Cyber Crime investigation Cell, Jashore

Cyber Crime investigation Cell, Jashore Cyber crime investigation cell provides necessary advice and legal assistance towards the victims.

06/08/2026

যশোর সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের অভিযানে অনলাইনে ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণাকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার, আত্মসাৎকৃত অর্থ ও মালামাল উদ্ধার।

যশোর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের অভিযানে অনলাইনে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোরের এসআই দেবব্রত ঘোষের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল গত ০৫ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ১২:৪৫ মিনিটে যশোর কোতোয়ালি থানার নাজির শংকরপুর হাজারি রেলগেট এলাকা থেকে মোঃ মনিরুল ইসলাম (২৫)-কে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাত আনুমানিক ২:৪০ মিনিটে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার লিচুবাগান, পুরাতন কসবা এলাকায় আব্দুস সবুর খানের বসতবাড়ির তৃতীয় তলা থেকে খালেক সরকার (৩৩)-কে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার বাদী মানিক কুমার আগরওয়াল (৪৩), পিতা- শ্যাম সুন্দর আগরওয়াল, সাং- মুন্সিগঞ্জ, থানা- আলমডাঙ্গা, জেলা- চুয়াডাঙ্গা। তিনি মেসার্স আর এস ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী এবং আমদানিকারক ও স্থানীয় ট্রেডিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে অজ্ঞাতনামা প্রতারকরা নিজেদের 'কাজী ফার্মস লি., যশোর'-এর পরিচালক পরিচয় দিয়ে বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ৭৫ মেট্রিক টন গমের ভূষি ক্রয়ের আগ্রহ প্রকাশ করে। প্রতি কেজি ৩২ টাকা দরে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর তারা নিজেদের ম্যানেজার পরিচয়দানকারী প্রকৌশলী মোঃ রবিউল ইসলাম রবির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে।

প্রতারকদের নির্দেশনা অনুযায়ী বাদীপক্ষ ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে দুটি ট্রাকে ২৮,০১০ কেজি এবং ২৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে আরও তিনটি ট্রাকে ৪০,৪১০ কেজি গমের ভূষি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেয়। পরবর্তীতে প্রতারকরা গাড়ি ভাড়া, সিকিউরিটি মানি ও ভ্যাটের অজুহাতে নগদ অর্থ, মোবাইল ব্যাংকিং এবং ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে অর্থ গ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আরও ৩০,০০০ টাকা ধার চাওয়ায় বাদীর সন্দেহ সৃষ্টি হয়। এরপর ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তিনি সরাসরি যশোরে কাজী ফার্মস লিমিটেডের অফিসে যোগাযোগ করলে কর্তৃপক্ষ জানায় যে, তারা কোনো গমের ভূষির অর্ডার দেয়নি এবং অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বা ছবি তাদের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর নয়।

এছাড়া মালামাল পরিবহনকারী ট্রাকচালকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, প্রতারকরা কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সামনের পাকা রাস্তা থেকেই সব মালামাল গ্রহণ করে। এভাবে কাজী ফার্মস লিমিটেডের নাম, ভুয়া পরিচয় ও হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবহৃত ছবি কাজে লাগিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বাদীর কাছ থেকে মোট ৩৪,১৯,২৫৬ (চৌত্রিশ লক্ষ উনিশ হাজার দুইশত ছাপ্পান্ন) টাকা আত্মসাৎ করে।

অভিযানকালে গ্রেফতারকৃত খালেক সরকার (৩৩)-এর হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ আলামত জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ২টি ল্যাপটপ, ১টি ২৫০ সিসি মোটরসাইকেল, ৫১টি বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম, ব্যাংকের চেকবই, ভুয়া এনআইডি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে প্রস্তুতকৃত জাল বিল-ভাউচার, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত নগদ ১০,০৩,০০০( এক লক্ষ তিন হাজার) টাকা এবং আনুমানিক ১,৫০,০০০ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার। প্রাথমিক তদন্তে এসব আলামত প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ও প্রতারণালব্ধ অর্থ থেকে অর্জিত বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পাবনার চাটমোহর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রতারণা চক্রের আরেক সদস্য মোঃ আবুল বাশারকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হলেও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত ৭৭ বস্তা (৩,৮৫০ কেজি) গমের ভূষি এবং ১৮৫টি খালি গমের ভূষির বস্তা জব্দ করা হয়।

