আটকে আছে। সূত্র সময় এখন।
[হাকালুকি নিউজ ডেক্স থেকে সংগৃহীত ]