আসামীদের ইং- ০৬/০৮/২০২৬ খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।

আসামীদের নাম ও ঠিকানাঃ
০১।মোঃ মনিরুল ইসলাম (২৫)
পিতা-মোঃ নুরু মোল্লা, মাতা-মোছাঃ মনজুয়ারা খাতুন
সাং-নটাবাড়িয়া (খলিফাপাড়া), থানা-চাটমোহর, জেলা-পাবনা।
০২। খালেক সরকার (৩৩)
পিতা-মোঃ ইসমাইল হোসেন, মাতা-মোছাঃ আয়তন খাতুন,
সাং-দোদারিয়া (পূর্বপাড়া), থানা-চাটমোহর, জেলা-পাবনা।

উদ্ধারঃ
০১। ৭টি মোবাইল ফোন
০২। ২টি ল্যাপটপ
০৩। ১টি ২৫০ সিসি মোটরসাইকেল
০৪। ৫১টি বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম
০৫। ব্যাংকের চেকবই
০৬। ভুয়া এনআইডি
০৭। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে প্রস্তুতকৃত জাল বিল-ভাউচার
০৮। প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত নগদ ১০,০৩,০০০(দশ লক্ষ তিন হাজার) টাকা
০৯। দুই জোড়া স্বর্ণ সদৃশ কানের দুল ও ২ টি স্বর্ণ সদৃশ আংটি
১০। ৭৭ বস্তা গমের ভূসি
১১। ১৮৫ টি গমের খালি বস্তা।

06/10/2025

সম্মানিত যশোরের নাগরিকবৃন্দ, বর্তমানে অনলাইন জুয়া প্রকট আকার ধারণ করেছে। আপনার পার্শ্ববর্তী কোন ব্যক্তি যদি অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হয়ে থাকে এবং জুয়া পরিচালনা করে। তাহলে আমাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন। আপনার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

03/06/2025

ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় ভুয়া মেজর গ্ৰেফতার করেছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর।

বাদী একজন চিকিৎসক এবং প্রতিনিয়ত তার চেম্বারে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় আসামি মোঃ বেনজির হোসেন(৪১), চিকিৎসা নিতে আসে বাদীর চেম্বারে এবং একপর্যায়ে সে নিজেকে সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেয়। সে ক্যাডেটে পড়াশোনা করেছে বলে জানায়।

একপর্যায়ে আসামি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাদীকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে এবং বাদীকে বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে।

পরবর্তীতে বাদী তার প্রেমের ফাঁদে আটকে যায়, তখন আসামি নানা উপায়ে আবাসিক হোটেলে নিয়ে মিথ্যা আশ্বাস প্রদান করে বাদীর সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আসামি বাদীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সময় অত্যন্ত সুকৌশলে বাদীর নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রাখে।

এরপর আসামি বাদীকে উক্ত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে বাদীর বাসায় এসে তার সাথে জোর পূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

একটা সময় আসামি বাদীকে জানায় যে তার বিদেশে যোগাযোগ রয়েছে এবং সে বাদীকে ভালো চাকরির ব্যবস্থা করে দিবে মর্মে বাদীর নিকট হতে বিভিন্ন সময়ে সর্বমোট ৫০,০০,০০০/-(পঞ্চাশ লক্ষ টাকা) নেয়। একপর্যায়ে বাদী বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ ও টাকা ফেরত চাইলে আসামি তাকে কোন টাকা ফেরত দিবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়।

এরই মাঝে বাদী খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন যে, আসামি কোন মেজর নন, সে একজন প্রতারক। সে এভাবে নিজেকে বড় অফিসার দাবি করে প্রতারণার মাধ্যমে নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকে।

এমনতথ্য জানতে পেরে বাদী আসামিকে ডেকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে আসামি সব শিকার করে এবং এ সম্পর্কে কাউকে কিছু জানালে বাদীর শিশু পুত্রকে গুম করে দিবে এবং তার নিকট থাকা বাদীর নগ্ন ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে।

এমন অবস্থায় বাদী কোন প্রকার উপায় অন্ত না পেয়ে থানায় এসে আসামির বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে বিষয়টি জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব রওনক জাহান মহোদয় অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন এবং জড়িত আসামিকে দ্রুত গ্ৰেফতারের জন্য সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলকে নিদর্শননা প্রদান করেন।

বাদীর এজাহার ও সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় যশোর সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল অদ্য ০৩/০৬/২০২৫খ্রিঃ ভোর রাতে অভিযান পরিচালনা করে নড়াইল সদর থানাধীন মির্জাপুর এলাকায় আসামি বেনজির হোসেনকে তার বসত বাড়ির শয়ন কক্ষ হতে গ্ৰেফতার করেছে।

এসময় আসামির নিকট হতে ০৬(ছয়)টি মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড, আসামির নামীয় একটি পাসপোর্ট ও চারটি চেকের পাতা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।

আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং সে বিভিন্ন সময়ে প্রতারণার মাধ্যমে নারীদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন সহ অর্থ হাতিয়ে নেয় মর্মেও জানায়।

এসংক্রান্তে গ্ৰেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামির নামে এর আগেও বিভিন্ন থানায় পর্নোগ্রাফি সহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে একজন পেশাদার প্রতারক।

আসামির নাম ও ঠিকানাঃ
মোঃ বেনজির হোসেন (৪১), পিতা-মৃত জামির হোসেন, সাং-মির্জাপুর (পূর্বপাড়া), থানা-নড়াইল সদর, জেলা-নড়াইল।

উদ্ধারঃ
১। ০৬(ছয়)টি মোবাইল ফোন,
২। তিনটি সিম কার্ড,
৩। আসামির নামীয় একটি পাসপোর্ট,
৪। চারটি চেকের পাতা।

15/05/2025
29/03/2025

সাইবার সংক্রান্ত কোন অপরাধের শিকার হলে এই পেইজে নক দিন। ধন্যবাদ।

অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচারচক্রের ছয় সদস্য গ্রেফতার।সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর সাইবার পে...
28/03/2025

অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচারচক্রের ছয় সদস্য গ্রেফতার।

সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর সাইবার পেট্রোলিং করাকালীন দেখতে পায়, অজ্ঞাতনামা কতিপয় ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে ঝিকরগাছা থানা এলাকায় অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অপরধ চক্রটি 1XBet, Melbet, Linebet এর এজেন্ট নিয়ে অনলাইন জুয়ার ব্যবসা পরিচালনা করছে, তাদের এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড লোক চক্ষুর আড়াল করতে অফিসে গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ইউটিউব চ্যানেলের কার্যক্রমও পরিচালনা করে যাচ্ছে।

এই চক্রটি মূলত নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে অন্যের নামে রেজিস্ট্রেশন করা বিকাশ সিম দিয়ে বিগত এক বছর অনলাইন জুয়া পরিচালনা করে আসছিল।

সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল আরো জানতে পারে যে এই চক্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম ও টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে জুয়ার প্রচার-প্রচারণা
চালাতো। তারা অনলাইন জুয়ার সমস্ত টাকা বেনামী বিকাশ একাউন্ট গুলোর মাধ্যমে সংগ্রহ করত এবং পরবর্তীতে সেই টাকা ডলারে কনভার্ট করে Binance এবং Swap.Paykassma এর মাধ্যমে ভারত ও রাশিয়ায় পাচার করে দিত।

উপরোক্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে বিষয়টি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, যশোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষের নির্দেশনায় এসআই(নিঃ)/ শিবু মন্ডলের নেতৃত্বে একটি টিম গতকাল ইং ২৭/০৩/২০২৫ খ্রিঃ রাত ০৯.০০ ঘটিকায় ঝিকরগাছা থানাধীন হাজের আলী গ্রাম অভিযান পরিচালনা করে অনলাইন জুয়া পরিচালনার সাথে জড়িত ছয়জনকে গ্ৰেফতার করে এবং তাদের দখল হতে মোবাইল ও ল্যাপটপে অনলাইন জুয়ার একাউন্ট লগইন অবস্থায় পায়।

পরবর্তীতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনায় আসামিরা প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মত লেনদেন করত।

মূলত গ্রেফতারকৃত আসামি নাজমুল ওয়াহীদ@মিল্লাত ও তার ভাই নাজমুল শাহাদাতের নেতৃত্বেই অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালিত হত।

এসংক্রান্তে ঝিকরগাছা থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের নাম
১। নাজমুল ওয়াহীদ@মিল্লাত (৩৪),
২। মোঃ নাজমুল শাহাদাত (৩০),
৩। মোঃ মাহাবুবুর রহমান @ মাসুম(৩২),
৪। মোঃ আসাদুল ইসলাম(২২),
৫। মোহাম্মদ জাহিদ হাসান (২২),
৬। মোঃ তারেক রহমান (২২)।

জব্দকৃত আলামতঃ
১। বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইল ফোন ১০ টি।
২। স্যামসাং ট্যাব ০২ টি।
৩। বিভিন্ন ব্রান্ডের ল্যাপটপ ০৫ টি।
৪। সিম সর্বমোট ৩০ টি।
৫। হার্ডডিস্ক ০৩ টি।
৬। বিকাশ এজেন্ট ব্যালান্স ২,৬৩,০০০ টাকা।

Address

Police Super Office Jashore
Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cyber Crime investigation Cell, Jashore posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share